ঢাকা ১০:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কাটেনি জ্বালানির সংকট, বহু পাম্পে দীর্ঘ লাইন Logo নীলসাগর এক্সপ্রেসের বগি উদ্ধার সম্পন্ন, লাইন স্থাপনের কাজ চলছে Logo মহম্মদপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে ইফতার বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo নাসিরনগরে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে নগদ অর্থ পেল ৫৮৫ জন Logo জামালপুরে সুইড বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মাঝে ইফতার বিতরণ Logo জামালপুরে ছাত্রদলের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo শ’হীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রু’হের মা’গফিরাত কামনায় ইফতার মাহফিল Logo বগুড়ায় ট্রেন লাইনচ্যুত, উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকার রেল যোগাযোগ বন্ধ Logo ইরানে লারিজানি-সোলেইমানিসহ নৌসেনাদের জানাজা অনুষ্ঠিত Logo প্রধানমন্ত্রীর এান তহবিল থেকে পীরগঞ্জে ৩শ পরিবারের মাঝে ৬ লক্ষ টাকা বিতরণ 

আজমিরীগঞ্জে প্রায় পৌণে এককোটি টাকা ব্যয়ে টানবাজারের রাস্তা নির্মাণে ব্যপক অনিয়মের অভিযোগ

আজমিরীগঞ্জে প্রায় পৌণে এককোটি টাকা ব্যয়ে টানবাজারের রাস্তা নির্মাণে ব্যপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে উক্ত রাস্তার সংস্কার কাজের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রতিকার চেয়ে গতকাল মঙ্গলবার জেলা প্রশাসক বরাবরে অভিযোগ দায়ের করেছেন, বাংলাদেশ প্রেসক্লাব আজমিরীগঞ্জ শাখার সভাপতি মো. শিবলু রহমান ও সা, সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান মাসুদ। এ ছাড়াও উক্ত অভিযোগের অনুলিপি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে জানা যায়, 

২০২৪-২৫ অর্থবছরে আজমিরীগঞ্জ টানবাজার সহ লালমিয়া বাজারের একাংশ সংস্কারের উদ্যোগ নেয় সরকার। উক্ত কাজের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় ৭২ লক্ষ টাকা। ওই কাজে অর্থায়নে রয়েছে বিশ্বব্যাংক। কাজের দ্বায়িত্ব পায় কিশোরগঞ্জের লিলি এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্টান। ওই কাজের তদারকি ও বাস্তবায়নের দ্বায়িত্ব পায় আজমিরীগঞ্জ পৌরসভা। নিয়মানুযায়ী দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্টান কাজ করার কথা থাকলেও, কাজ করানো হচ্ছে স্থানীয় কয়েকজন ঠিকাদারের মাধ্যমে। কয়েকদিন পূর্বে রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু করা হয়। কাজের শুরুতে নামমাত্র চিকপাথর ব্যবহার করা হলেও সংস্কারের ৯৫ ভাগ অংশে তা আর ব্যবহার করা হয়নি। এ ছাড়া নিম্নমানের রড, মাটি মিশ্রিত মরাপাথর, মাটি মিশ্রিত বালু ও নিম্নমানের সিমেন্ট ব্যবহার করা হচ্ছে। ঢালাই ৬ ইঞ্চি দেয়ার কথা থাকলেও রাস্তার অনেক জায়গায় এর চেয়ে কম দেয়া হচ্ছে। ঢালাইয়ের সংমিশ্রণে বালু ও পাথরের ভাগ বেশী ও সিমেন্টের ভাগ কম দেয়া হচ্ছে। রড বাঁধার গেপ বা ফাঁক নির্ধারণের চেয়ে বেশী দেয়া হচ্ছে। ঢালাইয়ের কাজ অমসৃণ ও এবরো তেবরো ভাবে করা হচ্ছে। কোথায়ও উঁচু আবার কোথাও নীচু। এ ছাড়াও  শুরুতে কাজের বিবরণী সম্বলিত সাইনবোর্ড টানানো বাধ্যতামূলক, কিন্তু কাজ শেষের পথে অদ্যাবধি তা টানানো হয়নি। এলাকার লোকজনদের অন্ধকারে রেখে তারা তাদের ব্যাক্তি স্বার্থ চরিতার্থ করার পাঁয়তারায় লিপ্ত রয়েছে। 

