ঢাকা ০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়া আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কিছু আংশিক আহত Logo জামালপুরে ০১৭ জাতীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট শুভ উদ্বোধন, Logo উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজখবর নিতে গেলেন সম্মানিত আমীরে জামায়াত Logo বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে কোরআন খতম, দোয়া ও শীতবস্ত্র বিতরণ Logo নবম পে স্কেলের গ্রেড সংখ্যা চূড়ান্ত, কত হবে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতন? Logo পবিত্র শবে মেরাজ আজ Logo যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার বৈঠক Logo আমাদের রেকর্ড কথা বলবে: আল জাজিরাকে শফিকুল আলম Logo উত্তরায় বহুতল ভবনে আগুন, প্রাণ গেল ৩ জনের Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১: স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণায় চেয়ারম্যান পদ ছাড়লেন ইকবাল চৌধুরী

চাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:৩৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৩৭ ১৮৪৪.০০০ বার পড়া হয়েছে

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর আজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ও হল সংসদ নির্বাচন শুরু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাড়ে ২৭ হাজার শিক্ষার্থীর হাতে ফিরছে ভোটাধিকার। তিন যুগের বেশি সময় পর নির্বাচন উৎসব ঘিরে, শিক্ষার্থীদের মাঝে দেখা দিয়েছে উৎসাহ-উদ্দীপনা।

বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি অনুষদ ভবনে চলবে ভোটগ্রহণ। তফশিল ঘোষণার পর থেকে প্রার্থীরা শাটল ট্রেন, একাডেমিক ভবন, আবাসিক হল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণায় ব্যস্ত সময় কাটান।

নির্বাচন উপলক্ষে পুরো ক্যাম্পাস সেজেছে পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার ও ইশতেহারে। এ নির্বাচনে মোট ভোটার ২৭ হাজার ৫১৭ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১৬ হাজার ৮৪ জন এবং ছাত্রী ১১ হাজার ৪৩৪ জন।

চাকসু ও হল সংসদ মিলিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৯০৮ প্রার্থী। এরমধ্যে, চাকসুতে ২৬টি পদে ৪১৫ জন এবং হল সংসদে ৪৯৩ প্রার্থী। কেন্দ্রীয় সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪৮ জন নারী প্রার্থী ও ৩৬৬ জন পুরুষ প্রার্থী। এছাড়া, ২৪ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

আরও পড়ুন
চাকসু নির্বাচন: ১০ মিনিটে দিতে হবে ৪০ ভোট
চাকসু নির্বাচন: ১০ মিনিটে দিতে হবে ৪০ ভোট
চাকসুতে ভিপি পদে ২৪ জন, জিএস পদে ২২ জন, এজিএস পদে ২১ প্রার্থী লড়ছেন। হল সংসদ নির্বাচনে ছাত্রদের ৯টি হল ও একটি হোস্টেল থেকে মোট ৩৫০ জন এবং ছাত্রীদের ৫টি হল থেকে ১২৩ জন প্রার্থী লড়ছেন। প্রত্যাশিত এই নির্বাচনের জন্য সতর্ক অবস্থানে আছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

এর আগে, ১৯৮৬ সাল থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিল শিবিরের একক আধিপত্য। ১৯৮১ সালের চতুর্থ চাকসু নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় ছাত্র শিবির। ফলে, ১৯৯০ সালের নির্বাচনে শিবিরের একক আধিপত্যের বিরুদ্ধে সর্বদলীয় ঐক্য করে ১২টি ছাত্র সংগঠন। জয় পায় বেশিরভাগ পদে। এরপর, আর নির্বাচন হয়নি।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

ব্রাহ্মণবাড়িয়া আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কিছু আংশিক আহত

চাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু

আপডেট সময় ১১:৩৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর আজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ও হল সংসদ নির্বাচন শুরু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাড়ে ২৭ হাজার শিক্ষার্থীর হাতে ফিরছে ভোটাধিকার। তিন যুগের বেশি সময় পর নির্বাচন উৎসব ঘিরে, শিক্ষার্থীদের মাঝে দেখা দিয়েছে উৎসাহ-উদ্দীপনা।

বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি অনুষদ ভবনে চলবে ভোটগ্রহণ। তফশিল ঘোষণার পর থেকে প্রার্থীরা শাটল ট্রেন, একাডেমিক ভবন, আবাসিক হল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণায় ব্যস্ত সময় কাটান।

নির্বাচন উপলক্ষে পুরো ক্যাম্পাস সেজেছে পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার ও ইশতেহারে। এ নির্বাচনে মোট ভোটার ২৭ হাজার ৫১৭ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১৬ হাজার ৮৪ জন এবং ছাত্রী ১১ হাজার ৪৩৪ জন।

চাকসু ও হল সংসদ মিলিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৯০৮ প্রার্থী। এরমধ্যে, চাকসুতে ২৬টি পদে ৪১৫ জন এবং হল সংসদে ৪৯৩ প্রার্থী। কেন্দ্রীয় সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪৮ জন নারী প্রার্থী ও ৩৬৬ জন পুরুষ প্রার্থী। এছাড়া, ২৪ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

আরও পড়ুন
চাকসু নির্বাচন: ১০ মিনিটে দিতে হবে ৪০ ভোট
চাকসু নির্বাচন: ১০ মিনিটে দিতে হবে ৪০ ভোট
চাকসুতে ভিপি পদে ২৪ জন, জিএস পদে ২২ জন, এজিএস পদে ২১ প্রার্থী লড়ছেন। হল সংসদ নির্বাচনে ছাত্রদের ৯টি হল ও একটি হোস্টেল থেকে মোট ৩৫০ জন এবং ছাত্রীদের ৫টি হল থেকে ১২৩ জন প্রার্থী লড়ছেন। প্রত্যাশিত এই নির্বাচনের জন্য সতর্ক অবস্থানে আছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

এর আগে, ১৯৮৬ সাল থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিল শিবিরের একক আধিপত্য। ১৯৮১ সালের চতুর্থ চাকসু নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় ছাত্র শিবির। ফলে, ১৯৯০ সালের নির্বাচনে শিবিরের একক আধিপত্যের বিরুদ্ধে সর্বদলীয় ঐক্য করে ১২টি ছাত্র সংগঠন। জয় পায় বেশিরভাগ পদে। এরপর, আর নির্বাচন হয়নি।


প্রিন্ট