ঢাকা ০১:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা ১২ ফেব্রুয়ারিই নির্বাচন, একদিন আগেও নয় পরেও নয় Logo এমসিএসকে-তে সাফল্য: ভাঙ্গুড়া ক্যাডেট কোচিংয়ের শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা Logo জামালপুরে ০৯ জানুয়ারীতে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান Logo মিথ্যা মামলা কড়াটাই যেন তার নেশা অভিযোগ উঠেছে একাধিক এলাকা বাসীর বাদী মোঃ দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া সার্জেন্ট ও তার পরিবারের সবার বিরুদ্ধে….!! Logo সৌদির অর্থ, পাকিস্তানের পারমাণবিক ও তুরস্কের সামরিক শক্তি মিলিয়ে আসছে ‘ইসলামিক ন্যাটো Logo সায়েন্সল্যাব অভিমুখে শিক্ষার্থীরা, অধ্যাদেশ জারির দাবিতে সড়ক অবরোধ Logo বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা মৃত্যুবরণ করেছেন Logo ভারতে মুসলিম-খ্রিস্টানদের বিরুদ্ধে বেড়েছে ‘ঘৃণামূলক বক্তব্য’ Logo সুবিধাবাদী চরমোনাই ভাঙনের মুখে জামায়াতের ইসলামি জোট Logo আইসিসির রিপোর্টই ভাবতে বাধ্য করেছে, ভারতে ঝুঁকি আছে: ক্রীড়া উপদেষ্টা

খামেনির দেশত্যাগের গুঞ্জন, যা বলছে ইরানি দূতাবাস

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। ছবি: সংগৃহীত

সরকারবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল ইরান। দেশটির বিভিন্ন শহরে অর্থনৈতিক সংকট, উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও বেকারত্বের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। এরই মধ্যে একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে দাবি করা হয়, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি দেশ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে এই দাবি সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করেছে ভারতে অবস্থিত ইরানি দূতাবাস।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ৮৬ বছর বয়সি খামেনি বিক্ষোভ তীব্র হলে এবং নিরাপত্তা বাহিনী বা সেনাবাহিনী সরকারী নির্দেশ মানতে অস্বীকৃতি জানালে, পরিবারের প্রায় ২০ জন ঘনিষ্ঠ সদস্যকে নিয়ে দেশ ছাড়তে পারেন। এমনকি তার সম্ভাব্য গন্তব্য হিসেবে রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর কথাও উল্লেখ করা হয়। আরও দাবি করা হয় তার বিদেশে সম্পদ রয়েছে।

তবে এ বিষয়ে ভারতের ইরানি দূতাবাস এক বিবৃতিতে জানায়, এসব দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর।

ইরানের বিক্ষোভে হস্তক্ষেপ করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র, ‘সর্বোচ্চ সতর্ক’ ইসরাইল

দূতাবাস জানায়, ইসরাইলের সঙ্গে ১২ দিনব্যাপী যুদ্ধ চলাকালেও খামেনি দেশ ছাড়েননি। ফলে বর্তমান বিক্ষোভের কারণে তিনি পালিয়ে যাচ্ছেন—এমন দাবি পুরোপুরি অসত্য। দূতাবাস একে ‘শত্রু রাষ্ট্রগুলোর ছড়ানো অপপ্রচার’ বলে উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

ইরানে আসলে কী ঘটছে?

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কয়েকজন ইরানি নাগরিক বলেন, ‘মূল্যস্ফীতি সত্যিই একটি বড় সমস্যা এবং তারা চান এটি কমুক।’ তবে তারা স্পষ্ট করেছেন, তারা খামেনির বিরোধী নন।

তাদের মতে, যারা খামেনির বিরোধিতা করছেন তারা মূলত সাবেক শাহ রেজা পাহলভির সমর্থক ও বিদেশি শক্তির ঘনিষ্ঠ।

