ঢাকা ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ জুন ২০২৪
সংবাদ শিরোনাম ::
তথ্য প্রকাশ হওয়ার পর রাজস্ব কর্মকর্তার মতিউর রহমানের অবৈধ সম্পদের খোঁজ মিলেছে এবার দুদক ভারতের সঙ্গে সই হতে পারে ১০টির বেশি চুক্তি ও এমওইউ প্রধানমন্ত্রী নয়াদিল্লি যাচ্ছে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংক থেকে বাংলাদেশিদের অর্থ তুলে নেওয়ার হার গত কয়েক বছর ধরে বাড়ছে ভাঙা কালভার্টের সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত দেশের ক্ষতি চায় বিএনপি’ভারতের সঙ্গে বৈরী সম্পর্ক সৃষ্টি করে রাশিয়ার দুটি জ্বালানি ডিপোতে ড্রোন হামলায় আগুন যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বেনজীর ও আছাদুজ্জামানের সম্পদ নিয়ে এবার মুখ খুললেন বছরে ৯২ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়: সাবেক পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মতিউর রহমান একজন জাতীয় রাজস্ব কর্মকর্তা। বর্তমানে কাস্টমস তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের পাহাড় রয়েছে

আগামীকাল ‘বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু’ উদ্বোধন করবেন মোদি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
ফেনী নদীর নির্মিত ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সাবরুম ও বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি জেলার রামগড়কে যুক্ত করা বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু-১ উদ্বোধন করবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামীকাল মঙ্গলবার (৯ মার্চ) দুপুর বেলা সাড়ে ১২টায় এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হবে। সোমবার (৮ মার্চ) ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এসব তথ্য জানিয়েছে।

ফেনী নদী বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত। সেতুটি বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্য বৃদ্ধিতে আরও সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সেতুর মাধ্যমে সরাসরি চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরের সঙ্গে যুক্ত হবে ত্রিপুরা। ভারতের ন্যাশনাল হাইওয়েস অ্যান্ড ইনফ্রাস্টাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড (এনএইচআইডিসিএল) এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তানিশ চন্দ্র আগারভাগ ইনপাকন প্রাইভেট লিমিটেডের তত্ত্বাবধানে ৮২.৫৭ কোটি টাকা ব্যয়ে রামগড়ের মহামুনিতে ২৮৬ একর জমির ওপর ‘মৈত্রী সেতু’ নির্মিত হয়েছে।
সেতুর ভারতীয় প্রকৌশলী মতিউর রহমান জানিয়েছেন, গত ১৩ জানুয়ারি সেতুর কাজ পুরোপুরি শেষ হয়। এ সেতুর মোট পিলার ১২ টি। এরমধ্যে বাংলাদেশ অংশে নির্মাণ ৮ টি ও ভারতের অংশে ৪টি। সেতু থেকে ২৪০ মিটার এপ্রোচ রোড নির্মাণ করে রামগড়-চট্টগ্রাম প্রধান সড়কে সাথে এবং ওপারে সেতু থেকে প্রায় ১২০০ মিটার এপ্রোচ রাস্তা নবীনপাড়া-ঠাকুরপল্লী হয়ে সাব্রুম-আগরতলা জাতীয় সড়কে যুক্ত হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানের দুই লেনের এ সেতুর দুপাশে রয়েছে ফুটওয়ে।

২০১০ সালের জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিল্লি সফরকালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এর সাথে বৈঠকে রামগড়- সাব্রুম স্থলবন্দর চালুর যৌথ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ৬ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ফেনী নদীর ওপর নির্মাণাধীন ‘বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু-১’ নামে সেতুটির ভিত্তিপ্রস্তরের ফলক উন্মোচন করেন।

আরো খবর.......

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তথ্য প্রকাশ হওয়ার পর রাজস্ব কর্মকর্তার মতিউর রহমানের অবৈধ সম্পদের খোঁজ মিলেছে এবার দুদক

আগামীকাল ‘বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু’ উদ্বোধন করবেন মোদি

আপডেট টাইম : ০৮:৩২:৪৯ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ৮ মার্চ ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
ফেনী নদীর নির্মিত ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সাবরুম ও বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি জেলার রামগড়কে যুক্ত করা বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু-১ উদ্বোধন করবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামীকাল মঙ্গলবার (৯ মার্চ) দুপুর বেলা সাড়ে ১২টায় এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হবে। সোমবার (৮ মার্চ) ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এসব তথ্য জানিয়েছে।

ফেনী নদী বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত। সেতুটি বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্য বৃদ্ধিতে আরও সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সেতুর মাধ্যমে সরাসরি চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরের সঙ্গে যুক্ত হবে ত্রিপুরা। ভারতের ন্যাশনাল হাইওয়েস অ্যান্ড ইনফ্রাস্টাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড (এনএইচআইডিসিএল) এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তানিশ চন্দ্র আগারভাগ ইনপাকন প্রাইভেট লিমিটেডের তত্ত্বাবধানে ৮২.৫৭ কোটি টাকা ব্যয়ে রামগড়ের মহামুনিতে ২৮৬ একর জমির ওপর ‘মৈত্রী সেতু’ নির্মিত হয়েছে।
সেতুর ভারতীয় প্রকৌশলী মতিউর রহমান জানিয়েছেন, গত ১৩ জানুয়ারি সেতুর কাজ পুরোপুরি শেষ হয়। এ সেতুর মোট পিলার ১২ টি। এরমধ্যে বাংলাদেশ অংশে নির্মাণ ৮ টি ও ভারতের অংশে ৪টি। সেতু থেকে ২৪০ মিটার এপ্রোচ রোড নির্মাণ করে রামগড়-চট্টগ্রাম প্রধান সড়কে সাথে এবং ওপারে সেতু থেকে প্রায় ১২০০ মিটার এপ্রোচ রাস্তা নবীনপাড়া-ঠাকুরপল্লী হয়ে সাব্রুম-আগরতলা জাতীয় সড়কে যুক্ত হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানের দুই লেনের এ সেতুর দুপাশে রয়েছে ফুটওয়ে।

২০১০ সালের জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিল্লি সফরকালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এর সাথে বৈঠকে রামগড়- সাব্রুম স্থলবন্দর চালুর যৌথ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ৬ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ফেনী নদীর ওপর নির্মাণাধীন ‘বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু-১’ নামে সেতুটির ভিত্তিপ্রস্তরের ফলক উন্মোচন করেন।