ঢাকা ০৬:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
সংবাদ শিরোনাম ::
বেস্ট অব দ্য বেস্টই চাকরি পাবে: এসপি কুমিল্লার -২ (হোমনা-তিতাস) আসনে বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক এপিএস -২ এর বিরুদ্ধে বিএনপির রেজুলেশন, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ঠাকুরগাঁওয়ে ছেলের হাতে বাবা খুন পীরগঞ্জ উপজেলায় দক্ষিণ এশিয়ার সাহিত্য সংস্কৃতি বিষয়ক সম্মেলন”২৩ সুন্দরবন থেকে ২০ কেজি হরিণের মাংস সহ ডিঙ্গি নৌকা জব্দ মোংলা কোস্টগার্ডের অভিযানে ১৮৭ পিচ ইয়াবাসহ এক ব্যবসায়ী আটক বাদাঘাট বাজারে সিলেট জেলা পরিষদের ১৮ বছর পর জায়গা উদ্ধার রাজশাহীর নোহনপুরে সরিষার ফলন ও দামে খুশি কৃষক সাংবাদিক বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে লাইভ সাপোর্টে আছেন দোয়া চেয়েছেন মোহনপুরে রনি বাহিনী অস্ত্র ঠেকিয়ে টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ

জামালপুরের সেই ডিসির বেতন কমে অর্ধেক, পাবেন না পদোন্নতি

জামালপুর প্রতিনিধি।।

নারী অফিস সহায়কের সঙ্গে আপত্তিকর সম্পর্কের ভিডিও ফাঁসে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচিত জামালপুরের সাবেক সেই জেলা প্রশাসক (ডিসি) আহমেদ কবীরের বেতন গ্রেড কমানো হয়েছে। সরকারী কর্মচারী বিধিমালায় উল্লিখিত সবচেয়ে লঘু এই শাস্তি তাঁকে দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। শাস্তি হিসেবে তার বেতন কমিয়ে প্রায় অর্ধেক করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি চাকরি জীবনে আর কোনো পদোন্নতি পাবেন না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন সচিব শেখ ইউসুফ হারুন বলেন, ‘তদন্ত শেষে তার (আহমেদ কবীর) বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপনও জারি করা হয়েছে। তার বেতন অবনমন করা হয়েছে। এছাড়া তিনি চাকরি জীবনে আর পদোন্নতি পাবেন না। বর্তমান পদ (উপ-সচিব) থেকেই তাকে অবসরে যেতে হবে।’

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, অপরাধ অনুযায়ী আহমেদ কবীরের চাকরি চলে যাওয়ার কথা। তবে স্ত্রী সন্তানের কথা ভেবে তাঁকে চাকরিতে রেখে বেতন গ্রেড কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁরা আরো বলেন, গুরুদণ্ডের সবচেয়ে কম শাস্তি দেওয়া হলেও এই কর্মকর্তার ক্যারিয়ার শেষ ধরতে পারেন।

কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮-তে গুরুদণ্ডের চার শাস্তির মধ্যে রয়েছে নিম্ন পদ বা নিম্ন বেতন গ্রেডে অবনমিতকরণ, বাধ্যতামূলক অবসর, চাকরি থেকে অপসারণ এবং বরখাস্তকরণ।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, নিম্ন পদে নামিয়ে দেওয়ার শাস্তি দেওয়া হলে আহমেদ কবীর বিদ্যমান বেতনই পেতেন। আর নিম্ন বেতন গ্রেডের শাস্তি দেওয়ায় তাঁর বেতন অর্ধেক কমে গেল, তবে তিনি পদে বহাল থাকলেন।

একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার অপরাধ একাধিক তদন্তে প্রমাণিত হওয়ার পর সর্বোচ্চ শাস্তি কেন দেওয়া হয়নি, এমন প্রশ্নে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন গতকাল বুধবার বলেন, ‘বিজ্ঞ তদন্তকারীরা বিদ্যমান আইন-বিধি বিবেচনা করে যে শাস্তি সুপারিশ করেছেন তাতে সরকারী কর্ম কমিশন (পিএসসি) সম্মতি দিয়েছে। একাধিক স্তরে যাছাই করে ও সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে অভিযুক্তকে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হয়েছে বলে আমরা মনে করি।’

আহমেদ কবীরের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে শাস্তি দেওয়ার কথা উল্লেখ করে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘সরকারী কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮-এর বিধি ৪(৩)(ক) মোতাবেক গুরুদণ্ড হিসেবে তিন বছরের জন্য নিম্ন বেতন গ্রেডে অবনমিতকরণ করা হলো।’

