ঢাকা ১০:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মুজিববন্দনার নামে সৃজনশীল প্রকাশনা খাতে ব্যাপক লুটপাট Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়া আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কিছু আংশিক আহত Logo জামালপুরে ০১৭ জাতীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট শুভ উদ্বোধন, Logo উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজখবর নিতে গেলেন সম্মানিত আমীরে জামায়াত Logo বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে কোরআন খতম, দোয়া ও শীতবস্ত্র বিতরণ Logo নবম পে স্কেলের গ্রেড সংখ্যা চূড়ান্ত, কত হবে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতন? Logo পবিত্র শবে মেরাজ আজ Logo যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার বৈঠক Logo আমাদের রেকর্ড কথা বলবে: আল জাজিরাকে শফিকুল আলম Logo উত্তরায় বহুতল ভবনে আগুন, প্রাণ গেল ৩ জনের

বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা: বাংলাদেশের সমুদ্রবন্দরগুলোতে সতর্কতা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:২৫:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫
  • ১০৬ ১৮৪৪.০০০ বার পড়া হয়েছে

দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এটি শিগগিরই ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেবে। আজ রোববার সকাল ১০টায় দেওয়ার বিশেষ আবহাওয়ার বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশের বিভিন্ন সমুদ্রবন্দর থেকে কত দূরত্বে অবস্থান করছে, সেটিও তুলে ধরা হয়েছে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গভীর নিম্নচাপটি আজ সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১,৩৪০ কিলোমিটার, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১,২৭০ কিলোমিটার, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১,৩০০ কিলোমিটার এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১,২৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।

আবহাওয়া অফিস চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্কসংকেত দেখাতে বলেছেন। এছাড়া, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে থাকা সব ধরনের মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাব্য আঘাতস্থল

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশীদ বলেন, ‘গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেবে, এটা নিশ্চিত। সম্ভাব্য আঘাতস্থল হতে পারে ভারতের ওডিশা বা অন্ধ্র প্রদেশের উপকূল। আগামীকাল সোমবার এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। আর মঙ্গলবার এটি প্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবে ভারতের ওডিশা ও তামিলনাড়ু উপকূলে আঘাত হানতে পারে।’

বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘এটি নির্ভর করবে ঘূর্ণিঝড়টি স্থলভাগে উঠে এলে কতটা শক্তিশালী থাকে তার ওপর। স্থলভাগে উঠে দুর্বল হয়ে ভারতের বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশে আসতে পারে। এর ফলে আগামী বুধবার থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে।’

তিনি আরও জানিয়েছেন, দেশের উত্তরাঞ্চলের রাজশাহী ও রংপুর বিভাগ এবং দক্ষিণের খুলনা বিভাগের বিভিন্ন স্থানে এই বৃষ্টি চলতি মাসের শেষ দিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। রাজধানী ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলেও বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, অন্ধ্র প্রদেশের মাচিলিপত্তম ও কালিঙ্গাপত্তমের মধ্যবর্তী এলাকা এবং কাকিনাড়ার আশপাশে প্রবল ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানতে পারে। এ সময় বাতাসের সর্বোচ্চ স্থায়ী বেগ ঘণ্টায় ৯০–১০০ কিলোমিটার এবং দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার বেগ ঘণ্টায় ১১০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

মুজিববন্দনার নামে সৃজনশীল প্রকাশনা খাতে ব্যাপক লুটপাট

বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা: বাংলাদেশের সমুদ্রবন্দরগুলোতে সতর্কতা

আপডেট সময় ১২:২৫:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫

দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এটি শিগগিরই ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেবে। আজ রোববার সকাল ১০টায় দেওয়ার বিশেষ আবহাওয়ার বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশের বিভিন্ন সমুদ্রবন্দর থেকে কত দূরত্বে অবস্থান করছে, সেটিও তুলে ধরা হয়েছে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গভীর নিম্নচাপটি আজ সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১,৩৪০ কিলোমিটার, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১,২৭০ কিলোমিটার, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১,৩০০ কিলোমিটার এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১,২৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।

আবহাওয়া অফিস চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্কসংকেত দেখাতে বলেছেন। এছাড়া, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে থাকা সব ধরনের মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাব্য আঘাতস্থল

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশীদ বলেন, ‘গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেবে, এটা নিশ্চিত। সম্ভাব্য আঘাতস্থল হতে পারে ভারতের ওডিশা বা অন্ধ্র প্রদেশের উপকূল। আগামীকাল সোমবার এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। আর মঙ্গলবার এটি প্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবে ভারতের ওডিশা ও তামিলনাড়ু উপকূলে আঘাত হানতে পারে।’

বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘এটি নির্ভর করবে ঘূর্ণিঝড়টি স্থলভাগে উঠে এলে কতটা শক্তিশালী থাকে তার ওপর। স্থলভাগে উঠে দুর্বল হয়ে ভারতের বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশে আসতে পারে। এর ফলে আগামী বুধবার থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে।’

তিনি আরও জানিয়েছেন, দেশের উত্তরাঞ্চলের রাজশাহী ও রংপুর বিভাগ এবং দক্ষিণের খুলনা বিভাগের বিভিন্ন স্থানে এই বৃষ্টি চলতি মাসের শেষ দিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। রাজধানী ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলেও বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, অন্ধ্র প্রদেশের মাচিলিপত্তম ও কালিঙ্গাপত্তমের মধ্যবর্তী এলাকা এবং কাকিনাড়ার আশপাশে প্রবল ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানতে পারে। এ সময় বাতাসের সর্বোচ্চ স্থায়ী বেগ ঘণ্টায় ৯০–১০০ কিলোমিটার এবং দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার বেগ ঘণ্টায় ১১০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।


প্রিন্ট