ঢাকা ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
সংবাদ শিরোনাম ::
নির্বাচনের তিন বছর পর চেয়ারম্যান এর চেয়ার এ বসলেন দুলু নাসিরনগরে জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস পালিত এখন রাজপথে থাকা বেশি প্রয়োজন, তাই পদত্যাগ করেছি: নাহিদ ইসলাম পিলখানা হত্যাকাণ্ড হুমকির মুখে বাংলাদেশ, সেনাবাহিনীর প্রধান অপারেশন ডেভিল হান্টে মোংলায় ২ জনকে আটক জামায়াত নেতা আজহার লিভ টু আপিলের অনুমতি পাবেন, আদেশ বুধবার শতাধিক সদস্যের কমিটি নিয়ে আত্মপ্রকাশ করছে ছাত্রদের নতুন দল জেলা বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে ফুলবাড়ীতে মানবন্ধন ভৈরবে সুইচ গিয়ার এক ছিনতাইকারী কে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১৪ ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারের বিশুদ্ধানন্দ – শুভানন্দ অডিটোরিয়াম অনুষ্ঠিত ২০২৫

গরিবের ব্যাংকার থেকে সরকার প্রধান, যেমন ছিল ড. ইউনূসের যাত্রা

অনলাইন রিপোর্ট
  • আপডেট টাইম : ০১:২০:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অগাস্ট ২০২৪
  • / ১২১ ৫০০০.০ বার পাঠক

অভ্যুত্থান ও রাজনৈতিক উত্থান-পতনে ক্ষতবিক্ষত বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা আনতে নোবেল জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ওপর ভরসা রাখছেন আপামর ছাত্র-জনতা।

ড. ইউনূস, যিনি মূলত দারিদ্র্য দূরীকরণের কাজে অভূতপূর্ব সফলতার জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। গত সোমবার শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে আকস্মিকভাবে ক্ষমতাচ্যুত করার পর, মঙ্গলবার দেশের নতুন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসাবে এ অর্থনীতিবিদকেই মনোনীত করা হয়েছে।

ড. ইউনূস যদিও এতদিন যাবতীয় রাজনীতি থেকে দূরে ছিলেন। তবে এখন তিনিই বাংলাদেশের অন্যতম বিখ্যাত মুখ, যার পশ্চিমা অভিজাতদের সঙ্গে ওঠাবসার ক্ষেত্রে যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে।

গত কয়েকদিনের চলমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে পারলে সেটা ড. ইউনূসের জন্য কোনো ছোট কীর্তি হবে না। কারণ গত কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে সারা দেশে বিক্ষোভকারী এবং নিরাপত্তা কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে তিন শতাধিক লোকের প্রাণ গেছে। যা দক্ষিণ এশিয়ার এ দেশটির ইতিহাসে সহিংসতার সবচেয়ে বাজে অভিজ্ঞতার একটি।

চলমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও অনেকটা থমকে গেছে। যা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল থেকে নেওয়া ঋণের মাধ্যমে জারি ছিল।

সাময়িকভাবে হলেও বাংলাদেশের নেতৃত্বে ড. ইউনূসের সামরিক-সমর্থিত নিয়োগ অর্থনীতিবিদদের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হতে যাচ্ছে। যেখানে গত কয়েক বছর ধরে ড. ইউনূসকে তার বেশিরভাগ সময় কাটাতে হয়েছে ঢাকার আদালতে।

বেশ কয়েকজন সহযোগীসহ গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠাতাকে ওই সময়ে মানি লন্ডারিং এবং দুর্নীতির অভিযোগসহ প্রায় ২০০টি মামলার বিরুদ্ধে লড়াই করতে হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে ড. ইউনূস এবং তার সমর্থকরা বলছেন, শেখ হাসিনার সরকার আইনি চাপের মধ্যে ছিলেন এবং সম্ভবত তাকে (ড. ইউনূস) তার ক্ষমতার জন্য হুমকি হিসাবে দেখেছিলেন।

