ঢাকা ১০:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বিমান মন্ত্রণালয়ে বড় পরিবর্তন আনতে চাই: বিমানমন্ত্রী Logo হরমুজের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরো জোরদার করছে ইরান Logo মঠবাড়িয়া উপজেলায় বিপুল পরিমাণ গাজা উদ্ধার করেছে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ। Logo দিবসের শ্রমিকদলের সমাবেশ ষড়যন্ত্র ও অপশক্তির বিরুদ্ধে দলের নেতাকর্মীদের শক্ত অবস্থানে থাকার আহ্বান পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলমের। Logo টঙ্গী এরশাদ নগরে সেন্টুর সিন্ডিকেট মাদকের জালে আটকা যুব সমাজ এবং নেপথ্যে কারা Logo জামালপুরে মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস উদযাপিত, Logo সীতাকুণ্ডে বর্ণাঢ্য র‍্যালীর মাধ্যমে মহান মে দিবস উদযাপিত: প্রধান অতিথি আসলাম চৌধুরী এমপি Logo ৩৬০ জনের অলির রোজা শরীফ সারা বাংলায় কোন কোন জায়গায় Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মহান মে দিবস উপলক্ষে জেলা নির্মাণ শ্রমিকের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo ইসলামপুরে মাইক্রো চালককে হত্যা, এলাকাবাসীর মানববন্ধন

কাকাইলছেওয়ে কুশিয়ারার কালনী নদীর ভাঙনে নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার আশংকায় সাহানগর গ্রামবাসী 

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:০৩:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪২ ০.০০ বার পড়া হয়েছে

কাকাইলছেও ইউনিয়নের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে কুশিয়ারার কালনীনদী।  নদীটি দিনের পর দিন ভয়ানক আকার ধারন করছে। ওই নদীতে ভাঙন দেখা দেয়ায় ঝুঁকির মূখে পড়েছে সাহানগরের শতাধিক পরিবার। গত দু’বছরের ভাঙনে নদীর তীরের ফসলিজমি তলিয়ে গেছে নদীগর্ভে। সম্প্রতি এ ভাঙন পৌঁছেছে কারও বাড়ীর আঙিনায়, আবার কারও বা দোরগোড়ায়। প্রতিদিন ভাঙনের ফলে অনেকের দরজার সামনে এসে দাঁড়িয়েছে নদীটি। এর আগে একই এলাকার উমেদনগর,কণ্যাজুরি, নজরাকান্দা, কাদিরপুর, সৌলরী, মনিপুর, বদরপুর ও কালনীপাড়ার ফসলী জমি ভিটে বাড়ী বিলীন হয়ে গেছে কুশিয়ারা নদীর গর্ভে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এলাকায় পাউবো’র জরুরী ফান্ড থেকে নদী রক্ষা রোধ প্রকল্পের এখন ও কোন কাজ করা হয়নি। এ নিয়ে দৈনিক প্রতিদিনের বাণীতে একাধিকবার সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। সম্প্রতি এ বছরও কুশিয়ারার কালনীনদীর তীরবর্তী কাকাইলছেওয়ের সাহানগর গ্রামে ভাঙনের তীব্রতা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। উক্ত গ্রামের বাসিন্দারা জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ড বা পাউবো সহ বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করা হলেও ভাঙন রোধে কোনো ধরণের ব্যবস্থা বা আশ্বাস মিলেনি সংশ্লিষ্ট দপ্তর সমূহ থেকে। গতকাল বুধবার সকাল ১১ টায় সাহানগর গ্রাম এলাকায় সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ওই গ্রামের প্রায় দেড়শত মিটার জায়গায় নির্মাণকৃত বসতঘর ও বসতভিটা ভাঙনের কবলে পড়ে নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। এ ছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় ফাঁটল দেখা দিয়েছে। এমতাবস্থায়, সাহানগর গ্রামের প্রায় শতাধিক পরিবারের লোকজনের মাঝে চরম আতংক বিরাজ করছে। ওই গ্রামের বাসিন্দা ও শিক্ষক লিটন রায় জানান, সম্প্রতি অতিবর্ষনের কারনে সাহানগর গ্রাম সংলগ্ন কুশিয়ারার কালনীনদীর ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এরই মধ্যে ওই গ্রামের প্রায় ৮ থেকে ১০ টি পরিবারের বসতঘর, গাছপালা ও বসতভিটা নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে। ভাঙন প্রতিরোধে সনাতন পদ্ধতিতে বিভিন্ন উপায়ে চেষ্টা বা অবলম্বন করেও কোনো ধরণের প্রতিকার হচ্ছে না। কয়েকদিন ধরে আবারও পার্শ্ববর্তী সৌলরী গ্রামেও ভাঙন দেখা দিয়েছে। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড হবিগঞ্জ এর উপ সহকারী প্রকৌশলী মো. মাসুদ চৌধুরী জানান, কাকাইলছেওয়ের সাহানগর গ্রামের লোকজন এসেছিলেন। গ্রামের সবাই একত্রিত হয়ে একটি আবেদন করার কথা বলে দেয়া হয়েছে। এতে করে এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে জরুরী ফান্ড থেকে বরাদ্দ দেয়ার ব্যবস্থা করা যাবে। এদিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম রেজাউল করিম জানান,
বিষয়টি আমি এখন অবগত হলাম। উনি যত দ্রুত সম্ভব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন।
ছবি- কাকাইলছেওয়ে কুশিয়ারার কালনী নদীর ভাঙনে নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার আশংকায় সাহানগর গ্রামবাসী 

