ঢাকা ০৮:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

আজমিরীগঞ্জে নদীতে বাধ দিয়ে শুকিয়ে চলছে মাছ আহড়ন

নদী শুকিয়ে ও বাধ দিয়ে মাছ ধরা নিষিদ্ধ হলে ও হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জের বছীরা নদীতে তাই করা হচ্ছে। গত চার দিন ধরে আজমিরীগঞ্জ উপজেলার কাকাইলছেও -আনন্দ পুর ব্রিজের কাছে ও রাহেলা গ্রামের কাছে কথিত ইজারাদারগণ মা়ছ  আহড়ন করছেন।

গত ১৫ নভেম্বর থেকে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত আনন্দ ব্রিজের কা়ছে সেচ যন্ত্র দিয়ে পানি শুকিয়ে ও বাধ দিয়ে মাছ ধরা হয়। আবার গত তিন দিন (১৮ থেকে ২০ নভেম্বর) রাহেলা গ্রামের  পুর্ব দিকে হালঘাটা নামক স্থানে বাধ দিয়ে ও শুকিয়ে মাছ আহড়ন করছেন আনন্দ পুর গ্রামের একদল লোক। 

আজ সকালে (২০ নভেম্বর) গিয়ে দেখা যায়, সেচযন্ত্র বসিয়ে পানি শুকানো হচ্ছে। বছীরা নদীতে কিছুক্ষন পর পর বাধ দেওয়া হয়েছে। বাধ দিয়ে অল্প অল্প করে নদী শুকানো হচ্ছে। বর্ষাকাল থেকেই উল্লেখিত জায়গায় বাঁশ ও ডালপালা ফেলে রাখা হয় মাছ ধরার জন্য। এ ব্যাপারে ইজাদার এশকু মিয়া জানান, আমরা ইজারা এনেছি তিন বছরের জন্য। তবে আমরা মাছ আহড়ন করছি না, আমরা আনন্দ পুর গ্রামের কিছু লোককে সাব লিজ দিয়েছি।

এ ব্যাপারে আজমিরিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিবিড় রঞ্জন তালোকদারের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, নদী শুকিয়ে মাছ আহড়ন করার বিধান নেই। তবে কয় বছরের জন্য কারা ইজারা নিয়েছেন সেটা আগে জেনে নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

নির্বাচনে ‘অনিয়ম’ হলেই জামায়াত ক্ষমতায় আসবে: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা

আজমিরীগঞ্জে নদীতে বাধ দিয়ে শুকিয়ে চলছে মাছ আহড়ন

আপডেট সময় ০৮:১৩:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

নদী শুকিয়ে ও বাধ দিয়ে মাছ ধরা নিষিদ্ধ হলে ও হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জের বছীরা নদীতে তাই করা হচ্ছে। গত চার দিন ধরে আজমিরীগঞ্জ উপজেলার কাকাইলছেও -আনন্দ পুর ব্রিজের কাছে ও রাহেলা গ্রামের কাছে কথিত ইজারাদারগণ মা়ছ  আহড়ন করছেন।

গত ১৫ নভেম্বর থেকে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত আনন্দ ব্রিজের কা়ছে সেচ যন্ত্র দিয়ে পানি শুকিয়ে ও বাধ দিয়ে মাছ ধরা হয়। আবার গত তিন দিন (১৮ থেকে ২০ নভেম্বর) রাহেলা গ্রামের  পুর্ব দিকে হালঘাটা নামক স্থানে বাধ দিয়ে ও শুকিয়ে মাছ আহড়ন করছেন আনন্দ পুর গ্রামের একদল লোক। 

আজ সকালে (২০ নভেম্বর) গিয়ে দেখা যায়, সেচযন্ত্র বসিয়ে পানি শুকানো হচ্ছে। বছীরা নদীতে কিছুক্ষন পর পর বাধ দেওয়া হয়েছে। বাধ দিয়ে অল্প অল্প করে নদী শুকানো হচ্ছে। বর্ষাকাল থেকেই উল্লেখিত জায়গায় বাঁশ ও ডালপালা ফেলে রাখা হয় মাছ ধরার জন্য। এ ব্যাপারে ইজাদার এশকু মিয়া জানান, আমরা ইজারা এনেছি তিন বছরের জন্য। তবে আমরা মাছ আহড়ন করছি না, আমরা আনন্দ পুর গ্রামের কিছু লোককে সাব লিজ দিয়েছি।

এ ব্যাপারে আজমিরিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিবিড় রঞ্জন তালোকদারের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, নদী শুকিয়ে মাছ আহড়ন করার বিধান নেই। তবে কয় বছরের জন্য কারা ইজারা নিয়েছেন সেটা আগে জেনে নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


প্রিন্ট