৮৪ বছর বয়সি ড. ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা এবং বিশ্বের দারিদ্র-পীড়িত মানুষকে, যাদের অধিকাংশই নারী, তাদের মাঝে ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করার জন্য তিনি সবচেয়ে বেশি পরিচিত।

অর্থনীতিবিদ ড. ইউনূস তার জীবনে কখনই রাজনীতিতে জড়িত হননি এবং তিনি রাজনৈতিক কোনো পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাও করেননি। তবে ২০০৭ সালে বাংলাদেশে যখন সরকার ভেঙে পড়ে এবং সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখল করে, তখন ড. ইউনূস সংকট নিরসনের জন্য একটি নতুন দল গঠনের কথা বিবেচনা করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তিনি তার সে চিন্তা বাতিল করে দেন।

এ বিষয়ে চলতি বছরের শুরুতে এক সাক্ষাত্কারে ড. ইউনূস বলছিলেন, ‘আসলে আমি রাজনীতিতে খুব অস্বস্তি বোধ করি’।

তবে দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে ড. ইউনূস একটি নতুন ভূমিকায় অবতীর্ণ হচ্ছেন এবং এ ক্ষেত্রে তিনি একটা তারকা শক্তি নিয়েই আবির্ভূত হচ্ছেন। অনেক পশ্চিমা সরকারের কাছেও তিনি জনপ্রিয় এবং পছন্দের পাত্র। তার সমর্থকরা মহাদেশজুড়ে বিস্তৃত। বছরের পর বছর ধরে তিনি ইউরোপীয় রাজকীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে এবং রিচার্ড ব্র্যানসন ও ক্লিনটনের মতো ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক টাইটানদের সঙ্গেও বন্ধুত্ব গড়ে তুলেছেন। যারা তাকে তার ক্ষুদ্রঋণ উদ্যোগকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রসারিত করতে সহায়তা করেন। আর এসব বন্ধুরা তাকে ‘বাংলাদেশের প্রতি অকৃত্রিম প্রতিশ্রুতি এবং দারিদ্রদের উন্নয়নে একজন বিরল স্বপ্নদর্শী’ বলে আখ্যায়িত করেন।

ইউনিলিভার পিএলসির সাবেক প্রধান নির্বাহী পল পোলম্যানও ড. ইউনূসের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তাকে নিয়ে পলের মন্তব্য, ‘তিনি পেছনে ফেলে আসা মানুষের কণ্ঠস্বর। তিনি একজন নৈতিক নেতা। তিনি নিজের সম্পর্কে কথা বলতে পছন্দ করেন না। তিনি যাদের জন্য কাজ করেন, তাদের সম্পর্কেই কথা বলতে পছন্দ করেন’।

বিশ্বজুড়ে এমন খ্যাতিই তাকে সামরিক বাহিনীসহ বাংলাদেশের অনেকের কাছেই জনপ্রিয় করে তুলেছে। ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার জয়ের পর, হাজার হাজার বাংলাদেশি তার কথা শোনার জন্য অধীর আগ্রহী ছিলেন। তাকে দেখে এখনও অনেকে শ্রদ্ধায় মাথা নত করেন এবং বুক স্পর্শ করেন।

ড. ইউনূস গত এক দশকে দারিদ্র বাংলাদেশিদের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ এবং ফোন পরিষেবা দেওয়াসহ কয়েক ডজন সামাজিক ব্যবসা সম্প্রসারণের দিকে মনোনিবেশ করেছেন।

তিনি এখন ইচ্ছাকৃতভাবে রাজনীতিতে প্রবেশ করবেন, নাকি দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংকট পূরণ করবেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে যখন বিক্ষোভকারীরা ঢাকার রাস্তায় দাপিয়ে বেড়িয়েছে, ইউনূস তখন জনসমক্ষে সহিংসতার বিরুদ্ধে কথা বলেন এবং শেখ হাসিনার ক্র্যাকডাউনকে গণতন্ত্রের জন্য হুমকি হিসাবে চিহ্নিত করেছিলেন।

