ঢাকা ০৮:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ভৈরবে নবাগত পুলিশ সুপারের সঙ্গে ব্যবসায়ী নেতাদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত Logo মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে ইইউ ইলেকশন অবজারভেশন মিশনের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo নবীনগরে মতবিনিময় সভা: তৃণমূলে উন্নয়ন পৌঁছে দিতে আন্তরিকতার আহ্বান জেলা প্রশাসকের Logo অল্প সময়ে,স্বল্প খরচে সঠিক বিচার পেতে চল যাই গ্রাম আদালতে Logo কিশোর গঞ্জ জেলা ভৈরবের শিমুলকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাইকোর্টের আদেশেও দায়িত্ব পাননি চেয়ারম্যান রিপন Logo ছয় মাসেও ফেরেনি প্রতিবন্ধী রাজ্জাকের দোকান, আশ্বাসেই থমকে আছে প্রশাসনিক উদ্যোগ Logo রূপপুরের চুল্লিতে যেভাবে তৈরি হবে বিদ্যুৎ Logo জাতীয় নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগের সত্যতা পায়নি ইইউ Logo কক্সবাজারে এমপি কাজলের প্রচেষ্টায় গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে নেয়া হল বড় প্রকল্প Logo চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় মাইক্রোবাস খাদে পড়ে নিহত ৩

চার বিচারপতির বিষয়ে চলছে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের তদন্ত

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:২৯:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১৪৫ ০.০০ বার পড়া হয়েছে

সুপ্রীম কোর্ট প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, অনিয়ম ও “ফ্যাসিস্টের দোসর” অভিযোগে ২০২৪ সালের হাইকোর্ট বিভাগের ১২ বিচারপতিকে বিচার কাজ থেকে বিরত রাখা হয়েছে। এই ১২ জনের মধ্যে চার বিচারপতির বিষয়ে এখনও সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে তদন্ত চলমান রয়েছে। এছাড়া, কয়েকজন পদত্যাগ করেছেন এবং কিছু বিচারপতিকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশে অপসারণ করা হয়েছে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর, ১৫ অক্টোবর রাতে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়করা ফেসবুকে ঘোষণা দেন হাইকোর্টের “দলবাজ, দুর্নীতিবাজ ও ফ্যাসিস্টের দোসর” বিচারকদের পদত্যাগের দাবিতে। এর পর ১৬ অক্টোবর দুপুরে শিক্ষার্থীরা মিছিল করে হাইকোর্টে প্রবেশ করে অবস্থান নেয়। এই সময় কিছু বিচারপতি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তৎকালীন রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা শিক্ষার্থীদের জানান, পদত্যাগ বা অপসারণের সিদ্ধান্ত রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে নেওয়া হয়।

বিচারপতি অপসারণ সংক্রান্ত সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল পুনরুজ্জীবিত হয় ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের পর। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও অন্য দুই বিচারপতি—মো. আশফাকুল ইসলাম ও জুবায়ের রহমান চৌধুরী—এ কাউন্সিল পরিচালনা করছেন। কাউন্সিল অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রেরণ করে এবং তদন্ত শেষে কয়েকজন বিচারপতিকে অপসারণ করা হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামান পদত্যাগ পত্র জমা দেন, যা ৭ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতি গ্রহণ করেন। এর আগে বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খান এবং আশীষ রঞ্জন দাস অবসর গ্রহণ করেছেন। বিচারপতি খিজির হায়াত ও খোন্দকার দিলীরুজ্জামানকে যথাক্রমে ১৮ মার্চ ও ২১ মে অপসারণ করা হয়। এছাড়া, চার বিচারপতির বিষয়ে তদন্ত চলমান। সুপ্রীম কোর্ট প্রশাসনের বরাত দিয়ে বলা হচ্ছে, তদন্ত সম্পন্ন হলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং বিচার ব্যবস্থার স্বচ্ছতা বজায় রাখার উদ্যোগ চলমান থাকবে।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভৈরবে নবাগত পুলিশ সুপারের সঙ্গে ব্যবসায়ী নেতাদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

চার বিচারপতির বিষয়ে চলছে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের তদন্ত

আপডেট সময় ১২:২৯:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সুপ্রীম কোর্ট প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, অনিয়ম ও “ফ্যাসিস্টের দোসর” অভিযোগে ২০২৪ সালের হাইকোর্ট বিভাগের ১২ বিচারপতিকে বিচার কাজ থেকে বিরত রাখা হয়েছে। এই ১২ জনের মধ্যে চার বিচারপতির বিষয়ে এখনও সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে তদন্ত চলমান রয়েছে। এছাড়া, কয়েকজন পদত্যাগ করেছেন এবং কিছু বিচারপতিকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশে অপসারণ করা হয়েছে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর, ১৫ অক্টোবর রাতে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়করা ফেসবুকে ঘোষণা দেন হাইকোর্টের “দলবাজ, দুর্নীতিবাজ ও ফ্যাসিস্টের দোসর” বিচারকদের পদত্যাগের দাবিতে। এর পর ১৬ অক্টোবর দুপুরে শিক্ষার্থীরা মিছিল করে হাইকোর্টে প্রবেশ করে অবস্থান নেয়। এই সময় কিছু বিচারপতি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তৎকালীন রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা শিক্ষার্থীদের জানান, পদত্যাগ বা অপসারণের সিদ্ধান্ত রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে নেওয়া হয়।

বিচারপতি অপসারণ সংক্রান্ত সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল পুনরুজ্জীবিত হয় ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের পর। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও অন্য দুই বিচারপতি—মো. আশফাকুল ইসলাম ও জুবায়ের রহমান চৌধুরী—এ কাউন্সিল পরিচালনা করছেন। কাউন্সিল অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রেরণ করে এবং তদন্ত শেষে কয়েকজন বিচারপতিকে অপসারণ করা হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামান পদত্যাগ পত্র জমা দেন, যা ৭ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতি গ্রহণ করেন। এর আগে বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খান এবং আশীষ রঞ্জন দাস অবসর গ্রহণ করেছেন। বিচারপতি খিজির হায়াত ও খোন্দকার দিলীরুজ্জামানকে যথাক্রমে ১৮ মার্চ ও ২১ মে অপসারণ করা হয়। এছাড়া, চার বিচারপতির বিষয়ে তদন্ত চলমান। সুপ্রীম কোর্ট প্রশাসনের বরাত দিয়ে বলা হচ্ছে, তদন্ত সম্পন্ন হলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং বিচার ব্যবস্থার স্বচ্ছতা বজায় রাখার উদ্যোগ চলমান থাকবে।


প্রিন্ট