ঢাকা ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo আশুলিয়ায় ডিবি পুলিশের অভিযানে হিরোইনসহ মাদক ব্যবসা ডিবি পুলিশের অভিযানে হিরোইনসহ মাদক ব্যবসায়ী সুজন ও সোহাগ গ্রেফতার Logo পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে পিসিআইইউ মিডিয়া ক্লাবের ৩য় কার্যনির্বাহী কমিটির শপথ গ্রহণ সম্পন্ন Logo উপকূলে তালগাছ বাড়াতে প্রশিক্ষণ, বনায়নে নতুন উদ্যোগ মোংলায় Logo কসবা-আখাউড়ায় বহুদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়ন: শুরু হচ্ছে দুটি মিনি স্টেডিয়ামের নির্মাণকাজ Logo কর্ম হারিয়ে দেশে আসা প্রবাসীদের নতুন কর্মসংস্থানের চেষ্টা করছি: বিএনপি দলের শামা ওবায়েদ Logo সুনিশ্চিত ব্যর্থতা’ জেনেই লেবাননে সাধারণ মানুষের ওপর হামলা ইসরাইলের Logo খুনিদের ফাঁসি চাইলেন আবু সাঈদের দুই ভাই Logo নওগাঁ জেলা পুলিশের স্পেশাল অভিযান জয়পুরহাট থেকে তিনজন পেশাদার অপরাধী দস্যু ডাকাত গ্রেফতার Logo ঢাকাঢাকা জেলার আশুলিয়ায় “জামগড়া পুলিশ ক্যাম্পের” শুভউ Logo হাটহাজারীতে রামদার কোপে আঙুল বিচ্ছিন্ন, দেড় লাখ টাকা ছিনতাই,বেপরোয়া সন্ত্রাসে জনজীবন বিপর্যস্ত

চার বিচারপতির বিষয়ে চলছে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের তদন্ত

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:২৯:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১৩৭ ০.০০ বার পড়া হয়েছে

সুপ্রীম কোর্ট প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, অনিয়ম ও “ফ্যাসিস্টের দোসর” অভিযোগে ২০২৪ সালের হাইকোর্ট বিভাগের ১২ বিচারপতিকে বিচার কাজ থেকে বিরত রাখা হয়েছে। এই ১২ জনের মধ্যে চার বিচারপতির বিষয়ে এখনও সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে তদন্ত চলমান রয়েছে। এছাড়া, কয়েকজন পদত্যাগ করেছেন এবং কিছু বিচারপতিকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশে অপসারণ করা হয়েছে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর, ১৫ অক্টোবর রাতে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়করা ফেসবুকে ঘোষণা দেন হাইকোর্টের “দলবাজ, দুর্নীতিবাজ ও ফ্যাসিস্টের দোসর” বিচারকদের পদত্যাগের দাবিতে। এর পর ১৬ অক্টোবর দুপুরে শিক্ষার্থীরা মিছিল করে হাইকোর্টে প্রবেশ করে অবস্থান নেয়। এই সময় কিছু বিচারপতি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তৎকালীন রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা শিক্ষার্থীদের জানান, পদত্যাগ বা অপসারণের সিদ্ধান্ত রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে নেওয়া হয়।

বিচারপতি অপসারণ সংক্রান্ত সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল পুনরুজ্জীবিত হয় ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের পর। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও অন্য দুই বিচারপতি—মো. আশফাকুল ইসলাম ও জুবায়ের রহমান চৌধুরী—এ কাউন্সিল পরিচালনা করছেন। কাউন্সিল অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রেরণ করে এবং তদন্ত শেষে কয়েকজন বিচারপতিকে অপসারণ করা হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামান পদত্যাগ পত্র জমা দেন, যা ৭ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতি গ্রহণ করেন। এর আগে বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খান এবং আশীষ রঞ্জন দাস অবসর গ্রহণ করেছেন। বিচারপতি খিজির হায়াত ও খোন্দকার দিলীরুজ্জামানকে যথাক্রমে ১৮ মার্চ ও ২১ মে অপসারণ করা হয়। এছাড়া, চার বিচারপতির বিষয়ে তদন্ত চলমান। সুপ্রীম কোর্ট প্রশাসনের বরাত দিয়ে বলা হচ্ছে, তদন্ত সম্পন্ন হলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং বিচার ব্যবস্থার স্বচ্ছতা বজায় রাখার উদ্যোগ চলমান থাকবে।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আশুলিয়ায় ডিবি পুলিশের অভিযানে হিরোইনসহ মাদক ব্যবসা ডিবি পুলিশের অভিযানে হিরোইনসহ মাদক ব্যবসায়ী সুজন ও সোহাগ গ্রেফতার

চার বিচারপতির বিষয়ে চলছে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের তদন্ত

আপডেট সময় ১২:২৯:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সুপ্রীম কোর্ট প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, অনিয়ম ও “ফ্যাসিস্টের দোসর” অভিযোগে ২০২৪ সালের হাইকোর্ট বিভাগের ১২ বিচারপতিকে বিচার কাজ থেকে বিরত রাখা হয়েছে। এই ১২ জনের মধ্যে চার বিচারপতির বিষয়ে এখনও সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে তদন্ত চলমান রয়েছে। এছাড়া, কয়েকজন পদত্যাগ করেছেন এবং কিছু বিচারপতিকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশে অপসারণ করা হয়েছে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর, ১৫ অক্টোবর রাতে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়করা ফেসবুকে ঘোষণা দেন হাইকোর্টের “দলবাজ, দুর্নীতিবাজ ও ফ্যাসিস্টের দোসর” বিচারকদের পদত্যাগের দাবিতে। এর পর ১৬ অক্টোবর দুপুরে শিক্ষার্থীরা মিছিল করে হাইকোর্টে প্রবেশ করে অবস্থান নেয়। এই সময় কিছু বিচারপতি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তৎকালীন রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা শিক্ষার্থীদের জানান, পদত্যাগ বা অপসারণের সিদ্ধান্ত রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে নেওয়া হয়।

বিচারপতি অপসারণ সংক্রান্ত সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল পুনরুজ্জীবিত হয় ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের পর। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও অন্য দুই বিচারপতি—মো. আশফাকুল ইসলাম ও জুবায়ের রহমান চৌধুরী—এ কাউন্সিল পরিচালনা করছেন। কাউন্সিল অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রেরণ করে এবং তদন্ত শেষে কয়েকজন বিচারপতিকে অপসারণ করা হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামান পদত্যাগ পত্র জমা দেন, যা ৭ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতি গ্রহণ করেন। এর আগে বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খান এবং আশীষ রঞ্জন দাস অবসর গ্রহণ করেছেন। বিচারপতি খিজির হায়াত ও খোন্দকার দিলীরুজ্জামানকে যথাক্রমে ১৮ মার্চ ও ২১ মে অপসারণ করা হয়। এছাড়া, চার বিচারপতির বিষয়ে তদন্ত চলমান। সুপ্রীম কোর্ট প্রশাসনের বরাত দিয়ে বলা হচ্ছে, তদন্ত সম্পন্ন হলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং বিচার ব্যবস্থার স্বচ্ছতা বজায় রাখার উদ্যোগ চলমান থাকবে।


প্রিন্ট