তবে এখন তিনি একটি নতুন সরকার গঠনে আরও আনুষ্ঠানিক ভূমিকা নেওয়ার উচ্চাকাঙ্ক্ষার কথা উল্লেখ করেননি।

এ বিষয়ে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমি কোনো রাজনীতিবিদ নই। তবে আমার জীবনে এটাই শেষ কাজ, যা আমি এখন করতে যাচ্ছি’। সূত্র:অনলাইন

আরো খবর.......

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

গরিবের ব্যাংকার থেকে সরকার প্রধান, যেমন ছিল ড. ইউনূসের যাত্রা

আপডেট টাইম : ০১:২০:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অগাস্ট ২০২৪

অভ্যুত্থান ও রাজনৈতিক উত্থান-পতনে ক্ষতবিক্ষত বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা আনতে নোবেল জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ওপর ভরসা রাখছেন আপামর ছাত্র-জনতা।

ড. ইউনূস, যিনি মূলত দারিদ্র্য দূরীকরণের কাজে অভূতপূর্ব সফলতার জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। গত সোমবার শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে আকস্মিকভাবে ক্ষমতাচ্যুত করার পর, মঙ্গলবার দেশের নতুন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসাবে এ অর্থনীতিবিদকেই মনোনীত করা হয়েছে।

ড. ইউনূস যদিও এতদিন যাবতীয় রাজনীতি থেকে দূরে ছিলেন। তবে এখন তিনিই বাংলাদেশের অন্যতম বিখ্যাত মুখ, যার পশ্চিমা অভিজাতদের সঙ্গে ওঠাবসার ক্ষেত্রে যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে।

গত কয়েকদিনের চলমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে পারলে সেটা ড. ইউনূসের জন্য কোনো ছোট কীর্তি হবে না। কারণ গত কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে সারা দেশে বিক্ষোভকারী এবং নিরাপত্তা কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে তিন শতাধিক লোকের প্রাণ গেছে। যা দক্ষিণ এশিয়ার এ দেশটির ইতিহাসে সহিংসতার সবচেয়ে বাজে অভিজ্ঞতার একটি।

চলমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও অনেকটা থমকে গেছে। যা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল থেকে নেওয়া ঋণের মাধ্যমে জারি ছিল।

সাময়িকভাবে হলেও বাংলাদেশের নেতৃত্বে ড. ইউনূসের সামরিক-সমর্থিত নিয়োগ অর্থনীতিবিদদের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হতে যাচ্ছে। যেখানে গত কয়েক বছর ধরে ড. ইউনূসকে তার বেশিরভাগ সময় কাটাতে হয়েছে ঢাকার আদালতে।

বেশ কয়েকজন সহযোগীসহ গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠাতাকে ওই সময়ে মানি লন্ডারিং এবং দুর্নীতির অভিযোগসহ প্রায় ২০০টি মামলার বিরুদ্ধে লড়াই করতে হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে ড. ইউনূস এবং তার সমর্থকরা বলছেন, শেখ হাসিনার সরকার আইনি চাপের মধ্যে ছিলেন এবং সম্ভবত তাকে (ড. ইউনূস) তার ক্ষমতার জন্য হুমকি হিসাবে দেখেছিলেন।

৮৪ বছর বয়সি ড. ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা এবং বিশ্বের দারিদ্র-পীড়িত মানুষকে, যাদের অধিকাংশই নারী, তাদের মাঝে ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করার জন্য তিনি সবচেয়ে বেশি পরিচিত।

অর্থনীতিবিদ ড. ইউনূস তার জীবনে কখনই রাজনীতিতে জড়িত হননি এবং তিনি রাজনৈতিক কোনো পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাও করেননি। তবে ২০০৭ সালে বাংলাদেশে যখন সরকার ভেঙে পড়ে এবং সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখল করে, তখন ড. ইউনূস সংকট নিরসনের জন্য একটি নতুন দল গঠনের কথা বিবেচনা করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তিনি তার সে চিন্তা বাতিল করে দেন।

