ঢাকা ১০:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৫
সংবাদ শিরোনাম ::
সাউন্ড থেরাপির উপকারীতা সত্যিই চমকে যাওয়ার মতোই বেক্সিমকো শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ মেংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারী সংঘের নির্বাচন বানচালে সক্রিয় আওয়ামী লীগ বিক্ষোভ মিছিল প্রদর্শন হুমকি দেওয়া বিমানের সেই ফ্লাইটে তল্লাশি চালিয়ে যা জানাল কর্তৃপক্ষ মোবাইল ও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের খরচ নিয়ে সুখবর কোস্ট গার্ডের অভিযানে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র সহ ০২ জন দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী আটক মোংলায় জমি জমার বিরোধের জেরে সংঘর্ষ আহত ৩ কালিয়াকৈরে উঠান বৈঠক ও বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারী সংঘের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু নওগাঁর নিয়ামতপুরে সমতল ভূমিতে বসবাসর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাঝে মুরগি ও মুরগির উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠান

বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে উত্তর অঞ্চলের ১৬টি জেলায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যহত

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, স্টাফ রিপোর্টার।
  • আপডেট টাইম : ০৯:৩৭:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ নভেম্বর ২০২২
  • / ১৯১ ৫০০০.০ বার পাঠক

দেশের উত্তর অঞ্চলের দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যহত। কৃষি ও শিল্প খাতে উৎপাদন বৃদ্ধি। দেশের উত্তর অঞ্চলের দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে উত্তর অঞ্চলের ১৬টি জেলায় কৃষি খাতে উৎপাদন ও শিল্পখাতে উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলের দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি সংলগ্ন ৫২৫ মেগাওয়াড কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে উত্তর অঞ্চলের কৃষিকে এগিয়ে নিতে এবং কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি করতে ও শিল্প খাতের উৎপাদন এগিয়ে নিতে এই কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যহত থাকায় প্রায় ১ কোটি হেক্টর জমিতে চলতি বছর ইরি বোর ধান চাষ করনের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যহত রাখা হয়েছে। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির উৎপাদিত কয়লা দিয়ে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন সচল রাখা হয়েছে। চাহিদা মাফিক বিদু্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। ২০১৬ ইং সালে ৩য় ইউনিট নির্মানের পর থেকে এই এলাকায় বিদ্যুৎ ঘটতি অনেকটা কমে গেছে। বর্তমান ২য় ও ৩য় ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যহত রয়েছে। যাতে কোনভাবে চলতি বছর ইরি বোর ধান চাষে না সৃষ্টি হয়। বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী এসএম ওয়াজেদ আলী সরদার ২০২০ ইং সালে যোগদান করার পর তিনি প্রকৌশলী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিকদের কে নিয়ে অক্লান্ত পরিশ্রম করে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৩টি ইউনিট পুরোপুরি সচল করেছেন। এছাড়া তিনি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর শর্ত বর্ষ উপলক্ষে মুজিব কর্ণার, মসজিদ ও শহীদ মিনার সহ অসংখ্য উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। তিনি চলতি বছরের অক্টোবর মাসে প্রমশন নিয়ে এর চলে যান। চলে যাওয়ার আগে তিনি বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রকে সচল অবস্থায় উৎপাদন বৃদ্ধি করে চলেযান। চলে যাওয়ার আগে এলাকার বিভিন্ন সুধিজনদের সাথে ভালো সম্পর্ক রেখে চলেছেন। দায়িত্বভার পাওয়ার পর থেকে তিনি সতত্য ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে চলেছেন। এ জন্য বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সকল প্রকৌশলী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শ্রমিক ও এলাকাবাসী তার ভূয়সী প্রসংশা করেছেন।

আরো খবর.......

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে উত্তর অঞ্চলের ১৬টি জেলায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যহত

আপডেট টাইম : ০৯:৩৭:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ নভেম্বর ২০২২

দেশের উত্তর অঞ্চলের দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যহত। কৃষি ও শিল্প খাতে উৎপাদন বৃদ্ধি। দেশের উত্তর অঞ্চলের দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে উত্তর অঞ্চলের ১৬টি জেলায় কৃষি খাতে উৎপাদন ও শিল্পখাতে উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলের দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি সংলগ্ন ৫২৫ মেগাওয়াড কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে উত্তর অঞ্চলের কৃষিকে এগিয়ে নিতে এবং কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি করতে ও শিল্প খাতের উৎপাদন এগিয়ে নিতে এই কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যহত থাকায় প্রায় ১ কোটি হেক্টর জমিতে চলতি বছর ইরি বোর ধান চাষ করনের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যহত রাখা হয়েছে। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির উৎপাদিত কয়লা দিয়ে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন সচল রাখা হয়েছে। চাহিদা মাফিক বিদু্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। ২০১৬ ইং সালে ৩য় ইউনিট নির্মানের পর থেকে এই এলাকায় বিদ্যুৎ ঘটতি অনেকটা কমে গেছে। বর্তমান ২য় ও ৩য় ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যহত রয়েছে। যাতে কোনভাবে চলতি বছর ইরি বোর ধান চাষে না সৃষ্টি হয়। বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী এসএম ওয়াজেদ আলী সরদার ২০২০ ইং সালে যোগদান করার পর তিনি প্রকৌশলী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিকদের কে নিয়ে অক্লান্ত পরিশ্রম করে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৩টি ইউনিট পুরোপুরি সচল করেছেন। এছাড়া তিনি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর শর্ত বর্ষ উপলক্ষে মুজিব কর্ণার, মসজিদ ও শহীদ মিনার সহ অসংখ্য উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। তিনি চলতি বছরের অক্টোবর মাসে প্রমশন নিয়ে এর চলে যান। চলে যাওয়ার আগে তিনি বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রকে সচল অবস্থায় উৎপাদন বৃদ্ধি করে চলেযান। চলে যাওয়ার আগে এলাকার বিভিন্ন সুধিজনদের সাথে ভালো সম্পর্ক রেখে চলেছেন। দায়িত্বভার পাওয়ার পর থেকে তিনি সতত্য ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে চলেছেন। এ জন্য বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সকল প্রকৌশলী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শ্রমিক ও এলাকাবাসী তার ভূয়সী প্রসংশা করেছেন।