ঢাকা ১২:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ভিসা নিয়ে মার্কিন দূতাবাসের জরুরি সতর্কবার্তা Logo সংসদেই সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে অথচ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের তালবাহানা অবৈধ সরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষ্যে নৌপথে সার্বিক নিরাপত্তায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড Logo পশুর নদীসহ সুন্দরবনসংলগ্ন নদ-নদীর জীবন্ত সত্তা ফিরিয়ে আনতে হবে: মোংলায় প্রতিমন্ত্রী লায়ন ড.শেখ ফরিদুল ইসলাম Logo সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না হলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি জামায়াতের Logo ১৬টি জ্বালানিবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে, আরও তিনটি আসছে Logo ভাঙ্গুড়ায় মশক নিধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত Logo লেবাননে ইসরাইলের হামলায় নিহত ৩১ Logo ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র: উত্তরণের পথ খুঁজছেন ট্রাম্প Logo আনোয়ারায় শ্রমজীবী ও পেশাজীবীদের সম্মানে এডভোকেট নুরুল কবির রানা’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে

মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে উদ্যোগ, চাপ কমবে চট্টগ্রামে: এনবিআর চেয়ারম্যান

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:৫৩:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫
  • ২০৩ ০.০০ বার পড়া হয়েছে

ওমর ফারুক : জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বলেছেন, “গত তিন মাস আমরা বাজেট নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। এখন মাঠপর্যায়ের বাস্তব চিত্র দেখতে চাই। মোংলা বন্দরের অবকাঠামো, সক্ষমতা ও সীমাবদ্ধতা বোঝার পাশাপাশি এখানে কার্যক্রম কীভাবে বাড়ানো যায়, সেটিই আমাদের এই সফরের মূল উদ্দেশ্য।”

মঙ্গলবার (২২ জুলাই ২০২৫) সকালে মোংলা কাস্টমস হাউসের সুন্দরবন সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে সকালে তিনি কাস্টমস কর্মকর্তাদের সঙ্গে রাজস্ব বিষয়ক বৈঠক করেন এবং মোংলা বন্দর জেটি পরিদর্শন করেন। পরে সিএন্ডএফ ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, “মোংলা কাস্টমস হাউসের অপারেশনাল সক্ষমতাকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে চাই। ব্যবসায়ীরা যেন এই সুযোগ নেন। চট্টগ্রাম বন্দরের ব্যবহারের তুলনায় মোংলা বন্দরের ব্যবহার অনেক কম। অথচ মোংলার ব্যবহার বাড়ালে চট্টগ্রামের ওপর চাপ কমবে, পোর্ট ডেমারেজ ও খরচ কমবে, এতে জনগণও উপকৃত হবে।”

তিনি আরও বলেন, “যারা মোংলা বন্দর ব্যবহার করেন, তাদের সমস্যাগুলো শুনেছি। সেগুলোর সমাধানে কাজ করা হবে। পাশাপাশি কাস্টমস কর্মকর্তাদের কাজের পরিবেশ ও সুযোগ-সুবিধা কেমন, তাও পর্যালোচনা করছি। গাড়ি আমদানিকারকদের সঙ্গে কয়েকবার বৈঠক হয়েছে, আরও হবে। যাতে সহজে সার্ভিস পান ও মোংলা বন্দর বেশি ব্যবহার করেন।”

সফরে এনবিআর চেয়ারম্যানের সঙ্গে ছিলেন— এনবিআরের সদস্য (কাস্টমস নীতি ও আইসিটি) মুহাম্মদ মুবিনুল কবীর, সদস্য (কাস্টমস ও ভ্যাট প্রশাসন) মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, একান্ত সচিব আতাউল গনি ওসমানী এবং জনসংযোগ কর্মকর্তা আল আমিন শেখ।

এ সময় মোংলা কাস্টমস হাউসের কমিশনার মু. সফিউজ্জামান বলেন, “মোংলা কাস্টমস হাউসের সরকারি অফিস ও আবাসনের ব্যবস্থা নেই। এ বিষয়টি চেয়ারম্যান মহোদয়কে জানানো হয়েছে। লজিস্টিক সুবিধা বাড়ানো এবং বিদ্যমান সমস্যার সমাধান চাওয়া হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, “মোংলা বন্দরে দ্রুত মালামাল খালাস হয় এবং চট্টগ্রামের তুলনায় পোর্ট ডেমারেজ কম। তাই ব্যবসায়ীদের এসব সুবিধার কথা জানানো হচ্ছে। এনবিআরের পক্ষ থেকে আমদানিকৃত সব গাড়ি মোংলা বন্দর দিয়ে আনতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চেয়ারম্যান বন্দর, কাস্টমস এবং ব্যবসায়ীদের সমস্যা সরেজমিনে দেখেছেন এবং সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।”

