ঢাকা ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৩
সংবাদ শিরোনাম ::
ভারতবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শহীদ পরিবারের পাশে থাকার আহবান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী হোমনায় ইয়াবা ব্যবসায়ী,সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজিদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন লামা বনবিভাগের সাড়াশি ৯ টি ব্রীকফিল্ডের প্রায় ৯ হাজার ঘনফুট গাছ জব্দ বর্তমান সরকার উন্নয়ন বান্ধব সরকার এই সরকারের সময় গ্রামীণ অবকাঠামোয় ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে বাশিস পীরগঞ্জ শাখার নবনির্বাচিতদের শপথ পাঠ করা হয়েছে খুলনা নগরের-খাঁন এ সবুর রোড-(আপার যশোর রোড)-এ-চলছে-রাস্তা সম্পসারনের কাজ রাঙামাটিতে উপজাতীয় সন্ত্রাসীদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে নিহত-১ সন্দ্বীপের বানীরহাটে একরাতে ১৮দোকান চুরি মেট্রোপলিটন পুলিশ (ট্রাফিক) বন্দর বিভাগের আয়োজনে সচেতনতামূলক সভা তারাকান্দায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী জন্মদিন উদযাপন

বছর ঘুরে আবার এলো ঐ শোকাবহ ১৫ই আগস্ট

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম,

জেলা প্রতিনিধি দিনাজপুর।।

বহু জেল জুলুম, ত্যাগ তিতিক্ষার পর ১৯৭১ সালে বাঙালি জাতির স্বাধীকার আন্দোলনের মহানায়ক দেশের আপামর জনগনকে সু সংগঠিত করে একক সাহসী নেত্রীত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশ নামক ভুখন্ডটিকে পাকিস্তানি সামরিক জান্তা শাষকের হাত থেকে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে মুক্ত করেছিলেন যে মানুষটি এবং যুদ্ধ পরবর্তীতে যুদ্ধ বিদ্ধস্থ বাংলাদেশের মানুষের মৌলিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার হাল ধরেছিলেন যে ব্যক্তিটি তিনি হলেন বাঙালি জাতির জনক হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
১৯৭৫ সালে ১৫ই আগস্টে বাংলাদেশের কিছু বিপথগামী সেনাবাহিনীর সদস্যরা সহ ক্ষমতালীপসু মীরজাফরের অনুসারীরা স্বপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেন। এবং সেই থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নেত্রীত্বদানকারী দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নেতা,কর্মী ও সমর্থকদিগকের উপর শুরু করে অমানবিক অত্যাচার নির্যাতন জুলুম। দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ি উপজেলার ৬নং দৌলতপুর ইউনিয়নে ৭৫ পরবর্তীতে হাতেগনা ৮/১০ টি ব্যক্তি বঙ্গবন্ধুর আওয়ামীলীগের পতাকা বহন করে আসতেছিল। মাঝে মাঝেই তাঁদের উপর নেমে আসতেছিল শাসক দলের জুলুম অত্যাচার। এখানে লক্ষনীয় একটি বিসয় ততকালীন সময়ে যারা ক্ষমতাসীন দলে থেকে আওয়ামীলীগের উপর জুলুম চালাইতেন বর্তমানে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ঠিক তারাই এখন আওয়ামীলীগে সুকৌশলে ভর করেছে।
দেখাগেছে ৭৫ পরবর্তীতে মেজর জিয়াউর রহমানের বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালিন দিনাজপুর ৫ সংসদীয় আসনে আলহাজ মনছুর আলী সরকার যখন এমপি ছিলেন তখন ঐ সমস্ত ব্যক্তিরাই এমপি মনছুর সাহেবের ছত্রছায়ায় থেকে এমপির থলে বহন করতেন, এবং সরকার দলের সকল সুযোগ সুবিধা গ্রহন করতেন, আবার সৈরশাষক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সাহেব ক্ষমতায় এসে যখন জাতীয় পার্টি গঠন করেন তখন ঠিক ঐ ব্যাক্তিরাই জাতীয় পার্টির দৌলতপুর ইউনিয়ন নেত্রীত্বে আসেন, এবং সৈরাচার এরশাদ সরকারের পতনের পর ৯০ সালের নির্বাচনে জিয়া পত্নী বেগম খালেদাজিয়ার নেত্রীত্বে যখন বিএনপি ক্ষমতায় আসেন তখন ঐ ব্যক্তিবর্গরাই দৌলতপুর ইউনিয়নে বিএনপির নেতৃত্ব