ঢাকা ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

১০ শিক্ষকের” সনদ জালয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ বানিজ্য,প্রধান শিক্ষক মামুনুর রশীদ পাঁচবাড়ীয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়।

জামালপুর জেলাধীন ইসলামপুর উপজেলার অন্তর্গত ৬নং ইসলামপুর সদর ইউপি পাঁচবাড়ীয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় সহকারী  শিক্ষকদের সনদ জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ বানিজ্য।অভিযোগ উঠেছে দোসর আওয়ামীলীগের সময়ে প্রতিষ্ঠান প্রধান মামুনুর রশীদ মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দিয়েছেন ১০ জন ভূয়া শিক্ষক।
(২০ জানুয়ারী২৬) তারিখে অফিস চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো:মামুনুর রশীদ কে ১০ জন শিক্ষকের তথ্য,সাধারণ ফান্ড, শিক্ষক নিয়োগের ডিও এর আদেশ,ডিজি’র প্রতিবেদনও FDR সম্পর্কে তথ্য চাওয়া হলে তথ্য দিতে ব্যর্থ।

২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে উপবৃত্তির বিপরীতে টিউশন ফি সকল শিক্ষকদের মাঝে স্কেল অনুসারে সমবন্টন না করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মামুনুর রশীদ আত্মসাৎ করেছেন মর্মে প্রতিয়মান হয়।এভাবে বিগত অর্থবছরের উপবৃত্তির বিপরীতে টিউশন ফি সকল শিক্ষকদের মাঝে স্কেল অনুসারে সমবন্টন না করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো:মামুনুর রশীদ আত্মসাৎ করেছেন মর্মে প্রতিয়মান হয়।তাছাড়া বিদ্যালয়ের সাধারণ ফান্ডে১৫০০০০(এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা থাকার কথা। কিন্তু টাকা তো দূরের কথা সাধারণ ফান্ডের কোনএকাউন্ড নাম্বার দেখাতে পারে নাই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।সাধারণ তহবিলের ব্যাংক স্টেটমেন্ট জাল।তারপর বিদ্যালয়ের নামে একটা ফিক্সড ডিপোজিট রিসিট (এফডিআর)ফান্ডে ৩০০০০০( লক্ষ টাকা)থাকার কথা অথচ FDR নামে কোন ব্যাংকএকাউন্ট নাম্বার দেখাতে পারেন নাই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো:মামুনুর রশীদ। FDR নামে ব্যাংক স্টেটমেন্ট জাল।বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের ডিও এর আদেশ কপি জাল।শিক্ষক নিয়োগের ডিজির প্রতিনিধি প্রতিবেদন জাল।দৃষ্টি আকর্ষণ মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রীসহ শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষা অফিসারের প্রতি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মামুনুর রশীদকে তথ্য প্রাপ্তির আবেদনপত্রে ১০ জন শিক্ষকের  তথ্য চেয়ে আবেদন করা হয়।