ঢাকা ০২:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo রাজধানীর গুলশান রাজউকের এস্টেট শাখায় উপ-পরিচালক লিটন সরকারকে ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ, ফাইল গায়েব থেকে বিতর্কিত অনুমোদন Logo এস আলম থেকে ঘুস নেন সাবেক ডেপুটি গভর্নর মনিরুজ্জামান Logo দুর্ভোগের রাজধানী কারওয়ান বাজারে অব্যবস্থাপনা, নেপথ্যে চাঁদাবাজি মাহমুদা ডলি Logo মার্কিন হামলার আশঙ্কায় আকাশপথ বন্ধ করলো ইরান Logo আতঙ্কে বাঁশখালী প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ প্রতিবেদন চট্টগ্রাম Logo অবশেষে ভেঙেই গেল জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ইসলামি জোট আলফাজ আনাম Logo আজমিরীগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী কালভৈরব মেলায় Logo মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা ১২ ফেব্রুয়ারিই নির্বাচন, একদিন আগেও নয় পরেও নয় Logo এমসিএসকে-তে সাফল্য: ভাঙ্গুড়া ক্যাডেট কোচিংয়ের শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা Logo জামালপুরে ০৯ জানুয়ারীতে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

আজমিরীগঞ্জে প্রায় পৌণে এককোটি টাকা ব্যয়ে টানবাজারের রাস্তা নির্মাণে ব্যপক অনিয়মের অভিযোগ

আজমিরীগঞ্জে প্রায় পৌণে এককোটি টাকা ব্যয়ে টানবাজারের রাস্তা নির্মাণে ব্যপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে উক্ত রাস্তার সংস্কার কাজের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রতিকার চেয়ে গতকাল মঙ্গলবার জেলা প্রশাসক বরাবরে অভিযোগ দায়ের করেছেন, বাংলাদেশ প্রেসক্লাব আজমিরীগঞ্জ শাখার সভাপতি মো. শিবলু রহমান ও সা, সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান মাসুদ। এ ছাড়াও উক্ত অভিযোগের অনুলিপি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে জানা যায়, 

২০২৪-২৫ অর্থবছরে আজমিরীগঞ্জ টানবাজার সহ লালমিয়া বাজারের একাংশ সংস্কারের উদ্যোগ নেয় সরকার। উক্ত কাজের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় ৭২ লক্ষ টাকা। ওই কাজে অর্থায়নে রয়েছে বিশ্বব্যাংক। কাজের দ্বায়িত্ব পায় কিশোরগঞ্জের লিলি এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্টান। ওই কাজের তদারকি ও বাস্তবায়নের দ্বায়িত্ব পায় আজমিরীগঞ্জ পৌরসভা। নিয়মানুযায়ী দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্টান কাজ করার কথা থাকলেও, কাজ করানো হচ্ছে স্থানীয় কয়েকজন ঠিকাদারের মাধ্যমে। কয়েকদিন পূর্বে রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু করা হয়। কাজের শুরুতে নামমাত্র চিকপাথর ব্যবহার করা হলেও সংস্কারের ৯৫ ভাগ অংশে তা আর ব্যবহার করা হয়নি। এ ছাড়া নিম্নমানের রড, মাটি মিশ্রিত মরাপাথর, মাটি মিশ্রিত বালু ও নিম্নমানের সিমেন্ট ব্যবহার করা হচ্ছে। ঢালাই ৬ ইঞ্চি দেয়ার কথা থাকলেও রাস্তার অনেক জায়গায় এর চেয়ে কম দেয়া হচ্ছে। ঢালাইয়ের সংমিশ্রণে বালু ও পাথরের ভাগ বেশী ও সিমেন্টের ভাগ কম দেয়া হচ্ছে। রড বাঁধার গেপ বা ফাঁক নির্ধারণের চেয়ে বেশী দেয়া হচ্ছে। ঢালাইয়ের কাজ অমসৃণ ও এবরো তেবরো ভাবে করা হচ্ছে। কোথায়ও উঁচু আবার কোথাও নীচু। এ ছাড়াও  শুরুতে কাজের বিবরণী সম্বলিত সাইনবোর্ড টানানো বাধ্যতামূলক, কিন্তু কাজ শেষের পথে অদ্যাবধি তা টানানো হয়নি। এলাকার লোকজনদের অন্ধকারে রেখে তারা তাদের ব্যাক্তি স্বার্থ চরিতার্থ করার পাঁয়তারায় লিপ্ত রয়েছে। 

