ঢাকা ০৮:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা ১২ ফেব্রুয়ারিই নির্বাচন, একদিন আগেও নয় পরেও নয় Logo এমসিএসকে-তে সাফল্য: ভাঙ্গুড়া ক্যাডেট কোচিংয়ের শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা Logo জামালপুরে ০৯ জানুয়ারীতে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান Logo মিথ্যা মামলা কড়াটাই যেন তার নেশা অভিযোগ উঠেছে একাধিক এলাকা বাসীর বাদী মোঃ দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া সার্জেন্ট ও তার পরিবারের সবার বিরুদ্ধে….!! Logo সৌদির অর্থ, পাকিস্তানের পারমাণবিক ও তুরস্কের সামরিক শক্তি মিলিয়ে আসছে ‘ইসলামিক ন্যাটো Logo সায়েন্সল্যাব অভিমুখে শিক্ষার্থীরা, অধ্যাদেশ জারির দাবিতে সড়ক অবরোধ Logo বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা মৃত্যুবরণ করেছেন Logo ভারতে মুসলিম-খ্রিস্টানদের বিরুদ্ধে বেড়েছে ‘ঘৃণামূলক বক্তব্য’ Logo সুবিধাবাদী চরমোনাই ভাঙনের মুখে জামায়াতের ইসলামি জোট Logo আইসিসির রিপোর্টই ভাবতে বাধ্য করেছে, ভারতে ঝুঁকি আছে: ক্রীড়া উপদেষ্টা

বিডিআর হত্যাকাণ্ডে যেসব সেনা অফিসারের জড়িত থাকার প্রমাণ পেল কমিশন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:৪৫:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৯২ ১৮৪৪.০০০ বার পড়া হয়েছে

বিডিআর হত্যাকাণ্ডে যেসব সেনা অফিসারের জড়িত থাকার প্রমাণ পেল কমিশন
ঢাকার পিলখানায় নৃশংস হত্যাকাণ্ডে আগের দিন অর্থাৎ ২০০৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ২৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় সিপাহী মইনুদ্দিন ৪৪ রাইফেল ব্যাটালিয়নের মাঠে এই মিটিং ডাকা হয়। সেখানে সিপাহী সেলিম ও মইনুদ্দিনসহ আরো ১০-১২ জন ছিল। সেখানে সিদ্ধান্ত হয় যে সবাই দরবারের দিন রশি আর চাকু নিয়ে প্রস্তুত থাকবে জিম্মি করার জন্য। যেহেতু তারা সেনা অফিসার তারা তো আত্মরক্ষার চেষ্টা করবে। তাই সবার সাথে চাকু রাখার পরিকল্পনা হয়। সেদিন রাতেই লে. কর্নেল শামস সিপাহী সেলিম এবং মইনুদ্দিনকে ডাকে। সেখানে তিনি তাদেরকে বলেন, ‘আগামীকাল কোয়ার্টার গার্ডে ডিউটিতে থাকবে মেজর রিয়াজ। তোমরা সেখানে গেলে সে তোমাদের অস্ত্র দিয়ে দেবে।’

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের আগে জুয়েলকে ফোনে যে নির্দেশনা দিয়েছিলেন তাপসপিলখানা হত্যাকাণ্ডের আগে জুয়েলকে ফোনে যে নির্দেশনা দিয়েছিলেন তাপস
পিলখানায় নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে ১৪ নম্বর কয়েদি সাক্ষীর জবানবন্দিতে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

নামাজ পড়ে সৈনিকদের সঙ্গে গোপন বৈঠক করতেন তাপসনামাজ পড়ে সৈনিকদের সঙ্গে গোপন বৈঠক করতেন তাপস
ওই প্রতিবেদনে ৬৫ নম্বর সাক্ষী আরো জানিয়েছে—সেন্ট্রাল কোয়ার্টার গার্ডে তিনটি ব্যাটালিয়নের (২৪, ৪৪ এবং সদর ব্যাটালিয়ন) এর অস্ত্র রক্ষিত ছিল। ঘটনার পূর্বে ২১ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখ থেকেই অফিসাররা কোয়ার্টার গার্ডে ডিউটি দিয়ে আসছিলেন। এই ডিউটি দেয়ার বিষয়ে মেজর রিয়াজ জিএসও-২ (আই) মেজর মাহমুদকে জিজ্ঞাসা করলে মেজর রিয়াজকে তিনি জানান—যে উড়ো চিঠি আছে, তাই বাড়তি সতর্কতা। এর বেশি কিছু তিনি জানাননি।

