ঢাকা ১০:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বিমান মন্ত্রণালয়ে বড় পরিবর্তন আনতে চাই: বিমানমন্ত্রী Logo হরমুজের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরো জোরদার করছে ইরান Logo মঠবাড়িয়া উপজেলায় বিপুল পরিমাণ গাজা উদ্ধার করেছে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ। Logo দিবসের শ্রমিকদলের সমাবেশ ষড়যন্ত্র ও অপশক্তির বিরুদ্ধে দলের নেতাকর্মীদের শক্ত অবস্থানে থাকার আহ্বান পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলমের। Logo টঙ্গী এরশাদ নগরে সেন্টুর সিন্ডিকেট মাদকের জালে আটকা যুব সমাজ এবং নেপথ্যে কারা Logo জামালপুরে মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস উদযাপিত, Logo সীতাকুণ্ডে বর্ণাঢ্য র‍্যালীর মাধ্যমে মহান মে দিবস উদযাপিত: প্রধান অতিথি আসলাম চৌধুরী এমপি Logo ৩৬০ জনের অলির রোজা শরীফ সারা বাংলায় কোন কোন জায়গায় Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মহান মে দিবস উপলক্ষে জেলা নির্মাণ শ্রমিকের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo ইসলামপুরে মাইক্রো চালককে হত্যা, এলাকাবাসীর মানববন্ধন

সাংবাদিক তুহিন হত্যা: সিসিটিভি দেখে শনাক্ত, স্বামী-স্ত্রীসহ গ্রেপ্তার ৪

গাজীপুর মহানগরীর চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় এক দম্পতিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৮ আগস্ট) রাতে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মো. মিজান ওরফে কেটু মিজান, তাঁর স্ত্রী গোলাপি, মো. স্বাধীন এবং আল–আমিন। পুলিশ জানায়, স্থানীয় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে তাঁদের শনাক্ত করা হয়। তাঁরা সকলে একটি ছিনতাইকারী দলের সক্রিয় সদস্য।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে গাজীপুর নগরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও পাঁচজনকে আটক করে পুলিশ।

ঘটনার পরপরই সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে পুলিশ। ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের চিহ্নিত করা হয়। এরপর তিনটি ভিন্ন টিম অভিযান চালিয়ে শুক্রবার রাত ১০টার দিকে গাজীপুর সদর উপজেলার ভবানীপুর থেকে মিজান ও তার স্ত্রী গোলাপিকে গ্রেপ্তার করে। একই রাতে গাজীপুর শহরের পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে স্বাধীন এবং ঢাকার তুরাগ থানা এলাকা থেকে আল–আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নিহত সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন (৩৮) দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ-এর গাজীপুরের স্টাফ রিপোর্টার ছিলেন। তাঁর বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার ভাটিপাড়া গ্রামে। তিনি পরিবার নিয়ে গাজীপুর নগরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় বসবাস করতেন।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে ৫–৬ জন দুর্বৃত্ত তাকে ধারালো অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া করে। দৌড়ে রক্ষা পেতে তিনি ঈদগাহ মার্কেটের একটি চায়ের দোকানে আশ্রয় নেন। কিন্তু দুর্বৃত্তরা দোকানের ভেতরে ঢুকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়।

পরদিন শুক্রবার সকালে নিহত সাংবাদিকের বড় ভাই মো. সেলিম হোসেন বাসন থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

গাজীপুর মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ) তাহেরুল হক চৌহান বলেন, “সিসিটিভি ফুটেজ দেখে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অনুসন্ধান চলছে


প্রিন্ট
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিমান মন্ত্রণালয়ে বড় পরিবর্তন আনতে চাই: বিমানমন্ত্রী

সাংবাদিক তুহিন হত্যা: সিসিটিভি দেখে শনাক্ত, স্বামী-স্ত্রীসহ গ্রেপ্তার ৪

আপডেট সময় ০২:০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫

গাজীপুর মহানগরীর চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় এক দম্পতিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৮ আগস্ট) রাতে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মো. মিজান ওরফে কেটু মিজান, তাঁর স্ত্রী গোলাপি, মো. স্বাধীন এবং আল–আমিন। পুলিশ জানায়, স্থানীয় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে তাঁদের শনাক্ত করা হয়। তাঁরা সকলে একটি ছিনতাইকারী দলের সক্রিয় সদস্য।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে গাজীপুর নগরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও পাঁচজনকে আটক করে পুলিশ।

ঘটনার পরপরই সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে পুলিশ। ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের চিহ্নিত করা হয়। এরপর তিনটি ভিন্ন টিম অভিযান চালিয়ে শুক্রবার রাত ১০টার দিকে গাজীপুর সদর উপজেলার ভবানীপুর থেকে মিজান ও তার স্ত্রী গোলাপিকে গ্রেপ্তার করে। একই রাতে গাজীপুর শহরের পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে স্বাধীন এবং ঢাকার তুরাগ থানা এলাকা থেকে আল–আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নিহত সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন (৩৮) দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ-এর গাজীপুরের স্টাফ রিপোর্টার ছিলেন। তাঁর বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার ভাটিপাড়া গ্রামে। তিনি পরিবার নিয়ে গাজীপুর নগরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় বসবাস করতেন।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে ৫–৬ জন দুর্বৃত্ত তাকে ধারালো অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া করে। দৌড়ে রক্ষা পেতে তিনি ঈদগাহ মার্কেটের একটি চায়ের দোকানে আশ্রয় নেন। কিন্তু দুর্বৃত্তরা দোকানের ভেতরে ঢুকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়।

পরদিন শুক্রবার সকালে নিহত সাংবাদিকের বড় ভাই মো. সেলিম হোসেন বাসন থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

গাজীপুর মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ) তাহেরুল হক চৌহান বলেন, “সিসিটিভি ফুটেজ দেখে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অনুসন্ধান চলছে


প্রিন্ট