ঢাকা ১২:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪
সংবাদ শিরোনাম ::
ভাঙা কালভার্টের সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত দেশের ক্ষতি চায় বিএনপি’ভারতের সঙ্গে বৈরী সম্পর্ক সৃষ্টি করে রাশিয়ার দুটি জ্বালানি ডিপোতে ড্রোন হামলায় আগুন যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বেনজীর ও আছাদুজ্জামানের সম্পদ নিয়ে এবার মুখ খুললেন বছরে ৯২ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়: সাবেক পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মতিউর রহমান একজন জাতীয় রাজস্ব কর্মকর্তা। বর্তমানে কাস্টমস তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের পাহাড় রয়েছে সাবেক পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামানের দুর্নীতি তদন্তে নামছে দুদক? বেনজীর সময় পাবেনা আর জানালেন দুদক আইনজীবী রাজধানী যাত্রাবাড়ীতে স্ত্রীর লাশ ঘরে, পার্কিংয়ে স্বামীর লাশ

মোটা চালের দাম কমলেও বেড়েছে ভোজ্যতেলের

  • সময়ের কন্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : ১১:২৮:১১ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১
  • ২৪৪ ০.০০০ বার পাঠক

অর্থনৈতিক রিপোর্ট।।

মোটা চালের দাম কিছুটা কমলেও বেড়েছে ভোজ্যতেলের । সরবরাহ বাড়ায় কমেছে শাক-সবিজর দাম। আটা, ডাল, চিনি, পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। এছাড়া ডিম ও ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে। স্থিতিশীল রয়েছে মাছ-মাংসের দাম।

শুক্রবার রাজধানীর কাওরান বাজার, কাপ্তান বাজার, ফকিরাপুল বাজার, মুগদা বড় বাজার ও যাত্রাবাড়ী বাজার ঘুওে নিত্যপণ্যের দরদামের এসব তথ্য পাওয়া গেছে। গত কয়েক মাস ধরে উর্ধমুখী চালের বাজার। স্বর্ণা ও চায়না ইরিখ্যাত মোটা চাল এখন বছরের অন্য যেকোন সময়ের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে রাজধানীর খুচরা বাজারে। তবে টানা বেড়ে যাওয়া চালের দাম কিছুটা কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। বর্তমান প্রতিকেজি মোটা চাল ৪৪-৪৮, সরু নাজির ও মিনিকেট ৫৮-৬২ এবং মাঝারি মানের পাইজাম ও লতা চাল ৫০-৫৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাপ্তান বাজারের নুরু রাইচ এজেন্সীর সত্বাধিকারী মো. নুরুল ইসলাম জনকণ্ঠকে বলেন, সব ধরনের চালের দাম একটু কমেছে। তবে এইদামও অনেক বেশি। সরবরাহ বাড়লে দাম আগের অবস্থায় ফিরে আসবে। তিনি বলেন, দাম কমাতে সরকার বিভিন্ন দেশ থেকে চাল আমদানি শুরু করেছে। এসব চাল বাজারে আসলে দাম কমে আসবে।

খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের ভোজ্যতেলের দাম। গত কয়েকমাস ধরে দাম বাড়লেও আর কমছে না। প্রতিলিটার খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১১৬-১২০ পাঁচ লিটারের ক্যান ৬০০-৬৫০, সয়াবিন তেল বোতল একলিটার ১৩০-১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে খুচরা বাজারে। বাজারে আটা খোলা প্রতিকেজি ৩০-৩২, আটা প্যাকেট ৩৩-৩৫, ময়দা প্যাকেট ৪০-৪৫, ডাল মসুর প্রতিকেজি ৬৫-১৪০, চিনি ৬৫-৭০, প্রতিডজন ডিম ৯০-১০০ এবং প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি ১৪০-১৫০, এবং দেশী পেঁয়াজ ৩৫-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে খুচরা বাজারে। আমদানিকৃত মোটা পেঁয়াজ ১৫-২৫ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।

তবে সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় শীতের সবজির দাম আরও কমেছে। পাকা টমেটোর কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। শসার কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকার মধ্যে। শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৪০ টাকা। এছাড়া মুলার কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকা, বেগুনের কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকা, পেঁপের কেজি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, গাজরের কেজি ১৫ থেকে ২৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহের মতো ফুলকপি ও বাঁধাকপির পিস বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। লাউ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা পিস।

ফকিরাপুল বাজারের ব্যবসায়ী মো. হারুন জনকণ্ঠকে বলেন, শীতের সবজি এখনো ভরপুর পাওয় যাচ্ছে। এ কারণে ক্রেতারা কম দামে সবজি কিনতে পারছেন। আরও মাসখানেক হয়তো সবজির এমন দাম থাকবে। তারপর দাম বেড়ে যেতে পারে।

আরো খবর.......

