ঢাকা ০৭:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪
সংবাদ শিরোনাম ::
মেট্রোরেল স্টেশনের ধ্বংসলীলা দেখে কাঁদলেন প্রধানমন্ত্রী রুশ এমআই-২৮ সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত মস্কোর দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত কালুগা অঞ্চলে আজ বৃহস্পতিবার হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয় কে হামলা চালাবে—বিএনপির নীল নকশা আগেই প্রস্তুত ছিল: কাদের ৪ দিন কোথায় কী অবস্থায় ছিলেন সমন্বয়ক আসিফ সারা দেশে হাজারো প্রাণ কেড়ে নেওয়ার ব্যাপারে সরকার কোনো কথা বলছে না: মির্জা ফখরুল সব ধরনের সহিংসতার হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র ডিএমপির তিন যুগ্ম-কমিশনারকে স্থান বদলি বাসে আগুন দিতে ৪ লাখ টাকায় চুক্তি, শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেপ্তার রোকেয়া হলে ছাত্রলীগ নেত্রীদের হলছাড়া করল আন্দোলনকারীরা আন্দোলনকারীদের মৃত্যুর জন্য সরকারের পক্ষ থেকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে, ৩৩ নাগরিকের বিবৃতি বিবৃতিতে বলা হয়, দাবি আদায় করতে হয় জীবনের বিনিময়ে বা দমন করতে হয় হত্যা করে

যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বেনজীর ও আছাদুজ্জামানের সম্পদ নিয়ে

  • আপডেট টাইম : ০১:৫৬:৫৩ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪
  • / ২৪ ৫০০.০০০ বার পাঠক

পুলিশের সাবেক দুই কর্মকর্তার সম্পদ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, আছাদুজ্জামান মিয়াকে তো সুযোগ দিতে হবে তার বক্তব্য জানার জন্য। সুযোগ পেলে অবশ্যই সে বলবে তার সম্পদ কতখানি বৈধ, কতখানি অবৈধ। বৈধভাবে সে কতখানি সম্পদ বৃদ্ধি করেছে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিজ দফতরে মন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজি) বেনজীর আহমেদ ও ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চান সাংবাদিকরা। তারা প্রশ্ন করেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ আলোচনায় এসেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে আপনি দায় এড়াতে পারেন কিনা।

এর জবাবে আছাদুজ্জামান মিয়া প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যার বিরুদ্ধে অভিযোগ আসছে, তাকে কথা বলার সুযোগ দিতে হবে। সে যদি জবাব দিতে পারে তাহলে তো আপনাদের এসব প্রশ্ন মিটমাট হয়ে যায়।

মন্ত্রী বলেন, যদি জবাব দিতে না পারে তাহলে আমরা বলতে পারব তিনি দুর্নীতিবাজ। তিনি অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। এর আগে এসব বলার সুযোগ নেই। নিশ্চয়ই যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসছে তাদের কিছু বলার আছে।

তিনি বলেন, একটা কথা বলতেই হয়, আজ থেকে ১০ বছর আগে যে জমির মূল্য ১০ লাখ ছিল সেই জমির মূল্য এখন ২ কোটি টাকা হয়ে গেছে। এভাবে অনেকের সম্পদ বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক কিছুই হতে পারে।

মন্ত্রী বলেন, আমি যতটুকু জানি এখন পর্যন্ত অনুমানভিত্তিক কথাবার্তা চলছে। সুনির্দিষ্টভাবে এখনো আছাদুজ্জামান মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপিত হয়নি। যেগুলো শুনছি তার এত সম্পদ আছে; কিন্তু তাকে তো এখনো ডাকা হয়নি। তাকে ডাকা হলে তখন বুঝতে পারব। নিশ্চয়ই তার কোনো জবাব আছে। নিশ্চয়ই তার কোনো আয়ের সোর্স আছে। না হলে সে কি এরকম অপকর্ম করবে?

বেনজীর আহমেদ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বেনজীর আহমেদ মিশনে বিদেশে অনেক দিন ছিলেন। সেগুলো আপনাদের জানা দরকার। মিশন থেকে সে কত টাকা এনেছে সেগুলো তাকে বলতে হবে তো। সেই টাকা কত বৃদ্ধি পেয়েছে তিনি জানেন, আমরা কিন্তু জানি না। তার জবাব দেওয়ার আগে আমাদের এসব নিয়ে বলা উচিত না। তিনি অভিযুক্ত হলে তার বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নেবে।

আরো খবর.......

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বেনজীর ও আছাদুজ্জামানের সম্পদ নিয়ে

আপডেট টাইম : ০১:৫৬:৫৩ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪

পুলিশের সাবেক দুই কর্মকর্তার সম্পদ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, আছাদুজ্জামান মিয়াকে তো সুযোগ দিতে হবে তার বক্তব্য জানার জন্য। সুযোগ পেলে অবশ্যই সে বলবে তার সম্পদ কতখানি বৈধ, কতখানি অবৈধ। বৈধভাবে সে কতখানি সম্পদ বৃদ্ধি করেছে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিজ দফতরে মন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজি) বেনজীর আহমেদ ও ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চান সাংবাদিকরা। তারা প্রশ্ন করেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ আলোচনায় এসেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে আপনি দায় এড়াতে পারেন কিনা।

এর জবাবে আছাদুজ্জামান মিয়া প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যার বিরুদ্ধে অভিযোগ আসছে, তাকে কথা বলার সুযোগ দিতে হবে। সে যদি জবাব দিতে পারে তাহলে তো আপনাদের এসব প্রশ্ন মিটমাট হয়ে যায়।

মন্ত্রী বলেন, যদি জবাব দিতে না পারে তাহলে আমরা বলতে পারব তিনি দুর্নীতিবাজ। তিনি অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। এর আগে এসব বলার সুযোগ নেই। নিশ্চয়ই যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসছে তাদের কিছু বলার আছে।

তিনি বলেন, একটা কথা বলতেই হয়, আজ থেকে ১০ বছর আগে যে জমির মূল্য ১০ লাখ ছিল সেই জমির মূল্য এখন ২ কোটি টাকা হয়ে গেছে। এভাবে অনেকের সম্পদ বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক কিছুই হতে পারে।

মন্ত্রী বলেন, আমি যতটুকু জানি এখন পর্যন্ত অনুমানভিত্তিক কথাবার্তা চলছে। সুনির্দিষ্টভাবে এখনো আছাদুজ্জামান মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপিত হয়নি। যেগুলো শুনছি তার এত সম্পদ আছে; কিন্তু তাকে তো এখনো ডাকা হয়নি। তাকে ডাকা হলে তখন বুঝতে পারব। নিশ্চয়ই তার কোনো জবাব আছে। নিশ্চয়ই তার কোনো আয়ের সোর্স আছে। না হলে সে কি এরকম অপকর্ম করবে?

বেনজীর আহমেদ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বেনজীর আহমেদ মিশনে বিদেশে অনেক দিন ছিলেন। সেগুলো আপনাদের জানা দরকার। মিশন থেকে সে কত টাকা এনেছে সেগুলো তাকে বলতে হবে তো। সেই টাকা কত বৃদ্ধি পেয়েছে তিনি জানেন, আমরা কিন্তু জানি না। তার জবাব দেওয়ার আগে আমাদের এসব নিয়ে বলা উচিত না। তিনি অভিযুক্ত হলে তার বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নেবে।