ঢাকা ০৮:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২
সংবাদ শিরোনাম ::
তারাকান্দায় যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ফুলপুরে অবৈধ বালু উত্তোলন করছে ক্ষমতাশালী ব্যক্তিরা, ধ্বংসের মুখে কংশের নদীর তীরের বাসিন্দারা মহানগরের নেতা-কর্মীদের নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার মেয়র টিটুর নতুন রোড নির্মান কাজের শুভ উদ্বোধন করলেন চেয়ারম্যান মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ফোরাম সভা অনুষ্ঠীত হচ্ছে-জাতীয় প্রেস ক্লাবে প্রধানমন্ত্রীর বেঙ্গচিএ ছবি ফেইসবুকে পোস্ট করার কারণে ছাত্রদল ক্যাডার শাওন আলী গ্রেফতার ট্রেন ঘুর্ঘটনা রুখতে চার বন্ধু আবিষ্কার করেছে ডিজিটাল রেল ক্রসিং পিডিএফ এর উদ্যোগে বশেমুরবিপ্রবিতে বিশ্ব ও জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস পালিত তথ্যমন্ত্রী বলেছেন জনসভায় খালেদা জিয়ার যাওয়ার চিন্তা অলীক ও উদ্ভট আগামী ৭ জানুয়ারী থেকে নড়াইলে সুলতান মেলা শুরু

কমেছে সব ধরনের সবজির দাম

ফাইল ছবি

শীতের সবজির সরবরাহ বাড়ায় রাজধানীর কাঁচাবাজারে কমেছে সব ধরনের সবজির দাম। বেশকিছু সবজি প্রতি কেজি ৩০ টাকার কমেও পাওয়া যাচ্ছে। পাঁচ টাকায় মিলছে লাল, সবুজ ও মুলা শাক। তবে টমেটো ও নতুন আলুর কেজি এখনও ১০০ টাকার ঘরেই রয়েছে।

শুক্রবার রামপুরা, মালিবাগ চৌধুরীপাড়া এবং খিলগাঁও এলাকার বিভিন্ন বাজারে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, শীতের সবজি ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম ও লাউয়ে এখন বাজার ভরপুর। সঙ্গে নতুন করে যোগ হয়েছে পালং শাক ও শালগম। এছাড়া ঝিঙা, পটল, করলা, ঢেঁড়স, ধুন্দল, চিচিংগা, বেগুনসহ সবকিছুর পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। যে কারণে সব ধরণের সবজির দাম গত মাসের তুলনায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।

গত সপ্তাহের তুলনায় দাম কমার দিকে থেকে সবার ওপরে রয়েছে শিম ও বেগুন। সপ্তাহের ব্যবধানে এ সবজি দু’টির দাম কেজিতে প্রায় ৪০ টাকা কমেছে। বাজার ও মানভেদে এখন প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা দরে, যা গত সপ্তাহে ছিল ৭০ থেকে ৯০ টাকা।

আর বেগুনের দাম এক লাফে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় নেমে এসেছে। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হয়েছিল ৭৫ থেকে ৮০ টাকা দরে।

এদিকে হঠাৎ করে ৯০ টাকা ছুঁয়ে ফেলা দেশি পেঁয়াজের দাম অনেকটাই স্থির রয়েছে। গত সপ্তাহের মতো প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা কেজি দরে।

এদিকে ৩০ টাকা কেজি দরের মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে পটল, মুলা, ধুন্দল, শালগম, পেঁপে। গত সপ্তাহে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া পটলের দাম কমে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায় চলে এসেছে। এছাড়া ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় বিক্রি হওয়া মুলার দাম এখন ২৫ থেকে ৩০ টাকা।

ধুন্দল পাওয়া যাচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি দরে। গত সপ্তাহে এ সবজিটির দাম ছিল ৫০ থেকে ৫৫ টাকা কেজি। পেঁপের দাম ৩০ টাকা থেকে কমে ২০ টাকায় নেমে এসেছে। বাজারে নতুন আসা সবজি শালগমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা।

রামপুরা বাজারের ব্যবসায়ী মো. ইমরান আলী বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় সব ধরণের সবজির দাম কমেছে। এক সপ্তাহ আগেও প্রতিকেজি শিম বিক্রি করেছি ৮০ টাকায়। আজ বিক্রি করছি ৫০ টাকায়। তবে গতকাল প্রতি কেজি শিমের দাম ছিল ৪০ টাকা। আসলে শুক্রবার দাম একটু বেশি থাকে, তাই গতকালের চেয়ে আজ দাম একটু বেশি।

এ ব্যবসায়ী বলেন, বাজরে এখন সব ধরণের শাক-সবজি পাওয়া যাচ্ছে। যে কারণে দাম কমে আসছে। সামনে বৃষ্টি-বন্যা না হলে সরবরাহ আরও বাড়বে; তখন দাম আরও কমে যাবে।

