ঢাকা ০৫:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুন ২০২২
সংবাদ শিরোনাম ::
মোংলায় ভূমিদস্যু মোখলেছ ও মাসুদ বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রশাসনের সাহায্য চেয়েছে এক ভুক্তভোগি পরিবার রেলওয়ের নিয়োগ পরীক্ষায়-বানিজ্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন বিশ্ব দরবারে দেশ ও জনগণকে আত্মবিশ্বাসের সাথে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সাহস এনে দিয়েছে বিরামপুরে ছুটির দিনে বেড়াতে গিয়ে সড়কে গেল প্রাণ শিক্ষার্থী পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে নতুন স্মারক নোট।বাংলাদেশ সরকার ইসরাইলের সেই অভিযোগের পর ইরানের গোয়েন্দা প্রধান বরখাস্ত খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা কেমন, জানালেন চিকিৎসকরা টসে হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ পদ্মা সেতু নিয়ে ভিডিও বার্তা চীনা রাষ্ট্রদূতের, যা বললেন সাংবা‌দিকতায় পচন ধ‌রে‌ছে! সং‌শোধন জরুরী ! কোন পত্রিকায় কাজ ক‌রেনা অথচ সাংবা‌দিক ?

দুই আসামিকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বিভাগীয় প্রতিনিধি চট্টগ্রাম।।

চট্টগ্রাম: অবৈধ অস্ত্র ও গুলি রাখার দায়ে নগরের চান্দগাঁও থানার দায়ের করা মামলায় দুই আসামিকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) দুপুরে অতিরিক্ত চতুর্থ মহানগর দায়রা জজ শরীফুল আলম ভূঁঞার আদালত এ দণ্ডাদেশ দেন।

আদালতের পেশকার মো. ফুয়াদ গনমাধ্যমকে জানান, আসামি মো. ইদ্রিসকে ১০ বছর ও ইকবাল প্রকাশ সুমনকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক। ইদ্রিস চান্দগাঁও থানার পশ্চিম ফরিদা পাড়া ঝর্ণা কলোনির মৃত ইউসুফের ছেলে এবং ইকবাল প্রকাশ সুমন হাটহাজারীর পূর্বধলা মুরাদ তালুকদার বাড়ি নুরুল ইসলামের ছেলে।

রায় ঘোষণার সময় ইদ্রিস আদালতে উপস্থিত ছিলেন। ইকবাল প্রকাশ সুমন পলাতক রয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালে ১৬ সেপ্টেম্বর ভোর পৌনে ৩টার দিকে বহদ্দারহাট কাঁচা বাজার সড়কের ইব্রাহিম হাজী ও নাজির বাড়ির সামনে ডাকাতির উদ্দেশ্যে একদল ডাকাত জড়ো হয়। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চান্দগাঁও থানার এসআই গোলাম মোহাম্মদ নাছির নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে ডাকাত দল।

পুলিশও ডাকাতদের লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। পরে পায়ে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মো. ইদ্রিস ও ইকবালকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে অস্ত্র, গুলি ও দা উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়। এসময় কয়েকজন পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছিলেন। এ ঘটনায়  এসআই গোলাম মোহাম্মদ নাছির বাদি হয়ে চান্দগাঁও থানায় মামলা করেন।

মহানগর দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ নোমান চৌধুরী গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, ২০১৫ সালে চান্দগাঁও থানার একটি অস্ত্র মামলায় ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে সাত আসামির মধ্যে দুইজনের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এদের মধ্যে মো. ইদ্রিসকে ১০ বছর ও ইকবালকে ৭ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় আরো খবর.......
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মোংলায় ভূমিদস্যু মোখলেছ ও মাসুদ বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রশাসনের সাহায্য চেয়েছে এক ভুক্তভোগি পরিবার

দুই আসামিকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

আপডেট টাইম : ১১:৫০:৫০ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১১ মার্চ ২০২১

বিভাগীয় প্রতিনিধি চট্টগ্রাম।।

চট্টগ্রাম: অবৈধ অস্ত্র ও গুলি রাখার দায়ে নগরের চান্দগাঁও থানার দায়ের করা মামলায় দুই আসামিকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) দুপুরে অতিরিক্ত চতুর্থ মহানগর দায়রা জজ শরীফুল আলম ভূঁঞার আদালত এ দণ্ডাদেশ দেন।

আদালতের পেশকার মো. ফুয়াদ গনমাধ্যমকে জানান, আসামি মো. ইদ্রিসকে ১০ বছর ও ইকবাল প্রকাশ সুমনকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক। ইদ্রিস চান্দগাঁও থানার পশ্চিম ফরিদা পাড়া ঝর্ণা কলোনির মৃত ইউসুফের ছেলে এবং ইকবাল প্রকাশ সুমন হাটহাজারীর পূর্বধলা মুরাদ তালুকদার বাড়ি নুরুল ইসলামের ছেলে।

রায় ঘোষণার সময় ইদ্রিস আদালতে উপস্থিত ছিলেন। ইকবাল প্রকাশ সুমন পলাতক রয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালে ১৬ সেপ্টেম্বর ভোর পৌনে ৩টার দিকে বহদ্দারহাট কাঁচা বাজার সড়কের ইব্রাহিম হাজী ও নাজির বাড়ির সামনে ডাকাতির উদ্দেশ্যে একদল ডাকাত জড়ো হয়। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চান্দগাঁও থানার এসআই গোলাম মোহাম্মদ নাছির নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে ডাকাত দল।

পুলিশও ডাকাতদের লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। পরে পায়ে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মো. ইদ্রিস ও ইকবালকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে অস্ত্র, গুলি ও দা উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়। এসময় কয়েকজন পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছিলেন। এ ঘটনায়  এসআই গোলাম মোহাম্মদ নাছির বাদি হয়ে চান্দগাঁও থানায় মামলা করেন।

মহানগর দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ নোমান চৌধুরী গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, ২০১৫ সালে চান্দগাঁও থানার একটি অস্ত্র মামলায় ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে সাত আসামির মধ্যে দুইজনের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এদের মধ্যে মো. ইদ্রিসকে ১০ বছর ও ইকবালকে ৭ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।