ঢাকা ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভৈরবে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ১০ শিক্ষার্থী সহ আহত ১৯। ৫ জনের অবস্থা আশঙ্কা জনক

৫ ডিসেম্বর ২০২৫, শুক্রবার, ৬:৫০ অপরাহ্ন
 ভৈরবে  গ্যাস সিলিন্ডার  বিস্ফোরণে একই পরিবারের চাচা- ভাাতিজা এবং  ১০ শিক্ষার্থী সহ আহত হয়েছে ১৯ জন। এদের মধ্যে  ৫ জনের অবস্থা আশঙ্কা জনক বলে  জানিয়েছে আহতদের  পরিবার।  আহতরা হলো , হারুন মিয়া (৪০) পিতা-জয়ধর মিয়া ,সোহাগ মিয়া (১০)পিতা-বাতেন মিয়া, ওয়াসিবুল (১০) পিতা-আঙ্গুর মিয়া ,সামিউল (৯) পিতা তৌহিদ মিয়া, আল আমিন (৮) পিতা- মৃত জাহাঙ্গীর মিয়া, শুভ( ৮) পিতা-এরশাদ মিয়া ,নিরব (১৫)পিতা -উজ্জল মিয়া, রাহাত(১২) পিতা -জিয়া রহমান, ফাহিম (১০)পিতা- মনসুর মিয়া, আমিন (১০) পিতা -রতন মিয়া, হেকিম মিয়া (৫৫) পিতা -জব্বার মিয়া ,সেরাজুল (১০) পিতা- আসাদুল্লাহ, ছিদ্দিক মিয়া(৫৮)পিতা- খালেক মিয়া, মোর্শিদ মিয়া (৫৫) পিতা -আঃ মালেক, নাছির মিয়া(৪০) পিতা – মৃত মোমতাজ মেম্বার।আশ্ঙকাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে  ভর্তিকৃতরা হলো শিশু শিক্ষার্থী ছামিউল , রাহাত,নিরব। তাছাড়া আরো ২ জন হলো বাক প্রতিবন্ধী আঃ হেকিম (৫৫) ও হারুন মিয়া।  তাছাড়া আহতদের মধ্যে টুকচানপুর সঃকাঃ প্রাথঃ বিদ্যালয়ের সহ মাদ্রাসা ১০ ক্ষুদে শিক্ষার্থী রয়েছে । এছড়া ২ জন ব্র্যাক্ষণ বাড়িয়া বে- সরকারি হাসপাতালে  চিকিৎসাধীন রয়েছে । এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।  খবর পেয়ে আজ শুক্রবার দুপুরে  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে এম মামুনুর রশিদ আহতদের বাড়িতে গিয়ে  তাদের খোজঁ খবর নিয়েছেন এবং  সরকারের পক্ষ থেকে চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করবেন বলে জানিয়েছেন ।  আহতদের পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টার দিকে আগানগর ইউনিয়নের চরপাড়া টুক চানপুর বাজারে নাসির মিয়া সকালের নাস্তা বিক্রি  করে দোকান তালা লাগিয়ে  চলে যায় । কিছু ক্ষণ পর আশ-পাশের লোকজন  দেখতে পান দোকানের ভিতর থেকে ধোয়াঁ বের হচ্ছে । পরে হারুন মিয়া  তালা ভেঙে  ভিতরে  গিয়ে দেখতে পান সিলিন্ডার  গ্যাস থেকে ধোয়াঁ বের হচ্ছে । পরে তিনি সিলিন্ডারের মুখ বন্ধ  করে নিভৃতের চেষ্টা  করলে সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে  ১০ শিক্ষার্থী সহ ১৯ জন আহত হয়েছে । তাদের কে উদ্ধার করে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে  চিকিৎসকরা ৭ জন কে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফাড করে।  বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে  দেয়।  এ বিষয়ে ফারুক  মিয়া,নবী হোসেন সহ এলাকাবাসীরা ঘটনা অত্যান্ত হৃদয় বিদারক। আহতদের কে যেন সরকার চিকিৎসার ব্যবস্থা করে।  এ বিষয়ে ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে এম মামুনুর রশিদ  জানান আহতদের বাড়িতে গিয়ে  তাদের খোজঁ খবর নিয়েছেন এবং  সরকারের পক্ষ থেকে চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করবেন ।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাড়তি ভাড়া নিলে সরাসরি জানাবেন: যোগাযোগ নাম্বার নাই আইজিপি

