ঢাকা ১০:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কাটেনি জ্বালানির সংকট, বহু পাম্পে দীর্ঘ লাইন Logo নীলসাগর এক্সপ্রেসের বগি উদ্ধার সম্পন্ন, লাইন স্থাপনের কাজ চলছে Logo মহম্মদপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে ইফতার বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo নাসিরনগরে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে নগদ অর্থ পেল ৫৮৫ জন Logo জামালপুরে সুইড বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মাঝে ইফতার বিতরণ Logo জামালপুরে ছাত্রদলের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo শ’হীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রু’হের মা’গফিরাত কামনায় ইফতার মাহফিল Logo বগুড়ায় ট্রেন লাইনচ্যুত, উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকার রেল যোগাযোগ বন্ধ Logo ইরানে লারিজানি-সোলেইমানিসহ নৌসেনাদের জানাজা অনুষ্ঠিত Logo প্রধানমন্ত্রীর এান তহবিল থেকে পীরগঞ্জে ৩শ পরিবারের মাঝে ৬ লক্ষ টাকা বিতরণ 

বৃদ্ধ দম্পতিকে শ্বাসরোধে হত্যার পর নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুট

টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলায় এক বৃদ্ধ দম্পতিকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তাদের ঘর থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করা হয়েছে। এ ঘটনায় ধানের চারা রোপণের কাজে আনা দুই অজ্ঞাত শ্রমিককে সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার হাবলা ইউনিয়নের ঘোষাখালী গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন— ঘোষাখালী গ্রামের মোতাহার সিকদার ওরফে ঠান্ডু (৭৫) এবং তার স্ত্রী রেজিয়া বেগম (৬৫)।
নিহতের নাতি শাকিল সিকদার জানান, গত রোববার ধানের চারা রোপণের জন্য শরিফ ও সুমন নামে দুইজন শ্রমিককে আনা হয়। মোতাহার সিকদারের পায়ে তীব্র ব্যথা থাকায় তারা তাকে কবিরাজি ওষুধ খেতে দেন। সোমবার রাতে শ্রমিকদের ঘরের বারান্দায় ঘুমানোর ব্যবস্থা করা হয় এবং দম্পতি ঘরের ভেতরে ঘুমান।
রাতের কোনো এক সময় শ্রমিকরা টিন কেটে দরজা খুলে ঘরে প্রবেশ করে। এরপর মোতাহার সিকদার ও তার স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সকালে স্বজনরা তাদের অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
হাবলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম জানান, দুই অজ্ঞাত শ্রমিকের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
টাঙ্গাইলের সহকারী পুলিশ সুপার (সখীপুর সার্কেল) একে এম মামুনুর রশিদ জানান, ধানের চারা রোপণের কাজে দুইজন শ্রমিক আনা হয়েছিল। ঘটনার পর থেকে তারা পলাতক রয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় ঘর থেকে কী পরিমাণ মালামাল লুট হয়েছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে এলাকায় আতঙ্ক ও রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কাটেনি জ্বালানির সংকট, বহু পাম্পে দীর্ঘ লাইন

বৃদ্ধ দম্পতিকে শ্বাসরোধে হত্যার পর নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুট

আপডেট সময় ০৩:৪৬:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলায় এক বৃদ্ধ দম্পতিকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তাদের ঘর থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করা হয়েছে। এ ঘটনায় ধানের চারা রোপণের কাজে আনা দুই অজ্ঞাত শ্রমিককে সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার হাবলা ইউনিয়নের ঘোষাখালী গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন— ঘোষাখালী গ্রামের মোতাহার সিকদার ওরফে ঠান্ডু (৭৫) এবং তার স্ত্রী রেজিয়া বেগম (৬৫)।
নিহতের নাতি শাকিল সিকদার জানান, গত রোববার ধানের চারা রোপণের জন্য শরিফ ও সুমন নামে দুইজন শ্রমিককে আনা হয়। মোতাহার সিকদারের পায়ে তীব্র ব্যথা থাকায় তারা তাকে কবিরাজি ওষুধ খেতে দেন। সোমবার রাতে শ্রমিকদের ঘরের বারান্দায় ঘুমানোর ব্যবস্থা করা হয় এবং দম্পতি ঘরের ভেতরে ঘুমান।
রাতের কোনো এক সময় শ্রমিকরা টিন কেটে দরজা খুলে ঘরে প্রবেশ করে। এরপর মোতাহার সিকদার ও তার স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সকালে স্বজনরা তাদের অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
হাবলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম জানান, দুই অজ্ঞাত শ্রমিকের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
টাঙ্গাইলের সহকারী পুলিশ সুপার (সখীপুর সার্কেল) একে এম মামুনুর রশিদ জানান, ধানের চারা রোপণের কাজে দুইজন শ্রমিক আনা হয়েছিল। ঘটনার পর থেকে তারা পলাতক রয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় ঘর থেকে কী পরিমাণ মালামাল লুট হয়েছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে এলাকায় আতঙ্ক ও রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।


প্রিন্ট