ঢাকা ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বিমান মন্ত্রণালয়ে বড় পরিবর্তন আনতে চাই: বিমানমন্ত্রী Logo হরমুজের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরো জোরদার করছে ইরান Logo মঠবাড়িয়া উপজেলায় বিপুল পরিমাণ গাজা উদ্ধার করেছে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ। Logo দিবসের শ্রমিকদলের সমাবেশ ষড়যন্ত্র ও অপশক্তির বিরুদ্ধে দলের নেতাকর্মীদের শক্ত অবস্থানে থাকার আহ্বান পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলমের। Logo টঙ্গী এরশাদ নগরে সেন্টুর সিন্ডিকেট মাদকের জালে আটকা যুব সমাজ এবং নেপথ্যে কারা Logo জামালপুরে মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস উদযাপিত, Logo সীতাকুণ্ডে বর্ণাঢ্য র‍্যালীর মাধ্যমে মহান মে দিবস উদযাপিত: প্রধান অতিথি আসলাম চৌধুরী এমপি Logo ৩৬০ জনের অলির রোজা শরীফ সারা বাংলায় কোন কোন জায়গায় Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মহান মে দিবস উপলক্ষে জেলা নির্মাণ শ্রমিকের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo ইসলামপুরে মাইক্রো চালককে হত্যা, এলাকাবাসীর মানববন্ধন

মধুপুরে বন কর্মকর্তাকে টাকা এবং সুযোগ-সুবিধা দিলেই বন বিভাগের জায়গায় উঠানো যায় কয়েকতলা আলিশান ভবন!

বন বিভাগের জায়গায় নতুন করে পাকা বাড়ি বা স্থাপনা উঠানো যাবে না তা কঠোরভাবে নিষেধাজ্ঞা এবং নির্দেশনা দেওয়ার থাকলেও টাকা এবং বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা দিলে সব ধরনের কাজ করা সম্ভব বন বিভাগের জায়গায়।
এমনটাই করছে বন কর্মকর্তারা, সাইফুল ইসলাম তারই বাস্তব প্রমাণ মধুপুর উপজেলার ৩নং বেরিবাইদ ইউনিয়নের উত্তর জাঙ্গালিয়া গ্রামের লিলি মাংসাং উঠাচ্ছে ফাউন্ডেশন করে বহুতল আলিশান বাড়ি!

এ ব্যাপারে মধুপুরের চাড়ালজানীর বিট কর্মকর্তাকে ফোনে জানতে চাইলে বিট অফিসার মো: সাইফুল ইসলাম জানান – তারাতো আদিবাসী মানুষ কথাবার্তা শোনে না, ইত্যাদি বলে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

বিট অফিসারের সাথে কথা বলার পর পরই ঐই প্রান্ত থেকে মফিজ নামের সহকারী বন সংরক্ষক ফোনে সংবাদ কর্মীকে ম্যানেজ করার চেষ্টা করে বলেন – আপনি কোথায় আছেন, একটু যদি আসতেন চা খেতাম ইত্যাদি।
তার কিছুক্ষণ পরেই অবৈধভাবে বন বিভাগের জায়গায় ভবন নির্মাণকারী লিলি মাংসাং ফোন দিয়ে বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা বলেন এ প্রতিবেদককে !
এক্ষেত্রে বন কর্মকর্তার সাথে সখ্যতা বা যোগযোগ রয়েছে ভবন নির্মাণকারী লিলি মাংসাং এর।
এই বহুতল আলিশান বাড়ি নির্মাণে অবৈধ পন্থায় সরাসরি বিট কর্মকর্তার সাইফুলের যোগসাজশে হচ্ছে ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘরবাড়ি জায়গা জমির টাকাগুলো সংগ্রহ করে থাকে মো: আইনবী এবং হুমায়ুন গেন্দা নামের কমিউনিটি ফরেস্ট ওয়ার্কার (CFW)। আরো কয়েকজন তারা পূর্বে থেকেই কুখ্যাত বন খেকো ছিল আর এখন এইসব সহযোগিতা করে দেওয়ার কারণে তারাও শাল গজারি বন উজার করে বানিয়ে নিচ্ছে শত শত একর জমি!

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্যক্তি জানান, এই আলিশান বাড়ি করতে কর্মকর্তা নিয়েছেন কয়েক লাখ টাকা, আর টাকা না দিলে সামান্য টিনের চালাও উঠানো যায় না, নতুন করে বারান্দা সংস্কার করলেও তাদেরকে টাকা দিতে হয় সেখানে বিলাসবহুল আলিশান বাড়ি উঠছে টাকা না দিলেই কি এইসব সম্ভব ?

