ঢাকা ০৫:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মহম্মদপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে ইফতার বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo নাসিরনগরে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে নগদ অর্থ পেল ৫৮৫ জন Logo জামালপুরে সুইড বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মাঝে ইফতার বিতরণ Logo জামালপুরে ছাত্রদলের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo শ’হীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রু’হের মা’গফিরাত কামনায় ইফতার মাহফিল Logo বগুড়ায় ট্রেন লাইনচ্যুত, উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকার রেল যোগাযোগ বন্ধ Logo ইরানে লারিজানি-সোলেইমানিসহ নৌসেনাদের জানাজা অনুষ্ঠিত Logo প্রধানমন্ত্রীর এান তহবিল থেকে পীরগঞ্জে ৩শ পরিবারের মাঝে ৬ লক্ষ টাকা বিতরণ  Logo জাতীয় ঈদগাহে প্রধান ঈদ জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় Logo বিএনপি’ দলের প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে তার অধীনস্ত দায়িত্ব বণ্টন

পাবনার পাঁচ আসনে ১৭ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনার পাঁচটি আসনে অংশ নেওয়া ১৭ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন–এর বিধি অনুযায়ী কোনো প্রার্থী প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের এক-অষ্টমাংশের কম পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।
পাবনা-১ (সাঁথিয়া)
এই আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ২ লাখ ৪০ হাজার ৭৭৪। এর এক-অষ্টমাংশ প্রায় ৩০ হাজার ৯৭ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল গণি পেয়েছেন ১ হাজার ১১৪ ভোট এবং মোটরসাইকেল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাজুল ইসলাম পেয়েছেন ১ হাজার ৩৩ ভোট। তারা নির্ধারিত ভোটসংখ্যা অর্জন করতে না পারায় জামানত হারিয়েছেন।
পাবনা-২ (সুজানগর–বেড়া)
মোট প্রদত্ত ভোট ৩ লাখ ৮ হাজার ৩৭৬। এক-অষ্টমাংশ প্রায় ৩৮ হাজার ৫৪৭ ভোট। গণফোরামের উদীয়মান সূর্য প্রতীকের সেখ নাসির উদ্দিন পেয়েছেন ৩৩৩ ভোট, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের মেহেদী হাসান রুবেল পেয়েছেন ২ হাজার ২৬০ ভোট এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের আফজাল হোসেন খান কাশেমী পেয়েছেন ৫ হাজার ৮৮৪ ভোট। তারাও জামানত হারিয়েছেন।
পাবনা-৩ (চাটমোহর–ভাঙ্গুড়া–ফরিদপুর)
এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ৩ লাখ ৪১ হাজার ৮১১। এক-অষ্টমাংশ প্রায় ৪২ হাজার ৭২৬ ভোট। বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী কে এম আনোয়ারুল ইসলাম পেয়েছেন ৩৮ হাজার ২৭ ভোট। এছাড়া গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের হাসানুল ইসলাম রাজা (৯৮৬), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুল খালেক (১ হাজার ৭৬৯), সুপ্রিম পার্টির একতারা প্রতীকের মাহবুবুর রহমান চৌধুরী জয় (১ হাজার ৪২০), গণফোরামের সরদার আশা পারভেজ (১৭৬) ও জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের মীর নাদিম মোহাম্মদ ডাবলু (১ হাজার ৭২) নির্ধারিত ভোটসংখ্যা অর্জন করতে পারেননি।
পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী–আটঘরিয়া)
মোট প্রদত্ত ভোট ৩ লাখ ১০ হাজার ২০৬। এক-অষ্টমাংশ প্রায় ৩৮ হাজার ৭৭৬ ভোট। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে প্রতীকের সোহাগ হোসেন (৪৫৯), নাগরিক ঐক্যের কেটলি প্রতীকের শাহনাজ হক (১৮২), জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের সাইফুল আজাদ মল্লিক (৯৫৫) এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আনোয়ার শাহ (২ হাজার ৬৮৮) জামানত হারিয়েছেন।
পাবনা-৫ (সদর)
মোট প্রদত্ত ভোট ৩ লাখ ৫৮ হাজার ২২০। এক-অষ্টমাংশ প্রায় ৪৪ হাজার ৭৭৮ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের মুফতী নাজমুল হোসাইন পেয়েছেন ৪ হাজার ২৬৮ ভোট এবং আমার বাংলাদেশ পার্টির ঈগল প্রতীকের আব্দুল মজীদ মোল্লা পেয়েছেন ৪৪২ ভোট। তারাও নির্ধারিত ভোটসংখ্যা না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পাবনা জেলা প্রশাসক ড. শাহেদ মোস্তফা বলেন, নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুসারেই প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। সব মিলিয়ে পাঁচ আসনে ১৭ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মহম্মদপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে ইফতার বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

