ঢাকা ০৩:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মার্চ ২০২৩
সংবাদ শিরোনাম ::
সাপ্তাহিক কাটাখালী পত্রিকার ২২তম প্রতিষ্ঠাবাষির্কী উদযাপন প্রখর রোদ উপেক্ষা করে মহাম্মদপুর ঘৌড়দৌড় মেলা টাঙ্গাইলের কলেজ পাড়ায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ড পানি দিবসেও পানি সংকটে বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা মাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মেয়েকে গনধর্ষণ; মামলা উত্তোলনের জন্য হামলা! গাজীপুরে স্বর্ণ পদক প্রাপ্ত কাউন্সিলর সাইজ উদ্দিন মোল্লার নির্বাচন পরিচালনা কার্যলায়ের শুভ উদ্বোধন কোস্টগার্ডের উদ্যোগে কয়রা এলাকায় বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান গণপূর্ত অধিদফতরের ঢাকা জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোসলেহ উদ্দিন আহম্মদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর দেয়া চতুর্থ পর্যায়ে গৃহহীনদের মাঝে ও ভূমি ঘরের চাবি হস্তান্তর করেন বরগুনা ২ আসনের সংসদ সদস্য রিমন সৈয়দপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাসুম মটরস শোরুমে হামলা

দুই আসামিকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বিভাগীয় প্রতিনিধি চট্টগ্রাম।।

চট্টগ্রাম: অবৈধ অস্ত্র ও গুলি রাখার দায়ে নগরের চান্দগাঁও থানার দায়ের করা মামলায় দুই আসামিকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) দুপুরে অতিরিক্ত চতুর্থ মহানগর দায়রা জজ শরীফুল আলম ভূঁঞার আদালত এ দণ্ডাদেশ দেন।

আদালতের পেশকার মো. ফুয়াদ গনমাধ্যমকে জানান, আসামি মো. ইদ্রিসকে ১০ বছর ও ইকবাল প্রকাশ সুমনকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক। ইদ্রিস চান্দগাঁও থানার পশ্চিম ফরিদা পাড়া ঝর্ণা কলোনির মৃত ইউসুফের ছেলে এবং ইকবাল প্রকাশ সুমন হাটহাজারীর পূর্বধলা মুরাদ তালুকদার বাড়ি নুরুল ইসলামের ছেলে।

রায় ঘোষণার সময় ইদ্রিস আদালতে উপস্থিত ছিলেন। ইকবাল প্রকাশ সুমন পলাতক রয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালে ১৬ সেপ্টেম্বর ভোর পৌনে ৩টার দিকে বহদ্দারহাট কাঁচা বাজার সড়কের ইব্রাহিম হাজী ও নাজির বাড়ির সামনে ডাকাতির উদ্দেশ্যে একদল ডাকাত জড়ো হয়। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চান্দগাঁও থানার এসআই গোলাম মোহাম্মদ নাছির নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে ডাকাত দল।

পুলিশও ডাকাতদের লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। পরে পায়ে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মো. ইদ্রিস ও ইকবালকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে অস্ত্র, গুলি ও দা উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়। এসময় কয়েকজন পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছিলেন। এ ঘটনায়  এসআই গোলাম মোহাম্মদ নাছির বাদি হয়ে চান্দগাঁও থানায় মামলা করেন।

মহানগর দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ নোমান চৌধুরী গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, ২০১৫ সালে চান্দগাঁও থানার একটি অস্ত্র মামলায় ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে সাত আসামির মধ্যে দুইজনের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এদের মধ্যে মো. ইদ্রিসকে ১০ বছর ও ইকবালকে ৭ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আরো খবর.......
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাপ্তাহিক কাটাখালী পত্রিকার ২২তম প্রতিষ্ঠাবাষির্কী উদযাপন

দুই আসামিকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

আপডেট টাইম : ১১:৫০:৫০ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১১ মার্চ ২০২১

বিভাগীয় প্রতিনিধি চট্টগ্রাম।।

চট্টগ্রাম: অবৈধ অস্ত্র ও গুলি রাখার দায়ে নগরের চান্দগাঁও থানার দায়ের করা মামলায় দুই আসামিকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) দুপুরে অতিরিক্ত চতুর্থ মহানগর দায়রা জজ শরীফুল আলম ভূঁঞার আদালত এ দণ্ডাদেশ দেন।

আদালতের পেশকার মো. ফুয়াদ গনমাধ্যমকে জানান, আসামি মো. ইদ্রিসকে ১০ বছর ও ইকবাল প্রকাশ সুমনকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক। ইদ্রিস চান্দগাঁও থানার পশ্চিম ফরিদা পাড়া ঝর্ণা কলোনির মৃত ইউসুফের ছেলে এবং ইকবাল প্রকাশ সুমন হাটহাজারীর পূর্বধলা মুরাদ তালুকদার বাড়ি নুরুল ইসলামের ছেলে।

রায় ঘোষণার সময় ইদ্রিস আদালতে উপস্থিত ছিলেন। ইকবাল প্রকাশ সুমন পলাতক রয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালে ১৬ সেপ্টেম্বর ভোর পৌনে ৩টার দিকে বহদ্দারহাট কাঁচা বাজার সড়কের ইব্রাহিম হাজী ও নাজির বাড়ির সামনে ডাকাতির উদ্দেশ্যে একদল ডাকাত জড়ো হয়। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চান্দগাঁও থানার এসআই গোলাম মোহাম্মদ নাছির নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে ডাকাত দল।

পুলিশও ডাকাতদের লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। পরে পায়ে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মো. ইদ্রিস ও ইকবালকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে অস্ত্র, গুলি ও দা উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়। এসময় কয়েকজন পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছিলেন। এ ঘটনায়  এসআই গোলাম মোহাম্মদ নাছির বাদি হয়ে চান্দগাঁও থানায় মামলা করেন।

মহানগর দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ নোমান চৌধুরী গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, ২০১৫ সালে চান্দগাঁও থানার একটি অস্ত্র মামলায় ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে সাত আসামির মধ্যে দুইজনের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এদের মধ্যে মো. ইদ্রিসকে ১০ বছর ও ইকবালকে ৭ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।