এ বিষয়ে চলতি বছরের শুরুতে এক সাক্ষাত্কারে ড. ইউনূস বলছিলেন, ‘আসলে আমি রাজনীতিতে খুব অস্বস্তি বোধ করি’।

তবে দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে ড. ইউনূস একটি নতুন ভূমিকায় অবতীর্ণ হচ্ছেন এবং এ ক্ষেত্রে তিনি একটা তারকা শক্তি নিয়েই আবির্ভূত হচ্ছেন। অনেক পশ্চিমা সরকারের কাছেও তিনি জনপ্রিয় এবং পছন্দের পাত্র। তার সমর্থকরা মহাদেশজুড়ে বিস্তৃত। বছরের পর বছর ধরে তিনি ইউরোপীয় রাজকীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে এবং রিচার্ড ব্র্যানসন ও ক্লিনটনের মতো ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক টাইটানদের সঙ্গেও বন্ধুত্ব গড়ে তুলেছেন। যারা তাকে তার ক্ষুদ্রঋণ উদ্যোগকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রসারিত করতে সহায়তা করেন। আর এসব বন্ধুরা তাকে ‘বাংলাদেশের প্রতি অকৃত্রিম প্রতিশ্রুতি এবং দারিদ্রদের উন্নয়নে একজন বিরল স্বপ্নদর্শী’ বলে আখ্যায়িত করেন।

ইউনিলিভার পিএলসির সাবেক প্রধান নির্বাহী পল পোলম্যানও ড. ইউনূসের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তাকে নিয়ে পলের মন্তব্য, ‘তিনি পেছনে ফেলে আসা মানুষের কণ্ঠস্বর। তিনি একজন নৈতিক নেতা। তিনি নিজের সম্পর্কে কথা বলতে পছন্দ করেন না। তিনি যাদের জন্য কাজ করেন, তাদের সম্পর্কেই কথা বলতে পছন্দ করেন’।

বিশ্বজুড়ে এমন খ্যাতিই তাকে সামরিক বাহিনীসহ বাংলাদেশের অনেকের কাছেই জনপ্রিয় করে তুলেছে। ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার জয়ের পর, হাজার হাজার বাংলাদেশি তার কথা শোনার জন্য অধীর আগ্রহী ছিলেন। তাকে দেখে এখনও অনেকে শ্রদ্ধায় মাথা নত করেন এবং বুক স্পর্শ করেন।

ড. ইউনূস গত এক দশকে দারিদ্র বাংলাদেশিদের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ এবং ফোন পরিষেবা দেওয়াসহ কয়েক ডজন সামাজিক ব্যবসা সম্প্রসারণের দিকে মনোনিবেশ করেছেন।

তিনি এখন ইচ্ছাকৃতভাবে রাজনীতিতে প্রবেশ করবেন, নাকি দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংকট পূরণ করবেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে যখন বিক্ষোভকারীরা ঢাকার রাস্তায় দাপিয়ে বেড়িয়েছে, ইউনূস তখন জনসমক্ষে সহিংসতার বিরুদ্ধে কথা বলেন এবং শেখ হাসিনার ক্র্যাকডাউনকে গণতন্ত্রের জন্য হুমকি হিসাবে চিহ্নিত করেছিলেন।

তবে এখন তিনি একটি নতুন সরকার গঠনে আরও আনুষ্ঠানিক ভূমিকা নেওয়ার উচ্চাকাঙ্ক্ষার কথা উল্লেখ করেননি।

এ বিষয়ে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমি কোনো রাজনীতিবিদ নই। তবে আমার জীবনে এটাই শেষ কাজ, যা আমি এখন করতে যাচ্ছি’। সূত্র:অনলাইন