চারালজানি বিটের রেঞ্জার সাইফুল ইসলাম এর বিষয়ে
একাধিক ভুক্তভোগী জানান, বন বিভাগের জায়গায় টাকা পেলেই রেঞ্জার সাইফুল ঘর ও আলিসান ভবন নির্মাণ করতে মৌখিক অনুমতি দিয়ে দেয়।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিমান মন্ত্রণালয়ে বড় পরিবর্তন আনতে চাই: বিমানমন্ত্রী

মধুপুরে বন কর্মকর্তাকে টাকা এবং সুযোগ-সুবিধা দিলেই বন বিভাগের জায়গায় উঠানো যায় কয়েকতলা আলিশান ভবন!

আপডেট সময় ০৬:১৬:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫

বন বিভাগের জায়গায় নতুন করে পাকা বাড়ি বা স্থাপনা উঠানো যাবে না তা কঠোরভাবে নিষেধাজ্ঞা এবং নির্দেশনা দেওয়ার থাকলেও টাকা এবং বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা দিলে সব ধরনের কাজ করা সম্ভব বন বিভাগের জায়গায়।
এমনটাই করছে বন কর্মকর্তারা, সাইফুল ইসলাম তারই বাস্তব প্রমাণ মধুপুর উপজেলার ৩নং বেরিবাইদ ইউনিয়নের উত্তর জাঙ্গালিয়া গ্রামের লিলি মাংসাং উঠাচ্ছে ফাউন্ডেশন করে বহুতল আলিশান বাড়ি!

এ ব্যাপারে মধুপুরের চাড়ালজানীর বিট কর্মকর্তাকে ফোনে জানতে চাইলে বিট অফিসার মো: সাইফুল ইসলাম জানান – তারাতো আদিবাসী মানুষ কথাবার্তা শোনে না, ইত্যাদি বলে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

বিট অফিসারের সাথে কথা বলার পর পরই ঐই প্রান্ত থেকে মফিজ নামের সহকারী বন সংরক্ষক ফোনে সংবাদ কর্মীকে ম্যানেজ করার চেষ্টা করে বলেন – আপনি কোথায় আছেন, একটু যদি আসতেন চা খেতাম ইত্যাদি।
তার কিছুক্ষণ পরেই অবৈধভাবে বন বিভাগের জায়গায় ভবন নির্মাণকারী লিলি মাংসাং ফোন দিয়ে বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা বলেন এ প্রতিবেদককে !
এক্ষেত্রে বন কর্মকর্তার সাথে সখ্যতা বা যোগযোগ রয়েছে ভবন নির্মাণকারী লিলি মাংসাং এর।
এই বহুতল আলিশান বাড়ি নির্মাণে অবৈধ পন্থায় সরাসরি বিট কর্মকর্তার সাইফুলের যোগসাজশে হচ্ছে ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘরবাড়ি জায়গা জমির টাকাগুলো সংগ্রহ করে থাকে মো: আইনবী এবং হুমায়ুন গেন্দা নামের কমিউনিটি ফরেস্ট ওয়ার্কার (CFW)। আরো কয়েকজন তারা পূর্বে থেকেই কুখ্যাত বন খেকো ছিল আর এখন এইসব সহযোগিতা করে দেওয়ার কারণে তারাও শাল গজারি বন উজার করে বানিয়ে নিচ্ছে শত শত একর জমি!

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্যক্তি জানান, এই আলিশান বাড়ি করতে কর্মকর্তা নিয়েছেন কয়েক লাখ টাকা, আর টাকা না দিলে সামান্য টিনের চালাও উঠানো যায় না, নতুন করে বারান্দা সংস্কার করলেও তাদেরকে টাকা দিতে হয় সেখানে বিলাসবহুল আলিশান বাড়ি উঠছে টাকা না দিলেই কি এইসব সম্ভব ?

চারালজানি বিটের রেঞ্জার সাইফুল ইসলাম এর বিষয়ে
একাধিক ভুক্তভোগী জানান, বন বিভাগের জায়গায় টাকা পেলেই রেঞ্জার সাইফুল ঘর ও আলিসান ভবন নির্মাণ করতে মৌখিক অনুমতি দিয়ে দেয়।


প্রিন্ট