শুক্রবার দাম কমার তালিকায় রয়েছে- ঝিঙে, চিচিঙ্গা, ঢেঁড়স, লাউ, ফুলকপি ও বাঁধাকপি। করলার দাম কেজিতে ১০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়। গত সপ্তাহে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া ঝিঙে, চিচিংগা, ঢেঁড়সের দাম কমে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

গত সপ্তাহে ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হওয়া প্রতিটি লাউয়ের দাম কমে আজ ৩০ টাকা হয়েছে। আর ৫ টাকার মতো কমে প্রতি পিস ছোট ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকায়। যা গত সপ্তাহে ছিল ২০ থেকে ২৫ টাকা। বড় আকারের প্রতি পিস ফুলকপি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, আর মাঝারি আকারের ২৫ থেকে ৩০ টাকা দরে পাওয়া যাচ্ছে।

রামপুরা বৌ-বাজারে আয়েশা বেগম নামে এক ক্রেতা বলেন, সবজির দাম কমায় কিছুটা হলেও ভাল লাগছে। সত্যি কথা বলতে গত সপ্তাহ পর্যন্ত সবজির দাম আমাদের মতো নিম্ন আয়ের মানুষের নাগালের বাইরে ছিল। এখন কিছু কিছু সবজি ৩০ টাকা কেজি দরে কিনতে পারছি, যা ১৫ দিন আগেও ৬০ টাকার বেশি ছিল। তবে ইচ্ছা থাকলেও টমেটো এখনও কিনে খাওয়ার পর্যায়ে আসেনি। বিক্রেতারা ২৫০ গ্রাম টমেটোর দাম চাচ্ছেন ৩০ টাকা।

সবজির মতো এক সপ্তাহের ব্যবধানে কমেছে সব ধরনের শাকের দাম। ২০ থেকে ২৫ টাকা আঁটি দরে বিক্রি হওয়া লাল শাক ও সবুজ শাকের দাম কমে ৫ থেকে ১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পুঁইশাক বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৩০ থেকে ৪০ টাকা। ২০ টাকা আঁটি দরে বিক্রি হওয়া মুলা শাকের দাম কমে হয়েছে ৫ টাকা। আর ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হওয়া লাউশাক এক লাফে নেমে এসেছে ১৪ থেকে ২০ টাকায়।

দাম কমার এ তালিকায় রয়েছে কাঁচামরিচও। গত সপ্তাহে ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া কাঁচামরিচের দাম কিছুটা কমে ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সাদা ব্রয়লার মুরগি গত সপ্তাহের মতোই ১২০ থেকে ১২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল কক মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি দরে। এ ছাড়া গরুর মাংস ৫০০ টাকা এবং খাসির মাংস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

খিলগাঁও তালতলা বাজারের ব্যবসায়ী জসিম মিয়া বলেন, বাজারে শাক-সবজি ভরপুর থাকায় দাম কিছুটা কমেছে। মাত্র পাঁচ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে লাল, সবুজ ও মুলা শাক। এর থেকে দাম আর কতো কমবো। সব ধরণের শাক এখন বেশ সস্তা। তবে কিছু কিছু সবজির দাম এখনও ৪০ টাকার ওপরে। আশা করছি এসব সবজির দামও খুব শিগগিরই কমে যাবে।

আরো খবর.......
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারাকান্দায় যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল

কমেছে সব ধরনের সবজির দাম

আপডেট টাইম : ১১:২৫:৪৩ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ২০ নভেম্বর ২০১৭

শীতের সবজির সরবরাহ বাড়ায় রাজধানীর কাঁচাবাজারে কমেছে সব ধরনের সবজির দাম। বেশকিছু সবজি প্রতি কেজি ৩০ টাকার কমেও পাওয়া যাচ্ছে। পাঁচ টাকায় মিলছে লাল, সবুজ ও মুলা শাক। তবে টমেটো ও নতুন আলুর কেজি এখনও ১০০ টাকার ঘরেই রয়েছে।

শুক্রবার রামপুরা, মালিবাগ চৌধুরীপাড়া এবং খিলগাঁও এলাকার বিভিন্ন বাজারে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, শীতের সবজি ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম ও লাউয়ে এখন বাজার ভরপুর। সঙ্গে নতুন করে যোগ হয়েছে পালং শাক ও শালগম। এছাড়া ঝিঙা, পটল, করলা, ঢেঁড়স, ধুন্দল, চিচিংগা, বেগুনসহ সবকিছুর পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। যে কারণে সব ধরণের সবজির দাম গত মাসের তুলনায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।

গত সপ্তাহের তুলনায় দাম কমার দিকে থেকে সবার ওপরে রয়েছে শিম ও বেগুন। সপ্তাহের ব্যবধানে এ সবজি দু’টির দাম কেজিতে প্রায় ৪০ টাকা কমেছে। বাজার ও মানভেদে এখন প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা দরে, যা গত সপ্তাহে ছিল ৭০ থেকে ৯০ টাকা।

আর বেগুনের দাম এক লাফে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় নেমে এসেছে। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হয়েছিল ৭৫ থেকে ৮০ টাকা দরে।