ওই রাস্তার নানাস্থানে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার সহ রাস্তা সংস্কারে গুণগত মান নিম্নমানের হওয়ায় কিছুদিনের মধ্যেই ভেঙে যাওয়ার আশংখা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সাব-ঠিকাদার, পৌর-প্রকৌশলী ও পৌর-কর্মচারীরা একে অপরের যোগসাজশে সংস্কারকাজে লিপ্ত রয়েছে, এতে করে বিপূল অর্থের লুটপাট, অপচয় সহ জন-ভূগান্তি বাড়বে বলে ধারণা স্থানীয়দের।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

রাজধানীর গুলশান রাজউকের এস্টেট শাখায় উপ-পরিচালক লিটন সরকারকে ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ, ফাইল গায়েব থেকে বিতর্কিত অনুমোদন

আজমিরীগঞ্জে প্রায় পৌণে এককোটি টাকা ব্যয়ে টানবাজারের রাস্তা নির্মাণে ব্যপক অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট সময় ১১:০৩:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫

আজমিরীগঞ্জে প্রায় পৌণে এককোটি টাকা ব্যয়ে টানবাজারের রাস্তা নির্মাণে ব্যপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে উক্ত রাস্তার সংস্কার কাজের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রতিকার চেয়ে গতকাল মঙ্গলবার জেলা প্রশাসক বরাবরে অভিযোগ দায়ের করেছেন, বাংলাদেশ প্রেসক্লাব আজমিরীগঞ্জ শাখার সভাপতি মো. শিবলু রহমান ও সা, সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান মাসুদ। এ ছাড়াও উক্ত অভিযোগের অনুলিপি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে জানা যায়, 

২০২৪-২৫ অর্থবছরে আজমিরীগঞ্জ টানবাজার সহ লালমিয়া বাজারের একাংশ সংস্কারের উদ্যোগ নেয় সরকার। উক্ত কাজের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় ৭২ লক্ষ টাকা। ওই কাজে অর্থায়নে রয়েছে বিশ্বব্যাংক। কাজের দ্বায়িত্ব পায় কিশোরগঞ্জের লিলি এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্টান। ওই কাজের তদারকি ও বাস্তবায়নের দ্বায়িত্ব পায় আজমিরীগঞ্জ পৌরসভা। নিয়মানুযায়ী দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্টান কাজ করার কথা থাকলেও, কাজ করানো হচ্ছে স্থানীয় কয়েকজন ঠিকাদারের মাধ্যমে। কয়েকদিন পূর্বে রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু করা হয়। কাজের শুরুতে নামমাত্র চিকপাথর ব্যবহার করা হলেও সংস্কারের ৯৫ ভাগ অংশে তা আর ব্যবহার করা হয়নি। এ ছাড়া নিম্নমানের রড, মাটি মিশ্রিত মরাপাথর, মাটি মিশ্রিত বালু ও নিম্নমানের সিমেন্ট ব্যবহার করা হচ্ছে। ঢালাই ৬ ইঞ্চি দেয়ার কথা থাকলেও রাস্তার অনেক জায়গায় এর চেয়ে কম দেয়া হচ্ছে। ঢালাইয়ের সংমিশ্রণে বালু ও পাথরের ভাগ বেশী ও সিমেন্টের ভাগ কম দেয়া হচ্ছে। রড বাঁধার গেপ বা ফাঁক নির্ধারণের চেয়ে বেশী দেয়া হচ্ছে। ঢালাইয়ের কাজ অমসৃণ ও এবরো তেবরো ভাবে করা হচ্ছে। কোথায়ও উঁচু আবার কোথাও নীচু। এ ছাড়াও  শুরুতে কাজের বিবরণী সম্বলিত সাইনবোর্ড টানানো বাধ্যতামূলক, কিন্তু কাজ শেষের পথে অদ্যাবধি তা টানানো হয়নি। এলাকার লোকজনদের অন্ধকারে রেখে তারা তাদের ব্যাক্তি স্বার্থ চরিতার্থ করার পাঁয়তারায় লিপ্ত রয়েছে। 

ওই রাস্তার নানাস্থানে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার সহ রাস্তা সংস্কারে গুণগত মান নিম্নমানের হওয়ায় কিছুদিনের মধ্যেই ভেঙে যাওয়ার আশংখা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সাব-ঠিকাদার, পৌর-প্রকৌশলী ও পৌর-কর্মচারীরা একে অপরের যোগসাজশে সংস্কারকাজে লিপ্ত রয়েছে, এতে করে বিপূল অর্থের লুটপাট, অপচয় সহ জন-ভূগান্তি বাড়বে বলে ধারণা স্থানীয়দের।


প্রিন্ট