ঢাকা ০৬:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ঢাকাঢাকা জেলার আশুলিয়ায় “জামগড়া পুলিশ ক্যাম্পের” শুভউ Logo হাটহাজারীতে রামদার কোপে আঙুল বিচ্ছিন্ন, দেড় লাখ টাকা ছিনতাই,বেপরোয়া সন্ত্রাসে জনজীবন বিপর্যস্ত Logo জামালপুরে জাল টাকা তৈরির অপরাধে একজন গ্রেফতার Logo জামালপুরে আবাদীনকে খুনের দায়ে ০২জনকে মৃত্যুদন্ড,০৩ জনকে যাবজ্জীবন দিয়েছে আদালত Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর শেখ হাসিনা ব্রিজ এ দুপুর ৩ টা হইতে বট গাছের এইখানে তল্লাশি অভিযান পুলিশ করছেন Logo টিউলিপের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ১৬ এপ্রিল Logo হামের টিকাদান কর্মসূচি এগিয়েছে, সারাদেশে শুরু ২০ এপ্রিল: সংসদে বিএনপি দলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo পাটগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত Logo দেশে স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল কত? Logo যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানাল জাতিসংঘ ও বিভিন্ন দেশ

সেন্টমার্টিন গভীর সমুদ্রে কোস্ট গার্ডের অভিযান: ১৫ মানব পাচারকারী আটক, নারী ও শিশুসহ ১৫৩ জন উদ্ধার।

সেন্টমার্টিন দ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিম সংলগ্ন গভীর সমুদ্র এলাকায় বিশেষ অভিযানে ১৫ জন মানব পাচারকারীকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। একই অভিযানে পাচারের উদ্দেশ্যে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ মোট ১৫৩ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়েছে।

রবিবার (১ মার্চ ২০২৬) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, গোয়েন্দা সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়—সাগর পথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশ্যে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ বিপুল সংখ্যক মানুষ সেন্টমার্টিন দ্বীপ–এর দক্ষিণ-পশ্চিম সংলগ্ন গভীর সমুদ্র এলাকায় অবস্থান করছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ১ মার্চ রবিবার মধ্যরাত ৩টায় ‘অপারেশন সমুদ্র প্রহরা’র আওতায় কোস্ট গার্ড জাহাজ কামরুজ্জামান উক্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহজনক বোটকে থামার সংকেত দেওয়া হলে সেটি সংকেত অমান্য করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে কোস্ট গার্ডের আভিযানিক দল ধাওয়া করে সেন্টমার্টিনের দক্ষিণ-পূর্ব সংলগ্ন সমুদ্র এলাকা থেকে বোটটি আটক করতে সক্ষম হয়। তল্লাশি চালিয়ে বোটে পাচারের শিকার নারী ও শিশুসহ ১৫৩ জনকে উদ্ধার এবং ১৫ জন মানব পাচারকারীকে আটক করা হয়।

উদ্ধারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সংঘবদ্ধ মানব পাচারকারী চক্র উন্নত জীবনযাপন, উচ্চ বেতনের চাকরি ও অল্প খরচে বিদেশে যাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে টেকনাফসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের সাগর পথে মালয়েশিয়া পাচারের পরিকল্পনা করছিল।

কোস্ট গার্ড জানায়, উদ্ধারকৃত ভুক্তভোগী ও আটককৃত মানব পাচারকারীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মানব পাচার রোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকাঢাকা জেলার আশুলিয়ায় “জামগড়া পুলিশ ক্যাম্পের” শুভউ

সেন্টমার্টিন গভীর সমুদ্রে কোস্ট গার্ডের অভিযান: ১৫ মানব পাচারকারী আটক, নারী ও শিশুসহ ১৫৩ জন উদ্ধার।

আপডেট সময় ০৭:০৯:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

সেন্টমার্টিন দ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিম সংলগ্ন গভীর সমুদ্র এলাকায় বিশেষ অভিযানে ১৫ জন মানব পাচারকারীকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। একই অভিযানে পাচারের উদ্দেশ্যে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ মোট ১৫৩ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়েছে।

রবিবার (১ মার্চ ২০২৬) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, গোয়েন্দা সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়—সাগর পথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশ্যে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ বিপুল সংখ্যক মানুষ সেন্টমার্টিন দ্বীপ–এর দক্ষিণ-পশ্চিম সংলগ্ন গভীর সমুদ্র এলাকায় অবস্থান করছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ১ মার্চ রবিবার মধ্যরাত ৩টায় ‘অপারেশন সমুদ্র প্রহরা’র আওতায় কোস্ট গার্ড জাহাজ কামরুজ্জামান উক্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহজনক বোটকে থামার সংকেত দেওয়া হলে সেটি সংকেত অমান্য করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে কোস্ট গার্ডের আভিযানিক দল ধাওয়া করে সেন্টমার্টিনের দক্ষিণ-পূর্ব সংলগ্ন সমুদ্র এলাকা থেকে বোটটি আটক করতে সক্ষম হয়। তল্লাশি চালিয়ে বোটে পাচারের শিকার নারী ও শিশুসহ ১৫৩ জনকে উদ্ধার এবং ১৫ জন মানব পাচারকারীকে আটক করা হয়।

উদ্ধারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সংঘবদ্ধ মানব পাচারকারী চক্র উন্নত জীবনযাপন, উচ্চ বেতনের চাকরি ও অল্প খরচে বিদেশে যাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে টেকনাফসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের সাগর পথে মালয়েশিয়া পাচারের পরিকল্পনা করছিল।

কোস্ট গার্ড জানায়, উদ্ধারকৃত ভুক্তভোগী ও আটককৃত মানব পাচারকারীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মানব পাচার রোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।


প্রিন্ট