ঢাকা ০৩:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩

নামধারী হিজরা হতে সাবধান!!!

Laxmi Narayan Tripathi on a parade float, during the Royal Bath parade. Photo taken during Kumbh Mela 2019 in Prayagraj (Allahabad), India. Laxmi Narayan Tripathi (known as Laxmi, sometimes transliterated as Lakshmi) is a transgender rights activist and Bharatanatyam dancer from Mumbai. She is the founder of the Kinnar Akhada, and the main responsible for the Hijra to be accepted and established as an akhada in Kimbh Mela celebrations. Hijra are eunuchs, intersex people, and transgender people. They were gathered in Kinnar Akhada and for the first time, they were allowed to set their own camp in the tent city, and had a major role on the processions. Kumbh Mela or Kumbha Mela is a major pilgrimage and festival in Hinduism, and probably the greatest religious festival in the World. It is celebrated in a cycle of approximately 12 years at four river-bank pilgrimage sites: the Allahabad (Ganges-Yamuna Sarasvati rivers confluence), Haridwar (Ganges), Nashik (Godavari), and Ujjain (Shipra). The festival is marked by a ritual dip in the waters, but it is also a celebration of community commerce with numerous fairs, education, religious discourses by saints, mass feedings of monks or the poor, and entertainment spectacles. Pilgrims believe that bathing in these rivers is a means to cleanse them of their sins and favour a better next incarnation.

ভিকটিমের সাক্ষৎকার সরাসরি তুলে ধরা হল
সমীর কুমার দাস (ছদ্ম নাম) জানাচ্ছিলেন যে, গত ২৬/০৮/২০২৩ ইংরেজী রোজ শনিবার বরিশাল থেকে বাস যোগে সায়েদাবাদ নামি। আমি সায়েদাবাদ থেকে রামপুরা উদ্দেশে রাইদা বাসে উঠি গাড়ি টা কমলাপুর কাছাকাছি আসার আগে একজন হিজরা আমার বাসে উঠে। তার মাথায় পুরুষের মত ছোট ছোট চুল গায়ের রং শ্যামলা, পান খেয়ে তার দাত কালো করে ফেলেছে পরনে তার শাড়ি। তিনি কিছু লোককে টার্গেট করে টাকা চাইলো এমন ভাবে প্রত্যেক যাত্রীর পেন্টের পকেটে উপর জোরে জোরে ধাক্কা দিচ্ছিলো আমি তা লক্ষ্য করি এবং মনে মনে ভাবতেছি অন্যান্য হিজরারাতো এভাবে গায়ে হাত দিয়ে টাকা নেয় না আবার তাদের অসহায়ত্বের দিক ভেবে চুপ করে রইলাম। একটা সময় কয়েকজনকে বাদ দিয়ে আমার কাছে আসলো অন্যদের মতো আমার কাছে ঠিক সেই রকম জোরে জোরে ধাক্কা দিতে থাকলো। এমন জোরে ধাক্কা দিচ্ছিলো আমি ব্যাথা পেতে ছিলাম তখন আমি তাকে বললাম আপনি টাকা চেয়েছেন টাকা নিবেন কিন্তু এভাবে ধাক্কাছেন কেনো তখন একটু চুপ থাকে পিছনে আরেক জনকে সেভাবে ধাক্কাছে। পরে আবার আমার কাছে এসে আবার পেন্টর পকেটের উপর আবার ধাক্কানোর ফাকে আমার মানি ব্যাগ নেয় আমার মোবাইলটাও নেওয়ার চেস্টা করছিলো। সে আরেকটা বুদ্ধি করলো ২০ টাকার একটা নোট মোচরানো করে নিচে ফেলিইয়ে রাখলো পাসে একজন ওনাকে বললো আপনার টাকা পরছে আমি বললাম ওনার টাকাতো হাতে টান করা এতো মোচরানো টাকা ওনার হবে কিভাবে তখনো আমরা বুঝতে পারি নাই উনি হিজরা ছদ্দবেশে ছিনতাই করতেছে। পিছনের একজনের মোবাইল আরো কত জনের মোবাইল মানিব্যাগ পাচ্ছিলো না। সে গাড়ি থেকে নামার সাথে সাথে কেউ বলতেছে আমার মোবাইল নাই সে গাড়ি থেকে নেমে তার পিছনে দৌড়াতে দৌড়াতে তাকে ধরতে গেলো। আর আমার যে মানি ব্যাগ নিলো আমি বিন্দু মাত্র আলাপ পাই নাই। আমি বাসায় এসে দেখি আমার মানি ব্যাগ নেই। এভাবে প্রতিনিয়ত এদের কারনে মানুষ প্রতারিত হচ্ছে এবং এই হিজরাদের তাদের এই আচরনের কারনে মানুষ তাদের প্রতি দিন দিন ঘৃনার চোখে দেখতেছে । ঢাকার শহরে এখন হিজরাদের যন্ত্রনায় বাসে উঠা যায় না। গাড়িতে উঠে প্রত্যেক যাত্রীদের এভাবে প্রতিনিয়ত কোনো না কোনো সমস্যায় পরতে হয় । তাই আমি প্রশাসনের দৃস্টি আকর্ষন করতে চাই যে যাতে আর কোনো মানুষ বাসে উঠে এভাব হয়রানি হতে না হয়। তাদের যার্নিটা যেন চিন্তা মুক্ত হয়। সে ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।

আরো খবর.......
জনপ্রিয় সংবাদ

নামধারী হিজরা হতে সাবধান!!!

