ঢাকা ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবিরের ২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা Logo নাসিরনগরে অবৈধ মাটি কাটায় দেড় লক্ষাধিক টাকা জরিমানা, ৫ ট্রাক্টর জব্দ Logo পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের পর নানা অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল Logo শিবিরের জনশক্তিকে বৃহত্তর নেতৃত্বের যোগ্যতায় গড়ে তুলতে হবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর Logo তানোরের মুন্ডুমালায় জামায়াতের ইফতার মাহফিল Logo ১ নং কাস্টম ঘাট টোলমুক্ত ঘোষণা সৌজন্যে বি কোম্পানি Logo সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ: নাইক্ষ্যংছড়িতে আরাকান আর্মির ৩ সদস্য আটক Logo লালমনিরহাটের বিভিন্ন উপজেলায় পবিত্র রমজানে বাজার মনিটরিং Logo ডিসি অফিস এলাকা থেকে ২২ মামলার আসামি ‘মাদক সম্রাট’ জসিম গ্রেপ্তার Logo একের পর এক আওয়ামী লীগ নেতার জামিন, আইনজীবীদের আদালত বর্জন

২৮ শে অক্টোবর লগি বৈঠাধারী আওয়ামীলীগ সন্ত্রাসীদের নির্বিচারে মানুষ হত্যার বিচারের দাবিতে মোংলায় জামায়াতের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:১৬:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৩৮ ১৮৪৪.০০০ বার পড়া হয়েছে

ওমর ফারুক : ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর লগি-বৈঠাধারী তাণ্ডবের ভয়াবহতা ও নির্বিচারে মানুষ হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মোংলা পৌর ও উপজেলা শাখা।
মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর ২০২৫) সকাল ১০টায় মোংলা শহরের বি.এল.এস চত্বরে আয়োজিত এ বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা আওয়ামী লীগের সেদিনের বর্বরোচিত কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

সমাবেশের শুরুতে মোংলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়, যা পরে শাপলা চত্বরে এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মোংলা পৌর আমীর এম. এ. বারী। তিনি বলেন—

“২৮ অক্টোবর ছিল বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসের এক কলঙ্কিত অধ্যায়। সেদিন লগি-বৈঠাধারী আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্য দিবালোকে নিরস্ত্র আন্দোলনকারীদের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত করেছিল। সেই রক্তের দাগ এখনো মুছে যায়নি, বরং জনগণ আজও ন্যায়বিচার ও দায়ীদের বিচারের অপেক্ষায় আছে।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নায়েবে আমীর, বিশিষ্ট সাংবাদিক,কলামিস্ট ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ কোহিনুর সরদার। তিনি বলেন,

“লগি-বৈঠার তাণ্ডব ছিল পরিকল্পিত রাজনৈতিক হত্যাযজ্ঞ, যার মূল লক্ষ্য ছিল ইসলামী আন্দোলনের শিকড় উপড়ে ফেলা। কিন্তু আজ প্রমাণ হয়েছে, সেই আন্দোলন আরও শক্তিশালী হয়ে জনগণের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে।”
এছাড়া বক্তব্য দেন পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি ও সাবেক কাউন্সিলর অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন, পৌরসহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবিদ হাসান, জামায়াত নেতা মোঃ আনিসুর রহমান, শ্রমিক নেতা মোঃ জহির উদ্দিন বাবর মুসল্লী ও মোঃ গোলাম মোস্তফা প্রমুখ।
বক্তারা বলেন,
“যারা গণতন্ত্রের নামে গণহত্যা ঘটিয়েছে, আজ তারাই মানবাধিকারের বুলি আওড়াচ্ছে। জনগণ তাদের মুখোশ উন্মোচন করেছে। ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা দেশে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অবিচল থাকবে ইনশাআল্লাহ।”

বিক্ষোভ সমাবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও এর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবিরের ২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

২৮ শে অক্টোবর লগি বৈঠাধারী আওয়ামীলীগ সন্ত্রাসীদের নির্বিচারে মানুষ হত্যার বিচারের দাবিতে মোংলায় জামায়াতের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ

আপডেট সময় ০৬:১৬:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫

ওমর ফারুক : ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর লগি-বৈঠাধারী তাণ্ডবের ভয়াবহতা ও নির্বিচারে মানুষ হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মোংলা পৌর ও উপজেলা শাখা।
মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর ২০২৫) সকাল ১০টায় মোংলা শহরের বি.এল.এস চত্বরে আয়োজিত এ বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা আওয়ামী লীগের সেদিনের বর্বরোচিত কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

সমাবেশের শুরুতে মোংলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়, যা পরে শাপলা চত্বরে এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মোংলা পৌর আমীর এম. এ. বারী। তিনি বলেন—

“২৮ অক্টোবর ছিল বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসের এক কলঙ্কিত অধ্যায়। সেদিন লগি-বৈঠাধারী আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্য দিবালোকে নিরস্ত্র আন্দোলনকারীদের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত করেছিল। সেই রক্তের দাগ এখনো মুছে যায়নি, বরং জনগণ আজও ন্যায়বিচার ও দায়ীদের বিচারের অপেক্ষায় আছে।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নায়েবে আমীর, বিশিষ্ট সাংবাদিক,কলামিস্ট ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ কোহিনুর সরদার। তিনি বলেন,

“লগি-বৈঠার তাণ্ডব ছিল পরিকল্পিত রাজনৈতিক হত্যাযজ্ঞ, যার মূল লক্ষ্য ছিল ইসলামী আন্দোলনের শিকড় উপড়ে ফেলা। কিন্তু আজ প্রমাণ হয়েছে, সেই আন্দোলন আরও শক্তিশালী হয়ে জনগণের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে।”
এছাড়া বক্তব্য দেন পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি ও সাবেক কাউন্সিলর অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন, পৌরসহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবিদ হাসান, জামায়াত নেতা মোঃ আনিসুর রহমান, শ্রমিক নেতা মোঃ জহির উদ্দিন বাবর মুসল্লী ও মোঃ গোলাম মোস্তফা প্রমুখ।
বক্তারা বলেন,
“যারা গণতন্ত্রের নামে গণহত্যা ঘটিয়েছে, আজ তারাই মানবাধিকারের বুলি আওড়াচ্ছে। জনগণ তাদের মুখোশ উন্মোচন করেছে। ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা দেশে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অবিচল থাকবে ইনশাআল্লাহ।”

বিক্ষোভ সমাবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও এর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।


প্রিন্ট