দেন। ১৯৯৬ সালে নির্বাচনে বিএনপির পরাজয়ের পর জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসেন তখন ঐ ব্যক্তিরাই সুকৌশলে আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় এসে ছায়া গ্রহন করা শুরু করেন। ২০০১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পরাজয়ের পর বিএনপি জামাতজোট ক্ষমতায় আসার পর ঠিক তারায় বিএনপি খাসলোক। সর্বশেষ যখন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় পুনরায় ফিরে আসেন এবং দিনাজপুর ৫ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এ্যাডঃ মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার সাহেব বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রীর দ্বায়িত্ব পান তখন ঠিক তারায় আওয়ামী লীগের পতাকাতলে ডেরা বাঁধেন, অনেকেই উড়েএসে জুড়ে বসে দৌলতপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উপর ক্ষবরদারি চালানোর চেস্টা করছেন। কেউ আবার প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে প্রতিষ্ঠিতও হয়েছেন। এখন তারা আওয়ামী লীগের খাসলোক দৌলতপুর ইউনিয়নে। তাদের নিকট চামচামি মোসাহেবি যারা করে তারা আসল আওয়ামী লীগের লোক, আর যারা করেনা তারা আওয়ামী লীগের লোক নয় এটাই এই হাইব্রিডদের বর্তমান অত্যাচার দুঃসময়ের আওয়ামী লীগের পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের উপর। (মনে হচ্ছে দৌলতপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উপর মোসতাক গং দের প্রেতাত্মা ভর করেছে) তারা এখনো গোপনে যোগশাজস রক্ষা করে চলেছে ভবিষ্যতের আশায় বিএনপির উপজেলা নেতৃবৃন্দের সঙ্গে। আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে তারা অনেকেই চাকুরি সহ বিভিন্ন কাজের সুযোগ গ্রহন করেছে তবুও সুযোগ বুঝে আওয়ামী লীগ সরকার, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সমালোচনা করতে দ্বিধাবোধ করেননা। কারন একটায় তারা জামাত বিএনপি প্রীতি কখনো ভুলতে পারবেননা তাই। অথচ ৭৫ পরবর্তীতে যারা অনেক চড়াইউতরাই পেরিয়ে দৌলতপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের ঝান্ডা বহন করে এসেছে তারা এখনো দলিয়ভাবে সুবিধাবঞ্চিত ও কোনঠাসা। ( লক্ষনীয় যে, যারা জীবনে কখনো দেয়নি নৌকায় ভোট, তারা এখন পরে মুজিবকোট ) আওয়ামী লীগের পরীক্ষিত, নিবেদিত ও সুবিধাবঞ্চিত নেতাকর্মীদের ঠাই কোথায় ? ওই সব উড়ে এসে জুড়ে বসা হাইব্রিডদের কারনে আজ দৌলতপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ দুই ভাগে বিভক্ত।
ফুলবাড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বদানকারি নেতাগনের নিকট এবং এ্যাডঃ মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার এমপি মন্ত্রীত্ব পাবার পর দেখা গেছে ঠিক সেই সুসময়ের কোকিলগন বেশি আস্থাভাজন ও মুল্যায়িত হয়েছে
এবং হচ্ছে। কেনোজানি ফুলবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাগন ও মাননীয় সংসদ সদস্য মহদয়ও কাকের মুখে বসন্তের গান শুনতেও ভালবাসছেন। আলোচিত সকল ব্যক্তি ও বিষয়ের স্পষ্টতা প্রকাশিত হবে ও দৃশ্যমান হবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে।
যাহোক শোকাবহ এই দিবসে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে উজ্জীবীত হয়ে শোককে শক্তিতে রুপান্তরিত করে দৌলতপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের পরীক্ষিত নেতাকর্মীগন দলীয় উন্নয়নমুখি কর্মকান্ড কে ত্বরান্বিত করবেন বাংলাদেশের জনগনের উন্নয়নের কান্ডারী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এবং ইউনিয়নের সকল স্বার্থবাদ ও চক্রান্তের মুলউৎপাটন করবেন আগামী নির্বাচনে এটাই কাম্য।। (চলবে) (sent with love effect)

