ঢাকা ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবিরের ২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা Logo নাসিরনগরে অবৈধ মাটি কাটায় দেড় লক্ষাধিক টাকা জরিমানা, ৫ ট্রাক্টর জব্দ Logo পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের পর নানা অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল Logo শিবিরের জনশক্তিকে বৃহত্তর নেতৃত্বের যোগ্যতায় গড়ে তুলতে হবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর Logo তানোরের মুন্ডুমালায় জামায়াতের ইফতার মাহফিল Logo ১ নং কাস্টম ঘাট টোলমুক্ত ঘোষণা সৌজন্যে বি কোম্পানি Logo সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ: নাইক্ষ্যংছড়িতে আরাকান আর্মির ৩ সদস্য আটক Logo লালমনিরহাটের বিভিন্ন উপজেলায় পবিত্র রমজানে বাজার মনিটরিং Logo ডিসি অফিস এলাকা থেকে ২২ মামলার আসামি ‘মাদক সম্রাট’ জসিম গ্রেপ্তার Logo একের পর এক আওয়ামী লীগ নেতার জামিন, আইনজীবীদের আদালত বর্জন

জামায়াত এখনও জাতির কাছে ক্ষমা চায়নি। পুলিশ বাহিনিকে আমরা নতুন করে সাজাবো

…………ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচনী পথসভায় মির্জা ফখরুল ইসলাম
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও দলটির মহাসচিব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগির বলেছেন, জামায়াত ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করেছে। তারা এখনও এ জাতির কাছে ক্ষমা চায়নি। তারা আবার ভোট চাইতে আসে।

বুধবার বিকেলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার মলানি বাজার, দেহন ময়দান বাজার, ভকতগাজি বাজারে নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে তারা পুলিশ বাহিনীকে যথেচ্ছ ব্যবহার করেছে। পুলিশ ও প্রশাসনের কারণে আমরা ভোট দিতে পারিনি। আমরা পুলিশ বাহিনীকে নতুন করে সাজাবো যেন তারা ভালোভাবে আরও বেশি কাজ করতে পারে। তারা যেনো দেশের জনগণের পক্ষে কাজ করতে পারে।

জামায়াত প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “২০০১ সালে বিএনপি সরকার গঠন করলে জামায়াতের নিজামী ও মুজাহিদ মন্ত্রী ছিলেন। তখন তো তারা আমাদের সাথেই ছিল। এখন তারা বলছে বিএনপি দুর্নীতি করেছে,তাহলে তারা কি ধর্ম পুত্র যুধিষ্টির ছিল। তাহলে তো তাদেরকেও দুর্নীতির ভাগ নিতে হবে।

বর্তমান বেকারত্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আজ দেশে চাকরি নেই। কলকারখানা নির্মাণ করতে হবে। উন্নত কৃষি ব্যবস্থা চালু করতে হবে। এগুলো একমাত্র বিএনপিই পারবে।”

এটাই তার শেষ নির্বাচন উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, বহুদিন থেকে আপনাদের সাথে নির্বাচন করেছি কখনো জিতেছে কখনো হেরেছি, আপনাদের ছেড়ে যাইনি, কারো কোন কাজ করে দিয়ে একটা টাকাও নেই নি, এক কাপ চাও খাইনি, বাবার জমি বিক্রি করে রাজনীতি করেছি, তাই শেষবারের মতো আমাকে সমর্থন দিয়ে পাশে থাকবেন।

নির্বাচনী পথসভায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবিরের ২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

জামায়াত এখনও জাতির কাছে ক্ষমা চায়নি। পুলিশ বাহিনিকে আমরা নতুন করে সাজাবো

আপডেট সময় ১১:২৪:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

…………ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচনী পথসভায় মির্জা ফখরুল ইসলাম
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও দলটির মহাসচিব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগির বলেছেন, জামায়াত ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করেছে। তারা এখনও এ জাতির কাছে ক্ষমা চায়নি। তারা আবার ভোট চাইতে আসে।

বুধবার বিকেলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার মলানি বাজার, দেহন ময়দান বাজার, ভকতগাজি বাজারে নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে তারা পুলিশ বাহিনীকে যথেচ্ছ ব্যবহার করেছে। পুলিশ ও প্রশাসনের কারণে আমরা ভোট দিতে পারিনি। আমরা পুলিশ বাহিনীকে নতুন করে সাজাবো যেন তারা ভালোভাবে আরও বেশি কাজ করতে পারে। তারা যেনো দেশের জনগণের পক্ষে কাজ করতে পারে।

জামায়াত প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “২০০১ সালে বিএনপি সরকার গঠন করলে জামায়াতের নিজামী ও মুজাহিদ মন্ত্রী ছিলেন। তখন তো তারা আমাদের সাথেই ছিল। এখন তারা বলছে বিএনপি দুর্নীতি করেছে,তাহলে তারা কি ধর্ম পুত্র যুধিষ্টির ছিল। তাহলে তো তাদেরকেও দুর্নীতির ভাগ নিতে হবে।

বর্তমান বেকারত্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আজ দেশে চাকরি নেই। কলকারখানা নির্মাণ করতে হবে। উন্নত কৃষি ব্যবস্থা চালু করতে হবে। এগুলো একমাত্র বিএনপিই পারবে।”

এটাই তার শেষ নির্বাচন উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, বহুদিন থেকে আপনাদের সাথে নির্বাচন করেছি কখনো জিতেছে কখনো হেরেছি, আপনাদের ছেড়ে যাইনি, কারো কোন কাজ করে দিয়ে একটা টাকাও নেই নি, এক কাপ চাও খাইনি, বাবার জমি বিক্রি করে রাজনীতি করেছি, তাই শেষবারের মতো আমাকে সমর্থন দিয়ে পাশে থাকবেন।

নির্বাচনী পথসভায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।


প্রিন্ট