এদিকে কোম শহরের ইসলামি চিন্তাবিদ মাওলানা জামির জাফরি বলেন, খামেনি সম্প্রতি ৩ জানুয়ারি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন—যা প্রমাণ করে তিনি সক্রিয়ভাবেই দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি বলেন, ‘তেহরানে মোটামুটি সবকিছু স্বাভাবিক।’ এছাড়া খামেনি দেশ ছেড়ে পালাচ্ছেন—এমন খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, ‘এই ধরনের প্রতিবেদনে নামহীন সূত্রের কথা বলা হয়েছে, কিন্তু কোনো প্রমাণ নেই। যাচাই না করে এমন সংবাদ প্রকাশ থেকে ভারতীয় গণমাধ্যমকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’


প্রিন্ট
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা ১২ ফেব্রুয়ারিই নির্বাচন, একদিন আগেও নয় পরেও নয়

খামেনির দেশত্যাগের গুঞ্জন, যা বলছে ইরানি দূতাবাস

আপডেট সময় ০২:৫৬:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। ছবি: সংগৃহীত

সরকারবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল ইরান। দেশটির বিভিন্ন শহরে অর্থনৈতিক সংকট, উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও বেকারত্বের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। এরই মধ্যে একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে দাবি করা হয়, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি দেশ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে এই দাবি সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করেছে ভারতে অবস্থিত ইরানি দূতাবাস।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ৮৬ বছর বয়সি খামেনি বিক্ষোভ তীব্র হলে এবং নিরাপত্তা বাহিনী বা সেনাবাহিনী সরকারী নির্দেশ মানতে অস্বীকৃতি জানালে, পরিবারের প্রায় ২০ জন ঘনিষ্ঠ সদস্যকে নিয়ে দেশ ছাড়তে পারেন। এমনকি তার সম্ভাব্য গন্তব্য হিসেবে রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর কথাও উল্লেখ করা হয়। আরও দাবি করা হয় তার বিদেশে সম্পদ রয়েছে।

তবে এ বিষয়ে ভারতের ইরানি দূতাবাস এক বিবৃতিতে জানায়, এসব দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর।

ইরানের বিক্ষোভে হস্তক্ষেপ করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র, ‘সর্বোচ্চ সতর্ক’ ইসরাইল

দূতাবাস জানায়, ইসরাইলের সঙ্গে ১২ দিনব্যাপী যুদ্ধ চলাকালেও খামেনি দেশ ছাড়েননি। ফলে বর্তমান বিক্ষোভের কারণে তিনি পালিয়ে যাচ্ছেন—এমন দাবি পুরোপুরি অসত্য। দূতাবাস একে ‘শত্রু রাষ্ট্রগুলোর ছড়ানো অপপ্রচার’ বলে উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

ইরানে আসলে কী ঘটছে?

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কয়েকজন ইরানি নাগরিক বলেন, ‘মূল্যস্ফীতি সত্যিই একটি বড় সমস্যা এবং তারা চান এটি কমুক।’ তবে তারা স্পষ্ট করেছেন, তারা খামেনির বিরোধী নন।

তাদের মতে, যারা খামেনির বিরোধিতা করছেন তারা মূলত সাবেক শাহ রেজা পাহলভির সমর্থক ও বিদেশি শক্তির ঘনিষ্ঠ।

এদিকে কোম শহরের ইসলামি চিন্তাবিদ মাওলানা জামির জাফরি বলেন, খামেনি সম্প্রতি ৩ জানুয়ারি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন—যা প্রমাণ করে তিনি সক্রিয়ভাবেই দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি বলেন, ‘তেহরানে মোটামুটি সবকিছু স্বাভাবিক।’ এছাড়া খামেনি দেশ ছেড়ে পালাচ্ছেন—এমন খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, ‘এই ধরনের প্রতিবেদনে নামহীন সূত্রের কথা বলা হয়েছে, কিন্তু কোনো প্রমাণ নেই। যাচাই না করে এমন সংবাদ প্রকাশ থেকে ভারতীয় গণমাধ্যমকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’


প্রিন্ট