মোঃ আংগুর মিয়া আজমিরীগঞ্জ হবিগঞ্জ

: আজমিরীগঞ্জ উপজেলার কাকাইলছেও ইউনিয়নের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে কুশিয়ারার কালনীনদী।  নদীটি দিনের পর দিন ভয়ানক আকার ধারন করছে। ওই নদীতে ভাঙন দেখা দেয়ায় ঝুঁকির মূখে পড়েছে সাহানগরের শতাধিক পরিবার। গত দু’বছরের ভাঙনে নদীর তীরের ফসলিজমি তলিয়ে গেছে নদীগর্ভে। সম্প্রতি এ ভাঙন পৌঁছেছে কারও বাড়ীর আঙিনায়, আবার কারও বা দোরগোড়ায়। প্রতিদিন ভাঙনের ফলে অনেকের দরজার সামনে এসে দাঁড়িয়েছে নদীটি। এর আগে একই এলাকার উমেদনগর,কণ্যাজুরি, নজরাকান্দা, কাদিরপুর, সৌলরী, মনিপুর, বদরপুর ও কালনীপাড়ার ফসলী জমি ভিটে বাড়ী বিলীন হয়ে গেছে কুশিয়ারা নদীর গর্ভে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এলাকায় পাউবো’র জরুরী ফান্ড থেকে নদী রক্ষা রোধ প্রকল্পের এখন ও কোন কাজ করা হয়নি। এ নিয়ে দৈনিক প্রতিদিনের বাণীতে একাধিকবার সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। সম্প্রতি এ বছরও কুশিয়ারার কালনীনদীর তীরবর্তী কাকাইলছেওয়ের সাহানগর গ্রামে ভাঙনের তীব্রতা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। উক্ত গ্রামের বাসিন্দারা জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ড বা পাউবো সহ বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করা হলেও ভাঙন রোধে কোনো ধরণের ব্যবস্থা বা আশ্বাস মিলেনি সংশ্লিষ্ট দপ্তর সমূহ থেকে। গতকাল বুধবার সকাল ১১ টায় সাহানগর গ্রাম এলাকায় সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ওই গ্রামের প্রায় দেড়শত মিটার জায়গায় নির্মাণকৃত বসতঘর ও বসতভিটা ভাঙনের কবলে পড়ে নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। এ ছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় ফাঁটল দেখা দিয়েছে। এমতাবস্থায়, সাহানগর গ্রামের প্রায় শতাধিক পরিবারের লোকজনের মাঝে চরম আতংক বিরাজ করছে। ওই গ্রামের বাসিন্দা ও শিক্ষক লিটন রায় জানান, সম্প্রতি অতিবর্ষনের কারনে সাহানগর গ্রাম সংলগ্ন কুশিয়ারার কালনীনদীর ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এরই মধ্যে ওই গ্রামের প্রায় ৮ থেকে ১০ টি পরিবারের বসতঘর, গাছপালা ও বসতভিটা নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে। ভাঙন প্রতিরোধে সনাতন পদ্ধতিতে বিভিন্ন উপায়ে চেষ্টা বা অবলম্বন করেও কোনো ধরণের প্রতিকার হচ্ছে না। কয়েকদিন ধরে আবারও পার্শ্ববর্তী সৌলরী গ্রামেও ভাঙন দেখা দিয়েছে। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড হবিগঞ্জ এর উপ সহকারী প্রকৌশলী মো. মাসুদ চৌধুরী জানান, কাকাইলছেওয়ের সাহানগর গ্রামের লোকজন এসেছিলেন। গ্রামের সবাই একত্রিত হয়ে একটি আবেদন করার কথা বলে দেয়া হয়েছে। এতে করে এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে জরুরী ফান্ড থেকে বরাদ্দ দেয়ার ব্যবস্থা করা যাবে। এদিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম রেজাউল করিম জানান,
বিষয়টি আমি এখন অবগত হলাম। উনি যত দ্রুত সম্ভব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন।
ছবি- 


