ঢাকা ০১:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২
সংবাদ শিরোনাম ::
পিডিএফ এর উদ্যোগে বশেমুরবিপ্রবিতে বিশ্ব ও জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস পালিত তথ্যমন্ত্রী বলেছেন জনসভায় খালেদা জিয়ার যাওয়ার চিন্তা অলীক ও উদ্ভট আগামী ৭ জানুয়ারী থেকে নড়াইলে সুলতান মেলা শুরু আগামীকাল শহীদ শেখ ফজলুল হক মনির ৮৪ তম জন্ম দিন পালন করবেন শার্শা আওয়ামীযুবলীগের কর্মীরা নজু মুন্সির বাড়ী বেআইনি জনতাবদ্ধে হাতেআগ্নেয়াস্ত্র,গাছের বাটাম ও লাঠিসোটা নিয়ে বসতঘরে অনধিকার প্রবেশ করে অতর্কিত হামলা শেখ হা‌সিনা সরকার শিক্ষাবান্ধব সরকার –মৎস‌্য ও প্রা‌নি সম্পদ মন্ত্রী শ,ম রেজাউল ক‌রিম পীরগঞ্জ বড় ফলিয়া বুদ্ধি প্রতিবন্ধী অটিস্টিক বিদ্যালয়ে প্রতিবন্ধী দিবস পালিত গাজীপুর মহানগর পুলিশ কর্তৃক ২৪ ঘন্টার উদ্ধার অভিযানে মাদক, ভেজাল প্রসাধনী তৈরী ও দস্যূতা সংঘটনের চেষ্টার অপরাধ এবং ওয়ারেন্টভুক্ত আসামীসহ মোট গ্রেফতার ১৯ জন সাত বছরের শিশু তৌহিদুর ওরফে তাওসী বাবা হাবিবুর রহমান পঁচার (৫৫) সাথে এসেছিলো সকালের নাস্তা করার জন্য ভালুকার রাকিবুল আলম ত্রিশাল উপজেলা ইটভাটায় জ্বালানি কাঠ সরবরাহ করে থাকে 

মানসিক প্রতিবন্ধী মেয়েকে নিয়ে থাকার জন্য একটি বাড়ির আকুতি মায়ের

দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি।।

দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার ইশানিয়া মহেশাইল গ্রামের হতদরিদ্র মমেনা বেগম (৭৪)। স্বামী মারা গেছেন ২০ বছর আগে। বয়সের ভারে শারীরিক অক্ষমতার কারণে কোন কাজ করতে পারেন না। এলাকার মানুষের সহযোগিতায় কোন রকমে চলে সংসার। এরই মাঝে মোমেনা বেগমের মেজ মেয়ে বিয়ের ১০ বছর পর মানসিক প্রতিবন্ধী হয়ে পড়ে। এজন্য তাকেও তার শ্বশুর বাড়ি থেকে নিয়ে আসতে হয়েছে। মমেনা বেগমের সংসারে বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৯ জন। কিন্তু থাকার ঘর মাত্র ২ টি। দুটি ঘরের একটি বড় ছেলের, আরেকটি ছোট ছেলের। ছোট ছেলে পরিবার নিয়ে ঢাকায় থাকেন। সে কারণে ছোট ছেলের ঘরেই থাকেন মমেনা বেগম। কিন্তু ছোট ছেলে বাড়িতে আসলে মানসিক প্রতিবন্ধী ওই মেয়েকে নিয়ে ঘরের বারান্দায় থাকতে হয় তাকেসরেজমিনে মমেনা বেগমের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, চারদিকে খড়ের ছাউনি দিয়ে ঘেরা একটি টিনের ঘর। এটি তার ছোট ছেলের ঘর। এ ঘরেই তিনি থাকেন।

হতদ্ররিদ্র মমেনা বেগম জানান, আমাদের কষ্ট বারে। খুবেই কষ্ট। বাড়ি নাই, ঘর নাই। বেটার ঘরত থাকি। বেটা বাড়িত আইলে বারান্দাত থাকি। বেটিটা পাগল। গায়ত কাপড় থয়না। মানুষে সাহায্য করি দেয়। তা দিয়ে খাই। সরকার যদি আমারে একটা ঘর দেয়, তাহলে আর কিছু চাই না। আমি বয়স্ক ভাতা, মেয়ে প্রতিবন্ধী ভাতা পায়। এ দিয়ে সংসার চলে। মমেনা বেগমের একটাই চাওয়া, মরার আগে মানসিক প্রতিবন্ধী মেয়েটার তার জন্য একটা ঘরের ব্যবস্থা করা।

