ঢাকা ০৬:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
সংবাদ শিরোনাম ::
মোংলায় দারুল আমীন নূরানী মাদ্রাসার আয়োজনে ১ম বার্ষিক ক্রীড়া সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহ ডিবি পুলিশের অভিযানে ২৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার-০১ ফুলপুরে ৮ বোতল বিদেশি মদ সহ এক মাদক কারবারী আটক নওগাঁর মহাদেবপুর এ ২০০ বছরের পুরাতন মসজিদের সন্ধান মিলেছে জামালপুরের রানীগঞ্জ বাজার ঐতিহ্য হারিয়ে ফেলেছে পানি নিস্কাশনের রাস্তা বন্ধ করে পুকুর নির্মানের কারনে প্রায় শত বিঘা ফসলী জমি পানির নীচে ইবি শিক্ষার্থীকে গলাটিপে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় বেগম জাহানারা হান্নান উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩য় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্টিত জামালপুরে ভেজাল কীটনাশকে বাজার সয়লাব, কৃষি শিল্প ধ্বংসের পাঁয়তারা মোংলায় সিবিএ নির্বাচন নিয়ে শ্রমিক-কর্মচারীদের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে

রেইনট্রি হোটেলে ধর্ষণ মামলায় সাফাতসহ পাঁচ আসামি খালাস

  • সময়ের কন্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : ০৯:৫৯:০৭ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১১ নভেম্বর ২০২১
  • ১৬৩ ০.০০০ বার পাঠক

আইন আদালত রিপোর্ট।। রাজধানীর বনানীর দ্য রেইনট্রি হোটেলে জন্মদিনের পার্টিতে দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনায় করা মামলায় আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদসহ পাঁচজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক মোসাম্মৎ কামরুন্নাহার আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস প্রদান করেন।গত ২৭ অক্টোবর এ মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য ছিল। ওইদিন প্রবীণ আইনজীবী বাসেত মজুমদার মারা যাওয়ায় আদালতের কার্যক্রম বন্ধ ছিল। তাই বিচারক রায় ঘোষণার জন্য ১১ নভেম্বর দিন ধার্য করেন।

তারও আগে ১২ অক্টোবর রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু বিচারক অসুস্থ থাকায় রায় পিছিয়ে ২৭ অক্টোবর দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল। গত ৩ অক্টোবর রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের তারিখ ১২ অক্টোবর ধার্য করেন।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২৮ মার্চ রাত ৯টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত হোটেলে জন্মদিনের পার্টিতে দুই শিক্ষার্থীকে একাধিকবার ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই বছরের ৬ মে সাফাতসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে বনানী থানায় ধর্ষণ মামলা হয়।

তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ৭ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের (ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার) পরিদর্শক ইসমত আরা এমি পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

একই বছরের ১৯ জুন একই ট্রাইব্যুনাল আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। ওই বছরের ১৩ জুলাই ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক শফিউল আজম পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচারের আদেশ দেন।

অভিযোগপত্রে আসামি সাফাত আহমেদ ও নাঈম আশরাফ ওরফে এইচ এম হালিমের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ (১) ধারায় ধর্ষণের অভিযোগ করা হয়। মামলার অন্য তিন আসামি সাদমান সাকিফ, আলী ও বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধেও একই আইনের ৩০ ধারায় ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়।

এ মামলার আসামিরা হলেন- আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদ, তার বন্ধু সাদমান সাকিফ, দেহরক্ষী রহমত আলী ও গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন এবং নাঈম আশরাফ ওরফে এইচ এম হালিম।

আরো খবর.......

জনপ্রিয় সংবাদ

মোংলায় দারুল আমীন নূরানী মাদ্রাসার আয়োজনে ১ম বার্ষিক ক্রীড়া সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

রেইনট্রি হোটেলে ধর্ষণ মামলায় সাফাতসহ পাঁচ আসামি খালাস

আপডেট টাইম : ০৯:৫৯:০৭ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১১ নভেম্বর ২০২১

আইন আদালত রিপোর্ট।। রাজধানীর বনানীর দ্য রেইনট্রি হোটেলে জন্মদিনের পার্টিতে দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনায় করা মামলায় আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদসহ পাঁচজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক মোসাম্মৎ কামরুন্নাহার আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস প্রদান করেন।গত ২৭ অক্টোবর এ মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য ছিল। ওইদিন প্রবীণ আইনজীবী বাসেত মজুমদার মারা যাওয়ায় আদালতের কার্যক্রম বন্ধ ছিল। তাই বিচারক রায় ঘোষণার জন্য ১১ নভেম্বর দিন ধার্য করেন।

তারও আগে ১২ অক্টোবর রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু বিচারক অসুস্থ থাকায় রায় পিছিয়ে ২৭ অক্টোবর দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল। গত ৩ অক্টোবর রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের তারিখ ১২ অক্টোবর ধার্য করেন।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২৮ মার্চ রাত ৯টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত হোটেলে জন্মদিনের পার্টিতে দুই শিক্ষার্থীকে একাধিকবার ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই বছরের ৬ মে সাফাতসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে বনানী থানায় ধর্ষণ মামলা হয়।

তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ৭ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের (ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার) পরিদর্শক ইসমত আরা এমি পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

একই বছরের ১৯ জুন একই ট্রাইব্যুনাল আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। ওই বছরের ১৩ জুলাই ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক শফিউল আজম পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচারের আদেশ দেন।

অভিযোগপত্রে আসামি সাফাত আহমেদ ও নাঈম আশরাফ ওরফে এইচ এম হালিমের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ (১) ধারায় ধর্ষণের অভিযোগ করা হয়। মামলার অন্য তিন আসামি সাদমান সাকিফ, আলী ও বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধেও একই আইনের ৩০ ধারায় ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়।

এ মামলার আসামিরা হলেন- আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদ, তার বন্ধু সাদমান সাকিফ, দেহরক্ষী রহমত আলী ও গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন এবং নাঈম আশরাফ ওরফে এইচ এম হালিম।