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাঙা কালভার্টের সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

মোটা চালের দাম কমলেও বেড়েছে ভোজ্যতেলের

আপডেট টাইম : ১১:২৮:১১ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১

অর্থনৈতিক রিপোর্ট।।

মোটা চালের দাম কিছুটা কমলেও বেড়েছে ভোজ্যতেলের । সরবরাহ বাড়ায় কমেছে শাক-সবিজর দাম। আটা, ডাল, চিনি, পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। এছাড়া ডিম ও ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে। স্থিতিশীল রয়েছে মাছ-মাংসের দাম।

শুক্রবার রাজধানীর কাওরান বাজার, কাপ্তান বাজার, ফকিরাপুল বাজার, মুগদা বড় বাজার ও যাত্রাবাড়ী বাজার ঘুওে নিত্যপণ্যের দরদামের এসব তথ্য পাওয়া গেছে। গত কয়েক মাস ধরে উর্ধমুখী চালের বাজার। স্বর্ণা ও চায়না ইরিখ্যাত মোটা চাল এখন বছরের অন্য যেকোন সময়ের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে রাজধানীর খুচরা বাজারে। তবে টানা বেড়ে যাওয়া চালের দাম কিছুটা কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। বর্তমান প্রতিকেজি মোটা চাল ৪৪-৪৮, সরু নাজির ও মিনিকেট ৫৮-৬২ এবং মাঝারি মানের পাইজাম ও লতা চাল ৫০-৫৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাপ্তান বাজারের নুরু রাইচ এজেন্সীর সত্বাধিকারী মো. নুরুল ইসলাম জনকণ্ঠকে বলেন, সব ধরনের চালের দাম একটু কমেছে। তবে এইদামও অনেক বেশি। সরবরাহ বাড়লে দাম আগের অবস্থায় ফিরে আসবে। তিনি বলেন, দাম কমাতে সরকার বিভিন্ন দেশ থেকে চাল আমদানি শুরু করেছে। এসব চাল বাজারে আসলে দাম কমে আসবে।

খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের ভোজ্যতেলের দাম। গত কয়েকমাস ধরে দাম বাড়লেও আর কমছে না। প্রতিলিটার খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১১৬-১২০ পাঁচ লিটারের ক্যান ৬০০-৬৫০, সয়াবিন তেল বোতল একলিটার ১৩০-১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে খুচরা বাজারে। বাজারে আটা খোলা প্রতিকেজি ৩০-৩২, আটা প্যাকেট ৩৩-৩৫, ময়দা প্যাকেট ৪০-৪৫, ডাল মসুর প্রতিকেজি ৬৫-১৪০, চিনি ৬৫-৭০, প্রতিডজন ডিম ৯০-১০০ এবং প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি ১৪০-১৫০, এবং দেশী পেঁয়াজ ৩৫-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে খুচরা বাজারে। আমদানিকৃত মোটা পেঁয়াজ ১৫-২৫ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।

তবে সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় শীতের সবজির দাম আরও কমেছে। পাকা টমেটোর কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। শসার কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকার মধ্যে। শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৪০ টাকা। এছাড়া মুলার কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকা, বেগুনের কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকা, পেঁপের কেজি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, গাজরের কেজি ১৫ থেকে ২৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহের মতো ফুলকপি ও বাঁধাকপির পিস বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। লাউ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা পিস।

ফকিরাপুল বাজারের ব্যবসায়ী মো. হারুন জনকণ্ঠকে বলেন, শীতের সবজি এখনো ভরপুর পাওয় যাচ্ছে। এ কারণে ক্রেতারা কম দামে সবজি কিনতে পারছেন। আরও মাসখানেক হয়তো সবজির এমন দাম থাকবে। তারপর দাম বেড়ে যেতে পারে।