ঢাকা ০২:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo রামুর শ্রীমুরায় পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: সিএনজির ড্রাইভিং সিটের নিচে মিলল ৩০ হাজার ইয়াবা, কারবারি গ্রেপ্তার। Logo ইরানের হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটিগুলো ‘অকার্যকর’ Logo আবু সাঈদ ভেবেছিলেন সামনে মানুষ, তবে ‘তারা ছিল অমানুষ’ Logo এরা হলুদ সাংবাদিকতা ছাড়বে কখন, প্রশ্ন জামায়াত আমিরের Logo প্রত্যেক শহীদের রক্তের মূল্য আদায় করা হবে: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা Logo ১০ এপ্রিল: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত? Logo আশুলিয়ায় ডিবি পুলিশের অভিযানে হিরোইনসহ মাদক ব্যবসা ডিবি পুলিশের অভিযানে হিরোইনসহ মাদক ব্যবসায়ী সুজন ও সোহাগ গ্রেফতার Logo পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে পিসিআইইউ মিডিয়া ক্লাবের ৩য় কার্যনির্বাহী কমিটির শপথ গ্রহণ সম্পন্ন Logo উপকূলে তালগাছ বাড়াতে প্রশিক্ষণ, বনায়নে নতুন উদ্যোগ মোংলায় Logo কসবা-আখাউড়ায় বহুদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়ন: শুরু হচ্ছে দুটি মিনি স্টেডিয়ামের নির্মাণকাজ

জামায়াত জোটের ভোটপ্রাপ্তির পরিসংখ্যান শক্তিশালী বার্তা বহন করে

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:০৬:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৬ ০.০০ বার পড়া হয়েছে

জামায়াত জোটের পক্ষে ৩৮ দশমিক ৫০ শতাংশ ভোটকে বিশাল ও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ জনরায় হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। এ নিয়ে হতাশা বা বিভ্রান্ত না হতে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

রোববার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে জামায়াত আমির এই মন্তব্য করেন।

পোস্টে তিনি বলেন, প্রিয় দেশবাসী, আসসালামু আলাইকুম। নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে গণমাধ্যমের খণ্ডিত উপস্থাপনায় আপনারা হতাশ বা বিভ্রান্ত হবেন না। সীমাহীন অনিয়ম ও দুর্নীতি হওয়ার পরও জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোটের ভোট প্রাপ্তির পরিসংখ্যান অনেক শক্তিশালী বার্তা বহন করে। প্রদত্ত প্রায় ৭ কোটি ভোটের মধ্যে জামায়াত-নেতৃত্বাধীন জোট ৩৮ দশমিক ৫০ শতাংশ ভোট পেয়েছে। প্রায় ২ কোটি ৮৮ লাখ নাগরিক এই জোটের ওপর তাদের আস্থা স্থাপন করেছেন। এটি একটি বিশাল ও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ জনরায়।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী অতীতের অনেক রেকর্ড ভঙ্গ করে আজ দেশের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। ২০০৮ সালে মাত্র ২টি আসন থেকে আজ কোটি কোটি মানুষের সমর্থন আমাদের প্রতি জনআস্থার বহিঃপ্রকাশ। ঐতিহাসিক অগ্রযাত্রার শুরু। দেশের প্রায় অর্ধেক ভোটার সংস্কার, জবাবদিহি এবং নীতিভিত্তিক রাজনীতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

তিনি বলেন, এখন আমাদের সময় এসেছে শৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক পরিপক্বতা প্রদর্শনের। আসুন, সরকারকে জবাবদিহির আওতায় আনতে আমরা গঠনমূলক ভূমিকা পালন করি। পরবর্তী নির্বাচনে জনগণের আরো ব্যাপক ভিত্তিক আস্থা অর্জনের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করি। আমরা আমাদের সংগঠনকে আরো শক্তিশালী করব, দলীয় ঐক্যকে সুদৃঢ় করব এবং সুস্পষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে সামনে এগিয়ে যাব।

আমাদের এই পথচলা অব্যাহত থাকবে। ত্যাগ ও পরিশ্রমের কারণে সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। আল্লাহ নিশ্চয়ই আমাদের পরিপূর্ণ বিজয় দান করবেন।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রামুর শ্রীমুরায় পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: সিএনজির ড্রাইভিং সিটের নিচে মিলল ৩০ হাজার ইয়াবা, কারবারি গ্রেপ্তার।

জামায়াত জোটের ভোটপ্রাপ্তির পরিসংখ্যান শক্তিশালী বার্তা বহন করে

আপডেট সময় ০৩:০৬:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জামায়াত জোটের পক্ষে ৩৮ দশমিক ৫০ শতাংশ ভোটকে বিশাল ও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ জনরায় হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। এ নিয়ে হতাশা বা বিভ্রান্ত না হতে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

রোববার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে জামায়াত আমির এই মন্তব্য করেন।

পোস্টে তিনি বলেন, প্রিয় দেশবাসী, আসসালামু আলাইকুম। নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে গণমাধ্যমের খণ্ডিত উপস্থাপনায় আপনারা হতাশ বা বিভ্রান্ত হবেন না। সীমাহীন অনিয়ম ও দুর্নীতি হওয়ার পরও জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোটের ভোট প্রাপ্তির পরিসংখ্যান অনেক শক্তিশালী বার্তা বহন করে। প্রদত্ত প্রায় ৭ কোটি ভোটের মধ্যে জামায়াত-নেতৃত্বাধীন জোট ৩৮ দশমিক ৫০ শতাংশ ভোট পেয়েছে। প্রায় ২ কোটি ৮৮ লাখ নাগরিক এই জোটের ওপর তাদের আস্থা স্থাপন করেছেন। এটি একটি বিশাল ও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ জনরায়।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী অতীতের অনেক রেকর্ড ভঙ্গ করে আজ দেশের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। ২০০৮ সালে মাত্র ২টি আসন থেকে আজ কোটি কোটি মানুষের সমর্থন আমাদের প্রতি জনআস্থার বহিঃপ্রকাশ। ঐতিহাসিক অগ্রযাত্রার শুরু। দেশের প্রায় অর্ধেক ভোটার সংস্কার, জবাবদিহি এবং নীতিভিত্তিক রাজনীতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

তিনি বলেন, এখন আমাদের সময় এসেছে শৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক পরিপক্বতা প্রদর্শনের। আসুন, সরকারকে জবাবদিহির আওতায় আনতে আমরা গঠনমূলক ভূমিকা পালন করি। পরবর্তী নির্বাচনে জনগণের আরো ব্যাপক ভিত্তিক আস্থা অর্জনের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করি। আমরা আমাদের সংগঠনকে আরো শক্তিশালী করব, দলীয় ঐক্যকে সুদৃঢ় করব এবং সুস্পষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে সামনে এগিয়ে যাব।

আমাদের এই পথচলা অব্যাহত থাকবে। ত্যাগ ও পরিশ্রমের কারণে সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। আল্লাহ নিশ্চয়ই আমাদের পরিপূর্ণ বিজয় দান করবেন।


প্রিন্ট