ঢাকা ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মালদ্বীপে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৫ বাংলাদেশি নিহত Logo মির্জা আব্বাসকে দ্রুত সিঙ্গাপুরে নেওয়ার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর Logo ওমানে ড্রোন বিধ্বস্ত, দুই বিদেশি নাগরিক নিহত Logo আবারও কমল স্বর্ণের দাম Logo ইরানের প্রতিক্রিয়া নিয়ে ট্রাম্প ও উপদেষ্টাদের ভুল হিসাব Logo উত্তরের ঈদযাত্রায় এবারও সেই ১৩ কিলোমিটার হতে পারে গলার কাঁটা Logo তানোরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে গোয়ালঘর পুড়ে ছাই, প্রাণ গেল ৬ গরুর Logo রহমত,মাগফিরাত, নাজাতের পবিত্র রমজান মাসে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন মোঃ সোহেল সরকার, সভাপতি,৭ নং ওয়ার্ড যুবদল Logo পবিত্র ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে ৫২​ নং ওয়ার্ডবাসী সহ বিশ্বের সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন- মোঃ সেলিম কাজল Logo বাঞ্ছারামপুরে অবৈধ গুড় কারখানায় অভিযান: দুইজনকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা, কারখানা সিলগালা

জামায়াত এখনও জাতির কাছে ক্ষমা চায়নি। পুলিশ বাহিনিকে আমরা নতুন করে সাজাবো

…………ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচনী পথসভায় মির্জা ফখরুল ইসলাম
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও দলটির মহাসচিব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগির বলেছেন, জামায়াত ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করেছে। তারা এখনও এ জাতির কাছে ক্ষমা চায়নি। তারা আবার ভোট চাইতে আসে।

বুধবার বিকেলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার মলানি বাজার, দেহন ময়দান বাজার, ভকতগাজি বাজারে নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে তারা পুলিশ বাহিনীকে যথেচ্ছ ব্যবহার করেছে। পুলিশ ও প্রশাসনের কারণে আমরা ভোট দিতে পারিনি। আমরা পুলিশ বাহিনীকে নতুন করে সাজাবো যেন তারা ভালোভাবে আরও বেশি কাজ করতে পারে। তারা যেনো দেশের জনগণের পক্ষে কাজ করতে পারে।

জামায়াত প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “২০০১ সালে বিএনপি সরকার গঠন করলে জামায়াতের নিজামী ও মুজাহিদ মন্ত্রী ছিলেন। তখন তো তারা আমাদের সাথেই ছিল। এখন তারা বলছে বিএনপি দুর্নীতি করেছে,তাহলে তারা কি ধর্ম পুত্র যুধিষ্টির ছিল। তাহলে তো তাদেরকেও দুর্নীতির ভাগ নিতে হবে।

বর্তমান বেকারত্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আজ দেশে চাকরি নেই। কলকারখানা নির্মাণ করতে হবে। উন্নত কৃষি ব্যবস্থা চালু করতে হবে। এগুলো একমাত্র বিএনপিই পারবে।”

এটাই তার শেষ নির্বাচন উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, বহুদিন থেকে আপনাদের সাথে নির্বাচন করেছি কখনো জিতেছে কখনো হেরেছি, আপনাদের ছেড়ে যাইনি, কারো কোন কাজ করে দিয়ে একটা টাকাও নেই নি, এক কাপ চাও খাইনি, বাবার জমি বিক্রি করে রাজনীতি করেছি, তাই শেষবারের মতো আমাকে সমর্থন দিয়ে পাশে থাকবেন।

নির্বাচনী পথসভায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মালদ্বীপে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৫ বাংলাদেশি নিহত

জামায়াত এখনও জাতির কাছে ক্ষমা চায়নি। পুলিশ বাহিনিকে আমরা নতুন করে সাজাবো

আপডেট সময় ১১:২৪:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

…………ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচনী পথসভায় মির্জা ফখরুল ইসলাম
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও দলটির মহাসচিব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগির বলেছেন, জামায়াত ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করেছে। তারা এখনও এ জাতির কাছে ক্ষমা চায়নি। তারা আবার ভোট চাইতে আসে।

বুধবার বিকেলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার মলানি বাজার, দেহন ময়দান বাজার, ভকতগাজি বাজারে নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে তারা পুলিশ বাহিনীকে যথেচ্ছ ব্যবহার করেছে। পুলিশ ও প্রশাসনের কারণে আমরা ভোট দিতে পারিনি। আমরা পুলিশ বাহিনীকে নতুন করে সাজাবো যেন তারা ভালোভাবে আরও বেশি কাজ করতে পারে। তারা যেনো দেশের জনগণের পক্ষে কাজ করতে পারে।

জামায়াত প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “২০০১ সালে বিএনপি সরকার গঠন করলে জামায়াতের নিজামী ও মুজাহিদ মন্ত্রী ছিলেন। তখন তো তারা আমাদের সাথেই ছিল। এখন তারা বলছে বিএনপি দুর্নীতি করেছে,তাহলে তারা কি ধর্ম পুত্র যুধিষ্টির ছিল। তাহলে তো তাদেরকেও দুর্নীতির ভাগ নিতে হবে।

বর্তমান বেকারত্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আজ দেশে চাকরি নেই। কলকারখানা নির্মাণ করতে হবে। উন্নত কৃষি ব্যবস্থা চালু করতে হবে। এগুলো একমাত্র বিএনপিই পারবে।”

এটাই তার শেষ নির্বাচন উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, বহুদিন থেকে আপনাদের সাথে নির্বাচন করেছি কখনো জিতেছে কখনো হেরেছি, আপনাদের ছেড়ে যাইনি, কারো কোন কাজ করে দিয়ে একটা টাকাও নেই নি, এক কাপ চাও খাইনি, বাবার জমি বিক্রি করে রাজনীতি করেছি, তাই শেষবারের মতো আমাকে সমর্থন দিয়ে পাশে থাকবেন।

নির্বাচনী পথসভায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।


প্রিন্ট