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিমান মন্ত্রণালয়ে বড় পরিবর্তন আনতে চাই: বিমানমন্ত্রী

কাকাইলছেওয়ে কুশিয়ারার কালনী নদীর ভাঙনে নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার আশংকায় সাহানগর গ্রামবাসী 

আপডেট সময় ০৭:০৩:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

কাকাইলছেও ইউনিয়নের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে কুশিয়ারার কালনীনদী।  নদীটি দিনের পর দিন ভয়ানক আকার ধারন করছে। ওই নদীতে ভাঙন দেখা দেয়ায় ঝুঁকির মূখে পড়েছে সাহানগরের শতাধিক পরিবার। গত দু’বছরের ভাঙনে নদীর তীরের ফসলিজমি তলিয়ে গেছে নদীগর্ভে। সম্প্রতি এ ভাঙন পৌঁছেছে কারও বাড়ীর আঙিনায়, আবার কারও বা দোরগোড়ায়। প্রতিদিন ভাঙনের ফলে অনেকের দরজার সামনে এসে দাঁড়িয়েছে নদীটি। এর আগে একই এলাকার উমেদনগর,কণ্যাজুরি, নজরাকান্দা, কাদিরপুর, সৌলরী, মনিপুর, বদরপুর ও কালনীপাড়ার ফসলী জমি ভিটে বাড়ী বিলীন হয়ে গেছে কুশিয়ারা নদীর গর্ভে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এলাকায় পাউবো’র জরুরী ফান্ড থেকে নদী রক্ষা রোধ প্রকল্পের এখন ও কোন কাজ করা হয়নি। এ নিয়ে দৈনিক প্রতিদিনের বাণীতে একাধিকবার সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। সম্প্রতি এ বছরও কুশিয়ারার কালনীনদীর তীরবর্তী কাকাইলছেওয়ের সাহানগর গ্রামে ভাঙনের তীব্রতা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। উক্ত গ্রামের বাসিন্দারা জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ড বা পাউবো সহ বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করা হলেও ভাঙন রোধে কোনো ধরণের ব্যবস্থা বা আশ্বাস মিলেনি সংশ্লিষ্ট দপ্তর সমূহ থেকে। গতকাল বুধবার সকাল ১১ টায় সাহানগর গ্রাম এলাকায় সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ওই গ্রামের প্রায় দেড়শত মিটার জায়গায় নির্মাণকৃত বসতঘর ও বসতভিটা ভাঙনের কবলে পড়ে নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। এ ছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় ফাঁটল দেখা দিয়েছে। এমতাবস্থায়, সাহানগর গ্রামের প্রায় শতাধিক পরিবারের লোকজনের মাঝে চরম আতংক বিরাজ করছে। ওই গ্রামের বাসিন্দা ও শিক্ষক লিটন রায় জানান, সম্প্রতি অতিবর্ষনের কারনে সাহানগর গ্রাম সংলগ্ন কুশিয়ারার কালনীনদীর ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এরই মধ্যে ওই গ্রামের প্রায় ৮ থেকে ১০ টি পরিবারের বসতঘর, গাছপালা ও বসতভিটা নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে। ভাঙন প্রতিরোধে সনাতন পদ্ধতিতে বিভিন্ন উপায়ে চেষ্টা বা অবলম্বন করেও কোনো ধরণের প্রতিকার হচ্ছে না। কয়েকদিন ধরে আবারও পার্শ্ববর্তী সৌলরী গ্রামেও ভাঙন দেখা দিয়েছে। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড হবিগঞ্জ এর উপ সহকারী প্রকৌশলী মো. মাসুদ চৌধুরী জানান, কাকাইলছেওয়ের সাহানগর গ্রামের লোকজন এসেছিলেন। গ্রামের সবাই একত্রিত হয়ে একটি আবেদন করার কথা বলে দেয়া হয়েছে। এতে করে এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে জরুরী ফান্ড থেকে বরাদ্দ দেয়ার ব্যবস্থা করা যাবে। এদিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম রেজাউল করিম জানান,
বিষয়টি আমি এখন অবগত হলাম। উনি যত দ্রুত সম্ভব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন।
ছবি- কাকাইলছেওয়ে কুশিয়ারার কালনী নদীর ভাঙনে নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার আশংকায় সাহানগর গ্রামবাসী 