ভৈরবে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ১০ শিক্ষার্থী সহ আহত ১৯। ৫ জনের অবস্থা আশঙ্কা জনক

আপডেট সময় ০৭:৫৩:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫

৫ ডিসেম্বর ২০২৫, শুক্রবার, ৬:৫০ অপরাহ্ন
 ভৈরবে  গ্যাস সিলিন্ডার  বিস্ফোরণে একই পরিবারের চাচা- ভাাতিজা এবং  ১০ শিক্ষার্থী সহ আহত হয়েছে ১৯ জন। এদের মধ্যে  ৫ জনের অবস্থা আশঙ্কা জনক বলে  জানিয়েছে আহতদের  পরিবার।  আহতরা হলো , হারুন মিয়া (৪০) পিতা-জয়ধর মিয়া ,সোহাগ মিয়া (১০)পিতা-বাতেন মিয়া, ওয়াসিবুল (১০) পিতা-আঙ্গুর মিয়া ,সামিউল (৯) পিতা তৌহিদ মিয়া, আল আমিন (৮) পিতা- মৃত জাহাঙ্গীর মিয়া, শুভ( ৮) পিতা-এরশাদ মিয়া ,নিরব (১৫)পিতা -উজ্জল মিয়া, রাহাত(১২) পিতা -জিয়া রহমান, ফাহিম (১০)পিতা- মনসুর মিয়া, আমিন (১০) পিতা -রতন মিয়া, হেকিম মিয়া (৫৫) পিতা -জব্বার মিয়া ,সেরাজুল (১০) পিতা- আসাদুল্লাহ, ছিদ্দিক মিয়া(৫৮)পিতা- খালেক মিয়া, মোর্শিদ মিয়া (৫৫) পিতা -আঃ মালেক, নাছির মিয়া(৪০) পিতা – মৃত মোমতাজ মেম্বার।আশ্ঙকাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে  ভর্তিকৃতরা হলো শিশু শিক্ষার্থী ছামিউল , রাহাত,নিরব। তাছাড়া আরো ২ জন হলো বাক প্রতিবন্ধী আঃ হেকিম (৫৫) ও হারুন মিয়া।  তাছাড়া আহতদের মধ্যে টুকচানপুর সঃকাঃ প্রাথঃ বিদ্যালয়ের সহ মাদ্রাসা ১০ ক্ষুদে শিক্ষার্থী রয়েছে । এছড়া ২ জন ব্র্যাক্ষণ বাড়িয়া বে- সরকারি হাসপাতালে  চিকিৎসাধীন রয়েছে । এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।  খবর পেয়ে আজ শুক্রবার দুপুরে  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে এম মামুনুর রশিদ আহতদের বাড়িতে গিয়ে  তাদের খোজঁ খবর নিয়েছেন এবং  সরকারের পক্ষ থেকে চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করবেন বলে জানিয়েছেন ।  আহতদের পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টার দিকে আগানগর ইউনিয়নের চরপাড়া টুক চানপুর বাজারে নাসির মিয়া সকালের নাস্তা বিক্রি  করে দোকান তালা লাগিয়ে  চলে যায় । কিছু ক্ষণ পর আশ-পাশের লোকজন  দেখতে পান দোকানের ভিতর থেকে ধোয়াঁ বের হচ্ছে । পরে হারুন মিয়া  তালা ভেঙে  ভিতরে  গিয়ে দেখতে পান সিলিন্ডার  গ্যাস থেকে ধোয়াঁ বের হচ্ছে । পরে তিনি সিলিন্ডারের মুখ বন্ধ  করে নিভৃতের চেষ্টা  করলে সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে  ১০ শিক্ষার্থী সহ ১৯ জন আহত হয়েছে । তাদের কে উদ্ধার করে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে  চিকিৎসকরা ৭ জন কে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফাড করে।  বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে  দেয়।  এ বিষয়ে ফারুক  মিয়া,নবী হোসেন সহ এলাকাবাসীরা ঘটনা অত্যান্ত হৃদয় বিদারক। আহতদের কে যেন সরকার চিকিৎসার ব্যবস্থা করে।  এ বিষয়ে ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে এম মামুনুর রশিদ  জানান আহতদের বাড়িতে গিয়ে  তাদের খোজঁ খবর নিয়েছেন এবং  সরকারের পক্ষ থেকে চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করবেন ।


প্রিন্ট