ঢাকা ১১:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মালদ্বীপে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৫ বাংলাদেশি নিহত Logo মির্জা আব্বাসকে দ্রুত সিঙ্গাপুরে নেওয়ার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর Logo ওমানে ড্রোন বিধ্বস্ত, দুই বিদেশি নাগরিক নিহত Logo আবারও কমল স্বর্ণের দাম Logo ইরানের প্রতিক্রিয়া নিয়ে ট্রাম্প ও উপদেষ্টাদের ভুল হিসাব Logo উত্তরের ঈদযাত্রায় এবারও সেই ১৩ কিলোমিটার হতে পারে গলার কাঁটা Logo তানোরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে গোয়ালঘর পুড়ে ছাই, প্রাণ গেল ৬ গরুর Logo রহমত,মাগফিরাত, নাজাতের পবিত্র রমজান মাসে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন মোঃ সোহেল সরকার, সভাপতি,৭ নং ওয়ার্ড যুবদল Logo পবিত্র ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে ৫২​ নং ওয়ার্ডবাসী সহ বিশ্বের সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন- মোঃ সেলিম কাজল Logo বাঞ্ছারামপুরে অবৈধ গুড় কারখানায় অভিযান: দুইজনকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা, কারখানা সিলগালা

ব্যক্তিগত ক্ষোভে’ রুমমেটকে হাত-পা কেটে হত্যা: পুলিশ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:৩৬:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
  • ২৫ ০.০০ বার পড়া হয়েছে

মতিঝিল থানা। ফাইল ছবি
রাজধানীতে যুবকের কাটা হাত-পা উদ্ধার হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ সন্দেহভাজন এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তার হওয়া ২১ বছর বয়সী শাহীন আলমকে অভিযোগ, তিনি ‘ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকে’ রুমমেট ওবায়দুল্লাহকে হত্যা করে মরদেহ টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেন।

মতিঝিল জোনের সহকারী কমিশনার হুসাইন মুহাম্মাদ ফারাবী জানান, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে শাহীনকে শনাক্ত করা হয় এবং তাকে আটক করা হয়। শাহীন মতিঝিলের হীরাঝিল হোটেলের কর্মচারী। তিনি ও নিহত ওবায়দুল্লাহ একই ফ্ল্যাটে রুমমেট হিসেবে থাকতেন।

রাতে পুলিশ মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বলেন, লাশের বাকি অংশ উদ্ধারের জন্য তারা কাজ চালাচ্ছেন। শুক্রবার রাতে পল্টনের আনন্দ কমিউনিটি সেন্টারের সামনে একটি কাটা পা উদ্ধার করে পুলিশ। শনিবার সকালে বায়তুল মোকাররমের সামনে থেকে দুটি হাত এবং পরে কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে আরেকটি পা উদ্ধার করা হয়।

হাতের আঙ্গুলের ছাপ যাচাই করে পুলিশ নিশ্চিত করেছে, লাশের খণ্ডিত অংশগুলো ৩০ বছর বয়সী ওবায়দুল্লাহর। তিনি নরসিংদীর শিবপুরের বাসিন্দা এবং একটি হোমিও প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় প্রতিনিধি ছিলেন।

পুলিশের তদন্ত সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, স্কাউট ভবনের সামনের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় একজন ব্যক্তি সাইকেলে চড়ে এসে কালো পলিথিনে কিছু ফেলে চলে যায়। ওই ভিডিও বিশ্লেষণের মাধ্যমে শাহীনকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শাহীন আলম জানান, নিহত ওবায়দুল্লাহ তার এবং তার পরিবারকে নানাভাবে কটূক্তিমূলক আচরণ করত। ব্যক্তিগত ক্ষোভের জেরে তিনি শুক্রবার রাতে ওবায়দুল্লাহকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে লাশ খণ্ডবিখণ্ড করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেন।

পুলিশ নিহতের লাশ টুকরো করতে ব্যবহৃত চাপাতি জব্দ করেছে এবং মামলার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মালদ্বীপে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৫ বাংলাদেশি নিহত

ব্যক্তিগত ক্ষোভে’ রুমমেটকে হাত-পা কেটে হত্যা: পুলিশ

আপডেট সময় ১১:৩৬:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

মতিঝিল থানা। ফাইল ছবি
রাজধানীতে যুবকের কাটা হাত-পা উদ্ধার হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ সন্দেহভাজন এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তার হওয়া ২১ বছর বয়সী শাহীন আলমকে অভিযোগ, তিনি ‘ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকে’ রুমমেট ওবায়দুল্লাহকে হত্যা করে মরদেহ টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেন।

মতিঝিল জোনের সহকারী কমিশনার হুসাইন মুহাম্মাদ ফারাবী জানান, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে শাহীনকে শনাক্ত করা হয় এবং তাকে আটক করা হয়। শাহীন মতিঝিলের হীরাঝিল হোটেলের কর্মচারী। তিনি ও নিহত ওবায়দুল্লাহ একই ফ্ল্যাটে রুমমেট হিসেবে থাকতেন।

রাতে পুলিশ মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বলেন, লাশের বাকি অংশ উদ্ধারের জন্য তারা কাজ চালাচ্ছেন। শুক্রবার রাতে পল্টনের আনন্দ কমিউনিটি সেন্টারের সামনে একটি কাটা পা উদ্ধার করে পুলিশ। শনিবার সকালে বায়তুল মোকাররমের সামনে থেকে দুটি হাত এবং পরে কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে আরেকটি পা উদ্ধার করা হয়।

হাতের আঙ্গুলের ছাপ যাচাই করে পুলিশ নিশ্চিত করেছে, লাশের খণ্ডিত অংশগুলো ৩০ বছর বয়সী ওবায়দুল্লাহর। তিনি নরসিংদীর শিবপুরের বাসিন্দা এবং একটি হোমিও প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় প্রতিনিধি ছিলেন।

পুলিশের তদন্ত সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, স্কাউট ভবনের সামনের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় একজন ব্যক্তি সাইকেলে চড়ে এসে কালো পলিথিনে কিছু ফেলে চলে যায়। ওই ভিডিও বিশ্লেষণের মাধ্যমে শাহীনকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শাহীন আলম জানান, নিহত ওবায়দুল্লাহ তার এবং তার পরিবারকে নানাভাবে কটূক্তিমূলক আচরণ করত। ব্যক্তিগত ক্ষোভের জেরে তিনি শুক্রবার রাতে ওবায়দুল্লাহকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে লাশ খণ্ডবিখণ্ড করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেন।

পুলিশ নিহতের লাশ টুকরো করতে ব্যবহৃত চাপাতি জব্দ করেছে এবং মামলার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।


প্রিন্ট