গত মঙ্গলবার রাত থেকে ইলিশ আহরণ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে।
ফিরে আসা এসব ট্রলার এখন সুন্দরবনের ভেতর মেহেরআলী, ভেদাখালী, আলোরকোলসহ উপকূলীয় মহিপুর, খেপুপাড়া, নিদ্রাসখিনা, পাথরঘাটা ও শরণখোলার বিভিন্ন খালে নোঙর করে আছে।
পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের দুবলার চর ভেদাখালী খালে আশ্রয়ে থাকা বগী এলাকার মাঝি মিজানুর রহমান জানান, দুদিন ধরে প্রচণ্ড ঝোড়ো বাতাসে সাগর উত্তাল। ঢেউয়ের আঘাতে টিকতে না পেরে সব ট্রলার সাগর ছেড়ে এসেছে।
শরণখোলা উপজেলার সমুদ্রগামী ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি আবুল হোসেন বলেন, ট্রলার নিয়ে সাগরে নামলেই দুর্যোগ শুরু হয়। ঠিকমতো জাল ফেলতে না পেরে জেলেরা চরম লোকসানে পড়ছেন। কয়েক বছর ধরে মৌসুম শুরু হলেই এমন দুর্যোগ দেখা দিচ্ছে। এতে মহাজনরা নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছেন।
পূর্ব সুন্দরবনের দুবলা বিশেষ টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেস্টার সুব্রত কুমার দাস বলেন, ঢেউয়ের তাণ্ডবে বহু ট্রলার সুন্দরবনের খালে আশ্রয় নিয়েছে। জেলেদের নিরাপত্তা ও সার্বিক খোঁজখবর রাখা হচ্ছে।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, আবহাওয়া অনুকূলে এলে জেলেরা পুনরায় সাগরে নামতে পারবেন। তবে সাময়িকভাবে ইলিশ আহরণ বন্ধ থাকায় বাজারেও সরবরাহে প্রভাব পড়তে পারে।
প্রিন্ট
শরণখোলা উপজেলা প্রতিনিধি 




















