ঢাকা ১২:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo এস আলম থেকে ঘুস নেন সাবেক ডেপুটি গভর্নর মনিরুজ্জামান Logo দুর্ভোগের রাজধানী কারওয়ান বাজারে অব্যবস্থাপনা, নেপথ্যে চাঁদাবাজি মাহমুদা ডলি Logo মার্কিন হামলার আশঙ্কায় আকাশপথ বন্ধ করলো ইরান Logo আতঙ্কে বাঁশখালী প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ প্রতিবেদন চট্টগ্রাম Logo অবশেষে ভেঙেই গেল জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ইসলামি জোট আলফাজ আনাম Logo আজমিরীগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী কালভৈরব মেলায় Logo মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা ১২ ফেব্রুয়ারিই নির্বাচন, একদিন আগেও নয় পরেও নয় Logo এমসিএসকে-তে সাফল্য: ভাঙ্গুড়া ক্যাডেট কোচিংয়ের শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা Logo জামালপুরে ০৯ জানুয়ারীতে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান Logo মিথ্যা মামলা কড়াটাই যেন তার নেশা অভিযোগ উঠেছে একাধিক এলাকা বাসীর বাদী মোঃ দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া সার্জেন্ট ও তার পরিবারের সবার বিরুদ্ধে….!!

সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের দুটি রেঞ্জের বৈষম্য আইন প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:৩৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫
  • ১১২ ১৮৪৪.০০০ বার পড়া হয়েছে

সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের দুটি রেঞ্জের বৈষম্য আইন প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে মৎস্যজীবী ও পেশাজীবীরা। মানববন্ধনে একাত্মতা প্রকাশ করেন স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ। বুধবার (১ অক্টোবর) বিকেলে বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার শরনখোলা বাজারে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। মানববন্ধনে সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকার শত শত জেলে ও মৎস্যজীবীরা অংশ নেয়।মানববন্ধনে বক্তব্য দেন,উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম লিটন,৷সম্মানিত মৎস্য ব্যবসায়ী মো: হিরু খান, সেলিম খান, ফরিদ খান৷ হালিম খান,খলিলুর রহমান হাওলাদার, এবং শরন খোলার থানার প্রেসক্লাব সাংবাদিক সদস্য বৃন্দ গন বলেন।সুন্দরবন মায়ের মতন সুন্দরবনকে সুরক্ষার দেওয়ার দায়িত্ব উপকূলবাসীর। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার হাজার হাজার মানুষ বৈধ (অনুমতি) পাশ পারমিট নিয়ে মাছ, কাঁকড়া আহরন করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সুন্দরবনকে ব্যবহার করে অপরাধ সংগঠিত হয়েছে। বন্যপ্রাণী নিধন করা হয়েছে যাক কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তৎকালীন বনমন্ত্রী ছিলেন আওয়ামী লীগের তালুকদার হাবিবুন নাহার। তিনি সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের চাদপাই ও শরণখোলা রেঞ্জকে বৈষম্য করে তোলেন।তিনি ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে তার এলাকায় চাঁদপাই রেঞ্জের ৪৮ ভাগ ও পার্শ্ববর্তী রেঞ্জ শরনখোলাকে ৮৪ ভাগ অভয়ারণ্য ঘোষণা করে। এর ফলে শরণখোলা রেঞ্জের মৎস্যজীবী ও বনজীবীরা মাছ আহরনে নদী ও খালের জায়গা সংকটে পড়েন। যার ফলে হাজার হাজার জেলেরা মানবতার জীবন যাপন করেন।
জেলের আরো জানান, এই বৈষম্য দূর না করলে অবহেলিত শরণখোলা এলাকার হাজার হাজার জেলে পরিবার জীবীকার সংকটে পড়বে।একই বনে দুই ধরনের সিদ্ধান্ত ষড়যন্ত্রমূলক বলে উল্লেখ করেন ব্যবসায়ীরা। অবিলম্বে বৈষম্য দূর করার জন্য বন মন্ত্রণালয় ও সরকারের কাছে দাবি জানান বক্তারা।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

এস আলম থেকে ঘুস নেন সাবেক ডেপুটি গভর্নর মনিরুজ্জামান

সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের দুটি রেঞ্জের বৈষম্য আইন প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন

আপডেট সময় ১০:৩৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫

সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের দুটি রেঞ্জের বৈষম্য আইন প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে মৎস্যজীবী ও পেশাজীবীরা। মানববন্ধনে একাত্মতা প্রকাশ করেন স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ। বুধবার (১ অক্টোবর) বিকেলে বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার শরনখোলা বাজারে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। মানববন্ধনে সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকার শত শত জেলে ও মৎস্যজীবীরা অংশ নেয়।মানববন্ধনে বক্তব্য দেন,উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম লিটন,৷সম্মানিত মৎস্য ব্যবসায়ী মো: হিরু খান, সেলিম খান, ফরিদ খান৷ হালিম খান,খলিলুর রহমান হাওলাদার, এবং শরন খোলার থানার প্রেসক্লাব সাংবাদিক সদস্য বৃন্দ গন বলেন।সুন্দরবন মায়ের মতন সুন্দরবনকে সুরক্ষার দেওয়ার দায়িত্ব উপকূলবাসীর। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার হাজার হাজার মানুষ বৈধ (অনুমতি) পাশ পারমিট নিয়ে মাছ, কাঁকড়া আহরন করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সুন্দরবনকে ব্যবহার করে অপরাধ সংগঠিত হয়েছে। বন্যপ্রাণী নিধন করা হয়েছে যাক কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তৎকালীন বনমন্ত্রী ছিলেন আওয়ামী লীগের তালুকদার হাবিবুন নাহার। তিনি সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের চাদপাই ও শরণখোলা রেঞ্জকে বৈষম্য করে তোলেন।তিনি ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে তার এলাকায় চাঁদপাই রেঞ্জের ৪৮ ভাগ ও পার্শ্ববর্তী রেঞ্জ শরনখোলাকে ৮৪ ভাগ অভয়ারণ্য ঘোষণা করে। এর ফলে শরণখোলা রেঞ্জের মৎস্যজীবী ও বনজীবীরা মাছ আহরনে নদী ও খালের জায়গা সংকটে পড়েন। যার ফলে হাজার হাজার জেলেরা মানবতার জীবন যাপন করেন।
জেলের আরো জানান, এই বৈষম্য দূর না করলে অবহেলিত শরণখোলা এলাকার হাজার হাজার জেলে পরিবার জীবীকার সংকটে পড়বে।একই বনে দুই ধরনের সিদ্ধান্ত ষড়যন্ত্রমূলক বলে উল্লেখ করেন ব্যবসায়ীরা। অবিলম্বে বৈষম্য দূর করার জন্য বন মন্ত্রণালয় ও সরকারের কাছে দাবি জানান বক্তারা।


প্রিন্ট