ঢাকা ০১:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বিমান মন্ত্রণালয়ে বড় পরিবর্তন আনতে চাই: বিমানমন্ত্রী Logo হরমুজের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরো জোরদার করছে ইরান Logo মঠবাড়িয়া উপজেলায় বিপুল পরিমাণ গাজা উদ্ধার করেছে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ। Logo দিবসের শ্রমিকদলের সমাবেশ ষড়যন্ত্র ও অপশক্তির বিরুদ্ধে দলের নেতাকর্মীদের শক্ত অবস্থানে থাকার আহ্বান পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলমের। Logo টঙ্গী এরশাদ নগরে সেন্টুর সিন্ডিকেট মাদকের জালে আটকা যুব সমাজ এবং নেপথ্যে কারা Logo জামালপুরে মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস উদযাপিত, Logo সীতাকুণ্ডে বর্ণাঢ্য র‍্যালীর মাধ্যমে মহান মে দিবস উদযাপিত: প্রধান অতিথি আসলাম চৌধুরী এমপি Logo ৩৬০ জনের অলির রোজা শরীফ সারা বাংলায় কোন কোন জায়গায় Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মহান মে দিবস উপলক্ষে জেলা নির্মাণ শ্রমিকের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo ইসলামপুরে মাইক্রো চালককে হত্যা, এলাকাবাসীর মানববন্ধন

২৮ শে অক্টোবর লগি বৈঠাধারী আওয়ামীলীগ সন্ত্রাসীদের নির্বিচারে মানুষ হত্যার বিচারের দাবিতে মোংলায় জামায়াতের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:১৬:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৭৭ ০.০০ বার পড়া হয়েছে

ওমর ফারুক : ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর লগি-বৈঠাধারী তাণ্ডবের ভয়াবহতা ও নির্বিচারে মানুষ হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মোংলা পৌর ও উপজেলা শাখা।
মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর ২০২৫) সকাল ১০টায় মোংলা শহরের বি.এল.এস চত্বরে আয়োজিত এ বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা আওয়ামী লীগের সেদিনের বর্বরোচিত কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

সমাবেশের শুরুতে মোংলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়, যা পরে শাপলা চত্বরে এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মোংলা পৌর আমীর এম. এ. বারী। তিনি বলেন—

“২৮ অক্টোবর ছিল বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসের এক কলঙ্কিত অধ্যায়। সেদিন লগি-বৈঠাধারী আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্য দিবালোকে নিরস্ত্র আন্দোলনকারীদের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত করেছিল। সেই রক্তের দাগ এখনো মুছে যায়নি, বরং জনগণ আজও ন্যায়বিচার ও দায়ীদের বিচারের অপেক্ষায় আছে।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নায়েবে আমীর, বিশিষ্ট সাংবাদিক,কলামিস্ট ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ কোহিনুর সরদার। তিনি বলেন,

“লগি-বৈঠার তাণ্ডব ছিল পরিকল্পিত রাজনৈতিক হত্যাযজ্ঞ, যার মূল লক্ষ্য ছিল ইসলামী আন্দোলনের শিকড় উপড়ে ফেলা। কিন্তু আজ প্রমাণ হয়েছে, সেই আন্দোলন আরও শক্তিশালী হয়ে জনগণের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে।”
এছাড়া বক্তব্য দেন পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি ও সাবেক কাউন্সিলর অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন, পৌরসহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবিদ হাসান, জামায়াত নেতা মোঃ আনিসুর রহমান, শ্রমিক নেতা মোঃ জহির উদ্দিন বাবর মুসল্লী ও মোঃ গোলাম মোস্তফা প্রমুখ।
বক্তারা বলেন,
“যারা গণতন্ত্রের নামে গণহত্যা ঘটিয়েছে, আজ তারাই মানবাধিকারের বুলি আওড়াচ্ছে। জনগণ তাদের মুখোশ উন্মোচন করেছে। ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা দেশে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অবিচল থাকবে ইনশাআল্লাহ।”

বিক্ষোভ সমাবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও এর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিমান মন্ত্রণালয়ে বড় পরিবর্তন আনতে চাই: বিমানমন্ত্রী

২৮ শে অক্টোবর লগি বৈঠাধারী আওয়ামীলীগ সন্ত্রাসীদের নির্বিচারে মানুষ হত্যার বিচারের দাবিতে মোংলায় জামায়াতের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ

আপডেট সময় ০৬:১৬:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫

ওমর ফারুক : ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর লগি-বৈঠাধারী তাণ্ডবের ভয়াবহতা ও নির্বিচারে মানুষ হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মোংলা পৌর ও উপজেলা শাখা।
মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর ২০২৫) সকাল ১০টায় মোংলা শহরের বি.এল.এস চত্বরে আয়োজিত এ বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা আওয়ামী লীগের সেদিনের বর্বরোচিত কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

সমাবেশের শুরুতে মোংলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়, যা পরে শাপলা চত্বরে এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মোংলা পৌর আমীর এম. এ. বারী। তিনি বলেন—

“২৮ অক্টোবর ছিল বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসের এক কলঙ্কিত অধ্যায়। সেদিন লগি-বৈঠাধারী আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্য দিবালোকে নিরস্ত্র আন্দোলনকারীদের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত করেছিল। সেই রক্তের দাগ এখনো মুছে যায়নি, বরং জনগণ আজও ন্যায়বিচার ও দায়ীদের বিচারের অপেক্ষায় আছে।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নায়েবে আমীর, বিশিষ্ট সাংবাদিক,কলামিস্ট ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ কোহিনুর সরদার। তিনি বলেন,

“লগি-বৈঠার তাণ্ডব ছিল পরিকল্পিত রাজনৈতিক হত্যাযজ্ঞ, যার মূল লক্ষ্য ছিল ইসলামী আন্দোলনের শিকড় উপড়ে ফেলা। কিন্তু আজ প্রমাণ হয়েছে, সেই আন্দোলন আরও শক্তিশালী হয়ে জনগণের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে।”
এছাড়া বক্তব্য দেন পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি ও সাবেক কাউন্সিলর অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন, পৌরসহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবিদ হাসান, জামায়াত নেতা মোঃ আনিসুর রহমান, শ্রমিক নেতা মোঃ জহির উদ্দিন বাবর মুসল্লী ও মোঃ গোলাম মোস্তফা প্রমুখ।
বক্তারা বলেন,
“যারা গণতন্ত্রের নামে গণহত্যা ঘটিয়েছে, আজ তারাই মানবাধিকারের বুলি আওড়াচ্ছে। জনগণ তাদের মুখোশ উন্মোচন করেছে। ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা দেশে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অবিচল থাকবে ইনশাআল্লাহ।”

বিক্ষোভ সমাবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও এর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।


প্রিন্ট