এদিকে হঠাৎ করে ৯০ টাকা ছুঁয়ে ফেলা দেশি পেঁয়াজের দাম অনেকটাই স্থির রয়েছে। গত সপ্তাহের মতো প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা কেজি দরে।

এদিকে ৩০ টাকা কেজি দরের মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে পটল, মুলা, ধুন্দল, শালগম, পেঁপে। গত সপ্তাহে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া পটলের দাম কমে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায় চলে এসেছে। এছাড়া ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় বিক্রি হওয়া মুলার দাম এখন ২৫ থেকে ৩০ টাকা।

ধুন্দল পাওয়া যাচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি দরে। গত সপ্তাহে এ সবজিটির দাম ছিল ৫০ থেকে ৫৫ টাকা কেজি। পেঁপের দাম ৩০ টাকা থেকে কমে ২০ টাকায় নেমে এসেছে। বাজারে নতুন আসা সবজি শালগমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা।

রামপুরা বাজারের ব্যবসায়ী মো. ইমরান আলী বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় সব ধরণের সবজির দাম কমেছে। এক সপ্তাহ আগেও প্রতিকেজি শিম বিক্রি করেছি ৮০ টাকায়। আজ বিক্রি করছি ৫০ টাকায়। তবে গতকাল প্রতি কেজি শিমের দাম ছিল ৪০ টাকা। আসলে শুক্রবার দাম একটু বেশি থাকে, তাই গতকালের চেয়ে আজ দাম একটু বেশি।

এ ব্যবসায়ী বলেন, বাজরে এখন সব ধরণের শাক-সবজি পাওয়া যাচ্ছে। যে কারণে দাম কমে আসছে। সামনে বৃষ্টি-বন্যা না হলে সরবরাহ আরও বাড়বে; তখন দাম আরও কমে যাবে।

শুক্রবার দাম কমার তালিকায় রয়েছে- ঝিঙে, চিচিঙ্গা, ঢেঁড়স, লাউ, ফুলকপি ও বাঁধাকপি। করলার দাম কেজিতে ১০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়। গত সপ্তাহে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া ঝিঙে, চিচিংগা, ঢেঁড়সের দাম কমে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

গত সপ্তাহে ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হওয়া প্রতিটি লাউয়ের দাম কমে আজ ৩০ টাকা হয়েছে। আর ৫ টাকার মতো কমে প্রতি পিস ছোট ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকায়। যা গত সপ্তাহে ছিল ২০ থেকে ২৫ টাকা। বড় আকারের প্রতি পিস ফুলকপি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, আর মাঝারি আকারের ২৫ থেকে ৩০ টাকা দরে পাওয়া যাচ্ছে।

রামপুরা বৌ-বাজারে আয়েশা বেগম নামে এক ক্রেতা বলেন, সবজির দাম কমায় কিছুটা হলেও ভাল লাগছে। সত্যি কথা বলতে গত সপ্তাহ পর্যন্ত সবজির দাম আমাদের মতো নিম্ন আয়ের মানুষের নাগালের বাইরে ছিল। এখন কিছু কিছু সবজি ৩০ টাকা কেজি দরে কিনতে পারছি, যা ১৫ দিন আগেও ৬০ টাকার বেশি ছিল। তবে ইচ্ছা থাকলেও টমেটো এখনও কিনে খাওয়ার পর্যায়ে আসেনি। বিক্রেতারা ২৫০ গ্রাম টমেটোর দাম চাচ্ছেন ৩০ টাকা।

সবজির মতো এক সপ্তাহের ব্যবধানে কমেছে সব ধরনের শাকের দাম। ২০ থেকে ২৫ টাকা আঁটি দরে বিক্রি হওয়া লাল শাক ও সবুজ শাকের দাম কমে ৫ থেকে ১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পুঁইশাক বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৩০ থেকে ৪০ টাকা। ২০ টাকা আঁটি দরে বিক্রি হওয়া মুলা শাকের দাম কমে হয়েছে ৫ টাকা। আর ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হওয়া লাউশাক এক লাফে নেমে এসেছে ১৪ থেকে ২০ টাকায়।

দাম কমার এ তালিকায় রয়েছে কাঁচামরিচও। গত সপ্তাহে ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া কাঁচামরিচের দাম কিছুটা কমে ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সাদা ব্রয়লার মুরগি গত সপ্তাহের মতোই ১২০ থেকে ১২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল কক মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি দরে। এ ছাড়া গরুর মাংস ৫০০ টাকা এবং খাসির মাংস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

খিলগাঁও তালতলা বাজারের ব্যবসায়ী জসিম মিয়া বলেন, বাজারে শাক-সবজি ভরপুর থাকায় দাম কিছুটা কমেছে। মাত্র পাঁচ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে লাল, সবুজ ও মুলা শাক। এর থেকে দাম আর কতো কমবো। সব ধরণের শাক এখন বেশ সস্তা। তবে কিছু কিছু সবজির দাম এখনও ৪০ টাকার ওপরে। আশা করছি এসব সবজির দামও খুব শিগগিরই কমে যাবে।