এ বিষয়ে ওই এলাকার সংরক্ষিত ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার ঝর্না বেগম বলেন, মমেনা বেগমের মেয়ের প্রতিবন্ধী কার্ড করে দিয়েছি। ওদের কেউ নেই। তারা খুব অসহায়। এক ছেলে আছে সে ঢাকায় থাকে। আরেক ছেলে বাড়িতে থাকে। সে নিজেও চলতে পারে না। তারা খুব কষ্ট করে চলে। আমি প্রতিবন্ধী মেয়েটার জন্য সমাজসেবায় একটি বাড়ির জন্য আবেদন করেছি।

আরো খবর.......
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পিডিএফ এর উদ্যোগে বশেমুরবিপ্রবিতে বিশ্ব ও জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস পালিত

মানসিক প্রতিবন্ধী মেয়েকে নিয়ে থাকার জন্য একটি বাড়ির আকুতি মায়ের

আপডেট টাইম : ১১:২৯:৪০ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ৯ জানুয়ারি ২০২১

দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি।।

দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার ইশানিয়া মহেশাইল গ্রামের হতদরিদ্র মমেনা বেগম (৭৪)। স্বামী মারা গেছেন ২০ বছর আগে। বয়সের ভারে শারীরিক অক্ষমতার কারণে কোন কাজ করতে পারেন না। এলাকার মানুষের সহযোগিতায় কোন রকমে চলে সংসার। এরই মাঝে মোমেনা বেগমের মেজ মেয়ে বিয়ের ১০ বছর পর মানসিক প্রতিবন্ধী হয়ে পড়ে। এজন্য তাকেও তার শ্বশুর বাড়ি থেকে নিয়ে আসতে হয়েছে। মমেনা বেগমের সংসারে বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৯ জন। কিন্তু থাকার ঘর মাত্র ২ টি। দুটি ঘরের একটি বড় ছেলের, আরেকটি ছোট ছেলের। ছোট ছেলে পরিবার নিয়ে ঢাকায় থাকেন। সে কারণে ছোট ছেলের ঘরেই থাকেন মমেনা বেগম। কিন্তু ছোট ছেলে বাড়িতে আসলে মানসিক প্রতিবন্ধী ওই মেয়েকে নিয়ে ঘরের বারান্দায় থাকতে হয় তাকেসরেজমিনে মমেনা বেগমের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, চারদিকে খড়ের ছাউনি দিয়ে ঘেরা একটি টিনের ঘর। এটি তার ছোট ছেলের ঘর। এ ঘরেই তিনি থাকেন।

হতদ্ররিদ্র মমেনা বেগম জানান, আমাদের কষ্ট বারে। খুবেই কষ্ট। বাড়ি নাই, ঘর নাই। বেটার ঘরত থাকি। বেটা বাড়িত আইলে বারান্দাত থাকি। বেটিটা পাগল। গায়ত কাপড় থয়না। মানুষে সাহায্য করি দেয়। তা দিয়ে খাই। সরকার যদি আমারে একটা ঘর দেয়, তাহলে আর কিছু চাই না। আমি বয়স্ক ভাতা, মেয়ে প্রতিবন্ধী ভাতা পায়। এ দিয়ে সংসার চলে। মমেনা বেগমের একটাই চাওয়া, মরার আগে মানসিক প্রতিবন্ধী মেয়েটার তার জন্য একটা ঘরের ব্যবস্থা করা।

এ বিষয়ে ওই এলাকার সংরক্ষিত ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার ঝর্না বেগম বলেন, মমেনা বেগমের মেয়ের প্রতিবন্ধী কার্ড করে দিয়েছি। ওদের কেউ নেই। তারা খুব অসহায়। এক ছেলে আছে সে ঢাকায় থাকে। আরেক ছেলে বাড়িতে থাকে। সে নিজেও চলতে পারে না। তারা খুব কষ্ট করে চলে। আমি প্রতিবন্ধী মেয়েটার জন্য সমাজসেবায় একটি বাড়ির জন্য আবেদন করেছি।