ঢাকা ০২:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদের পর রাজধানীর কাঁচাবাজার নিয়ে গোস্তের দাম কমেছে, বেড়েছে সবজির অপ্রয়োজনীয় প্রস্তাবে শত শত কোটি টাকা অপচয় যুক্তরাষ্ট্রে ভারত-ভিয়েতনামের দেনদরবার, আলোচনায় যুক্ত ট্রাম্প মহানবী সাঃ কে নিয়ে কটুক্তি করায় ফুলবাড়ীতে বিক্ষোভ মিছিল ঘুসের টাকা নিতে বিকাশ নাম্বার দিয়ে যান পিডিবির প্রকৌশলী ব্যাংককে ড. ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক গঠনমূলক সম্পর্ক নষ্ট করে এমন বক্তব্য এড়িয়ে চলার আহ্বান মোদির বিমসটেক সদস্য দেশগুলোকে একযোগে কাজ করার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার মৃত সন্তান প্রসবে বাংলাদেশ এখনো দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার নবীনগরে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যৌথ বাহিনী মোতায়েন

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল

আন্তর্জাতিক রিপোর্ট
  • আপডেট টাইম : ০৬:২৮:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৪
  • / ৪৯ ৫০০০.০ বার পাঠক

রাজনৈতিক সঙ্কটে টালমাটাল পরিস্থিতি বিরাজ করছে দক্ষিণ কোরিয়ায়। গত সপ্তাহে আকস্মিকভাবেই সামরিক আইন জারি করেছিলেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল। কিন্তু আইনপ্রণেতাদের বাধার মুখে সামরিক আইন বেশিক্ষণ টিকেনি দেশটিতে।

তবে বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) ইউন তার রাজনৈতিক বিরোধীদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তিনি তাদের রাষ্ট্রবিরোধী শক্তি উল্লেখ করে বলেছেন, উত্তর কোরিয়া দেশের নির্বাচন হ্যাকড করেছে।

টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে ইউন বলেন, গণতন্ত্রকে ভেঙে পড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে এবং বিরোধীদের ‘সংসদীয় স্বৈরাচার’ মোকাবিলার প্রচেষ্টাটি ছিল আইনি সিদ্ধান্ত। তিনি পদত্যাগ করবেন না বলে আবার উল্লেখ করেছেন।

ইউন এদিন আরও বলেছেন, আমার বিরুদ্ধে তদন্ত বা অভিশংসন যাই আনা হোক আমি দৃঢ় থাকব। আমি শেষ পর্যন্ত লড়াই করব। তবে সামরিক আইন জারি করার জন্য এর আগে জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন ইউন।

গত ৩ ডিসেম্বর গভীর রাতে প্রেসিডেন্ট ইউন সামরিক আইন ঘোষণা করার পর দক্ষিণ কোরিয়া রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে পড়ে যায়। তবে সেদিন পরবর্তী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ১৯০ জন সংসদ সদস্য দ্রুত সংসদে ঢুকে ভোট দিয়ে সামরিক আইন বাতিল করেন।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউন রাষ্ট্রবিরোধী শক্তি এবং উত্তর কোরিয়ার হুমকির কথা উল্লেখ করে সামরিক আইন জারি করেছিলেন। যদিও শিগগিরই স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে তিনি এই পদক্ষেপ কোনো বাহ্যিক হুমকি কারণে নেননি বরং নিজের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমস্যার কারণেই নিয়েছেন।

আরো খবর.......

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল

আপডেট টাইম : ০৬:২৮:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৪

রাজনৈতিক সঙ্কটে টালমাটাল পরিস্থিতি বিরাজ করছে দক্ষিণ কোরিয়ায়। গত সপ্তাহে আকস্মিকভাবেই সামরিক আইন জারি করেছিলেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল। কিন্তু আইনপ্রণেতাদের বাধার মুখে সামরিক আইন বেশিক্ষণ টিকেনি দেশটিতে।

তবে বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) ইউন তার রাজনৈতিক বিরোধীদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তিনি তাদের রাষ্ট্রবিরোধী শক্তি উল্লেখ করে বলেছেন, উত্তর কোরিয়া দেশের নির্বাচন হ্যাকড করেছে।

টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে ইউন বলেন, গণতন্ত্রকে ভেঙে পড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে এবং বিরোধীদের ‘সংসদীয় স্বৈরাচার’ মোকাবিলার প্রচেষ্টাটি ছিল আইনি সিদ্ধান্ত। তিনি পদত্যাগ করবেন না বলে আবার উল্লেখ করেছেন।

ইউন এদিন আরও বলেছেন, আমার বিরুদ্ধে তদন্ত বা অভিশংসন যাই আনা হোক আমি দৃঢ় থাকব। আমি শেষ পর্যন্ত লড়াই করব। তবে সামরিক আইন জারি করার জন্য এর আগে জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন ইউন।

গত ৩ ডিসেম্বর গভীর রাতে প্রেসিডেন্ট ইউন সামরিক আইন ঘোষণা করার পর দক্ষিণ কোরিয়া রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে পড়ে যায়। তবে সেদিন পরবর্তী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ১৯০ জন সংসদ সদস্য দ্রুত সংসদে ঢুকে ভোট দিয়ে সামরিক আইন বাতিল করেন।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউন রাষ্ট্রবিরোধী শক্তি এবং উত্তর কোরিয়ার হুমকির কথা উল্লেখ করে সামরিক আইন জারি করেছিলেন। যদিও শিগগিরই স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে তিনি এই পদক্ষেপ কোনো বাহ্যিক হুমকি কারণে নেননি বরং নিজের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমস্যার কারণেই নিয়েছেন।