আপডেট টাইম : ১১:২৭:৪৫ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ২৮ আগস্ট ২০২৩

ভিকটিমের সাক্ষৎকার সরাসরি তুলে ধরা হল
সমীর কুমার দাস (ছদ্ম নাম) জানাচ্ছিলেন যে, গত ২৬/০৮/২০২৩ ইংরেজী রোজ শনিবার বরিশাল থেকে বাস যোগে সায়েদাবাদ নামি। আমি সায়েদাবাদ থেকে রামপুরা উদ্দেশে রাইদা বাসে উঠি গাড়ি টা কমলাপুর কাছাকাছি আসার আগে একজন হিজরা আমার বাসে উঠে। তার মাথায় পুরুষের মত ছোট ছোট চুল গায়ের রং শ্যামলা, পান খেয়ে তার দাত কালো করে ফেলেছে পরনে তার শাড়ি। তিনি কিছু লোককে টার্গেট করে টাকা চাইলো এমন ভাবে প্রত্যেক যাত্রীর পেন্টের পকেটে উপর জোরে জোরে ধাক্কা দিচ্ছিলো আমি তা লক্ষ্য করি এবং মনে মনে ভাবতেছি অন্যান্য হিজরারাতো এভাবে গায়ে হাত দিয়ে টাকা নেয় না আবার তাদের অসহায়ত্বের দিক ভেবে চুপ করে রইলাম। একটা সময় কয়েকজনকে বাদ দিয়ে আমার কাছে আসলো অন্যদের মতো আমার কাছে ঠিক সেই রকম জোরে জোরে ধাক্কা দিতে থাকলো। এমন জোরে ধাক্কা দিচ্ছিলো আমি ব্যাথা পেতে ছিলাম তখন আমি তাকে বললাম আপনি টাকা চেয়েছেন টাকা নিবেন কিন্তু এভাবে ধাক্কাছেন কেনো তখন একটু চুপ থাকে পিছনে আরেক জনকে সেভাবে ধাক্কাছে। পরে আবার আমার কাছে এসে আবার পেন্টর পকেটের উপর আবার ধাক্কানোর ফাকে আমার মানি ব্যাগ নেয় আমার মোবাইলটাও নেওয়ার চেস্টা করছিলো। সে আরেকটা বুদ্ধি করলো ২০ টাকার একটা নোট মোচরানো করে নিচে ফেলিইয়ে রাখলো পাসে একজন ওনাকে বললো আপনার টাকা পরছে আমি বললাম ওনার টাকাতো হাতে টান করা এতো মোচরানো টাকা ওনার হবে কিভাবে তখনো আমরা বুঝতে পারি নাই উনি হিজরা ছদ্দবেশে ছিনতাই করতেছে। পিছনের একজনের মোবাইল আরো কত জনের মোবাইল মানিব্যাগ পাচ্ছিলো না। সে গাড়ি থেকে নামার সাথে সাথে কেউ বলতেছে আমার মোবাইল নাই সে গাড়ি থেকে নেমে তার পিছনে দৌড়াতে দৌড়াতে তাকে ধরতে গেলো। আর আমার যে মানি ব্যাগ নিলো আমি বিন্দু মাত্র আলাপ পাই নাই। আমি বাসায় এসে দেখি আমার মানি ব্যাগ নেই। এভাবে প্রতিনিয়ত এদের কারনে মানুষ প্রতারিত হচ্ছে এবং এই হিজরাদের তাদের এই আচরনের কারনে মানুষ তাদের প্রতি দিন দিন ঘৃনার চোখে দেখতেছে । ঢাকার শহরে এখন হিজরাদের যন্ত্রনায় বাসে উঠা যায় না। গাড়িতে উঠে প্রত্যেক যাত্রীদের এভাবে প্রতিনিয়ত কোনো না কোনো সমস্যায় পরতে হয় । তাই আমি প্রশাসনের দৃস্টি আকর্ষন করতে চাই যে যাতে আর কোনো মানুষ বাসে উঠে এভাব হয়রানি হতে না হয়। তাদের যার্নিটা যেন চিন্তা মুক্ত হয়। সে ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।