ঢাকা ০৩:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ভৈরবে নবাগত পুলিশ সুপারের সঙ্গে ব্যবসায়ী নেতাদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত Logo মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে ইইউ ইলেকশন অবজারভেশন মিশনের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo নবীনগরে মতবিনিময় সভা: তৃণমূলে উন্নয়ন পৌঁছে দিতে আন্তরিকতার আহ্বান জেলা প্রশাসকের Logo অল্প সময়ে,স্বল্প খরচে সঠিক বিচার পেতে চল যাই গ্রাম আদালতে Logo কিশোর গঞ্জ জেলা ভৈরবের শিমুলকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাইকোর্টের আদেশেও দায়িত্ব পাননি চেয়ারম্যান রিপন Logo ছয় মাসেও ফেরেনি প্রতিবন্ধী রাজ্জাকের দোকান, আশ্বাসেই থমকে আছে প্রশাসনিক উদ্যোগ Logo রূপপুরের চুল্লিতে যেভাবে তৈরি হবে বিদ্যুৎ Logo জাতীয় নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগের সত্যতা পায়নি ইইউ Logo কক্সবাজারে এমপি কাজলের প্রচেষ্টায় গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে নেয়া হল বড় প্রকল্প Logo চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় মাইক্রোবাস খাদে পড়ে নিহত ৩

প্রধান বন সংরক্ষক ও ডিপিডিসির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে দুদক

প্রধান বন সংরক্ষক ও ডিপিডিসির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে দুদক​সংবাদচিত্র : ফোকাস বাংলা নিউজ

বন অধিদপ্তরের দেড় হাজার কোটি টাকার ‘সুফল’ প্রকল্পে দুর্নীতির খোঁজে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগের তালিকায় প্রধান বন সংরক্ষক কর্মকর্তা আমির হোসাইন চৌধুরী, প্রকল্প পরিচালক গোবিন্দ রায়সহ সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আব্দুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে নিজ কোম্পানির যন্ত্রপাতি সরবরাহসহ বিস্তর দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু করেছে সংস্থাটি।

দুদকের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম রোববার (১০ আগস্ট ২০২৫) দুপুরে দুদক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান।

জানা যায়, দেশের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ২৫ শতাংশ বনভূমি প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যে সরকারি বনজ সম্পদ উন্নয়নে ২০১৮ সালে টেকসই বন ও জীবিকা শীর্ষক ‘সুফল’ প্রকল্প গ্রহণ করে বন অধিদপ্তর। দুদকের কাছে অভিযোগ আসে, প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার বন মন্ত্রণালয়ের সবচেয়ে বড় প্রকল্পের মাঠ পর্যায়ে পদে পদে ঘটেছে দুর্নীতি।

এমন অভিযোগে গেল ফেব্রুয়ারিতে অভিযান চালায় দুদক। অভিযানে মেলে সুফল প্রকল্প কাগজে-কলমে কাজ দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ। অভিযোগের তীর প্রধান বন সংরক্ষক কর্মকর্তা আমির হোসাইন চৌধুরী, প্রকল্প পরিচালক গোবিন্দ রায়সহ অন্যদের বিরুদ্ধে।

দুদকের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম বলেন, অভিযানের যে তথ্য উপাত্ত পাওয়া গেছে তার প্রেক্ষিতে দুদক অনুসন্ধান করছে। অনুসন্ধান শেষে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। তখন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে, নিজের প্রতিষ্ঠানে নিম্নমানের উৎপাদিত বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ডিপিডিসিতে সরবরাহ, পদ বাগাতে দুর্নীতি, অবৈধ সম্পদ অর্জনসহ বিভিন্ন অভিযোগে ডিপিডিসির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আব্দুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে।

এ বিষয়ে দুদক উপপরিচালক বলেন, ডিপিডিসির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি নিজে কোম্পানি করে তার প্রোডাক্ট গ্রাহকের কাছে বিক্রিতে উৎসাহিত করতেন, প্রলুব্ধ করতেন। এসব অভিযোগের অনুসন্ধান করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মেসার্স/ ন্যাশনাল /সময়ের কন্ঠ

এবার দুদকের জালে প্রকৌশলী আব্দুর রাজ্জাক
আব্দুর রাজ্জাকের দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে বিদ্যুৎ বিভাগ
অনিয়ম-দুর্নীতিতে অপ্রতিরোধ্য দুই প্রকৌশলী


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভৈরবে নবাগত পুলিশ সুপারের সঙ্গে ব্যবসায়ী নেতাদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

প্রধান বন সংরক্ষক ও ডিপিডিসির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে দুদক

আপডেট সময় ১০:২৬:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫

প্রধান বন সংরক্ষক ও ডিপিডিসির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে দুদক​সংবাদচিত্র : ফোকাস বাংলা নিউজ

বন অধিদপ্তরের দেড় হাজার কোটি টাকার ‘সুফল’ প্রকল্পে দুর্নীতির খোঁজে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগের তালিকায় প্রধান বন সংরক্ষক কর্মকর্তা আমির হোসাইন চৌধুরী, প্রকল্প পরিচালক গোবিন্দ রায়সহ সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আব্দুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে নিজ কোম্পানির যন্ত্রপাতি সরবরাহসহ বিস্তর দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু করেছে সংস্থাটি।

দুদকের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম রোববার (১০ আগস্ট ২০২৫) দুপুরে দুদক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান।

জানা যায়, দেশের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ২৫ শতাংশ বনভূমি প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যে সরকারি বনজ সম্পদ উন্নয়নে ২০১৮ সালে টেকসই বন ও জীবিকা শীর্ষক ‘সুফল’ প্রকল্প গ্রহণ করে বন অধিদপ্তর। দুদকের কাছে অভিযোগ আসে, প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার বন মন্ত্রণালয়ের সবচেয়ে বড় প্রকল্পের মাঠ পর্যায়ে পদে পদে ঘটেছে দুর্নীতি।

এমন অভিযোগে গেল ফেব্রুয়ারিতে অভিযান চালায় দুদক। অভিযানে মেলে সুফল প্রকল্প কাগজে-কলমে কাজ দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ। অভিযোগের তীর প্রধান বন সংরক্ষক কর্মকর্তা আমির হোসাইন চৌধুরী, প্রকল্প পরিচালক গোবিন্দ রায়সহ অন্যদের বিরুদ্ধে।

দুদকের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম বলেন, অভিযানের যে তথ্য উপাত্ত পাওয়া গেছে তার প্রেক্ষিতে দুদক অনুসন্ধান করছে। অনুসন্ধান শেষে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। তখন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে, নিজের প্রতিষ্ঠানে নিম্নমানের উৎপাদিত বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ডিপিডিসিতে সরবরাহ, পদ বাগাতে দুর্নীতি, অবৈধ সম্পদ অর্জনসহ বিভিন্ন অভিযোগে ডিপিডিসির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আব্দুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে।

এ বিষয়ে দুদক উপপরিচালক বলেন, ডিপিডিসির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি নিজে কোম্পানি করে তার প্রোডাক্ট গ্রাহকের কাছে বিক্রিতে উৎসাহিত করতেন, প্রলুব্ধ করতেন। এসব অভিযোগের অনুসন্ধান করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মেসার্স/ ন্যাশনাল /সময়ের কন্ঠ

এবার দুদকের জালে প্রকৌশলী আব্দুর রাজ্জাক
আব্দুর রাজ্জাকের দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে বিদ্যুৎ বিভাগ
অনিয়ম-দুর্নীতিতে অপ্রতিরোধ্য দুই প্রকৌশলী


প্রিন্ট