ঢাকা ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
সংবাদ শিরোনাম ::
পানি নিস্কাশনের রাস্তা বন্ধ করে পুকুর নির্মানের কারনে প্রায় শত বিঘা ফসলী জমি পানির নীচে ইবি শিক্ষার্থীকে গলাটিপে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় বেগম জাহানারা হান্নান উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩য় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্টিত জামালপুরে ভেজাল কীটনাশকে বাজার সয়লাব, কৃষি শিল্প ধ্বংসের পাঁয়তারা মোংলায় সিবিএ নির্বাচন নিয়ে শ্রমিক-কর্মচারীদের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে নওগাঁ প্রাইভেট কার থেকে ৭২ কেজি গাঁজাসহ এক জন গ্রেপ্তার ভাষা সৈনিক মোস্তফা এম এ মতিন সাহিত্য পুরস্কার পেলেন হোসেনপুরের কবি শাহ আলম বিল্লাল গুজরাটের পোরবন্দরের জলসীমায় ২২০০০হাজার, কোটি টাকার মাদকদ্রব্য আটক করেছে নৌবাহিনী ও এনসিবি, গ্রেপ্তার পাঁচ পাক নাগরিক রায়পুরে অসামাজিক কার্যকলাপে আটক ৫ রাজধানীর ৪ হাসপাতালে র‍্যাবের অভিযান

ইরান নিয়ে নতুন আতঙ্কে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক রিপোর্ট।।

পরমাণু অস্ত্র তৈরি বিষয়ে ইরান বহুদূর অগ্রসর হয়েছে। এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেছেন, ইরানকে থামাতে ওয়াশিংটন দ্রুত তেহরানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে।

সৌদি আরবভিত্তিক আরব নিউজের খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের জাতীয় নিরাপত্তা টিমের আলোচনায় ইরানের পরমাণু কর্মসূচি প্রাধান্য পাচ্ছে। ইরানকে থামাতে চির প্রতিদ্বন্দ্বী ইসরাইল তেহরানে হামলার পরিকল্পনাও প্রকাশ করেছে।

ইরান যাতে পরমাণু অস্ত্র অর্জন করতে না পারে সেজন্য তেহরানের সঙ্গে ২০১৫ সালে চুক্তি করেছিল যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, রাশিয়া, চীনসহ বিশ্বের ৬ শক্তিধর দেশ।

কিন্তু ওবামার আমলে সম্পাদিত চুক্তিটিকে ‘বাজে চুক্তি’ উল্লেখ করে ডোনাল্ড ট্রাম্প চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেয়। ট্রাম্প শুধু এটা করে ক্ষ্যান্ত হননি, তিনি ইরানের ওপর ব্যাপক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন যার ফলে ইরানের অর্থনীতি ধসে পড়ে।

গত বছর ইরানের শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলেইমানিকে ড্রোন হামলায় হত্যা করে যুক্তরাষ্ট্র। এ হত্যাকাণ্ডের পর ইরান ঘোষণা দেয়, ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তিতে যেসব নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল, তার কোনটিই তারা আর মেনে চলবে না।

এরপর আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় ইরান পরমাণু চুল্লি বৃদ্ধি করছে বলে খবর বেরিয়েছে।

সম্প্রতি ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান বেনি গ্যান্টজ বলেছেন, পরমাণু অস্ত্র বানানোর সক্ষমতা থেকে ইরান আর মাত্র ২ মাস দূরে আছে। জাতিসংঘের পরমাণু তদারক সংস্থাও সম্প্রতি ইরানের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে ভয়ঙ্কর প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র এই মুহূর্তে ইরানকে পরমাণু চুক্তিতে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। এ লক্ষ্যে গত মে মাস থেকে ইরানের সঙ্গে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় অন্তত ৬ দফা বৈঠকও করেছে। কিন্তু আলোচনা ফলপ্রসূ হয়নি।

মঙ্গলবার বাইডেন প্রশাসনের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, ইরানের সঙ্গে এখনো আলোচনার পথ খোলা আছে। কয়েকটি পক্ষের কাছে ইরান ইঙ্গিত পাঠাচ্ছে তারাও আলোচনায় ফিরতে চায়। এখন দেখার বিষয় আদৌ তারা আলোচনায় যুক্ত হয় কি না।

ইরানের চির প্রতিদ্বন্দ্বী ইসরাইলসহ সৌদি মিত্র দেশগুলো মনে করছে, আলোচনার মাধ্যমে ইরানকে পরমাণু অস্ত্র তৈরি থেকে ফেরানো যাবে না। তবে যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে, ইরানকে থামাতে কূটনৈতিক পথই সর্বোত্তম।

আরো খবর.......

