ঢাকা ০৬:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo জামালপুর,কুড়িগ্রাম ও টাঙ্গাইল তিন জেলায় মোতায়েন থাকবে ৪৩ প্লাটুন বিজিবি, Logo দিনাজপুর মেডিকেলে ইতিহাস গড়লেন অধ্যক্ষ ডা.সেখ সাদেক আলী Logo আশুলিয়ায় ডিবি পুলিশের অভিযানে চোর ও ছিনতাইকারী চক্ Logo নির্বাচন উপলক্ষে সুন্দরবনের উপকূলীয় এলাকায় কোস্টগার্ডের টহল জোরদার Logo আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মনোনীত প্রার্থী Logo নাসিরনগরে সেনাবাহিনীর অভিযানে ভারতীয় অবৈধ পণ্য জব্দ Logo প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসিরউদ্দিন Logo দ্য উইকে সাক্ষাৎকার জামায়াত প্রগতিশীল ও মধ্যপন্থি ইসলামী রাজনৈতিক দল: ডা. শফিকুর রহমান Logo নির্বাচন বানচালে ভারতের নীলনকশা, বড় হামলার ছক ওয়াসিম সিদ্দিকী Logo নাসিরনগরে সেনাবাহিনীর অভিযানে ভারতীয় অবৈধ পণ্য জব্দ

মিরপুরের কাউন্দিয়া ইউনিয়নে দৃঢ় নেতৃত্বে আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠনের মিশন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:০৫:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৯৮ ১৮৪৪.০০০ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর দ্বীপ খ্যাত ঢাকার উপকণ্ঠে সাভার উপজেলাধীন কাউন্দিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠনের কাজে নতুন গতি এনেছেন মেলার ট্যাক এলাকার প্রবীণ নেতা সেন্টু মিয়া মেম্বার। স্থানীয় পর্যায়ে সুপরিচিত এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বর্তমানে অতিগোপনে পুরো ইউনিয়নজুড়ে সংগঠন পুনর্গঠন ও পুনরুজ্জীবিত করণ কর্মসূচির নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি।

সেন্টু মিয়া মেলার টেকের সোবহান মাঝির ছেলে। কাউন্দিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।

তবে ৫ আগস্ট ছাত্র বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে আওয়ামী সরকারের পতনের পর শীর্ষস্থানীয় সিনিয়র নেতাদের একাংশ পলাতক থাকায়, কৌশলগতভাবে নেতৃত্বের ভার এসে পড়েছে তার কাঁধে। জানা গেছে ছাত্র বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে একাধিক হত্যা মামলার আসামি হওয়ার পরেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরে না আসায় তিনি সুকৌশলে চালিয়ে যাচ্ছে এসকল কর্মকান্ড।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়রা বলছেন, শুধুমাত্র দলীয় কর্মকাণ্ড নয়—এই ইউনিয়ন এখন একটি নিরাপদ রাজনৈতিক আশ্রয়স্থলেও পরিণত হয়েছে। দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে অনেক তরুণ রাজনৈতিক নেতা ও ভবিষ্যৎ ফিল্ডাররা সেন্টু মিয়ার আশ্রয়ে এখানে অবস্থান করছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, “সেন্টু মিয়া শুধু একজন সংগঠক নন, তিনি বর্তমানে ইউনিয়নের সাবেক ২ চেয়ারম্যান শান্ত খান ও সাইফুল আলম খানের বিকল্প হিসেবে স্থানীয় আওয়ামী লীগের একজন বড় ধরনের অভিভাবক।

ইতোমধ্যে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে দলের গোপনে স্থানীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে আলোচনা শুরু করেছেন। আওয়ামী পন্থী সাবেক দুই পলাতক চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় শীর্ষ নেতাদের অর্থায়নে সেন্টু মিয়ার মিশন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া আওয়ামী লীগকে স্থানীয় পর্যায়ে ফের শক্ত অবস্থানে দেখতে। কাউন্দিয়া ইউনিয়নে দলকে পুনরুজ্জীবিত করাই এখন তার অঙ্গীকার।”

আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠনের এই উদ্যোগকে ঘিরে স্থানীয় আওয়ামীপন্থী নেতৃত্বের মাঝে নতুন আশাবাদ তৈরি হয়েছে।

আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারির বাইরে ও নিরাপদ হওয়ায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আ’লীগ নেতাদরকে ইউনিয়নের আশ্রয় প্রশ্রয় ও নেতৃত্বদানের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন সেন্টু মািয়া।
সাবেক সেন্টুমেম্বার। বর্তমান সহ- সভাপতি আওয়ামী লীগের। চলবে


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুর,কুড়িগ্রাম ও টাঙ্গাইল তিন জেলায় মোতায়েন থাকবে ৪৩ প্লাটুন বিজিবি,

মিরপুরের কাউন্দিয়া ইউনিয়নে দৃঢ় নেতৃত্বে আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠনের মিশন

আপডেট সময় ১১:০৫:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫

রাজধানীর দ্বীপ খ্যাত ঢাকার উপকণ্ঠে সাভার উপজেলাধীন কাউন্দিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠনের কাজে নতুন গতি এনেছেন মেলার ট্যাক এলাকার প্রবীণ নেতা সেন্টু মিয়া মেম্বার। স্থানীয় পর্যায়ে সুপরিচিত এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বর্তমানে অতিগোপনে পুরো ইউনিয়নজুড়ে সংগঠন পুনর্গঠন ও পুনরুজ্জীবিত করণ কর্মসূচির নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি।

সেন্টু মিয়া মেলার টেকের সোবহান মাঝির ছেলে। কাউন্দিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।

তবে ৫ আগস্ট ছাত্র বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে আওয়ামী সরকারের পতনের পর শীর্ষস্থানীয় সিনিয়র নেতাদের একাংশ পলাতক থাকায়, কৌশলগতভাবে নেতৃত্বের ভার এসে পড়েছে তার কাঁধে। জানা গেছে ছাত্র বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে একাধিক হত্যা মামলার আসামি হওয়ার পরেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরে না আসায় তিনি সুকৌশলে চালিয়ে যাচ্ছে এসকল কর্মকান্ড।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়রা বলছেন, শুধুমাত্র দলীয় কর্মকাণ্ড নয়—এই ইউনিয়ন এখন একটি নিরাপদ রাজনৈতিক আশ্রয়স্থলেও পরিণত হয়েছে। দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে অনেক তরুণ রাজনৈতিক নেতা ও ভবিষ্যৎ ফিল্ডাররা সেন্টু মিয়ার আশ্রয়ে এখানে অবস্থান করছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, “সেন্টু মিয়া শুধু একজন সংগঠক নন, তিনি বর্তমানে ইউনিয়নের সাবেক ২ চেয়ারম্যান শান্ত খান ও সাইফুল আলম খানের বিকল্প হিসেবে স্থানীয় আওয়ামী লীগের একজন বড় ধরনের অভিভাবক।

ইতোমধ্যে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে দলের গোপনে স্থানীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে আলোচনা শুরু করেছেন। আওয়ামী পন্থী সাবেক দুই পলাতক চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় শীর্ষ নেতাদের অর্থায়নে সেন্টু মিয়ার মিশন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া আওয়ামী লীগকে স্থানীয় পর্যায়ে ফের শক্ত অবস্থানে দেখতে। কাউন্দিয়া ইউনিয়নে দলকে পুনরুজ্জীবিত করাই এখন তার অঙ্গীকার।”

আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠনের এই উদ্যোগকে ঘিরে স্থানীয় আওয়ামীপন্থী নেতৃত্বের মাঝে নতুন আশাবাদ তৈরি হয়েছে।

আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারির বাইরে ও নিরাপদ হওয়ায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আ’লীগ নেতাদরকে ইউনিয়নের আশ্রয় প্রশ্রয় ও নেতৃত্বদানের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন সেন্টু মািয়া।
সাবেক সেন্টুমেম্বার। বর্তমান সহ- সভাপতি আওয়ামী লীগের। চলবে


প্রিন্ট