ঢাকা ০৭:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কাটেনি জ্বালানির সংকট, বহু পাম্পে দীর্ঘ লাইন Logo নীলসাগর এক্সপ্রেসের বগি উদ্ধার সম্পন্ন, লাইন স্থাপনের কাজ চলছে Logo মহম্মদপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে ইফতার বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo নাসিরনগরে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে নগদ অর্থ পেল ৫৮৫ জন Logo জামালপুরে সুইড বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মাঝে ইফতার বিতরণ Logo জামালপুরে ছাত্রদলের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo শ’হীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রু’হের মা’গফিরাত কামনায় ইফতার মাহফিল Logo বগুড়ায় ট্রেন লাইনচ্যুত, উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকার রেল যোগাযোগ বন্ধ Logo ইরানে লারিজানি-সোলেইমানিসহ নৌসেনাদের জানাজা অনুষ্ঠিত Logo প্রধানমন্ত্রীর এান তহবিল থেকে পীরগঞ্জে ৩শ পরিবারের মাঝে ৬ লক্ষ টাকা বিতরণ 

উদ্বোধনের পরদিনই ৯২৫ কোটি টাকার সেতু থেকে বৈদ্যুতিক ক্যাবল চুরি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:৩৯:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫
  • ১৪৭ ০.০০ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামের মানুষের বহু প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়েছে তিস্তা দ্বিতীয় সেতু। বহুল প্রতীক্ষার এ সেতু উদ্ধোধনের মাত্র একদিনের মাথায় চুরি হয়েছে প্রায় ৩০০ মিটার বৈদ্যুতিক ক্যাবল। এতে সন্ধ্যার পর ঘুটঘুটে অন্ধকার নামছে ওই অংশে।

বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) সেতু থেকে ক্যাবল চুরির বিষয়টি ধরা পড়ে। এর আগে বুধবার এ সেতুর উদ্ধোধন করেন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

উদ্ধোধনের পরদিনই সেতু থেকে ক্যাবল চুরির ঘটনায় ক্ষোভ জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে সেতুর ল্যাম্পপোস্টগুলোতে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করতে গিয়ে দেখা যায় বাতিগুলো জ্বলছে না। পরে অনুসন্ধানে জানা যায়, সেতুর হরিপুর পয়েন্ট থেকে সংযোগ নেওয়া বৈদ্যুতিক তার কেটে নিয়ে গেছে চোরচক্র। সবশেষ রাত রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান মিলন।

প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান মিলন গণমাধ্যমকে বলেন, ক্যাবল চুরি হওয়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করা সম্ভব হয়নি এবং সেতুটি এখনও অন্ধকারে রয়েছে।

এ দিকে উদ্ধোধনের পরদিনই সেতু থেকে ক্যাবল চুরির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ফেসবুকে কেউ লিখেছেন, ‘দুঃখিত, আমরা সামান্য ক্যাবলের লোভ সামলাতে পারলাম না।’ কেউ বলছেন, ‘কিছুদিন পর হয়তো ব্রিজ ভেঙে রডও চুরি করবে!’

এলজিইডির বাস্তবায়নাধীন ১ হাজার ৪৯০ মিটার দীর্ঘ এই সেতুটি ইতোমধ্যে ‘মাওলানা ভাসানী সেতু’ হিসেবে নামকরণ করা হয়েছে।

এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ সরকার (জিওবি), সৌদি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্ট (এসএফডি) এবং ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের (ওফিড) অর্থায়নে সেতুটি নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ৯২৫ কোটি টাকা। ১৪৯০ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৯ দশমিক ৬ মিটার প্রস্থের সেতুটির লেন সংখ্যা ২টি এবং মোট স্প্যান সংখ্যা ৩১টি। প্রকল্পে সংযোগ সড়ক ও নদী শাসনসহ প্রায় ১৩৩ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কাটেনি জ্বালানির সংকট, বহু পাম্পে দীর্ঘ লাইন

উদ্বোধনের পরদিনই ৯২৫ কোটি টাকার সেতু থেকে বৈদ্যুতিক ক্যাবল চুরি

আপডেট সময় ১১:৩৯:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫

গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামের মানুষের বহু প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়েছে তিস্তা দ্বিতীয় সেতু। বহুল প্রতীক্ষার এ সেতু উদ্ধোধনের মাত্র একদিনের মাথায় চুরি হয়েছে প্রায় ৩০০ মিটার বৈদ্যুতিক ক্যাবল। এতে সন্ধ্যার পর ঘুটঘুটে অন্ধকার নামছে ওই অংশে।

বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) সেতু থেকে ক্যাবল চুরির বিষয়টি ধরা পড়ে। এর আগে বুধবার এ সেতুর উদ্ধোধন করেন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

উদ্ধোধনের পরদিনই সেতু থেকে ক্যাবল চুরির ঘটনায় ক্ষোভ জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে সেতুর ল্যাম্পপোস্টগুলোতে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করতে গিয়ে দেখা যায় বাতিগুলো জ্বলছে না। পরে অনুসন্ধানে জানা যায়, সেতুর হরিপুর পয়েন্ট থেকে সংযোগ নেওয়া বৈদ্যুতিক তার কেটে নিয়ে গেছে চোরচক্র। সবশেষ রাত রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান মিলন।

প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান মিলন গণমাধ্যমকে বলেন, ক্যাবল চুরি হওয়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করা সম্ভব হয়নি এবং সেতুটি এখনও অন্ধকারে রয়েছে।

এ দিকে উদ্ধোধনের পরদিনই সেতু থেকে ক্যাবল চুরির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ফেসবুকে কেউ লিখেছেন, ‘দুঃখিত, আমরা সামান্য ক্যাবলের লোভ সামলাতে পারলাম না।’ কেউ বলছেন, ‘কিছুদিন পর হয়তো ব্রিজ ভেঙে রডও চুরি করবে!’

এলজিইডির বাস্তবায়নাধীন ১ হাজার ৪৯০ মিটার দীর্ঘ এই সেতুটি ইতোমধ্যে ‘মাওলানা ভাসানী সেতু’ হিসেবে নামকরণ করা হয়েছে।

এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ সরকার (জিওবি), সৌদি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্ট (এসএফডি) এবং ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের (ওফিড) অর্থায়নে সেতুটি নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ৯২৫ কোটি টাকা। ১৪৯০ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৯ দশমিক ৬ মিটার প্রস্থের সেতুটির লেন সংখ্যা ২টি এবং মোট স্প্যান সংখ্যা ৩১টি। প্রকল্পে সংযোগ সড়ক ও নদী শাসনসহ প্রায় ১৩৩ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে।


প্রিন্ট