‘বিডিআর বিদ্রোহ’ বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় তৎকালীন সীমান্তরক্ষী বাহিনী বাংলাদেশ রাইফেলসের (বিডিআর) সদর দপ্তর পিলখানায় বিদ্রোহী জওয়ানদের হামলায় নিহত হন ৫৭ সেনা কর্মকর্তা। এই নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ১১ মাস ধরে তদন্ত করে রোববার প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন হস্তান্তর করে কমিশন।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা ১২ ফেব্রুয়ারিই নির্বাচন, একদিন আগেও নয় পরেও নয়

বিডিআর হত্যাকাণ্ডে যেসব সেনা অফিসারের জড়িত থাকার প্রমাণ পেল কমিশন

আপডেট সময় ০৪:৪৫:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

বিডিআর হত্যাকাণ্ডে যেসব সেনা অফিসারের জড়িত থাকার প্রমাণ পেল কমিশন
ঢাকার পিলখানায় নৃশংস হত্যাকাণ্ডে আগের দিন অর্থাৎ ২০০৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ২৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় সিপাহী মইনুদ্দিন ৪৪ রাইফেল ব্যাটালিয়নের মাঠে এই মিটিং ডাকা হয়। সেখানে সিপাহী সেলিম ও মইনুদ্দিনসহ আরো ১০-১২ জন ছিল। সেখানে সিদ্ধান্ত হয় যে সবাই দরবারের দিন রশি আর চাকু নিয়ে প্রস্তুত থাকবে জিম্মি করার জন্য। যেহেতু তারা সেনা অফিসার তারা তো আত্মরক্ষার চেষ্টা করবে। তাই সবার সাথে চাকু রাখার পরিকল্পনা হয়। সেদিন রাতেই লে. কর্নেল শামস সিপাহী সেলিম এবং মইনুদ্দিনকে ডাকে। সেখানে তিনি তাদেরকে বলেন, ‘আগামীকাল কোয়ার্টার গার্ডে ডিউটিতে থাকবে মেজর রিয়াজ। তোমরা সেখানে গেলে সে তোমাদের অস্ত্র দিয়ে দেবে।’

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের আগে জুয়েলকে ফোনে যে নির্দেশনা দিয়েছিলেন তাপসপিলখানা হত্যাকাণ্ডের আগে জুয়েলকে ফোনে যে নির্দেশনা দিয়েছিলেন তাপস
পিলখানায় নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে ১৪ নম্বর কয়েদি সাক্ষীর জবানবন্দিতে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

নামাজ পড়ে সৈনিকদের সঙ্গে গোপন বৈঠক করতেন তাপসনামাজ পড়ে সৈনিকদের সঙ্গে গোপন বৈঠক করতেন তাপস
ওই প্রতিবেদনে ৬৫ নম্বর সাক্ষী আরো জানিয়েছে—সেন্ট্রাল কোয়ার্টার গার্ডে তিনটি ব্যাটালিয়নের (২৪, ৪৪ এবং সদর ব্যাটালিয়ন) এর অস্ত্র রক্ষিত ছিল। ঘটনার পূর্বে ২১ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখ থেকেই অফিসাররা কোয়ার্টার গার্ডে ডিউটি দিয়ে আসছিলেন। এই ডিউটি দেয়ার বিষয়ে মেজর রিয়াজ জিএসও-২ (আই) মেজর মাহমুদকে জিজ্ঞাসা করলে মেজর রিয়াজকে তিনি জানান—যে উড়ো চিঠি আছে, তাই বাড়তি সতর্কতা। এর বেশি কিছু তিনি জানাননি।

‘বিডিআর বিদ্রোহ’ বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় তৎকালীন সীমান্তরক্ষী বাহিনী বাংলাদেশ রাইফেলসের (বিডিআর) সদর দপ্তর পিলখানায় বিদ্রোহী জওয়ানদের হামলায় নিহত হন ৫৭ সেনা কর্মকর্তা। এই নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ১১ মাস ধরে তদন্ত করে রোববার প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন হস্তান্তর করে কমিশন।


প্রিন্ট