ঢাকা ০১:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কাটেনি জ্বালানির সংকট, বহু পাম্পে দীর্ঘ লাইন Logo নীলসাগর এক্সপ্রেসের বগি উদ্ধার সম্পন্ন, লাইন স্থাপনের কাজ চলছে Logo মহম্মদপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে ইফতার বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo নাসিরনগরে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে নগদ অর্থ পেল ৫৮৫ জন Logo জামালপুরে সুইড বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মাঝে ইফতার বিতরণ Logo জামালপুরে ছাত্রদলের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo শ’হীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রু’হের মা’গফিরাত কামনায় ইফতার মাহফিল Logo বগুড়ায় ট্রেন লাইনচ্যুত, উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকার রেল যোগাযোগ বন্ধ Logo ইরানে লারিজানি-সোলেইমানিসহ নৌসেনাদের জানাজা অনুষ্ঠিত Logo প্রধানমন্ত্রীর এান তহবিল থেকে পীরগঞ্জে ৩শ পরিবারের মাঝে ৬ লক্ষ টাকা বিতরণ 

কক্সবাজারে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে বাধা, স্কেভেটর ভাঙচুর-সড়ক অবরোধ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:২০:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১৪৮ ০.০০ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজারের বাঁকখালী নদী উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে শহরের গুনগাছতলা এলাকায় সড়ক অবরোধ করেছে বিক্ষোভকারীরা। এসময় সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভকারীরা। ভাঙচুর করা হয় উচ্ছেদের কাজে ব্যবহৃত স্কেভেটর।

শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে শহরের নুনিয়ারছড়া এলাকায় নদীর অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে জেলা প্রশাসন ও বিআইডব্লিউটি। মূলত এই উচ্ছেদের খবরে সেখানে জড়ো হয় দখলদাররা। পরে স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে সড়ক অবরোধ করেন তারা। সবশেষ পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপর চড়াও হয় বিক্ষোভকারীরা।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি ইলিয়াস খান বলেন, বিক্ষোভকারীদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চেষ্টা করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কক্সবাজার শহরের পশ্চিম পাশে অবস্থিত বাঁকখালী নদীর কস্তুরাঘাট একসময় ছিল প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র। এই ঘাট ব্যবহার করে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত চলতো জাহাজ ও যাত্রীবাহী লঞ্চ। বর্তমানে এসবই কেবল স্মৃতি। এখানে প্রায় ৩০০ একরের বেশি প্যারাবন ধ্বংস করে ও নদী ভরাট করে গড়ে তোলা হয়েছে দুই শতাধিক পাকা-সেমিপাকা ঘরবাড়ি, দোকানপাটসহ নানা স্থাপনা। শুধু কস্তুরাঘাট নয়, নুনিয়াছাটা থেকে মাঝিরঘাট পর্যন্ত ছয় কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বাঁকখালী নদী দখল করে নির্মাণ করা হয়েছে সহস্রাধিক অবৈধ স্থাপনা।

এই পরিস্থিতিতে সোমবার বাঁকখালী নদীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু করে সরকার। পরে দ্বিতীয় দিন উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে মঙ্গলবার নদীর উচ্ছেদ অভিযানে বাধা ও হামলার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় কক্সবাজার সদর মডেল থানায় এসআই মো. জাকির হোছাইন বাদী হয়ে মামলা করেন। পরে বৃহস্পতিবার আবারও উচ্ছেদে নামে প্রশাসন, সেদিনও সকাল থেকে নদীর দুটি অংশের সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে বিক্ষোভ করেন দখলদাররা।

কক্সবাজার শহরের বাঁকখালী নদীর তীরে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানে বাধা দেওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুটি মামলার হয়েছে।

কক্সবাজার সদর থানার ওসি ইলিয়াস খানের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দুই মামলায় আসামি করা হয়েছে প্রায় সাড়ে ৬০০ জনকে।


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কাটেনি জ্বালানির সংকট, বহু পাম্পে দীর্ঘ লাইন

কক্সবাজারে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে বাধা, স্কেভেটর ভাঙচুর-সড়ক অবরোধ

আপডেট সময় ০৩:২০:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কক্সবাজারের বাঁকখালী নদী উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে শহরের গুনগাছতলা এলাকায় সড়ক অবরোধ করেছে বিক্ষোভকারীরা। এসময় সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভকারীরা। ভাঙচুর করা হয় উচ্ছেদের কাজে ব্যবহৃত স্কেভেটর।

শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে শহরের নুনিয়ারছড়া এলাকায় নদীর অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে জেলা প্রশাসন ও বিআইডব্লিউটি। মূলত এই উচ্ছেদের খবরে সেখানে জড়ো হয় দখলদাররা। পরে স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে সড়ক অবরোধ করেন তারা। সবশেষ পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপর চড়াও হয় বিক্ষোভকারীরা।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি ইলিয়াস খান বলেন, বিক্ষোভকারীদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চেষ্টা করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কক্সবাজার শহরের পশ্চিম পাশে অবস্থিত বাঁকখালী নদীর কস্তুরাঘাট একসময় ছিল প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র। এই ঘাট ব্যবহার করে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত চলতো জাহাজ ও যাত্রীবাহী লঞ্চ। বর্তমানে এসবই কেবল স্মৃতি। এখানে প্রায় ৩০০ একরের বেশি প্যারাবন ধ্বংস করে ও নদী ভরাট করে গড়ে তোলা হয়েছে দুই শতাধিক পাকা-সেমিপাকা ঘরবাড়ি, দোকানপাটসহ নানা স্থাপনা। শুধু কস্তুরাঘাট নয়, নুনিয়াছাটা থেকে মাঝিরঘাট পর্যন্ত ছয় কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বাঁকখালী নদী দখল করে নির্মাণ করা হয়েছে সহস্রাধিক অবৈধ স্থাপনা।

এই পরিস্থিতিতে সোমবার বাঁকখালী নদীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু করে সরকার। পরে দ্বিতীয় দিন উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে মঙ্গলবার নদীর উচ্ছেদ অভিযানে বাধা ও হামলার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় কক্সবাজার সদর মডেল থানায় এসআই মো. জাকির হোছাইন বাদী হয়ে মামলা করেন। পরে বৃহস্পতিবার আবারও উচ্ছেদে নামে প্রশাসন, সেদিনও সকাল থেকে নদীর দুটি অংশের সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে বিক্ষোভ করেন দখলদাররা।

কক্সবাজার শহরের বাঁকখালী নদীর তীরে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানে বাধা দেওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুটি মামলার হয়েছে।

কক্সবাজার সদর থানার ওসি ইলিয়াস খানের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দুই মামলায় আসামি করা হয়েছে প্রায় সাড়ে ৬০০ জনকে।


প্রিন্ট