ঢাকা ০৮:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বিরোধীদলীয় নেতার ভিডিও বার্তা Logo আত্রাই প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের সহায়তা বিতরণ, অসহায় মানুষ আবেগে আপ্লুত Logo আগামীকাল দেশে উদযাপিত হবে ঈদুল ফিতর নতুন চাঁদ Logo সৌদির সঙ্গে মিল রেখে রাজধানীতে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত Logo ঈদের আগের দিন রাজধানীতে ঝড়-বৃষ্টি Logo কাটেনি জ্বালানির সংকট, বহু পাম্পে দীর্ঘ লাইন Logo নীলসাগর এক্সপ্রেসের বগি উদ্ধার সম্পন্ন, লাইন স্থাপনের কাজ চলছে Logo মহম্মদপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে ইফতার বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo নাসিরনগরে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে নগদ অর্থ পেল ৫৮৫ জন Logo জামালপুরে সুইড বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মাঝে ইফতার বিতরণ

ব্যালট বাক্স নষ্ট বা হারালে ভোট বন্ধ, নতুন তারিখে হবে পুনঃভোট : ইসি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:১২:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৮৪ ০.০০ বার পড়া হয়েছে

ছবি: সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটগ্রহণ চলাকালে কোনো ভোটকেন্দ্রে ব্যালট বাক্স নষ্ট, হারিয়ে যাওয়া বা জোরপূর্বক অপসারণের ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিকভাবে ওই কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ বন্ধ ঘোষণা করা হবে। এমন ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের ভোট গণনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে না এবং নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে নতুন তারিখ নির্ধারণ করে পুনঃভোটগ্রহণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) জারি করা এক পরিপত্রে এসব নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

পরিপত্রে জানানো হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ২৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে রিটার্নিং অফিসাররা ভোটগ্রহণের দিন ও সময় উল্লেখ করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করবেন এবং তা স্থানীয়ভাবে প্রচারের ব্যবস্থা নেবেন।

এতে আরও বলা হয়, ভোটগ্রহণ চলাকালে প্রিজাইডিং অফিসারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে কোনো কারণে ভোটগ্রহণ বিঘ্নিত হলে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুনরায় শুরু করা সম্ভব না হলে তিনি ভোটগ্রহণ বন্ধ ঘোষণা করবেন। একইভাবে ব্যালট বাক্স জোরপূর্বক অপসারণ, নষ্ট বা হারিয়ে গেলে কিংবা এমনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে যে ফল নির্ধারণ সম্ভব নয়, সেক্ষেত্রেও ভোটগ্রহণ বন্ধ থাকবে। বন্ধ ঘোষিত কেন্দ্রের ভোট গণনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে না এবং রিটার্নিং অফিসার কমিশনের অনুমোদন নিয়ে পুনঃভোটের ব্যবস্থা করবেন।

কোনো নির্বাচনি এলাকায় বন্ধ ঘোষিত কেন্দ্রের ফল ছাড়া সামগ্রিক ফল নির্ধারণ সম্ভব না হলে কমিশন সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে পুনঃভোটগ্রহণের নির্দেশ দেবে। সে ক্ষেত্রে ওই কেন্দ্রের সব ভোটার নতুন তারিখে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন।

এ ছাড়া বলপ্রয়োগ, ভীতি প্রদর্শন, চাপ সৃষ্টি কিংবা দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব না হলে নির্বাচন কমিশন যেকোনো পর্যায়ে ভোটগ্রহণসহ সম্পূর্ণ নির্বাচনি কার্যক্রম বন্ধ করার ক্ষমতা রাখবে।

পরিপত্রে ডাকযোগে ভোটদানের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯ ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী প্রবাসী ও নির্দিষ্ট শ্রেণির ভোটাররা পোস্টাল ব্যালট (ওসিভি ও আইসিপিভি) ব্যবস্থায় ভোট দিতে পারবেন। এ জন্য কমিশনের নির্ধারিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিবন্ধনসহ নির্দিষ্ট নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

