ঢাকা ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কাটেনি জ্বালানির সংকট, বহু পাম্পে দীর্ঘ লাইন Logo নীলসাগর এক্সপ্রেসের বগি উদ্ধার সম্পন্ন, লাইন স্থাপনের কাজ চলছে Logo মহম্মদপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে ইফতার বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo নাসিরনগরে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে নগদ অর্থ পেল ৫৮৫ জন Logo জামালপুরে সুইড বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মাঝে ইফতার বিতরণ Logo জামালপুরে ছাত্রদলের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo শ’হীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রু’হের মা’গফিরাত কামনায় ইফতার মাহফিল Logo বগুড়ায় ট্রেন লাইনচ্যুত, উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকার রেল যোগাযোগ বন্ধ Logo ইরানে লারিজানি-সোলেইমানিসহ নৌসেনাদের জানাজা অনুষ্ঠিত Logo প্রধানমন্ত্রীর এান তহবিল থেকে পীরগঞ্জে ৩শ পরিবারের মাঝে ৬ লক্ষ টাকা বিতরণ 

২৮ শে অক্টোবর লগি বৈঠাধারী আওয়ামীলীগ সন্ত্রাসীদের নির্বিচারে মানুষ হত্যার বিচারের দাবিতে মোংলায় জামায়াতের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:১৬:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৫৫ ০.০০ বার পড়া হয়েছে

ওমর ফারুক : ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর লগি-বৈঠাধারী তাণ্ডবের ভয়াবহতা ও নির্বিচারে মানুষ হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মোংলা পৌর ও উপজেলা শাখা।
মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর ২০২৫) সকাল ১০টায় মোংলা শহরের বি.এল.এস চত্বরে আয়োজিত এ বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা আওয়ামী লীগের সেদিনের বর্বরোচিত কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

সমাবেশের শুরুতে মোংলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়, যা পরে শাপলা চত্বরে এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মোংলা পৌর আমীর এম. এ. বারী। তিনি বলেন—

“২৮ অক্টোবর ছিল বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসের এক কলঙ্কিত অধ্যায়। সেদিন লগি-বৈঠাধারী আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্য দিবালোকে নিরস্ত্র আন্দোলনকারীদের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত করেছিল। সেই রক্তের দাগ এখনো মুছে যায়নি, বরং জনগণ আজও ন্যায়বিচার ও দায়ীদের বিচারের অপেক্ষায় আছে।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নায়েবে আমীর, বিশিষ্ট সাংবাদিক,কলামিস্ট ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ কোহিনুর সরদার। তিনি বলেন,

“লগি-বৈঠার তাণ্ডব ছিল পরিকল্পিত রাজনৈতিক হত্যাযজ্ঞ, যার মূল লক্ষ্য ছিল ইসলামী আন্দোলনের শিকড় উপড়ে ফেলা। কিন্তু আজ প্রমাণ হয়েছে, সেই আন্দোলন আরও শক্তিশালী হয়ে জনগণের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে।”
এছাড়া বক্তব্য দেন পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি ও সাবেক কাউন্সিলর অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন, পৌরসহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবিদ হাসান, জামায়াত নেতা মোঃ আনিসুর রহমান, শ্রমিক নেতা মোঃ জহির উদ্দিন বাবর মুসল্লী ও মোঃ গোলাম মোস্তফা প্রমুখ।
বক্তারা বলেন,
“যারা গণতন্ত্রের নামে গণহত্যা ঘটিয়েছে, আজ তারাই মানবাধিকারের বুলি আওড়াচ্ছে। জনগণ তাদের মুখোশ উন্মোচন করেছে। ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা দেশে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অবিচল থাকবে ইনশাআল্লাহ।”

বিক্ষোভ সমাবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও এর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কাটেনি জ্বালানির সংকট, বহু পাম্পে দীর্ঘ লাইন

২৮ শে অক্টোবর লগি বৈঠাধারী আওয়ামীলীগ সন্ত্রাসীদের নির্বিচারে মানুষ হত্যার বিচারের দাবিতে মোংলায় জামায়াতের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ

আপডেট সময় ০৬:১৬:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫

ওমর ফারুক : ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর লগি-বৈঠাধারী তাণ্ডবের ভয়াবহতা ও নির্বিচারে মানুষ হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মোংলা পৌর ও উপজেলা শাখা।
মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর ২০২৫) সকাল ১০টায় মোংলা শহরের বি.এল.এস চত্বরে আয়োজিত এ বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা আওয়ামী লীগের সেদিনের বর্বরোচিত কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

সমাবেশের শুরুতে মোংলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়, যা পরে শাপলা চত্বরে এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মোংলা পৌর আমীর এম. এ. বারী। তিনি বলেন—

“২৮ অক্টোবর ছিল বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসের এক কলঙ্কিত অধ্যায়। সেদিন লগি-বৈঠাধারী আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্য দিবালোকে নিরস্ত্র আন্দোলনকারীদের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত করেছিল। সেই রক্তের দাগ এখনো মুছে যায়নি, বরং জনগণ আজও ন্যায়বিচার ও দায়ীদের বিচারের অপেক্ষায় আছে।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নায়েবে আমীর, বিশিষ্ট সাংবাদিক,কলামিস্ট ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ কোহিনুর সরদার। তিনি বলেন,

“লগি-বৈঠার তাণ্ডব ছিল পরিকল্পিত রাজনৈতিক হত্যাযজ্ঞ, যার মূল লক্ষ্য ছিল ইসলামী আন্দোলনের শিকড় উপড়ে ফেলা। কিন্তু আজ প্রমাণ হয়েছে, সেই আন্দোলন আরও শক্তিশালী হয়ে জনগণের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে।”
এছাড়া বক্তব্য দেন পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি ও সাবেক কাউন্সিলর অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন, পৌরসহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবিদ হাসান, জামায়াত নেতা মোঃ আনিসুর রহমান, শ্রমিক নেতা মোঃ জহির উদ্দিন বাবর মুসল্লী ও মোঃ গোলাম মোস্তফা প্রমুখ।
বক্তারা বলেন,
“যারা গণতন্ত্রের নামে গণহত্যা ঘটিয়েছে, আজ তারাই মানবাধিকারের বুলি আওড়াচ্ছে। জনগণ তাদের মুখোশ উন্মোচন করেছে। ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা দেশে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অবিচল থাকবে ইনশাআল্লাহ।”

বিক্ষোভ সমাবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও এর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।


প্রিন্ট