ঢাকা ১২:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মানবতাবিরোধী অপরাধে আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত খান আকরাম খালাস Logo রাজধানীতে থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ Logo তানোরে সরকারি কর্মকর্তার সাথে এমপি মুুজিবুবের পৃথক মতবিনিময় সভা! Logo নবর্নিবাচিত সাংসদকে প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের সংবর্ধনা Logo গংগাছড়া উপজেলায় ক্যাসিনো খেলায় প্রতিটি যুবক আসক্ত ৩ নং বড়বিল মন্থনা বাজারে ছড়িয়ে পড়েছে Logo জামালপুরে ৪টি ইফতার সামগ্রীর দোকানে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা Logo লালমনিরহাটে অনলাইন জুয়া পরিচালনা ও অবৈধ সিম বিক্রির অভিযোগে গ্রেফতার পাঁচ জন Logo বীরগঞ্জে রমজান উপলক্ষে বাজার মনিটরিং জোরদার, ৪টি দোকান পরিদর্শন Logo কোস্ট গার্ডের অভিযানে গাঁজাসহ ১ মাদক কারবারি আটক Logo আনোয়ারায় রাতের আঁধারে পরৈকোড়া ইউনিয়নের সাদ্দামের বিরুদ্ধে মাটি কাটার অভিযোগ,

মিরপুরের কাউন্দিয়া ইউনিয়নে দৃঢ় নেতৃত্বে আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠনের মিশন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:০৫:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫
  • ২২৭ ১৮৪৪.০০০ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর দ্বীপ খ্যাত ঢাকার উপকণ্ঠে সাভার উপজেলাধীন কাউন্দিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠনের কাজে নতুন গতি এনেছেন মেলার ট্যাক এলাকার প্রবীণ নেতা সেন্টু মিয়া মেম্বার। স্থানীয় পর্যায়ে সুপরিচিত এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বর্তমানে অতিগোপনে পুরো ইউনিয়নজুড়ে সংগঠন পুনর্গঠন ও পুনরুজ্জীবিত করণ কর্মসূচির নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি।

সেন্টু মিয়া মেলার টেকের সোবহান মাঝির ছেলে। কাউন্দিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।

তবে ৫ আগস্ট ছাত্র বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে আওয়ামী সরকারের পতনের পর শীর্ষস্থানীয় সিনিয়র নেতাদের একাংশ পলাতক থাকায়, কৌশলগতভাবে নেতৃত্বের ভার এসে পড়েছে তার কাঁধে। জানা গেছে ছাত্র বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে একাধিক হত্যা মামলার আসামি হওয়ার পরেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরে না আসায় তিনি সুকৌশলে চালিয়ে যাচ্ছে এসকল কর্মকান্ড।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়রা বলছেন, শুধুমাত্র দলীয় কর্মকাণ্ড নয়—এই ইউনিয়ন এখন একটি নিরাপদ রাজনৈতিক আশ্রয়স্থলেও পরিণত হয়েছে। দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে অনেক তরুণ রাজনৈতিক নেতা ও ভবিষ্যৎ ফিল্ডাররা সেন্টু মিয়ার আশ্রয়ে এখানে অবস্থান করছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, “সেন্টু মিয়া শুধু একজন সংগঠক নন, তিনি বর্তমানে ইউনিয়নের সাবেক ২ চেয়ারম্যান শান্ত খান ও সাইফুল আলম খানের বিকল্প হিসেবে স্থানীয় আওয়ামী লীগের একজন বড় ধরনের অভিভাবক।

ইতোমধ্যে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে দলের গোপনে স্থানীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে আলোচনা শুরু করেছেন। আওয়ামী পন্থী সাবেক দুই পলাতক চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় শীর্ষ নেতাদের অর্থায়নে সেন্টু মিয়ার মিশন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া আওয়ামী লীগকে স্থানীয় পর্যায়ে ফের শক্ত অবস্থানে দেখতে। কাউন্দিয়া ইউনিয়নে দলকে পুনরুজ্জীবিত করাই এখন তার অঙ্গীকার।”

আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠনের এই উদ্যোগকে ঘিরে স্থানীয় আওয়ামীপন্থী নেতৃত্বের মাঝে নতুন আশাবাদ তৈরি হয়েছে।

আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারির বাইরে ও নিরাপদ হওয়ায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আ’লীগ নেতাদরকে ইউনিয়নের আশ্রয় প্রশ্রয় ও নেতৃত্বদানের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন সেন্টু মািয়া।
সাবেক সেন্টুমেম্বার। বর্তমান সহ- সভাপতি আওয়ামী লীগের। চলবে


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মানবতাবিরোধী অপরাধে আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত খান আকরাম খালাস

মিরপুরের কাউন্দিয়া ইউনিয়নে দৃঢ় নেতৃত্বে আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠনের মিশন

আপডেট সময় ১১:০৫:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫

রাজধানীর দ্বীপ খ্যাত ঢাকার উপকণ্ঠে সাভার উপজেলাধীন কাউন্দিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠনের কাজে নতুন গতি এনেছেন মেলার ট্যাক এলাকার প্রবীণ নেতা সেন্টু মিয়া মেম্বার। স্থানীয় পর্যায়ে সুপরিচিত এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বর্তমানে অতিগোপনে পুরো ইউনিয়নজুড়ে সংগঠন পুনর্গঠন ও পুনরুজ্জীবিত করণ কর্মসূচির নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি।

সেন্টু মিয়া মেলার টেকের সোবহান মাঝির ছেলে। কাউন্দিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।

তবে ৫ আগস্ট ছাত্র বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে আওয়ামী সরকারের পতনের পর শীর্ষস্থানীয় সিনিয়র নেতাদের একাংশ পলাতক থাকায়, কৌশলগতভাবে নেতৃত্বের ভার এসে পড়েছে তার কাঁধে। জানা গেছে ছাত্র বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে একাধিক হত্যা মামলার আসামি হওয়ার পরেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরে না আসায় তিনি সুকৌশলে চালিয়ে যাচ্ছে এসকল কর্মকান্ড।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়রা বলছেন, শুধুমাত্র দলীয় কর্মকাণ্ড নয়—এই ইউনিয়ন এখন একটি নিরাপদ রাজনৈতিক আশ্রয়স্থলেও পরিণত হয়েছে। দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে অনেক তরুণ রাজনৈতিক নেতা ও ভবিষ্যৎ ফিল্ডাররা সেন্টু মিয়ার আশ্রয়ে এখানে অবস্থান করছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, “সেন্টু মিয়া শুধু একজন সংগঠক নন, তিনি বর্তমানে ইউনিয়নের সাবেক ২ চেয়ারম্যান শান্ত খান ও সাইফুল আলম খানের বিকল্প হিসেবে স্থানীয় আওয়ামী লীগের একজন বড় ধরনের অভিভাবক।

ইতোমধ্যে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে দলের গোপনে স্থানীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে আলোচনা শুরু করেছেন। আওয়ামী পন্থী সাবেক দুই পলাতক চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় শীর্ষ নেতাদের অর্থায়নে সেন্টু মিয়ার মিশন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া আওয়ামী লীগকে স্থানীয় পর্যায়ে ফের শক্ত অবস্থানে দেখতে। কাউন্দিয়া ইউনিয়নে দলকে পুনরুজ্জীবিত করাই এখন তার অঙ্গীকার।”

আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠনের এই উদ্যোগকে ঘিরে স্থানীয় আওয়ামীপন্থী নেতৃত্বের মাঝে নতুন আশাবাদ তৈরি হয়েছে।

আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারির বাইরে ও নিরাপদ হওয়ায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আ’লীগ নেতাদরকে ইউনিয়নের আশ্রয় প্রশ্রয় ও নেতৃত্বদানের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন সেন্টু মািয়া।
সাবেক সেন্টুমেম্বার। বর্তমান সহ- সভাপতি আওয়ামী লীগের। চলবে


প্রিন্ট