টাঙ্গাইল বন বিভাগ-এর অধীন সখিপুর উপজেলার হতেয়া রেঞ্জের কালমেঘা বিটে সরকারি বনভূমি দখল করে পাকা ইমারত নির্মাণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্র ও সরেজমিন অনুসন্ধানে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, কালমেঘা বিটের ছোট পাথার এলাকায় রেজাউল করিম (হাসু) নামের এক ব্যক্তি সরকারি বনের জমিতে পাকা দালান নির্মাণ করছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন, স্থানীয় বন বিভাগের বিট কর্মকর্তা মোঃ আলাউদ্দিনের সাথে সমন্বয় করেই তিনি কাজ শুরু করেছেন।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, কালমেঘা বিটের বিভিন্ন স্থানে একইভাবে বনভূমিতে স্থাপনা নির্মাণ চলছে। অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট বিট কর্মকর্তাকে ‘ম্যানেজ’ করেই এসব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
এছাড়া বনজ দ্রব্য পরিবহন সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘনেরও অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীরা দাবি করেন, বনজ দ্রব্য পরিবহন আইন ২০১৪-এর বিধান উপেক্ষা করে অবৈধ সুবিধা গ্রহণ করা হচ্ছে। স্থানীয় এক কয়লা ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগও রয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।
আরও অভিযোগ রয়েছে, অবৈধ কাঠ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে জব্দকৃত কাঠের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা না নিয়ে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হয়েছে অনৈতিক সুবিধা গ্রহনের মাধ্যমে । এতে বনভূমি রক্ষার কার্যক্রম প্রশ্নের মুখে পড়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
অভিযোগের বিষয়ে কালমেঘা বিট কর্মকর্তার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তিনি বর্তমানে ছুটিতে রয়েছেন। বিষয়টি সম্পর্কে সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে পরে জানাতে পারবেন।
সচেতন মহল বলছে, দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত না হলে সরকারি বনভূমি দখল ও অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।
প্রিন্ট
নিজস্ব প্রতিবেদক: টাঙ্গাইল 


















