ঢাকা ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বিমান মন্ত্রণালয়ে বড় পরিবর্তন আনতে চাই: বিমানমন্ত্রী Logo হরমুজের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরো জোরদার করছে ইরান Logo মঠবাড়িয়া উপজেলায় বিপুল পরিমাণ গাজা উদ্ধার করেছে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ। Logo দিবসের শ্রমিকদলের সমাবেশ ষড়যন্ত্র ও অপশক্তির বিরুদ্ধে দলের নেতাকর্মীদের শক্ত অবস্থানে থাকার আহ্বান পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলমের। Logo টঙ্গী এরশাদ নগরে সেন্টুর সিন্ডিকেট মাদকের জালে আটকা যুব সমাজ এবং নেপথ্যে কারা Logo জামালপুরে মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস উদযাপিত, Logo সীতাকুণ্ডে বর্ণাঢ্য র‍্যালীর মাধ্যমে মহান মে দিবস উদযাপিত: প্রধান অতিথি আসলাম চৌধুরী এমপি Logo ৩৬০ জনের অলির রোজা শরীফ সারা বাংলায় কোন কোন জায়গায় Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মহান মে দিবস উপলক্ষে জেলা নির্মাণ শ্রমিকের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo ইসলামপুরে মাইক্রো চালককে হত্যা, এলাকাবাসীর মানববন্ধন

ভাঙ্গুড়ায় আড়াই লক্ষ টাকার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল পুড়িয়ে ধ্বংস

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় প্রায় আড়াই লক্ষ টাকার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করেছে উপজেলা মৎস্য দপ্তর। সোমবার (১৫ অক্টোবর) রাত প্রায় বারোটার দিকে উপজেলার পুইবিল এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আজম।

অভিযানে সহযোগিতা করেন ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশের একটি টিম। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাতের অন্ধকারে উপজেলার পুইবিল এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব নিষিদ্ধ জাল উদ্ধার করা হয়। পরে তা পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। তবে জালের মালিককে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি বলে মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা গেছে।

স্থানীয়দের মতে, চায়না দুয়ারী জাল অত্যন্ত সূক্ষ্ম হওয়ায় এতে ছোট ছোট মাছও ধরা পড়ে যায়, ফলে একদিকে যেমন মাছের বংশবৃদ্ধি হুমকির মুখে পড়ছে, অন্যদিকে নদী ও জলাশয়ের জীববৈচিত্র্যও ধ্বংস হচ্ছে।

মৎস্য দপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, মৎস্য সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ জাল রাখলে বা ব্যবহার করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এজন্য সবাইকে এসব জাল ব্যবহার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আজম বলেন, “চায়না দুয়ারী জাল সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। এই জাল দিয়ে মাছের পোনা, মা মাছ ও ছোট মাছ নির্বিচারে নিধন করা হয়। ফলে নদী ও খালের প্রাকৃতিক মাছের উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।”

তিনি আরও বলেন, প্রতিনিয়ত এমন অভিযানের মাধ্যমে সাধারণ জেলেদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য জলজ সম্পদ রক্ষা করতেই এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ছবি: ভাঙ্গুড়া উপজেলার পুইবিল এলাকায় উদ্ধার করা প্রায় আড়াই লক্ষ টাকার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করছেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তারা।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিমান মন্ত্রণালয়ে বড় পরিবর্তন আনতে চাই: বিমানমন্ত্রী

ভাঙ্গুড়ায় আড়াই লক্ষ টাকার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল পুড়িয়ে ধ্বংস

আপডেট সময় ০৬:৩৩:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় প্রায় আড়াই লক্ষ টাকার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করেছে উপজেলা মৎস্য দপ্তর। সোমবার (১৫ অক্টোবর) রাত প্রায় বারোটার দিকে উপজেলার পুইবিল এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আজম।

অভিযানে সহযোগিতা করেন ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশের একটি টিম। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাতের অন্ধকারে উপজেলার পুইবিল এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব নিষিদ্ধ জাল উদ্ধার করা হয়। পরে তা পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। তবে জালের মালিককে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি বলে মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা গেছে।

স্থানীয়দের মতে, চায়না দুয়ারী জাল অত্যন্ত সূক্ষ্ম হওয়ায় এতে ছোট ছোট মাছও ধরা পড়ে যায়, ফলে একদিকে যেমন মাছের বংশবৃদ্ধি হুমকির মুখে পড়ছে, অন্যদিকে নদী ও জলাশয়ের জীববৈচিত্র্যও ধ্বংস হচ্ছে।

মৎস্য দপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, মৎস্য সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ জাল রাখলে বা ব্যবহার করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এজন্য সবাইকে এসব জাল ব্যবহার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আজম বলেন, “চায়না দুয়ারী জাল সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। এই জাল দিয়ে মাছের পোনা, মা মাছ ও ছোট মাছ নির্বিচারে নিধন করা হয়। ফলে নদী ও খালের প্রাকৃতিক মাছের উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।”

তিনি আরও বলেন, প্রতিনিয়ত এমন অভিযানের মাধ্যমে সাধারণ জেলেদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য জলজ সম্পদ রক্ষা করতেই এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ছবি: ভাঙ্গুড়া উপজেলার পুইবিল এলাকায় উদ্ধার করা প্রায় আড়াই লক্ষ টাকার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করছেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তারা।


প্রিন্ট