জনপ্রিয় সংবাদ

পানি নিস্কাশনের রাস্তা বন্ধ করে পুকুর নির্মানের কারনে প্রায় শত বিঘা ফসলী জমি পানির নীচে

ইরান নিয়ে নতুন আতঙ্কে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট টাইম : ১১:৩৪:৪৩ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ৬ অক্টোবর ২০২১

আন্তর্জাতিক রিপোর্ট।।

পরমাণু অস্ত্র তৈরি বিষয়ে ইরান বহুদূর অগ্রসর হয়েছে। এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেছেন, ইরানকে থামাতে ওয়াশিংটন দ্রুত তেহরানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে।

সৌদি আরবভিত্তিক আরব নিউজের খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের জাতীয় নিরাপত্তা টিমের আলোচনায় ইরানের পরমাণু কর্মসূচি প্রাধান্য পাচ্ছে। ইরানকে থামাতে চির প্রতিদ্বন্দ্বী ইসরাইল তেহরানে হামলার পরিকল্পনাও প্রকাশ করেছে।

ইরান যাতে পরমাণু অস্ত্র অর্জন করতে না পারে সেজন্য তেহরানের সঙ্গে ২০১৫ সালে চুক্তি করেছিল যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, রাশিয়া, চীনসহ বিশ্বের ৬ শক্তিধর দেশ।

কিন্তু ওবামার আমলে সম্পাদিত চুক্তিটিকে ‘বাজে চুক্তি’ উল্লেখ করে ডোনাল্ড ট্রাম্প চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেয়। ট্রাম্প শুধু এটা করে ক্ষ্যান্ত হননি, তিনি ইরানের ওপর ব্যাপক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন যার ফলে ইরানের অর্থনীতি ধসে পড়ে।

গত বছর ইরানের শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলেইমানিকে ড্রোন হামলায় হত্যা করে যুক্তরাষ্ট্র। এ হত্যাকাণ্ডের পর ইরান ঘোষণা দেয়, ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তিতে যেসব নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল, তার কোনটিই তারা আর মেনে চলবে না।

এরপর আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় ইরান পরমাণু চুল্লি বৃদ্ধি করছে বলে খবর বেরিয়েছে।

সম্প্রতি ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান বেনি গ্যান্টজ বলেছেন, পরমাণু অস্ত্র বানানোর সক্ষমতা থেকে ইরান আর মাত্র ২ মাস দূরে আছে। জাতিসংঘের পরমাণু তদারক সংস্থাও সম্প্রতি ইরানের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে ভয়ঙ্কর প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র এই মুহূর্তে ইরানকে পরমাণু চুক্তিতে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। এ লক্ষ্যে গত মে মাস থেকে ইরানের সঙ্গে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় অন্তত ৬ দফা বৈঠকও করেছে। কিন্তু আলোচনা ফলপ্রসূ হয়নি।

মঙ্গলবার বাইডেন প্রশাসনের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, ইরানের সঙ্গে এখনো আলোচনার পথ খোলা আছে। কয়েকটি পক্ষের কাছে ইরান ইঙ্গিত পাঠাচ্ছে তারাও আলোচনায় ফিরতে চায়। এখন দেখার বিষয় আদৌ তারা আলোচনায় যুক্ত হয় কি না।

ইরানের চির প্রতিদ্বন্দ্বী ইসরাইলসহ সৌদি মিত্র দেশগুলো মনে করছে, আলোচনার মাধ্যমে ইরানকে পরমাণু অস্ত্র তৈরি থেকে ফেরানো যাবে না। তবে যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে, ইরানকে থামাতে কূটনৈতিক পথই সর্বোত্তম।