ঢাকা ০৩:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo শহীদ সেনা দিবসে বনানী কবরস্থানে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও নতুন প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা Logo আসামি করা হচ্ছে হাসিনাসহ আওয়ামী মন্ত্রী-এমপিদের Logo বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবিরের ২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা Logo নাসিরনগরে অবৈধ মাটি কাটায় দেড় লক্ষাধিক টাকা জরিমানা, ৫ ট্রাক্টর জব্দ Logo পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের পর নানা অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল Logo শিবিরের জনশক্তিকে বৃহত্তর নেতৃত্বের যোগ্যতায় গড়ে তুলতে হবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর Logo তানোরের মুন্ডুমালায় জামায়াতের ইফতার মাহফিল Logo ১ নং কাস্টম ঘাট টোলমুক্ত ঘোষণা সৌজন্যে বি কোম্পানি Logo সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ: নাইক্ষ্যংছড়িতে আরাকান আর্মির ৩ সদস্য আটক Logo লালমনিরহাটের বিভিন্ন উপজেলায় পবিত্র রমজানে বাজার মনিটরিং

গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহত ৭২, অনাহারে ৭

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় চলছেই ইসরাইলি বর্বরতা। ইসরাইলি বোমা বর্ষণের পাশাপাশি দুর্ভিক্ষ ও অনাহারে প্রতিদিনই বাড়ছে প্রাণহানি। গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরাইলি হামলায় ৭২ জন নিহত হয়েছেন এছাড়া শুধু ক্ষুধায় মারা গেছেন আরও ৭ জন, যাদের মধ্যে একজন শিশু রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৪ হাজার ৭১৮ জনে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় অনাহার ও অপুষ্টিতে এক শিশুসহ আরও ৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন বলে বৃহস্পতিবার ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানায়, গত একদিনে ৭২ জনের মরদেহ হাসপাতালে পৌঁছেছে, আহত হয়েছেন আরও ৩৫৬ জন। এতে ইসরাইলি হামলায় মোট আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮৫৯ জনে। অনেক নিহত এখনো ধ্বংসস্তূপ আর রাস্তায় পড়ে আছে, উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছে না।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ত্রাণ সংগ্রহের সময় ইসরাইলি সেনাদের গুলিতে আরও ৯ ফিলিস্তিনি নিহত এবং অন্তত ৮৭ জন আহত হয়েছেন। এ নিয়ে ২৭ মে থেকে ত্রাণ নিতে গিয়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়াল ২ হাজার ৪৬৫ জনে, আহত হয়েছেন অন্তত ১৭ হাজার ৯৪৮ জন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আরও জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় অনাহার ও অপুষ্টিতে মারা যাওয়া সাতজনের মধ্যে একজন শিশু রয়েছে। এর ফলে ২০২৩ সালের অক্টোবরে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে দুর্ভিক্ষে মারা যাওয়া মানুষের সংখ্যা দাঁড়াল ৪১১ জনে, যাদের মধ্যে ১৪২ জন শিশু।

এর মধ্যে শুধু গত মাসে জাতিসংঘ সমর্থিত ক্ষুধা পর্যবেক্ষণ সংস্থা আইপিসি গাজাকে আনুষ্ঠানিকভাবে দুর্ভিক্ষ অঞ্চল ঘোষণা করার পর থেকে ১৩৩ জন মারা গেছেন, যাদের মধ্যে ২৭ জনই শিশু।

মূলত চলতি বছরের মার্চের শুরু থেকে ইসরাইল গাজার সব সীমান্ত পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে। এর ফলে ২৪ লাখ মানুষের জনপদটি মারাত্মক দুর্ভিক্ষে পতিত হয়েছে।

এরপর ১৮ মার্চ থেকে ইসরাইল যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে গাজায় হামলা শুরু করে। নতুন করে শুরু করে ইসরাইলি হামলায় এ পর্যন্ত ১২ হাজার ১৭০ জন নিহত এবং ৫১ হাজার ৮১৮ জন আহত হয়েছেন।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শহীদ সেনা দিবসে বনানী কবরস্থানে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও নতুন প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহত ৭২, অনাহারে ৭

আপডেট সময় ১২:৩৮:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় চলছেই ইসরাইলি বর্বরতা। ইসরাইলি বোমা বর্ষণের পাশাপাশি দুর্ভিক্ষ ও অনাহারে প্রতিদিনই বাড়ছে প্রাণহানি। গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরাইলি হামলায় ৭২ জন নিহত হয়েছেন এছাড়া শুধু ক্ষুধায় মারা গেছেন আরও ৭ জন, যাদের মধ্যে একজন শিশু রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৪ হাজার ৭১৮ জনে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় অনাহার ও অপুষ্টিতে এক শিশুসহ আরও ৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন বলে বৃহস্পতিবার ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানায়, গত একদিনে ৭২ জনের মরদেহ হাসপাতালে পৌঁছেছে, আহত হয়েছেন আরও ৩৫৬ জন। এতে ইসরাইলি হামলায় মোট আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮৫৯ জনে। অনেক নিহত এখনো ধ্বংসস্তূপ আর রাস্তায় পড়ে আছে, উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছে না।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ত্রাণ সংগ্রহের সময় ইসরাইলি সেনাদের গুলিতে আরও ৯ ফিলিস্তিনি নিহত এবং অন্তত ৮৭ জন আহত হয়েছেন। এ নিয়ে ২৭ মে থেকে ত্রাণ নিতে গিয়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়াল ২ হাজার ৪৬৫ জনে, আহত হয়েছেন অন্তত ১৭ হাজার ৯৪৮ জন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আরও জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় অনাহার ও অপুষ্টিতে মারা যাওয়া সাতজনের মধ্যে একজন শিশু রয়েছে। এর ফলে ২০২৩ সালের অক্টোবরে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে দুর্ভিক্ষে মারা যাওয়া মানুষের সংখ্যা দাঁড়াল ৪১১ জনে, যাদের মধ্যে ১৪২ জন শিশু।

এর মধ্যে শুধু গত মাসে জাতিসংঘ সমর্থিত ক্ষুধা পর্যবেক্ষণ সংস্থা আইপিসি গাজাকে আনুষ্ঠানিকভাবে দুর্ভিক্ষ অঞ্চল ঘোষণা করার পর থেকে ১৩৩ জন মারা গেছেন, যাদের মধ্যে ২৭ জনই শিশু।

মূলত চলতি বছরের মার্চের শুরু থেকে ইসরাইল গাজার সব সীমান্ত পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে। এর ফলে ২৪ লাখ মানুষের জনপদটি মারাত্মক দুর্ভিক্ষে পতিত হয়েছে।

এরপর ১৮ মার্চ থেকে ইসরাইল যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে গাজায় হামলা শুরু করে। নতুন করে শুরু করে ইসরাইলি হামলায় এ পর্যন্ত ১২ হাজার ১৭০ জন নিহত এবং ৫১ হাজার ৮১৮ জন আহত হয়েছেন।


প্রিন্ট