আরো খবর.......
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শহীদ পরিবারের পাশে থাকার আহবান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

বছর ঘুরে আবার এলো ঐ শোকাবহ ১৫ই আগস্ট

আপডেট টাইম : ০২:৩১:৪০ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১৪ আগস্ট ২০২১

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম,

জেলা প্রতিনিধি দিনাজপুর।।

বহু জেল জুলুম, ত্যাগ তিতিক্ষার পর ১৯৭১ সালে বাঙালি জাতির স্বাধীকার আন্দোলনের মহানায়ক দেশের আপামর জনগনকে সু সংগঠিত করে একক সাহসী নেত্রীত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশ নামক ভুখন্ডটিকে পাকিস্তানি সামরিক জান্তা শাষকের হাত থেকে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে মুক্ত করেছিলেন যে মানুষটি এবং যুদ্ধ পরবর্তীতে যুদ্ধ বিদ্ধস্থ বাংলাদেশের মানুষের মৌলিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার হাল ধরেছিলেন যে ব্যক্তিটি তিনি হলেন বাঙালি জাতির জনক হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
১৯৭৫ সালে ১৫ই আগস্টে বাংলাদেশের কিছু বিপথগামী সেনাবাহিনীর সদস্যরা সহ ক্ষমতালীপসু মীরজাফরের অনুসারীরা স্বপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেন। এবং সেই থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নেত্রীত্বদানকারী দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নেতা,কর্মী ও সমর্থকদিগকের উপর শুরু করে অমানবিক অত্যাচার নির্যাতন জুলুম। দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ি উপজেলার ৬নং দৌলতপুর ইউনিয়নে ৭৫ পরবর্তীতে হাতেগনা ৮/১০ টি ব্যক্তি বঙ্গবন্ধুর আওয়ামীলীগের পতাকা বহন করে আসতেছিল। মাঝে মাঝেই তাঁদের উপর নেমে আসতেছিল শাসক দলের জুলুম অত্যাচার। এখানে লক্ষনীয় একটি বিসয় ততকালীন সময়ে যারা ক্ষমতাসীন দলে থেকে আওয়ামীলীগের উপর জুলুম চালাইতেন বর্তমানে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ঠিক তারাই এখন আওয়ামীলীগে সুকৌশলে ভর করেছে।
দেখাগেছে ৭৫ পরবর্তীতে মেজর জিয়াউর রহমানের বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালিন দিনাজপুর ৫ সংসদীয় আসনে আলহাজ মনছুর আলী সরকার যখন এমপি ছিলেন তখন ঐ সমস্ত ব্যক্তিরাই এমপি মনছুর সাহেবের ছত্রছায়ায় থেকে এমপির থলে বহন করতেন, এবং সরকার দলের সকল সুযোগ সুবিধা গ্রহন করতেন, আবার সৈরশাষক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সাহেব ক্ষমতায় এসে যখন জাতীয় পার্টি গঠন করেন তখন ঠিক ঐ ব্যাক্তিরাই জাতীয় পার্টির দৌলতপুর ইউনিয়ন নেত্রীত্বে আসেন, এবং সৈরাচার এরশাদ সরকারের পতনের পর ৯০ সালের নির্বাচনে জিয়া পত্নী বেগম খালেদাজিয়ার নেত্রীত্বে যখন বিএনপি ক্ষমতায় আসেন তখন ঐ ব্যক্তিবর্গরাই দৌলতপুর ইউনিয়নে বিএনপির নেতৃত্ব দেন। ১৯৯৬ সালে নির্বাচনে বিএনপির পরাজয়ের পর জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসেন তখন ঐ ব্যক্তিরাই সুকৌশলে আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় এসে ছায়া গ্রহন করা শুরু করেন। ২০০১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পরাজয়ের পর বিএনপি জামাতজোট ক্ষমতায় আসার পর ঠিক তারায় বিএনপি খাসলোক। সর্বশেষ যখন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় পুনরায় ফিরে আসেন এবং দিনাজপুর ৫ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এ্যাডঃ মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার সাহেব বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রীর দ্বায়িত্ব পান তখন ঠিক তারায় আওয়ামী লীগের পতাকাতলে ডেরা বাঁধেন, অনেকেই উড়েএসে জুড়ে বসে দৌলতপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উপর ক্ষবরদারি চালানোর চেস্টা করছেন। কেউ আবার প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে প্রতিষ্ঠিতও হয়েছেন। এখন তারা আওয়ামী লীগের খাসলোক দৌলতপুর ইউনিয়নে। তাদের নিকট চামচামি মোসাহেবি যারা করে তারা আসল আওয়ামী লীগের লোক, আর যারা করেনা তারা আওয়ামী লীগের লোক নয় এটাই এই হাইব্রিডদের বর্তমান অত্যাচার দুঃসময়ের আওয়ামী লীগের পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের উপর। (মনে হচ্ছে দৌলতপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উপর মোসতাক গং দের প্রেতাত্মা ভর করেছে) তারা এখনো গোপনে যোগশাজস রক্ষা করে চলেছে ভবিষ্যতের আশায় বিএনপির উপজেলা নেতৃবৃন্দের সঙ্গে। আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে তারা অনেকেই চাকুরি সহ বিভিন্ন কাজের সুযোগ গ্রহন করেছে তবুও সুযোগ বুঝে আওয়ামী লীগ সরকার, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সমালোচনা করতে দ্বিধাবোধ করেননা। কারন একটায় তারা জামাত বিএনপি প্রীতি কখনো ভুলতে পারবেননা তাই। অথচ ৭৫ পরবর্তীতে যারা অনেক চড়াইউতরাই পেরিয়ে দৌলতপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের ঝান্ডা বহন করে এসেছে তারা এখনো দলিয়ভাবে সুবিধাবঞ্চিত ও কোনঠাসা। ( লক্ষনীয় যে, যারা জীবনে কখনো দেয়নি নৌকায় ভোট, তারা এখন পরে মুজিবকোট ) আওয়ামী লীগের পরীক্ষিত, নিবেদিত ও সুবিধাবঞ্চিত নেতাকর্মীদের ঠাই কোথায় ? ওই সব উড়ে এসে জুড়ে বসা হাইব্রিডদের কারনে আজ দৌলতপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ দুই ভাগে বিভক্ত।
ফুলবাড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বদানকারি নেতাগনের নিকট এবং এ্যাডঃ মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার এমপি মন্ত্রীত্ব পাবার পর দেখা গেছে ঠিক সেই সুসময়ের কোকিলগন বেশি আস্থাভাজন ও মুল্যায়িত হয়েছে
এবং হচ্ছে। কেনোজানি ফুলবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাগন ও মাননীয় সংসদ সদস্য মহদয়ও কাকের মুখে বসন্তের গান শুনতেও ভালবাসছেন। আলোচিত সকল ব্যক্তি ও বিষয়ের স্পষ্টতা প্রকাশিত হবে ও দৃশ্যমান হবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে।
যাহোক শোকাবহ এই দিবসে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে উজ্জীবীত হয়ে শোককে শক্তিতে রুপান্তরিত করে দৌলতপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের পরীক্ষিত নেতাকর্মীগন দলীয় উন্নয়নমুখি কর্মকান্ড কে ত্বরান্বিত করবেন বাংলাদেশের জনগনের উন্নয়নের কান্ডারী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এবং ইউনিয়নের সকল স্বার্থবাদ ও চক্রান্তের মুলউৎপাটন করবেন আগামী নির্বাচনে এটাই কাম্য।। (চলবে) (sent with love effect)