ঢাকা ১০:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মুজিববন্দনার নামে সৃজনশীল প্রকাশনা খাতে ব্যাপক লুটপাট Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়া আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কিছু আংশিক আহত Logo জামালপুরে ০১৭ জাতীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট শুভ উদ্বোধন, Logo উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজখবর নিতে গেলেন সম্মানিত আমীরে জামায়াত Logo বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে কোরআন খতম, দোয়া ও শীতবস্ত্র বিতরণ Logo নবম পে স্কেলের গ্রেড সংখ্যা চূড়ান্ত, কত হবে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতন? Logo পবিত্র শবে মেরাজ আজ Logo যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার বৈঠক Logo আমাদের রেকর্ড কথা বলবে: আল জাজিরাকে শফিকুল আলম Logo উত্তরায় বহুতল ভবনে আগুন, প্রাণ গেল ৩ জনের

হাসিনাসহ সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ৩ ও ৭ ডিসেম্বর

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:২১:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫৩ ১৮৪৪.০০০ বার পড়া হয়েছে

আওয়ামী লীগের শাসনামলে গুমের দুই মামলার মানবতাবিরোধী অপরাধে শেখ হাসিনাসহ সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে টিএফআই ৩ এবং জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলের মামলায় ৭ ডিসেম্বর অভিযোগ গঠনের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। রোববার বেলা ১১টার দিকে শুনানির পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ দিন ধার্য করেন।

এর আগে রোববার সকাল ১০টার দিকে ১৩ সেনা কর্মকর্তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ হাজির করা হয়। এরপর শুরিু হয় শুনানি।

গুমের মামলা দুটি হলো- টিএফআই এবং জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলে নির্যাতন। এসব মামলার পলাতক আসামিদের ট্রাইব্যুনালে হাজির হতে একটি বাংলা ও একটি ইংরেজি পত্রিকায় ইতোমধ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।

এর আগে মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক দুই মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার নিরাপত্তা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিক ও ডিজিএফআইয়ের সাবেক পাঁচ মহাপরিচালকসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে গত ৮ অক্টোবর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

পরবর্তীতে ১১ অক্টোবর সংবাদ সম্মেলনে ১৫ জন কর্মরত সেনা কর্মকর্তাকে হেফাজতে নেওয়ার কথা জানায় সেনাবাহিনী। আর ২২ অক্টোবর বুধবার সকালে বাংলাদেশ জেলের একটি বিশেষ প্রিজন ভ্যানে করে সাধারণ পোশাকে ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয় । শুনানির পর তাদের ঢাকা সেনানিবাসের নির্ধারিত সাব জেলে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

এসব আসামিকে গ্রেপ্তার ও ট্রাইব্যুনালে হাজির করার বিষয়ে সেনাবাহিনীর সম্পূর্ণ সহযোগিতা পাওয়া গেছে বলে ইতোমধ্যে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

তিনি বলেছেন, ‘অভিযুক্ত সেনা অফিসারদের গ্রেপ্তার ও বিচারে সোপর্দ করার ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যেমন কাজ করেছে, তেমনি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের রক্ষক হিসেবে আমরা যাদেরকে মনে করি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, তারা এই আদালতের (ট্রাইব্যুনালের) বিচারিক প্রক্রিয়াকে সাহায্য করেছে।’


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

মুজিববন্দনার নামে সৃজনশীল প্রকাশনা খাতে ব্যাপক লুটপাট

হাসিনাসহ সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ৩ ও ৭ ডিসেম্বর

আপডেট সময় ১২:২১:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

আওয়ামী লীগের শাসনামলে গুমের দুই মামলার মানবতাবিরোধী অপরাধে শেখ হাসিনাসহ সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে টিএফআই ৩ এবং জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলের মামলায় ৭ ডিসেম্বর অভিযোগ গঠনের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। রোববার বেলা ১১টার দিকে শুনানির পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ দিন ধার্য করেন।

এর আগে রোববার সকাল ১০টার দিকে ১৩ সেনা কর্মকর্তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ হাজির করা হয়। এরপর শুরিু হয় শুনানি।

গুমের মামলা দুটি হলো- টিএফআই এবং জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলে নির্যাতন। এসব মামলার পলাতক আসামিদের ট্রাইব্যুনালে হাজির হতে একটি বাংলা ও একটি ইংরেজি পত্রিকায় ইতোমধ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।

এর আগে মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক দুই মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার নিরাপত্তা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিক ও ডিজিএফআইয়ের সাবেক পাঁচ মহাপরিচালকসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে গত ৮ অক্টোবর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

পরবর্তীতে ১১ অক্টোবর সংবাদ সম্মেলনে ১৫ জন কর্মরত সেনা কর্মকর্তাকে হেফাজতে নেওয়ার কথা জানায় সেনাবাহিনী। আর ২২ অক্টোবর বুধবার সকালে বাংলাদেশ জেলের একটি বিশেষ প্রিজন ভ্যানে করে সাধারণ পোশাকে ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয় । শুনানির পর তাদের ঢাকা সেনানিবাসের নির্ধারিত সাব জেলে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

এসব আসামিকে গ্রেপ্তার ও ট্রাইব্যুনালে হাজির করার বিষয়ে সেনাবাহিনীর সম্পূর্ণ সহযোগিতা পাওয়া গেছে বলে ইতোমধ্যে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

তিনি বলেছেন, ‘অভিযুক্ত সেনা অফিসারদের গ্রেপ্তার ও বিচারে সোপর্দ করার ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যেমন কাজ করেছে, তেমনি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের রক্ষক হিসেবে আমরা যাদেরকে মনে করি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, তারা এই আদালতের (ট্রাইব্যুনালের) বিচারিক প্রক্রিয়াকে সাহায্য করেছে।’


প্রিন্ট