তথ্য অধিকার ফর্মে ০৯জন এবং মৌখিকভাবে ০১ জন।শিক্ষকরা হলেন:০১.সেলিনা আক্তার(undetermined)D1006537,০২.মো:হারুনুর রশিদ বিপিএড ও নিবন্ধন সনদ জাল(শারীরিক শিক্ষা)D1026912,০৩.মো:কামাল উদ্দিন নিবন্ধন সনদ জাল(কৃষি)N1131940,০৪.মোছা:তাসকিন জাহানsst(s)শাখা সমাজ বিজ্ঞান বিপিএড ও নিবন্ধন সনদ জালN1153268,০৫.মো:জাহিদ হাসানBst(s)শাখা ব্যবসায়ী শিক্ষা নিবন্ধন সনদ জালN1155667,০৬.আয়শা খাতুন লাইব্রেরীয়ান সনদ জাল(গ্রন্থগারিক ও তথ্য বিজ্ঞান)N56871797,০৭.নাজমা আক্তার(তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি)N5687221,০৮.হারুনুর রশিদ(গণিত)N56871802,০৯.নাসরিন চৌধুরী ( সমাজ বিজ্ঞান)একাডেমিক সনদ জালN56871799,১০.মো:লুৎফর রহমান(ইংরেজি) একাডেমিক ও নিবন্ধন সনদ জালN56871798।উপরোক্ত শিক্ষকগণের মধ্য কারোর একাডেমিক সনদ জাল,কারোর নিবন্ধন সনদ জাল,কারোর বিপিএড সনদ জাল,কারোর কম্পিউটার সনদ জাল,কেউবা ডিপলমা সনদ জাল,কারোর পত্রিকা জাল,বেকডেটে নিয়োগ জাল, কেউবা নিয়েছে লাইব্রেরীয়িন সনদ জাল করে ,কারোর একাডেমিক এবং নিবন্ধন দুটোই জাল।শুধু জাল আর জাল।প্রাথমিক যাচাইবাছাই এর জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধান মামুনুর রশীদের কাছে  উপরোক্ত সকল শিক্ষকের একাডেমিক সনদ,বিএড সনদ,নিবন্ধন সনদ,বিপিএড সনদ,কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সনদ,লাইব্রেরীয়ান সনদ,পত্রিকা,নিয়োগপত্র,যোগদানপত্র এবং NID কার্ডের ফটোকপি চেয়ে আবেদন করেন সাংবাদিকরা।প্রধান শিক্ষক তথ্য দেয় দিচ্ছি বলে টালবাহনা করে আসছে এবং একের পর এক বিভিন্ন দলের লোকদের দিয়ে সুপারিশ করা হচ্ছে এই মর্মে যে, তার কাছ থেকে যেন সাংবাদিকরা কোন তথ্য না চায়, বা নিউজ না করে।
এতে প্রমাণিত হয় প্রতিষ্ঠান প্রধান মামুনুর রশীদ উপরোক্ত সকল শিক্ষকদের ভূয়া সনদ দিয়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে নিয়োগ বানিজ্য করেছেন।তাছাড়া চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের নিয়োগের ক্ষেত্রে হাতিয়ে নিয়েছেন মোটা অংকের টাকা।দোসর আওয়ামিলীগের সময়ে সর্বোচ্ছ সুযোগে তিনি মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে সনদ জালিয়াতি করে নিয়োগ দিয়েছেন ভূয়া শিক্ষক, ভোগ করেছেন বিলাহবহুল জীবন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো:মামুনুর রশীদ।মামুনুর রশীদ বলেন,আমি উপর মহলসহ সাংবাদিকদের ম্যানেজ করেই এ পর্যন্ত এসেছি।আপনারা আমাকে কিছুই করতে পারবেন না।নিউজ করে আমার কোন ক্ষতি করতে পারবেন না।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ছুটির প্রথমদিনে ঢাকা ছাড়ছে মানুষ, পরিবহনগুলোতে বাড়ছে ভিড়