এদিকে ভোটকেন্দ্রে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম ও প্রতীক সম্বলিত পরিবেশবান্ধব ব্যানার প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের যোগ্য ব্যক্তিদের তালিকা সম্বলিত ফেস্টুন দৃশ্যমান স্থানে টানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গণভোট উপলক্ষ্যে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে পৃথক ব্যানার প্রদর্শনের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। এতে জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবসমূহ স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে। ভোটগ্রহণ শেষে প্রিজাইডিং অফিসারদের জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগণনার বিবরণীর একটি কপি ডাকযোগে সরাসরি নির্বাচন কমিশনে পাঠাতে হবে। এ জন্য প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে বিশেষ খাম সরবরাহ করা হবে এবং খাম দ্রুত পাঠাতে পোস্ট অফিসগুলো ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বিরোধীদলীয় নেতার ভিডিও বার্তা

ব্যালট বাক্স নষ্ট বা হারালে ভোট বন্ধ, নতুন তারিখে হবে পুনঃভোট : ইসি

আপডেট সময় ০৫:১২:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬

ছবি: সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটগ্রহণ চলাকালে কোনো ভোটকেন্দ্রে ব্যালট বাক্স নষ্ট, হারিয়ে যাওয়া বা জোরপূর্বক অপসারণের ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিকভাবে ওই কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ বন্ধ ঘোষণা করা হবে। এমন ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের ভোট গণনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে না এবং নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে নতুন তারিখ নির্ধারণ করে পুনঃভোটগ্রহণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) জারি করা এক পরিপত্রে এসব নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

পরিপত্রে জানানো হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ২৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে রিটার্নিং অফিসাররা ভোটগ্রহণের দিন ও সময় উল্লেখ করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করবেন এবং তা স্থানীয়ভাবে প্রচারের ব্যবস্থা নেবেন।

এতে আরও বলা হয়, ভোটগ্রহণ চলাকালে প্রিজাইডিং অফিসারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে কোনো কারণে ভোটগ্রহণ বিঘ্নিত হলে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুনরায় শুরু করা সম্ভব না হলে তিনি ভোটগ্রহণ বন্ধ ঘোষণা করবেন। একইভাবে ব্যালট বাক্স জোরপূর্বক অপসারণ, নষ্ট বা হারিয়ে গেলে কিংবা এমনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে যে ফল নির্ধারণ সম্ভব নয়, সেক্ষেত্রেও ভোটগ্রহণ বন্ধ থাকবে। বন্ধ ঘোষিত কেন্দ্রের ভোট গণনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে না এবং রিটার্নিং অফিসার কমিশনের অনুমোদন নিয়ে পুনঃভোটের ব্যবস্থা করবেন।

কোনো নির্বাচনি এলাকায় বন্ধ ঘোষিত কেন্দ্রের ফল ছাড়া সামগ্রিক ফল নির্ধারণ সম্ভব না হলে কমিশন সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে পুনঃভোটগ্রহণের নির্দেশ দেবে। সে ক্ষেত্রে ওই কেন্দ্রের সব ভোটার নতুন তারিখে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন।

এ ছাড়া বলপ্রয়োগ, ভীতি প্রদর্শন, চাপ সৃষ্টি কিংবা দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব না হলে নির্বাচন কমিশন যেকোনো পর্যায়ে ভোটগ্রহণসহ সম্পূর্ণ নির্বাচনি কার্যক্রম বন্ধ করার ক্ষমতা রাখবে।

পরিপত্রে ডাকযোগে ভোটদানের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯ ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী প্রবাসী ও নির্দিষ্ট শ্রেণির ভোটাররা পোস্টাল ব্যালট (ওসিভি ও আইসিপিভি) ব্যবস্থায় ভোট দিতে পারবেন। এ জন্য কমিশনের নির্ধারিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিবন্ধনসহ নির্দিষ্ট নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

এদিকে ভোটকেন্দ্রে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম ও প্রতীক সম্বলিত পরিবেশবান্ধব ব্যানার প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের যোগ্য ব্যক্তিদের তালিকা সম্বলিত ফেস্টুন দৃশ্যমান স্থানে টানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গণভোট উপলক্ষ্যে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে পৃথক ব্যানার প্রদর্শনের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। এতে জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবসমূহ স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে। ভোটগ্রহণ শেষে প্রিজাইডিং অফিসারদের জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগণনার বিবরণীর একটি কপি ডাকযোগে সরাসরি নির্বাচন কমিশনে পাঠাতে হবে। এ জন্য প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে বিশেষ খাম সরবরাহ করা হবে এবং খাম দ্রুত পাঠাতে পোস্ট অফিসগুলো ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


প্রিন্ট