আহমেদ কবীর উপসচিব হিসেবে বর্তমানে পঞ্চম গ্রেডে বেতন পান। শাস্তির কারণে এখন থেকে তিনি ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী ষষ্ঠ গ্রেডের সর্বনিম্ন ধাপের বেতন পাবেন। অর্থাৎ একজন সহকারী সচিব পদোন্নতি (সিনিয়র) পাওয়ার পর যে বেতন পান, তিনি এখন সেটা পাবেন। পঞ্চম গ্রেডে মূল বেতন

প্রায় ৭০ হাজার টাকা। এখন থেকে তিনি মূল বেতন পাবেন ৩৫ হাজার টাকা। এই গ্রেডের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ অন্যান্য ভাতা-সুবিধা পাবেন।

জামালপুরের ডিসি হিসেবে কর্মরত থাকাকালে অফিস সহায়ক (পিয়ন) সানজিদা ইয়াসমিন সাধনার সঙ্গে আহমেদ কবীরের আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর বিষয়টি জানাজানির পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে তাঁকে ডিসি পদ থেকে প্রত্যাহার করা হয়। এ ঘটনায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তৎকালীন যুগ্ম সচিব (মাঠ প্রশাসন) ড. মুশফিকুর রহমানের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি ঘটনার সত্যতা পায়। ভিডিও ফুটেজের মৌলিকতা যাছাই করতে সিআইডির সাইবার ফরেনসিক অফিসে মতামতও চাওয়া হয়। এরপর আহমেদ কবীরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার সিদ্ধান্ত হয়। শাস্তি দেওয়ার প্রজ্ঞাপনে আহমেদ কবীরের সাময়িক বরখাস্ত প্রত্যাহারের কথা জানানো হয়েছে।

২০১৯ সালের ৩০ অক্টোবর আহমেদ কবীরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। লিখিত কারণ দর্শানোর সঙ্গে তিনি ব্যক্তিগত শুনানি চান। তাঁর বক্তব্য গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় মন্ত্রণালয় তাঁর বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়। মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (বাজেট) মাসুদুল হাসানের প্রথম তদন্তে ভুল থাকায় দ্বিতীয় দফায় প্রতিবেদন দেন। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আহমেদ কবীরকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেছেন, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮-এর বিধি ৩(খ) অনুযায়ী অসদাচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

শাস্তির প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, তদন্ত প্রতিবেদনসহ অন্য বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে তাঁকে তিন বছরের জন্য নিম্ন বেতন গ্রেডে অবনমিতকরণের গুরুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে পিএসসির পরামর্শ চাওয়া হলে তারা একমত পোষণ করেছে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতিও এই বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরো খবর.......
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বেস্ট অব দ্য বেস্টই চাকরি পাবে: এসপি

জামালপুরের সেই ডিসির বেতন কমে অর্ধেক, পাবেন না পদোন্নতি

আপডেট টাইম : ০৫:৩০:৫৭ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৪ মার্চ ২০২১

জামালপুর প্রতিনিধি।।

নারী অফিস সহায়কের সঙ্গে আপত্তিকর সম্পর্কের ভিডিও ফাঁসে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচিত জামালপুরের সাবেক সেই জেলা প্রশাসক (ডিসি) আহমেদ কবীরের বেতন গ্রেড কমানো হয়েছে। সরকারী কর্মচারী বিধিমালায় উল্লিখিত সবচেয়ে লঘু এই শাস্তি তাঁকে দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। শাস্তি হিসেবে তার বেতন কমিয়ে প্রায় অর্ধেক করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি চাকরি জীবনে আর কোনো পদোন্নতি পাবেন না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন সচিব শেখ ইউসুফ হারুন বলেন, ‘তদন্ত শেষে তার (আহমেদ কবীর) বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপনও জারি করা হয়েছে। তার বেতন অবনমন করা হয়েছে। এছাড়া তিনি চাকরি জীবনে আর পদোন্নতি পাবেন না। বর্তমান পদ (উপ-সচিব) থেকেই তাকে অবসরে যেতে হবে।’

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, অপরাধ অনুযায়ী আহমেদ কবীরের চাকরি চলে যাওয়ার কথা। তবে স্ত্রী সন্তানের কথা ভেবে তাঁকে চাকরিতে রেখে বেতন গ্রেড কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁরা আরো বলেন, গুরুদণ্ডের সবচেয়ে কম শাস্তি দেওয়া হলেও এই কর্মকর্তার ক্যারিয়ার শেষ ধরতে পারেন।

কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮-তে গুরুদণ্ডের চার শাস্তির মধ্যে রয়েছে নিম্ন পদ বা নিম্ন বেতন গ্রেডে অবনমিতকরণ, বাধ্যতামূলক অবসর, চাকরি থেকে অপসারণ এবং বরখাস্তকরণ।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, নিম্ন পদে নামিয়ে দেওয়ার শাস্তি দেওয়া হলে আহমেদ কবীর বিদ্যমান বেতনই পেতেন। আর নিম্ন বেতন গ্রেডের শাস্তি দেওয়ায় তাঁর বেতন অর্ধেক কমে গেল, তবে তিনি পদে বহাল থাকলেন।

একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার অপরাধ একাধিক তদন্তে প্রমাণিত হওয়ার পর সর্বোচ্চ শাস্তি কেন দেওয়া হয়নি, এমন প্রশ্নে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন গতকাল বুধবার বলেন, ‘বিজ্ঞ তদন্তকারীরা বিদ্যমান আইন-বিধি বিবেচনা করে যে শাস্তি সুপারিশ করেছেন তাতে সরকারী কর্ম কমিশন (পিএসসি) সম্মতি দিয়েছে। একাধিক স্তরে যাছাই করে ও সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে অভিযুক্তকে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হয়েছে বলে আমরা মনে করি।’

আহমেদ কবীরের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে শাস্তি দেওয়ার কথা উল্লেখ করে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘সরকারী কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮-এর বিধি ৪(৩)(ক) মোতাবেক গুরুদণ্ড হিসেবে তিন বছরের জন্য নিম্ন বেতন গ্রেডে অবনমিতকরণ করা হলো।’

আহমেদ কবীর উপসচিব হিসেবে বর্তমানে পঞ্চম গ্রেডে বেতন পান। শাস্তির কারণে এখন থেকে তিনি ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী ষষ্ঠ গ্রেডের সর্বনিম্ন ধাপের বেতন পাবেন। অর্থাৎ একজন সহকারী সচিব পদোন্নতি (সিনিয়র) পাওয়ার পর যে বেতন পান, তিনি এখন সেটা পাবেন। পঞ্চম গ্রেডে মূল বেতন

প্রায় ৭০ হাজার টাকা। এখন থেকে তিনি মূল বেতন পাবেন ৩৫ হাজার টাকা। এই গ্রেডের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ অন্যান্য ভাতা-সুবিধা পাবেন।

জামালপুরের ডিসি হিসেবে কর্মরত থাকাকালে অফিস সহায়ক (পিয়ন) সানজিদা ইয়াসমিন সাধনার সঙ্গে আহমেদ কবীরের আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর বিষয়টি জানাজানির পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে তাঁকে ডিসি পদ থেকে প্রত্যাহার করা হয়। এ ঘটনায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তৎকালীন যুগ্ম সচিব (মাঠ প্রশাসন) ড. মুশফিকুর রহমানের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি ঘটনার সত্যতা পায়। ভিডিও ফুটেজের মৌলিকতা যাছাই করতে সিআইডির সাইবার ফরেনসিক অফিসে মতামতও চাওয়া হয়। এরপর আহমেদ কবীরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার সিদ্ধান্ত হয়। শাস্তি দেওয়ার প্রজ্ঞাপনে আহমেদ কবীরের সাময়িক বরখাস্ত প্রত্যাহারের কথা জানানো হয়েছে।

২০১৯ সালের ৩০ অক্টোবর আহমেদ কবীরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। লিখিত কারণ দর্শানোর সঙ্গে তিনি ব্যক্তিগত শুনানি চান। তাঁর বক্তব্য গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় মন্ত্রণালয় তাঁর বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়। মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (বাজেট) মাসুদুল হাসানের প্রথম তদন্তে ভুল থাকায় দ্বিতীয় দফায় প্রতিবেদন দেন। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আহমেদ কবীরকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেছেন, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮-এর বিধি ৩(খ) অনুযায়ী অসদাচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

শাস্তির প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, তদন্ত প্রতিবেদনসহ অন্য বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে তাঁকে তিন বছরের জন্য নিম্ন বেতন গ্রেডে অবনমিতকরণের গুরুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে পিএসসির পরামর্শ চাওয়া হলে তারা একমত পোষণ করেছে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতিও এই বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।