ওই রাস্তার নানাস্থানে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার সহ রাস্তা সংস্কারে গুণগত মান নিম্নমানের হওয়ায় কিছুদিনের মধ্যেই ভেঙে যাওয়ার আশংখা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সাব-ঠিকাদার, পৌর-প্রকৌশলী ও পৌর-কর্মচারীরা একে অপরের যোগসাজশে সংস্কারকাজে লিপ্ত রয়েছে, এতে করে বিপূল অর্থের লুটপাট, অপচয় সহ জন-ভূগান্তি বাড়বে বলে ধারণা স্থানীয়দের।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কাটেনি জ্বালানির সংকট, বহু পাম্পে দীর্ঘ লাইন

আজমিরীগঞ্জে প্রায় পৌণে এককোটি টাকা ব্যয়ে টানবাজারের রাস্তা নির্মাণে ব্যপক অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট সময় ১১:০৩:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫

আজমিরীগঞ্জে প্রায় পৌণে এককোটি টাকা ব্যয়ে টানবাজারের রাস্তা নির্মাণে ব্যপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে উক্ত রাস্তার সংস্কার কাজের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রতিকার চেয়ে গতকাল মঙ্গলবার জেলা প্রশাসক বরাবরে অভিযোগ দায়ের করেছেন, বাংলাদেশ প্রেসক্লাব আজমিরীগঞ্জ শাখার সভাপতি মো. শিবলু রহমান ও সা, সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান মাসুদ। এ ছাড়াও উক্ত অভিযোগের অনুলিপি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে জানা যায়, 

২০২৪-২৫ অর্থবছরে আজমিরীগঞ্জ টানবাজার সহ লালমিয়া বাজারের একাংশ সংস্কারের উদ্যোগ নেয় সরকার। উক্ত কাজের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় ৭২ লক্ষ টাকা। ওই কাজে অর্থায়নে রয়েছে বিশ্বব্যাংক। কাজের দ্বায়িত্ব পায় কিশোরগঞ্জের লিলি এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্টান। ওই কাজের তদারকি ও বাস্তবায়নের দ্বায়িত্ব পায় আজমিরীগঞ্জ পৌরসভা। নিয়মানুযায়ী দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্টান কাজ করার কথা থাকলেও, কাজ করানো হচ্ছে স্থানীয় কয়েকজন ঠিকাদারের মাধ্যমে। কয়েকদিন পূর্বে রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু করা হয়। কাজের শুরুতে নামমাত্র চিকপাথর ব্যবহার করা হলেও সংস্কারের ৯৫ ভাগ অংশে তা আর ব্যবহার করা হয়নি। এ ছাড়া নিম্নমানের রড, মাটি মিশ্রিত মরাপাথর, মাটি মিশ্রিত বালু ও নিম্নমানের সিমেন্ট ব্যবহার করা হচ্ছে। ঢালাই ৬ ইঞ্চি দেয়ার কথা থাকলেও রাস্তার অনেক জায়গায় এর চেয়ে কম দেয়া হচ্ছে। ঢালাইয়ের সংমিশ্রণে বালু ও পাথরের ভাগ বেশী ও সিমেন্টের ভাগ কম দেয়া হচ্ছে। রড বাঁধার গেপ বা ফাঁক নির্ধারণের চেয়ে বেশী দেয়া হচ্ছে। ঢালাইয়ের কাজ অমসৃণ ও এবরো তেবরো ভাবে করা হচ্ছে। কোথায়ও উঁচু আবার কোথাও নীচু। এ ছাড়াও  শুরুতে কাজের বিবরণী সম্বলিত সাইনবোর্ড টানানো বাধ্যতামূলক, কিন্তু কাজ শেষের পথে অদ্যাবধি তা টানানো হয়নি। এলাকার লোকজনদের অন্ধকারে রেখে তারা তাদের ব্যাক্তি স্বার্থ চরিতার্থ করার পাঁয়তারায় লিপ্ত রয়েছে। 

ওই রাস্তার নানাস্থানে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার সহ রাস্তা সংস্কারে গুণগত মান নিম্নমানের হওয়ায় কিছুদিনের মধ্যেই ভেঙে যাওয়ার আশংখা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সাব-ঠিকাদার, পৌর-প্রকৌশলী ও পৌর-কর্মচারীরা একে অপরের যোগসাজশে সংস্কারকাজে লিপ্ত রয়েছে, এতে করে বিপূল অর্থের লুটপাট, অপচয় সহ জন-ভূগান্তি বাড়বে বলে ধারণা স্থানীয়দের।


প্রিন্ট