পাবনার পাঁচ আসনে ১৭ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

আপডেট সময় ০৮:০১:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনার পাঁচটি আসনে অংশ নেওয়া ১৭ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন–এর বিধি অনুযায়ী কোনো প্রার্থী প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের এক-অষ্টমাংশের কম পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।
পাবনা-১ (সাঁথিয়া)
এই আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ২ লাখ ৪০ হাজার ৭৭৪। এর এক-অষ্টমাংশ প্রায় ৩০ হাজার ৯৭ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল গণি পেয়েছেন ১ হাজার ১১৪ ভোট এবং মোটরসাইকেল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাজুল ইসলাম পেয়েছেন ১ হাজার ৩৩ ভোট। তারা নির্ধারিত ভোটসংখ্যা অর্জন করতে না পারায় জামানত হারিয়েছেন।
পাবনা-২ (সুজানগর–বেড়া)
মোট প্রদত্ত ভোট ৩ লাখ ৮ হাজার ৩৭৬। এক-অষ্টমাংশ প্রায় ৩৮ হাজার ৫৪৭ ভোট। গণফোরামের উদীয়মান সূর্য প্রতীকের সেখ নাসির উদ্দিন পেয়েছেন ৩৩৩ ভোট, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের মেহেদী হাসান রুবেল পেয়েছেন ২ হাজার ২৬০ ভোট এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের আফজাল হোসেন খান কাশেমী পেয়েছেন ৫ হাজার ৮৮৪ ভোট। তারাও জামানত হারিয়েছেন।
পাবনা-৩ (চাটমোহর–ভাঙ্গুড়া–ফরিদপুর)
এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ৩ লাখ ৪১ হাজার ৮১১। এক-অষ্টমাংশ প্রায় ৪২ হাজার ৭২৬ ভোট। বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী কে এম আনোয়ারুল ইসলাম পেয়েছেন ৩৮ হাজার ২৭ ভোট। এছাড়া গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের হাসানুল ইসলাম রাজা (৯৮৬), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুল খালেক (১ হাজার ৭৬৯), সুপ্রিম পার্টির একতারা প্রতীকের মাহবুবুর রহমান চৌধুরী জয় (১ হাজার ৪২০), গণফোরামের সরদার আশা পারভেজ (১৭৬) ও জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের মীর নাদিম মোহাম্মদ ডাবলু (১ হাজার ৭২) নির্ধারিত ভোটসংখ্যা অর্জন করতে পারেননি।
পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী–আটঘরিয়া)
মোট প্রদত্ত ভোট ৩ লাখ ১০ হাজার ২০৬। এক-অষ্টমাংশ প্রায় ৩৮ হাজার ৭৭৬ ভোট। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে প্রতীকের সোহাগ হোসেন (৪৫৯), নাগরিক ঐক্যের কেটলি প্রতীকের শাহনাজ হক (১৮২), জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের সাইফুল আজাদ মল্লিক (৯৫৫) এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আনোয়ার শাহ (২ হাজার ৬৮৮) জামানত হারিয়েছেন।
পাবনা-৫ (সদর)
মোট প্রদত্ত ভোট ৩ লাখ ৫৮ হাজার ২২০। এক-অষ্টমাংশ প্রায় ৪৪ হাজার ৭৭৮ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের মুফতী নাজমুল হোসাইন পেয়েছেন ৪ হাজার ২৬৮ ভোট এবং আমার বাংলাদেশ পার্টির ঈগল প্রতীকের আব্দুল মজীদ মোল্লা পেয়েছেন ৪৪২ ভোট। তারাও নির্ধারিত ভোটসংখ্যা না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পাবনা জেলা প্রশাসক ড. শাহেদ মোস্তফা বলেন, নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুসারেই প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। সব মিলিয়ে পাঁচ আসনে ১৭ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।


প্রিন্ট