ঢাকা ০৪:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo রহমত,মাগফিরাত, নাজাতের পবিত্র রমজান মাসে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন মোঃ সোহেল সরকার, সভাপতি,৭ নং ওয়ার্ড যুবদল Logo পবিত্র ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে ৫২​ নং ওয়ার্ডবাসী সহ বিশ্বের সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন- মোঃ সেলিম কাজল Logo বাঞ্ছারামপুরে অবৈধ গুড় কারখানায় অভিযান: দুইজনকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা, কারখানা সিলগালা Logo রক্ত খেকো রাষ্ট্রপতির ভাষণ বর্জন, বিরোধীদলের ওয়াকআউট Logo পীরগঞ্জে এতিমদের মাঝে সরকারি খেজুর বিতরণ Logo কিশোর গঞ্জ জেলা ভৈরবে পেট্রোল পাম্পে ওজনে কম দেয়ায় মিন্টু মিয়া কে ১ লাখ টাকা জরিমানা Logo সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে অস্ত্রসহ করিম শরীফ বাহিনীর সক্রিয় সদস্য আটক Logo পাবনার চাটমোহর উপজেলার গুনাগাছা ইউনিয়নের জলেশ্বর মন্ডলপাড়া শ্মশান এলাকা থেকে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে Logo ইরানি নেতৃত্ব ভেঙে পড়ার কোনো ঝুঁকি নেই: মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন Logo ডেপুটি স্পিকার পদ নেয়নি জামায়াত

হাদির রক্তের কসম খেয়ে যা বললেন মাহমুদুর রহমান

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ১০:৩৩:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১১৩ ০.০০ বার পড়া হয়েছে

জুলাই বিপ্লবের অন্যতম অগ্রনায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির রক্তের কসম খেয়ে আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেছেন, ভারত যদি শেখ হাসিনা, কামাল (হাসিনা সকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) ও ওসমান হাদির ওপর হামলাকারীদের ফিরিয়ে না দেয়, তাহলে বাংলাদেশে ভারতীয় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আমরা প্রতিরোধ সংগ্রাম গড়ে তুলব।

তিনি বলেন, সরকারের উচিত হবে বাংলাদেশে কর্মরত সকল ভারতীয় নাগরিকের ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করা।

সোমবার বিকেলে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বানে আয়োজিত সর্বদলীয় প্রতিরোধ সমাবেশে আমার দেশ বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর ১৬ মাস পেরিয়ে গেলেও দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আশানুরূপ উন্নতি ঘটেনি। ভারতে নিরাপদ আশ্রয়ে বসে খুনি হাসিনা দেশব্যাপী সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক গড়ে তুলে গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারীদের টার্গেট কিলিংয়ে লিপ্ত হয়েছে। এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার পর্যাপ্ত দক্ষতা, যোগ্যতা ও তৎপরতার ঘাটতি স্পষ্ট। ফলে অবনতিশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে শুধু এসব সংস্থার ওপর নির্ভর করে আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের মরিয়া খুনের কার্যক্রম বন্ধ করা সম্ভব নয়।

মাহমুদুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান এ হুমকি রুখতে হলে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ করে সর্বস্তরে জননিরাপত্তার নিজস্ব সংস্থা গড়ে তুলতে হবে। এ লক্ষে আগামীকাল থেকে দেশের সবগুলো ওয়ার্ডে ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষার গণকমিটি’ গড়ে তোলার আহ্বান জানান আমার দেশ সম্পাদক। এসব কমিটির কাজ হবে-

এক. ফ্যাসিস্ট রাজনীতির নেতাকর্মী ও তাদের সমর্থক এবং অনুচরদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা এবং এদের মধ্যে যাদের ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে হবে, এদের ধরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে সোপর্দ করা। এক্ষেত্রে আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তির ওপর সব ধরনের শারীরিক নির্যাতন থেকে বিরত থাকবেন।

দুই. স্থানীয় প্রশাসনের ওপর কঠোর নজরদারি বজায় রাখতে হবে, কারণ তাদের মধ্যে অনেকেই পতিত সরকারের সহযোগী ও অনুচর হিসেবে গোপনে এখনও সক্রিয় রয়েছে। তারা যেনো কোনোভাবেই এসব সন্দেহভাজন অপরাধীকে ছেড়ে দিতে না পারে, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

তিন. স্থানীয় আদালতগুলোর আইনজীবীদের প্রতি অনুরোধ জানাতে হবে, যাতে তারা বড় অঙ্কের টাকার বিনিময়ে এসব অপরাধীর জামিনের ব্যবস্থা করা বা তাদের বিরুদ্ধে করা মামলা দুর্বল করার মতো কোনো অসৎ কার্যকলাপে জড়িয়ে না পড়েন। একই সঙ্গে স্থানীয় আদালতের সার্বিক কার্যক্রমের ওপরও কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে।

আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান আরও বলেন, বাংলাদেশের আদালতে প্রমাণিত সবচেয়ে বড় অপরাধী, মহাসন্ত্রাসী ও দুর্ধর্ষ খুনি শেখ হাসিনাকে ভারত যেভাবে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে, তা এ মুহূর্তে বাংলাদেশের নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তাকে ফিরিয়ে এনে আইন, বিচার ও শাস্তির মুখোমুখি করা না গেলে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব সুরক্ষিত রাখা সম্ভব হবে না। কারণ, শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ বছরের পর বছর, এমনকি যুগের পর যুগ ধরে বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও নাগরিকদের বিরুদ্ধে যেসব অপরাধ ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করেছে, সেগুলোর প্রধান পৃষ্ঠপোষক, সর্বাত্মক সহযোগী ও প্রশ্রয়দাতা হিসেবে ভারত ভূমিকা রেখেছে এবং বর্তমানেও তারা এই ঘাতকের পেছনে অবস্থান করছে।

তিনি বলেন, খুনি হাসিনাকে যদি ভারত থেকে ফিরিয়ে আনা না যায়, তবে রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অস্তিত্ব গুরুতর ঝুঁকির মুখে পড়বে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে নির্বাচিত প্রতিটি সরকারকে ভারত ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে নিজেদের শর্তে বাংলাদেশ পরিচালনা করতে বাধ্য করবে—এমন আশঙ্কাও অমূলক নয়। তাই আমাদের দ্বিতীয় কর্মসূচি হবে, ভারতীয় নরেন্দ্র মোদি সরকারকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া যে আগামী ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যে খুনি শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে দিতে হবে।

মাহমুদুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের সরকারের হাতে এই ঘাতককে তুলে দেওয়ার দাবিতে আজ থেকেই সারা দেশে সভা, সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল শুরু করুন। আমরা ২৬ ডিসেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ করে খুনি হাসিনাকে ধরে আনার পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করব।

আমার দেশ সম্পাদক বলেন, ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অঘোষিত যুদ্ধ ঘোষণা করেছে এবং এর বিরুদ্ধে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এবং সিকিউরিটি কাউন্সিলে আমাদের অবিলম্বে যেতে হবে। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আইনে বলা আছে, আপনি যখন আপনার দেশে সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দিয়ে তাদের মাধ্যমে অন্য কোনো দেশের অভ্যন্তরে বিশৃঙ্খলা এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করবেন- তার অর্থ হচ্ছে, সেই দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। তি‌নি বলেন, আমি সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি আপনারা অনতিবিলম্বে জাতিসংঘে ভারতের বিরুদ্ধে নালিশ উত্থাপন করুন। ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অঘোষিত যুদ্ধ ঘোষণা করেছে এবং এর বিরুদ্ধে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এবং সিকিউরিটি কাউন্সিলে আমাদের অবিলম্বে যেতে হবে।

রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশে আমার দেশ সম্পাদক বলেন, অনেক রাজনৈতিক নেতা বলে থাকেন যে, ভারতের সাথে বন্ধুত্ব করা ছাড়া নাকি ক্ষমতায় যাওয়া যায় না কিংবা ক্ষমতায় গেলেও টিকে থাকা যায় না। তি‌নি ব‌লেন, ভারতের সাথে বন্ধুত্ব করে যদি ক্ষমতায় টিকে থাকা যেত, তাহলে শেখ হাসিনাকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নিতে হতো না।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রহমত,মাগফিরাত, নাজাতের পবিত্র রমজান মাসে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন মোঃ সোহেল সরকার, সভাপতি,৭ নং ওয়ার্ড যুবদল

হাদির রক্তের কসম খেয়ে যা বললেন মাহমুদুর রহমান

আপডেট সময় ১০:৩৩:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

জুলাই বিপ্লবের অন্যতম অগ্রনায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির রক্তের কসম খেয়ে আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেছেন, ভারত যদি শেখ হাসিনা, কামাল (হাসিনা সকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) ও ওসমান হাদির ওপর হামলাকারীদের ফিরিয়ে না দেয়, তাহলে বাংলাদেশে ভারতীয় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আমরা প্রতিরোধ সংগ্রাম গড়ে তুলব।

তিনি বলেন, সরকারের উচিত হবে বাংলাদেশে কর্মরত সকল ভারতীয় নাগরিকের ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করা।

সোমবার বিকেলে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বানে আয়োজিত সর্বদলীয় প্রতিরোধ সমাবেশে আমার দেশ বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর ১৬ মাস পেরিয়ে গেলেও দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আশানুরূপ উন্নতি ঘটেনি। ভারতে নিরাপদ আশ্রয়ে বসে খুনি হাসিনা দেশব্যাপী সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক গড়ে তুলে গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারীদের টার্গেট কিলিংয়ে লিপ্ত হয়েছে। এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার পর্যাপ্ত দক্ষতা, যোগ্যতা ও তৎপরতার ঘাটতি স্পষ্ট। ফলে অবনতিশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে শুধু এসব সংস্থার ওপর নির্ভর করে আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের মরিয়া খুনের কার্যক্রম বন্ধ করা সম্ভব নয়।

মাহমুদুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান এ হুমকি রুখতে হলে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ করে সর্বস্তরে জননিরাপত্তার নিজস্ব সংস্থা গড়ে তুলতে হবে। এ লক্ষে আগামীকাল থেকে দেশের সবগুলো ওয়ার্ডে ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষার গণকমিটি’ গড়ে তোলার আহ্বান জানান আমার দেশ সম্পাদক। এসব কমিটির কাজ হবে-

এক. ফ্যাসিস্ট রাজনীতির নেতাকর্মী ও তাদের সমর্থক এবং অনুচরদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা এবং এদের মধ্যে যাদের ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে হবে, এদের ধরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে সোপর্দ করা। এক্ষেত্রে আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তির ওপর সব ধরনের শারীরিক নির্যাতন থেকে বিরত থাকবেন।

দুই. স্থানীয় প্রশাসনের ওপর কঠোর নজরদারি বজায় রাখতে হবে, কারণ তাদের মধ্যে অনেকেই পতিত সরকারের সহযোগী ও অনুচর হিসেবে গোপনে এখনও সক্রিয় রয়েছে। তারা যেনো কোনোভাবেই এসব সন্দেহভাজন অপরাধীকে ছেড়ে দিতে না পারে, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

তিন. স্থানীয় আদালতগুলোর আইনজীবীদের প্রতি অনুরোধ জানাতে হবে, যাতে তারা বড় অঙ্কের টাকার বিনিময়ে এসব অপরাধীর জামিনের ব্যবস্থা করা বা তাদের বিরুদ্ধে করা মামলা দুর্বল করার মতো কোনো অসৎ কার্যকলাপে জড়িয়ে না পড়েন। একই সঙ্গে স্থানীয় আদালতের সার্বিক কার্যক্রমের ওপরও কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে।

আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান আরও বলেন, বাংলাদেশের আদালতে প্রমাণিত সবচেয়ে বড় অপরাধী, মহাসন্ত্রাসী ও দুর্ধর্ষ খুনি শেখ হাসিনাকে ভারত যেভাবে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে, তা এ মুহূর্তে বাংলাদেশের নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তাকে ফিরিয়ে এনে আইন, বিচার ও শাস্তির মুখোমুখি করা না গেলে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব সুরক্ষিত রাখা সম্ভব হবে না। কারণ, শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ বছরের পর বছর, এমনকি যুগের পর যুগ ধরে বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও নাগরিকদের বিরুদ্ধে যেসব অপরাধ ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করেছে, সেগুলোর প্রধান পৃষ্ঠপোষক, সর্বাত্মক সহযোগী ও প্রশ্রয়দাতা হিসেবে ভারত ভূমিকা রেখেছে এবং বর্তমানেও তারা এই ঘাতকের পেছনে অবস্থান করছে।

তিনি বলেন, খুনি হাসিনাকে যদি ভারত থেকে ফিরিয়ে আনা না যায়, তবে রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অস্তিত্ব গুরুতর ঝুঁকির মুখে পড়বে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে নির্বাচিত প্রতিটি সরকারকে ভারত ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে নিজেদের শর্তে বাংলাদেশ পরিচালনা করতে বাধ্য করবে—এমন আশঙ্কাও অমূলক নয়। তাই আমাদের দ্বিতীয় কর্মসূচি হবে, ভারতীয় নরেন্দ্র মোদি সরকারকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া যে আগামী ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যে খুনি শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে দিতে হবে।

মাহমুদুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের সরকারের হাতে এই ঘাতককে তুলে দেওয়ার দাবিতে আজ থেকেই সারা দেশে সভা, সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল শুরু করুন। আমরা ২৬ ডিসেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ করে খুনি হাসিনাকে ধরে আনার পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করব।

আমার দেশ সম্পাদক বলেন, ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অঘোষিত যুদ্ধ ঘোষণা করেছে এবং এর বিরুদ্ধে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এবং সিকিউরিটি কাউন্সিলে আমাদের অবিলম্বে যেতে হবে। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আইনে বলা আছে, আপনি যখন আপনার দেশে সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দিয়ে তাদের মাধ্যমে অন্য কোনো দেশের অভ্যন্তরে বিশৃঙ্খলা এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করবেন- তার অর্থ হচ্ছে, সেই দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। তি‌নি বলেন, আমি সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি আপনারা অনতিবিলম্বে জাতিসংঘে ভারতের বিরুদ্ধে নালিশ উত্থাপন করুন। ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অঘোষিত যুদ্ধ ঘোষণা করেছে এবং এর বিরুদ্ধে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এবং সিকিউরিটি কাউন্সিলে আমাদের অবিলম্বে যেতে হবে।

রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশে আমার দেশ সম্পাদক বলেন, অনেক রাজনৈতিক নেতা বলে থাকেন যে, ভারতের সাথে বন্ধুত্ব করা ছাড়া নাকি ক্ষমতায় যাওয়া যায় না কিংবা ক্ষমতায় গেলেও টিকে থাকা যায় না। তি‌নি ব‌লেন, ভারতের সাথে বন্ধুত্ব করে যদি ক্ষমতায় টিকে থাকা যেত, তাহলে শেখ হাসিনাকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নিতে হতো না।


প্রিন্ট