১০ শিক্ষকের” সনদ জালয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ বানিজ্য,প্রধান শিক্ষক মামুনুর রশীদ পাঁচবাড়ীয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়।

আপডেট সময় ০৬:৫২:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

জামালপুর জেলাধীন ইসলামপুর উপজেলার অন্তর্গত ৬নং ইসলামপুর সদর ইউপি পাঁচবাড়ীয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় সহকারী  শিক্ষকদের সনদ জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ বানিজ্য।অভিযোগ উঠেছে দোসর আওয়ামীলীগের সময়ে প্রতিষ্ঠান প্রধান মামুনুর রশীদ মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দিয়েছেন ১০ জন ভূয়া শিক্ষক।
(২০ জানুয়ারী২৬) তারিখে অফিস চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো:মামুনুর রশীদ কে ১০ জন শিক্ষকের তথ্য,সাধারণ ফান্ড, শিক্ষক নিয়োগের ডিও এর আদেশ,ডিজি’র প্রতিবেদনও FDR সম্পর্কে তথ্য চাওয়া হলে তথ্য দিতে ব্যর্থ।

২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে উপবৃত্তির বিপরীতে টিউশন ফি সকল শিক্ষকদের মাঝে স্কেল অনুসারে সমবন্টন না করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মামুনুর রশীদ আত্মসাৎ করেছেন মর্মে প্রতিয়মান হয়।এভাবে বিগত অর্থবছরের উপবৃত্তির বিপরীতে টিউশন ফি সকল শিক্ষকদের মাঝে স্কেল অনুসারে সমবন্টন না করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো:মামুনুর রশীদ আত্মসাৎ করেছেন মর্মে প্রতিয়মান হয়।তাছাড়া বিদ্যালয়ের সাধারণ ফান্ডে১৫০০০০(এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা থাকার কথা। কিন্তু টাকা তো দূরের কথা সাধারণ ফান্ডের কোনএকাউন্ড নাম্বার দেখাতে পারে নাই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।সাধারণ তহবিলের ব্যাংক স্টেটমেন্ট জাল।তারপর বিদ্যালয়ের নামে একটা ফিক্সড ডিপোজিট রিসিট (এফডিআর)ফান্ডে ৩০০০০০( লক্ষ টাকা)থাকার কথা অথচ FDR নামে কোন ব্যাংকএকাউন্ট নাম্বার দেখাতে পারেন নাই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো:মামুনুর রশীদ। FDR নামে ব্যাংক স্টেটমেন্ট জাল।বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের ডিও এর আদেশ কপি জাল।শিক্ষক নিয়োগের ডিজির প্রতিনিধি প্রতিবেদন জাল।দৃষ্টি আকর্ষণ মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রীসহ শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষা অফিসারের প্রতি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মামুনুর রশীদকে তথ্য প্রাপ্তির আবেদনপত্রে ১০ জন শিক্ষকের  তথ্য চেয়ে আবেদন করা হয়।তথ্য অধিকার ফর্মে ০৯জন এবং মৌখিকভাবে ০১ জন।শিক্ষকরা হলেন:০১.সেলিনা আক্তার(undetermined)D1006537,০২.মো:হারুনুর রশিদ বিপিএড ও নিবন্ধন সনদ জাল(শারীরিক শিক্ষা)D1026912,০৩.মো:কামাল উদ্দিন নিবন্ধন সনদ জাল(কৃষি)N1131940,০৪.মোছা:তাসকিন জাহানsst(s)শাখা সমাজ বিজ্ঞান বিপিএড ও নিবন্ধন সনদ জালN1153268,০৫.মো:জাহিদ হাসানBst(s)শাখা ব্যবসায়ী শিক্ষা নিবন্ধন সনদ জালN1155667,০৬.আয়শা খাতুন লাইব্রেরীয়ান সনদ জাল(গ্রন্থগারিক ও তথ্য বিজ্ঞান)N56871797,০৭.নাজমা আক্তার(তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি)N5687221,০৮.হারুনুর রশিদ(গণিত)N56871802,০৯.নাসরিন চৌধুরী ( সমাজ বিজ্ঞান)একাডেমিক সনদ জালN56871799,১০.মো:লুৎফর রহমান(ইংরেজি) একাডেমিক ও নিবন্ধন সনদ জালN56871798।উপরোক্ত শিক্ষকগণের মধ্য কারোর একাডেমিক সনদ জাল,কারোর নিবন্ধন সনদ জাল,কারোর বিপিএড সনদ জাল,কারোর কম্পিউটার সনদ জাল,কেউবা ডিপলমা সনদ জাল,কারোর পত্রিকা জাল,বেকডেটে নিয়োগ জাল, কেউবা নিয়েছে লাইব্রেরীয়িন সনদ জাল করে ,কারোর একাডেমিক এবং নিবন্ধন দুটোই জাল।শুধু জাল আর জাল।প্রাথমিক যাচাইবাছাই এর জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধান মামুনুর রশীদের কাছে  উপরোক্ত সকল শিক্ষকের একাডেমিক সনদ,বিএড সনদ,নিবন্ধন সনদ,বিপিএড সনদ,কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সনদ,লাইব্রেরীয়ান সনদ,পত্রিকা,নিয়োগপত্র,যোগদানপত্র এবং NID কার্ডের ফটোকপি চেয়ে আবেদন করেন সাংবাদিকরা।প্রধান শিক্ষক তথ্য দেয় দিচ্ছি বলে টালবাহনা করে আসছে এবং একের পর এক বিভিন্ন দলের লোকদের দিয়ে সুপারিশ করা হচ্ছে এই মর্মে যে, তার কাছ থেকে যেন সাংবাদিকরা কোন তথ্য না চায়, বা নিউজ না করে।
এতে প্রমাণিত হয় প্রতিষ্ঠান প্রধান মামুনুর রশীদ উপরোক্ত সকল শিক্ষকদের ভূয়া সনদ দিয়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে নিয়োগ বানিজ্য করেছেন।তাছাড়া চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের নিয়োগের ক্ষেত্রে হাতিয়ে নিয়েছেন মোটা অংকের টাকা।দোসর আওয়ামিলীগের সময়ে সর্বোচ্ছ সুযোগে তিনি মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে সনদ জালিয়াতি করে নিয়োগ দিয়েছেন ভূয়া শিক্ষক, ভোগ করেছেন বিলাহবহুল জীবন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো:মামুনুর রশীদ।মামুনুর রশীদ বলেন,আমি উপর মহলসহ সাংবাদিকদের ম্যানেজ করেই এ পর্যন্ত এসেছি।আপনারা আমাকে কিছুই করতে পারবেন না।নিউজ করে আমার কোন ক্ষতি করতে পারবেন না।


প্রিন্ট