এ সময় খুলনা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনার, খুলনার কর কমিশনার ও কর অঞ্চলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভিসা নিয়ে মার্কিন দূতাবাসের জরুরি সতর্কবার্তা

মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে উদ্যোগ, চাপ কমবে চট্টগ্রামে: এনবিআর চেয়ারম্যান

আপডেট সময় ০৭:৫৩:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫

ওমর ফারুক : জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বলেছেন, “গত তিন মাস আমরা বাজেট নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। এখন মাঠপর্যায়ের বাস্তব চিত্র দেখতে চাই। মোংলা বন্দরের অবকাঠামো, সক্ষমতা ও সীমাবদ্ধতা বোঝার পাশাপাশি এখানে কার্যক্রম কীভাবে বাড়ানো যায়, সেটিই আমাদের এই সফরের মূল উদ্দেশ্য।”

মঙ্গলবার (২২ জুলাই ২০২৫) সকালে মোংলা কাস্টমস হাউসের সুন্দরবন সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে সকালে তিনি কাস্টমস কর্মকর্তাদের সঙ্গে রাজস্ব বিষয়ক বৈঠক করেন এবং মোংলা বন্দর জেটি পরিদর্শন করেন। পরে সিএন্ডএফ ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, “মোংলা কাস্টমস হাউসের অপারেশনাল সক্ষমতাকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে চাই। ব্যবসায়ীরা যেন এই সুযোগ নেন। চট্টগ্রাম বন্দরের ব্যবহারের তুলনায় মোংলা বন্দরের ব্যবহার অনেক কম। অথচ মোংলার ব্যবহার বাড়ালে চট্টগ্রামের ওপর চাপ কমবে, পোর্ট ডেমারেজ ও খরচ কমবে, এতে জনগণও উপকৃত হবে।”

তিনি আরও বলেন, “যারা মোংলা বন্দর ব্যবহার করেন, তাদের সমস্যাগুলো শুনেছি। সেগুলোর সমাধানে কাজ করা হবে। পাশাপাশি কাস্টমস কর্মকর্তাদের কাজের পরিবেশ ও সুযোগ-সুবিধা কেমন, তাও পর্যালোচনা করছি। গাড়ি আমদানিকারকদের সঙ্গে কয়েকবার বৈঠক হয়েছে, আরও হবে। যাতে সহজে সার্ভিস পান ও মোংলা বন্দর বেশি ব্যবহার করেন।”

সফরে এনবিআর চেয়ারম্যানের সঙ্গে ছিলেন— এনবিআরের সদস্য (কাস্টমস নীতি ও আইসিটি) মুহাম্মদ মুবিনুল কবীর, সদস্য (কাস্টমস ও ভ্যাট প্রশাসন) মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, একান্ত সচিব আতাউল গনি ওসমানী এবং জনসংযোগ কর্মকর্তা আল আমিন শেখ।

এ সময় মোংলা কাস্টমস হাউসের কমিশনার মু. সফিউজ্জামান বলেন, “মোংলা কাস্টমস হাউসের সরকারি অফিস ও আবাসনের ব্যবস্থা নেই। এ বিষয়টি চেয়ারম্যান মহোদয়কে জানানো হয়েছে। লজিস্টিক সুবিধা বাড়ানো এবং বিদ্যমান সমস্যার সমাধান চাওয়া হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, “মোংলা বন্দরে দ্রুত মালামাল খালাস হয় এবং চট্টগ্রামের তুলনায় পোর্ট ডেমারেজ কম। তাই ব্যবসায়ীদের এসব সুবিধার কথা জানানো হচ্ছে। এনবিআরের পক্ষ থেকে আমদানিকৃত সব গাড়ি মোংলা বন্দর দিয়ে আনতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চেয়ারম্যান বন্দর, কাস্টমস এবং ব্যবসায়ীদের সমস্যা সরেজমিনে দেখেছেন এবং সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।”

এ সময় খুলনা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনার, খুলনার কর কমিশনার ও কর অঞ্চলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


প্রিন্ট