ঢাকা ০৫:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৫
সংবাদ শিরোনাম ::
টঙ্গীতে মারধর ও মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে হত্যার হুমকি কথিত যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ শহিদ মিনারে ২ দফা দাবি নিয়ে ‘বিডিআর কল্যাণ পরিষদের’ অবস্থান একযুগ পর বাংলাদেশ-পাকিস্তান রাজনৈতিক সংলাপ হতে যাচ্ছে সিএমজিকে সাক্ষাৎকারে প্রধান উপদেষ্টা বড় রকমের সংস্কার করতে চাই, দেশকে নতুনভাবে গড়তে চাই ভারতে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি রাজধানীতে সন্ধ্যায় দমকা হাওয়ার সঙ্গে হালকা বৃষ্টি নাসিরনগরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মহা অষ্টমী স্নানোৎসব কিশোরগঞ্জে সাহিত্য উৎসব ২০২৫ অনুষ্ঠিত টঙ্গীতে সাবেক ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের অভিযোগ নাসিরনগরে ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

লেবুর দাম পাইকারিতে হালি ৪০, খুচরায় ৮০ টাকা

সময়ের অনলাইন রিপোর্ট
  • আপডেট টাইম : ০৫:৫৬:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মার্চ ২০২৪
  • / ১২২ ৫০০০.০ বার পাঠক

রমজানকে কেন্দ্র করে লাগামহীন দেশের নিত্যপণ্যের বাজার। এর প্রভাবে বাজারে ক্রেতার ঘাম ঝরাচ্ছে ইফতারির অন্যতম অনুসঙ্গ লেবুর দাম। গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে হালিতে পণ্যটির দাম বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি।

শুক্রবার (১৫ মার্চ) রাজধানীর কারওয়ানবাজার ও হাতিরপুল কাঁচাবাজারসহ বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, পাইকারি ৪০ টাকা হলেও খুচরা পর্যায়ে প্রতি হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। কোথাও কোথাও সেটি চাওয়া হচ্ছে ১০০ টাকা পর্যন্ত।

বিক্রেতারা বলছেন, লেবুর দাম কমতে শুরু করেছে। মূলত রোজার আগে ও শুরুর দিকে ক্রেতারা দাম বাড়ার শঙ্কায় বেশি বেশি লেবু কিনে মজুত করেছেন। যার প্রভাব পড়েছে সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর।

সবজি বিক্রেতা মোবারক হোসেন বলেন, রোজা এলেই ক্রেতারা পণ্য কিনে ফ্রিজ ভর্তি করা শুরু করে। এতে সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ পড়ে। এ ছাড়া অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটও রয়েছে। যার প্রভাবে বেড়েছে লেবুর দাম।

খুচরা পর্যায়ে প্রতি হালি লেবু ৮০ টাকায় বিক্রি হলেও রাজধানীর কারওয়ান বাজারের আড়তদার ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানান, পাইকারিতে প্রতি হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। আর শ’প্রতি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৯০০-১০০০ টাকায়।

পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে দামে দ্বিগুন পার্থক্যের কারণ জানতে চাইলে বিক্রেতারা বলেন, পাইকারি থেকে খুচরা পর্যায়ে হাতবদল হলে এমনিতেই পণ্যের দাম বাড়ে। কারণ পাইকারি দামের সঙ্গে পরিবহন ও শ্রমিক খরচ যুক্ত হয়। তাছাড়া অসাধুদের দৌরাত্ম্যতো রয়েছেই।

ক্রেতারা বলছেন, ইফতারিতে বহুল ব্যবহৃত একটি পণ্য লেবু। সিন্ডিকেট করে সেটির দাম বাড়িয়েছে ব্যবসায়ীরা। রোজার মাসেও তাদের দৌরাত্ম্য কমেনি।

এদিকে সম্প্রতি বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেছেন, উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যন্ত লেবুর দাম কত হবে তা সমন্বয়ের কাজ চলছে। তবে বাজারে লেবুর হালির সর্বোচ্চ দাম হওয়া উচিত ৪০ টাকা।

আরো খবর.......

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

লেবুর দাম পাইকারিতে হালি ৪০, খুচরায় ৮০ টাকা

আপডেট টাইম : ০৫:৫৬:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মার্চ ২০২৪

রমজানকে কেন্দ্র করে লাগামহীন দেশের নিত্যপণ্যের বাজার। এর প্রভাবে বাজারে ক্রেতার ঘাম ঝরাচ্ছে ইফতারির অন্যতম অনুসঙ্গ লেবুর দাম। গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে হালিতে পণ্যটির দাম বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি।

শুক্রবার (১৫ মার্চ) রাজধানীর কারওয়ানবাজার ও হাতিরপুল কাঁচাবাজারসহ বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, পাইকারি ৪০ টাকা হলেও খুচরা পর্যায়ে প্রতি হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। কোথাও কোথাও সেটি চাওয়া হচ্ছে ১০০ টাকা পর্যন্ত।

বিক্রেতারা বলছেন, লেবুর দাম কমতে শুরু করেছে। মূলত রোজার আগে ও শুরুর দিকে ক্রেতারা দাম বাড়ার শঙ্কায় বেশি বেশি লেবু কিনে মজুত করেছেন। যার প্রভাব পড়েছে সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর।

সবজি বিক্রেতা মোবারক হোসেন বলেন, রোজা এলেই ক্রেতারা পণ্য কিনে ফ্রিজ ভর্তি করা শুরু করে। এতে সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ পড়ে। এ ছাড়া অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটও রয়েছে। যার প্রভাবে বেড়েছে লেবুর দাম।

খুচরা পর্যায়ে প্রতি হালি লেবু ৮০ টাকায় বিক্রি হলেও রাজধানীর কারওয়ান বাজারের আড়তদার ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানান, পাইকারিতে প্রতি হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। আর শ’প্রতি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৯০০-১০০০ টাকায়।

পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে দামে দ্বিগুন পার্থক্যের কারণ জানতে চাইলে বিক্রেতারা বলেন, পাইকারি থেকে খুচরা পর্যায়ে হাতবদল হলে এমনিতেই পণ্যের দাম বাড়ে। কারণ পাইকারি দামের সঙ্গে পরিবহন ও শ্রমিক খরচ যুক্ত হয়। তাছাড়া অসাধুদের দৌরাত্ম্যতো রয়েছেই।

ক্রেতারা বলছেন, ইফতারিতে বহুল ব্যবহৃত একটি পণ্য লেবু। সিন্ডিকেট করে সেটির দাম বাড়িয়েছে ব্যবসায়ীরা। রোজার মাসেও তাদের দৌরাত্ম্য কমেনি।

এদিকে সম্প্রতি বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেছেন, উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যন্ত লেবুর দাম কত হবে তা সমন্বয়ের কাজ চলছে। তবে বাজারে লেবুর হালির সর্বোচ্চ দাম হওয়া উচিত ৪০ টাকা।