ঢাকা ০৬:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা ১২ ফেব্রুয়ারিই নির্বাচন, একদিন আগেও নয় পরেও নয় Logo এমসিএসকে-তে সাফল্য: ভাঙ্গুড়া ক্যাডেট কোচিংয়ের শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা Logo জামালপুরে ০৯ জানুয়ারীতে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান Logo মিথ্যা মামলা কড়াটাই যেন তার নেশা অভিযোগ উঠেছে একাধিক এলাকা বাসীর বাদী মোঃ দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া সার্জেন্ট ও তার পরিবারের সবার বিরুদ্ধে….!! Logo সৌদির অর্থ, পাকিস্তানের পারমাণবিক ও তুরস্কের সামরিক শক্তি মিলিয়ে আসছে ‘ইসলামিক ন্যাটো Logo সায়েন্সল্যাব অভিমুখে শিক্ষার্থীরা, অধ্যাদেশ জারির দাবিতে সড়ক অবরোধ Logo বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা মৃত্যুবরণ করেছেন Logo ভারতে মুসলিম-খ্রিস্টানদের বিরুদ্ধে বেড়েছে ‘ঘৃণামূলক বক্তব্য’ Logo সুবিধাবাদী চরমোনাই ভাঙনের মুখে জামায়াতের ইসলামি জোট Logo আইসিসির রিপোর্টই ভাবতে বাধ্য করেছে, ভারতে ঝুঁকি আছে: ক্রীড়া উপদেষ্টা

চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের বিক্ষোভে পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:৪৭:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫
  • ১৭৮ ১৮৪৪.০০০ বার পড়া হয়েছে

বিক্ষোভরত চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের সরাতে জলকামান ও একাধিক সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়।

সোমবার (৭ জুলাই) প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন ‘যমুনা’র সামনে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই মুখোমুখি অবস্থান দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটের দিকে সংঘটিত হয়।

এর আগে সকাল থেকে তিন দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান নেয় সাবেক বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদস্যদের একটি অংশ, যারা চাকরিচ্যুত হয়েছেন। দাবি আদায়ের অংশ হিসেবে বেলা ১১টার কিছু পর পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে তারা যমুনা অভিমুখে পদযাত্রা শুরু করেন।

মৎস্য ভবন মোড় পর্যন্ত পৌঁছালে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। কিন্তু সেখান থেকেও তারা পিছু না হটে কাকরাইল মোড়ে বসে পড়ে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের জানিয়ে দেয়, দশ মিনিটের মধ্যে তারা যদি যমুনা এলাকা না ছাড়ে, তবে ‘আইনানুগ ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।

পুলিশের এই হুঁশিয়ারির পরও বিক্ষোভকারীরা সরতে অস্বীকৃতি জানালে জলকামান ব্যবহার করে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরে একাধিকবার সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। এ সময় আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায় এবং যানচলাচলে বিঘ্ন ঘটে।

বিক্ষোভের নেতৃত্বে থাকা সাবেক বিডিআর সদস্যরা অভিযোগ করেন, ২০০৯ সালের ঘটনার পর তারা বিনা বিচারে চাকরিচ্যুত হন এবং দীর্ঘদিন ধরে ন্যায়বিচার ও পুনর্বহালের দাবি জানিয়ে আসছেন। সরকার তাদের দাবি উপেক্ষা করায় তারা আবারও রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি ছিল তৎপর, এবং আটক ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় বা সংখ্যা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে যমুনা ও কাকরাইল এলাকায়।


প্রিন্ট
ট্যাগস :

মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা ১২ ফেব্রুয়ারিই নির্বাচন, একদিন আগেও নয় পরেও নয়

চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের বিক্ষোভে পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান

আপডেট সময় ০১:৪৭:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫

বিক্ষোভরত চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের সরাতে জলকামান ও একাধিক সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়।

সোমবার (৭ জুলাই) প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন ‘যমুনা’র সামনে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই মুখোমুখি অবস্থান দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটের দিকে সংঘটিত হয়।

এর আগে সকাল থেকে তিন দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান নেয় সাবেক বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদস্যদের একটি অংশ, যারা চাকরিচ্যুত হয়েছেন। দাবি আদায়ের অংশ হিসেবে বেলা ১১টার কিছু পর পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে তারা যমুনা অভিমুখে পদযাত্রা শুরু করেন।

মৎস্য ভবন মোড় পর্যন্ত পৌঁছালে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। কিন্তু সেখান থেকেও তারা পিছু না হটে কাকরাইল মোড়ে বসে পড়ে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের জানিয়ে দেয়, দশ মিনিটের মধ্যে তারা যদি যমুনা এলাকা না ছাড়ে, তবে ‘আইনানুগ ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।

পুলিশের এই হুঁশিয়ারির পরও বিক্ষোভকারীরা সরতে অস্বীকৃতি জানালে জলকামান ব্যবহার করে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরে একাধিকবার সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। এ সময় আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায় এবং যানচলাচলে বিঘ্ন ঘটে।

বিক্ষোভের নেতৃত্বে থাকা সাবেক বিডিআর সদস্যরা অভিযোগ করেন, ২০০৯ সালের ঘটনার পর তারা বিনা বিচারে চাকরিচ্যুত হন এবং দীর্ঘদিন ধরে ন্যায়বিচার ও পুনর্বহালের দাবি জানিয়ে আসছেন। সরকার তাদের দাবি উপেক্ষা করায় তারা আবারও রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি ছিল তৎপর, এবং আটক ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় বা সংখ্যা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে যমুনা ও কাকরাইল এলাকায়।


প্রিন্ট