মোঃ আংগুর মিয়া আজমিরীগঞ্জ হবিগঞ্জ

: আজমিরীগঞ্জ উপজেলার কাকাইলছেও ইউনিয়নের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে কুশিয়ারার কালনীনদী।  নদীটি দিনের পর দিন ভয়ানক আকার ধারন করছে। ওই নদীতে ভাঙন দেখা দেয়ায় ঝুঁকির মূখে পড়েছে সাহানগরের শতাধিক পরিবার। গত দু’বছরের ভাঙনে নদীর তীরের ফসলিজমি তলিয়ে গেছে নদীগর্ভে। সম্প্রতি এ ভাঙন পৌঁছেছে কারও বাড়ীর আঙিনায়, আবার কারও বা দোরগোড়ায়। প্রতিদিন ভাঙনের ফলে অনেকের দরজার সামনে এসে দাঁড়িয়েছে নদীটি। এর আগে একই এলাকার উমেদনগর,কণ্যাজুরি, নজরাকান্দা, কাদিরপুর, সৌলরী, মনিপুর, বদরপুর ও কালনীপাড়ার ফসলী জমি ভিটে বাড়ী বিলীন হয়ে গেছে কুশিয়ারা নদীর গর্ভে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এলাকায় পাউবো’র জরুরী ফান্ড থেকে নদী রক্ষা রোধ প্রকল্পের এখন ও কোন কাজ করা হয়নি। এ নিয়ে দৈনিক প্রতিদিনের বাণীতে একাধিকবার সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। সম্প্রতি এ বছরও কুশিয়ারার কালনীনদীর তীরবর্তী কাকাইলছেওয়ের সাহানগর গ্রামে ভাঙনের তীব্রতা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। উক্ত গ্রামের বাসিন্দারা জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ড বা পাউবো সহ বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করা হলেও ভাঙন রোধে কোনো ধরণের ব্যবস্থা বা আশ্বাস মিলেনি সংশ্লিষ্ট দপ্তর সমূহ থেকে। গতকাল বুধবার সকাল ১১ টায় সাহানগর গ্রাম এলাকায় সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ওই গ্রামের প্রায় দেড়শত মিটার জায়গায় নির্মাণকৃত বসতঘর ও বসতভিটা ভাঙনের কবলে পড়ে নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। এ ছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় ফাঁটল দেখা দিয়েছে। এমতাবস্থায়, সাহানগর গ্রামের প্রায় শতাধিক পরিবারের লোকজনের মাঝে চরম আতংক বিরাজ করছে। ওই গ্রামের বাসিন্দা ও শিক্ষক লিটন রায় জানান, সম্প্রতি অতিবর্ষনের কারনে সাহানগর গ্রাম সংলগ্ন কুশিয়ারার কালনীনদীর ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এরই মধ্যে ওই গ্রামের প্রায় ৮ থেকে ১০ টি পরিবারের বসতঘর, গাছপালা ও বসতভিটা নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে। ভাঙন প্রতিরোধে সনাতন পদ্ধতিতে বিভিন্ন উপায়ে চেষ্টা বা অবলম্বন করেও কোনো ধরণের প্রতিকার হচ্ছে না। কয়েকদিন ধরে আবারও পার্শ্ববর্তী সৌলরী গ্রামেও ভাঙন দেখা দিয়েছে। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড হবিগঞ্জ এর উপ সহকারী প্রকৌশলী মো. মাসুদ চৌধুরী জানান, কাকাইলছেওয়ের সাহানগর গ্রামের লোকজন এসেছিলেন। গ্রামের সবাই একত্রিত হয়ে একটি আবেদন করার কথা বলে দেয়া হয়েছে। এতে করে এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে জরুরী ফান্ড থেকে বরাদ্দ দেয়ার ব্যবস্থা করা যাবে। এদিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম রেজাউল করিম জানান,
বিষয়টি আমি এখন অবগত হলাম। উনি যত দ্রুত সম্ভব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন।
ছবি- 


প্রিন্ট